leadT1ad

চলন্ত মোটরসাইকেল আরোহীকে ইট ছোড়ার ঘটনায় গ্রেপ্তার ২

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ১২ জুন ২০২৬, ১৬: ৩৮
গ্রেপ্তার পারভেজ ও আনোয়ার হোসেন বাবু। সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর কাফরুলে মোটরসাইকেল আরোহীকে ইট দিয়ে আঘাত করে গুরুতর আহত করার ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে কাফরুল থানা-পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন পারভেজ (৩০) ও আনোয়ার হোসেন বাবু (৩২)।

গতকাল বৃহস্পতিবার (১১ জুন) ময়মনসিংহ জেলার ধোবাউড়া থানার ভারতীয় সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান চালিয়ে পারভেজকে গ্রেপ্তার করা হয়। অপর অভিযানিক দল রাজধানীর ইব্রাহিমপুর এলাকা থেকে আনোয়ার হোসেন বাবুকে গ্রেপ্তার করে।

কাফরুল থানা সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার রাত দেড়টার দিকে মোটরসাইকেলে করে বাসায় ফিরছিলেন রাফি। ইব্রাহিমপুর পাকা রাস্তায় পৌঁছলে পূর্বশত্রুতার জেরে রাফির মাথা আঘাত কয়ে কয়েকজন দুষ্কৃতিকারী। এতে রাফি গুরুতর আহত হন এবং মোটরসাইকেলসহ রাস্তায় পড়ে যান। পরে ওই দুষ্কৃতিকারীরাই রাফিকে একটি অটোরিকশায় তুলে ঘটনাস্থল থেকে নিয়ে যায়। পরে এ ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এরপর ঘটনাস্থল থেকে রাফির মোটরসাইকেলটি পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় রাফির চাচা নুর হোসেন বাদী হয়ে কাফরুল থানায় হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা করেন।

কাফরুল থানা সূত্রে আরও জানা গেছে, মামলাটি তদন্তের সময় ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ঘটনায় জড়িত চারজনকে শনাক্ত করে কাফরুল থানা-পুলিশ। তারা হলেন মো. পারভেজ, ফয়সাল ওরফে কালু, আনোয়ার হোসেন বাবু ও আমিন।

প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ জানিয়েছে, রাফির বাসায় ভাড়া থাকতেন পারভেজ। পারভেজ ও তার সহযোগীরা মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এ নিয়ে রাফির সঙ্গে তাদের বিরোধ সৃষ্টি হয়। সর্বশেষ গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাফির সঙ্গে পারভেজ ও কালুর কথাকাটাকাটি হয়। এর জেরে তারা রাফিকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেয়। পরদিন রাত একটার দিকে পূর্ব শেওড়াপাড়া এলাকায় অবস্থান নেন তাঁরা। পরে রাফি মোটরসাইকেল নিয়ে সেখানে পৌঁছালে আমিন তার গতিরোধের চেষ্টা করেন এবং মোটরসাইকেল না থামালে পারভেজ ইট দিয়ে তার মাথায় আঘাত করেন।

পুলিশ আরও জানিয়ে, ‘ঘটনার পর আসামিরা বিষয়টি ভিন্নখাতে নেওয়ার চেষ্টা করে এবং আশপাশের লোকজনকে জানায়, ওপর থেকে ইট পড়ে রাফি আহত হয়েছেন। পরে তারা রাফিকে অটোরিকশায় করে নিয়ে গিয়ে ইব্রাহিমপুর এলাকায় ফেলে রেখে চলে যায়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা পারভেজ ও কালুর বিরুদ্ধে ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন থানায় একাধিক মাদক মামলা রয়েছে।

Ad 300x250

সম্পর্কিত