জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬

ও গণভোট

ক্লিক করুন

শামীম ওসমানসহ ১২ জনকে হাজিরে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ ট্রাইব্যুনালের

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ০৪ মার্চ ২০২৬, ২১: ২৯
শামীম ওসমানসহ ১২ জনকে ট্রাইব্যুনালে হাজিরে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ। ছবি: সংগৃহীত

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় নারায়ণগঞ্জের সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমানসহ ১২ জন পলাতক আসামিকে হাজির হতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাঁদের গ্রেপ্তার করতে না পারায় রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে বুধবার (৪ মার্চ) ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

আদেশে ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রারকে আসামিদের হাজির হওয়ার নির্দেশনাসংবলিত বিজ্ঞপ্তি একটি বাংলা ও একটি ইংরেজি দৈনিকে প্রকাশের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ১৫ মার্চ দিন ধার্য করেছেন আদালত।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর তারেক আবদুল্লাহ। শুনানিতে তিনি আসামিদের বিরুদ্ধে এর আগে জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা তামিলের অগ্রগতি সম্পর্কে আদালতকে অবহিত করেন।

আদেশের পর প্রসিকিউটর তারেক আবদুল্লাহ সাংবাদিকদের বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা আসামিদের স্থায়ী ও অস্থায়ী ঠিকানায় গিয়েও তাদের খুঁজে পাননি। এই প্রেক্ষাপটে ১২ আসামিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়ে দুটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের আবেদন জানানো হয়। পরে ট্রাইব্যুনাল আবেদনটি মঞ্জুর করেন।’

মামলার নথিপত্র অনুযায়ী, এই মামলার অন্যতম প্রধান আসামি নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমান। এ ছাড়া আসামির তালিকায় তাঁর ছেলে ইমতিনান ওসমান অয়ন ওরফে অয়ন ওসমান এবং ভাতিজা আজমেরী ওসমানের নাম রয়েছে। তবে তদন্তের স্বার্থে মামলার বাকি আসামিদের নাম এখনও প্রকাশ করেনি প্রসিকিউশন।

এর আগে, গত ১৯ জানুয়ারি এই ১২ জনের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের দেওয়া আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন ট্রাইব্যুনাল।

প্রসিকিউশনের অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ১৯ ও ২১ জুলাই এবং ৫ আগস্ট নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা ও সাইনবোর্ড এলাকায় ১০ জনকে হত্যা করা হয়। ছাত্র-জনতার গণআন্দোলন চলাকালে অভিযুক্ত আসামিরা সবাই অস্ত্রধারী ছিলেন। এসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে শামীম ওসমানসহ ১২ জনকে আসামি করে মানবতাবিরোধী অপরাধের তিনটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছে।

সম্পর্কিত