স্ট্রিম প্রতিবেদক

সরকারি প্রতিষ্ঠানের দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বাড়াতে বাংলাদেশকে ২৫ কোটি মার্কিন ডলারের অর্থায়ন দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। আজ রবিবার (২৮ জুন) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংস্থাটি জানায়, পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের ডিজিটাল রূপান্তর ও আধুনিকায়নে এই অর্থ ব্যয় করা হবে।
‘স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির জন্য প্রতিষ্ঠান শক্তিশালীকরণ’ (এসআইটিএ) প্রকল্পের আওতায় এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১২ জুন অনুমোদিত এই প্রকল্পের লক্ষ্য হলো সরকারি খাতের কার্যকারিতা বাড়ানো, তথ্যভিত্তিক নীতিনির্ধারণ নিশ্চিত করা এবং সেবা প্রদানে দক্ষতা বৃদ্ধি করা। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে সরকারি আর্থিক ব্যবস্থাপনা, রাজস্ব প্রশাসন, সরকারি ক্রয়, নিরীক্ষা ও পরিসংখ্যান ব্যবস্থায় বিদ্যমান দুর্বলতা দূর করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
বিশ্বব্যাংক বলছে, উচ্চ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা পূরণে শক্তিশালী সরকারি প্রতিষ্ঠান অপরিহার্য। তবে সরকারি আর্থিক ব্যবস্থাপনা, তথ্যব্যবস্থা, ক্রয়প্রক্রিয়া এবং রাজস্ব আহরণে বিদ্যমান সীমাবদ্ধতা এখনো দেশের উন্নয়নের গতি বাধাগ্রস্ত করছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)-কে একটি সমন্বিত জাতীয় তথ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে সহায়তা করা হবে, যাতে উচ্চমানের পরিসংখ্যান উৎপাদন এবং তথ্যভিত্তিক নীতিনির্ধারণ সহজ হয়। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর প্রশাসন আধুনিকায়নের জন্য স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা, ই-ইনভয়েসিং (ইলেকট্রনিক চালান ব্যবস্থা) এবং সমন্বিত ডিজিটাল সিস্টেম চালু করা হবে, যা কর পরিপালন বৃদ্ধি এবং অভ্যন্তরীণ রাজস্ব আহরণ জোরদারে সহায়ক হবে।
এ ছাড়া পরিকল্পনা বিভাগে সরকারি বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করতে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক বিশ্লেষণ এবং ‘রিয়েল-টাইম’ পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে। বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটির (বিপিপিএ) ই-জিপি (ইলেকট্রনিক সরকারি ক্রয়) ব্যবস্থায় উন্নত ডিজিটাল সুবিধা যুক্ত করা হবে, যাতে সরকারি ক্রয়প্রক্রিয়ায় দক্ষতা, স্বচ্ছতা এবং অর্থের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা যায়।
প্রকল্পের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের (সিএজি) কার্যালয় আধুনিকায়ন। নিরীক্ষা কার্যক্রম ডিজিটাল করা হবে এবং আর্থিক তদারকি আরও কার্যকর করা হবে। বর্তমানে যেখানে নিরীক্ষা প্রতিবেদন প্রকাশে গড়ে ৭২ মাস সময় লাগে, সেখানে প্রকল্পের মাধ্যমে তা কমিয়ে ৯ মাসে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকির উদ্ধৃতি দিয়ে বিশ্বব্যাংকের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জনগণের আরও উন্নত সেবা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সরকার সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করা এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সরকারি ক্রয়, তথ্যের মান, অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণ, সরকারি আর্থিক ব্যবস্থাপনা এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বাড়ানোর মাধ্যমে এই প্রকল্প কার্যকর সেবা প্রদান নিশ্চিত করবে। একই সঙ্গে সরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতি জনগণের আস্থা বৃদ্ধি এবং জবাবদিহি জোরদার হবে বলেও আশা প্রকাশ করা হয়।
বাংলাদেশ ও ভুটানের জন্য বিশ্বব্যাংকের বিভাগীয় পরিচালক জ্যঁ পেসমে বলেন, ‘বাংলাদেশের আগামী পর্যায়ের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য এমন সরকারি প্রতিষ্ঠান প্রয়োজন, যেগুলোর ওপর জনগণ ও বিনিয়োগকারীরা আস্থা রাখতে পারেন। এসআইটিএ প্রকল্পের মাধ্যমে সরকারের মূল প্রতিষ্ঠানগুলো আধুনিকায়নের পাশাপাশি তথ্যের গুণগত মান উন্নত হবে, ফলে আরও কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণ, ফলাফল পর্যবেক্ষণ এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।’

সরকারি প্রতিষ্ঠানের দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বাড়াতে বাংলাদেশকে ২৫ কোটি মার্কিন ডলারের অর্থায়ন দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। আজ রবিবার (২৮ জুন) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংস্থাটি জানায়, পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের ডিজিটাল রূপান্তর ও আধুনিকায়নে এই অর্থ ব্যয় করা হবে।
‘স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির জন্য প্রতিষ্ঠান শক্তিশালীকরণ’ (এসআইটিএ) প্রকল্পের আওতায় এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১২ জুন অনুমোদিত এই প্রকল্পের লক্ষ্য হলো সরকারি খাতের কার্যকারিতা বাড়ানো, তথ্যভিত্তিক নীতিনির্ধারণ নিশ্চিত করা এবং সেবা প্রদানে দক্ষতা বৃদ্ধি করা। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে সরকারি আর্থিক ব্যবস্থাপনা, রাজস্ব প্রশাসন, সরকারি ক্রয়, নিরীক্ষা ও পরিসংখ্যান ব্যবস্থায় বিদ্যমান দুর্বলতা দূর করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
বিশ্বব্যাংক বলছে, উচ্চ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা পূরণে শক্তিশালী সরকারি প্রতিষ্ঠান অপরিহার্য। তবে সরকারি আর্থিক ব্যবস্থাপনা, তথ্যব্যবস্থা, ক্রয়প্রক্রিয়া এবং রাজস্ব আহরণে বিদ্যমান সীমাবদ্ধতা এখনো দেশের উন্নয়নের গতি বাধাগ্রস্ত করছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)-কে একটি সমন্বিত জাতীয় তথ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে সহায়তা করা হবে, যাতে উচ্চমানের পরিসংখ্যান উৎপাদন এবং তথ্যভিত্তিক নীতিনির্ধারণ সহজ হয়। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর প্রশাসন আধুনিকায়নের জন্য স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা, ই-ইনভয়েসিং (ইলেকট্রনিক চালান ব্যবস্থা) এবং সমন্বিত ডিজিটাল সিস্টেম চালু করা হবে, যা কর পরিপালন বৃদ্ধি এবং অভ্যন্তরীণ রাজস্ব আহরণ জোরদারে সহায়ক হবে।
এ ছাড়া পরিকল্পনা বিভাগে সরকারি বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করতে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক বিশ্লেষণ এবং ‘রিয়েল-টাইম’ পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে। বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটির (বিপিপিএ) ই-জিপি (ইলেকট্রনিক সরকারি ক্রয়) ব্যবস্থায় উন্নত ডিজিটাল সুবিধা যুক্ত করা হবে, যাতে সরকারি ক্রয়প্রক্রিয়ায় দক্ষতা, স্বচ্ছতা এবং অর্থের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা যায়।
প্রকল্পের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের (সিএজি) কার্যালয় আধুনিকায়ন। নিরীক্ষা কার্যক্রম ডিজিটাল করা হবে এবং আর্থিক তদারকি আরও কার্যকর করা হবে। বর্তমানে যেখানে নিরীক্ষা প্রতিবেদন প্রকাশে গড়ে ৭২ মাস সময় লাগে, সেখানে প্রকল্পের মাধ্যমে তা কমিয়ে ৯ মাসে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকির উদ্ধৃতি দিয়ে বিশ্বব্যাংকের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জনগণের আরও উন্নত সেবা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সরকার সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করা এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সরকারি ক্রয়, তথ্যের মান, অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণ, সরকারি আর্থিক ব্যবস্থাপনা এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বাড়ানোর মাধ্যমে এই প্রকল্প কার্যকর সেবা প্রদান নিশ্চিত করবে। একই সঙ্গে সরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতি জনগণের আস্থা বৃদ্ধি এবং জবাবদিহি জোরদার হবে বলেও আশা প্রকাশ করা হয়।
বাংলাদেশ ও ভুটানের জন্য বিশ্বব্যাংকের বিভাগীয় পরিচালক জ্যঁ পেসমে বলেন, ‘বাংলাদেশের আগামী পর্যায়ের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য এমন সরকারি প্রতিষ্ঠান প্রয়োজন, যেগুলোর ওপর জনগণ ও বিনিয়োগকারীরা আস্থা রাখতে পারেন। এসআইটিএ প্রকল্পের মাধ্যমে সরকারের মূল প্রতিষ্ঠানগুলো আধুনিকায়নের পাশাপাশি তথ্যের গুণগত মান উন্নত হবে, ফলে আরও কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণ, ফলাফল পর্যবেক্ষণ এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।’
.png)

সংবাদ প্রকাশের জেরে প্রাণনাশসহ নানা হুমকিধামকির পরিপ্রেক্ষিতে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে ঢাকা স্ট্রিম কর্তৃপক্ষ। গত শুক্রবার (২৬ জুন) রাজধানীর কলাবাগান থানায় জিডি করার কথা জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানের হেড অব কমিউনিকেশন এস. এম. মিনহাজুর রহমান।
১৯ মিনিট আগে
রাজধানীর আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ছয় শিশুর মৃত্যুর ঘটনা কোনো সাধারণ দুর্ঘটনা নয়, বরং কর্তৃপক্ষের চরম অবহেলার ফল বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
৩৩ মিনিট আগে
খুচরা ব্যবসায়ীদের ওপর ‘স্পেসিফিক ভ্যাট’ নামে প্যাকেজ আকারে নতুন ভ্যাট আরোপের পরিকল্পনা ছিল সরকারের। তবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে জানা গেছে, এখনই সেই ভ্যাট আরোপের পরিকল্পনা নেই সরকারের।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় পর্যায়ে মাছ উৎপাদন ও বিপণন প্রক্রিয়াকে কর ও ভ্যাটমুক্ত রাখতে নির্দেশনা দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সরবরাহকারী বা বিক্রেতার বিল থেকে আর উৎসে ভ্যাট বা কর কর্তন করা হবে না।
১ ঘণ্টা আগে