রাজধানীর ভবঘুরে
স্ট্রিম প্রতিবেদক

আয় নেই, মাথা গোঁজার ঠায় নেই, অনেকের পরিচয়টুকুও নেই। রাজধানীর সড়কগুলোতে পা বাড়ালে এমন অনেকের দেখা মেলে। ঈদের ছুটিতে ফাঁকা হয়ে যাওয়া নগরে তারা যেন আরও বেশি দৃশ্যমান।
শনিবার (২১ মার্চ) রাজধানীবাসী যখন ঈদুল ফিতর উদযাপনে ব্যস্ত এই মানুষগুলোর মধ্যে দেখা যায় না কোনো ভাবাবেগ। এ যেন আর ১০টা দিনের মতোই স্বাভাবিক।
বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে পরিবাগ জামে মসজিদের সামনে দেখা মেলে এমনই একজনের। নাম জানালেন টাইগার। কথা প্রসঙ্গে জানা গেল, বুদ্ধি হওয়ার পর মা-বাবাকে পাননি তিনি৷ স্থায়ী ঠিকানা, জন্ম নিবন্ধন বা এনআইডি কার্ডের মতো পরিচয়পত্রগুলোও নেই৷ নামটাও পেয়েছেন লোকমুখে।
ঈদ নিয়ে জানতে চাইলে স্ট্রিমকে টাইগার বলেন, ‘আমার তো কেউ নাই৷ রাস্তাঘাটে থাকি৷ বোতল টুকায়ে বিক্রি করি৷ দিনে ৮০ থেকে ১০০ টাকা পাই৷ ওই টাকা দিয়া কি ঈদ হয়!’
খাবার কী খেয়েছেন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘সকাল থেকে মসজিদের সামনে বসে আছি৷ ঈদের নামাজের পরে মানুষ কিছু টাকা পয়সা দিয়েছে৷ ওইগুলা দিয়া চা, রুটি আর পরোটা খাইছি৷’
কারওয়ান বাজারের পান্থকুঞ্জ পার্কে থাকেন মসুনা বেগম এমনই আরেকজন৷ এক বছর আগে তাঁর মুখে টিউমার দেখা দেয়৷ চিকিৎসা করাতে পারেননি৷ সম্প্রতি পানি জমেছে হাতে৷ সেটারও চিকিৎসা হয়নি৷ তাঁর সম্পদ বলতে ছিল এনআইডি কার্ড, একটা ব্যাগ, ছোট একটি বিছানা, একটা ফিচার ফোন, কিছু কাপড় আর ৮০০ টাকা৷ চাঁদরাতে তাও চুরি হয়ে গেছে৷
পান্থকুঞ্জ পার্কে যখন এই বৃদ্ধার সঙ্গে দেখা হয় জীবনের শেষ সম্বলটুকু হারিয়ে কাঁদছিলেন৷ মসুনা বেগম স্ট্রিমকে বলেন, ‘আমার সব হারায়ে গেছে বাবা৷ আমার তো কিছু নাই৷ এখানেই থাকি৷ আমি এহন ক্যামনে ঘুমামু, কী খামু? আমি এহন কই যামু বাবা!’
কিছু না পেলেও এনআইডি কার্ডটা ফেরত পেতে চান মসুনা৷ তিনি বলেন, ‘আমার তো ঘর নাই৷ এনআইডি কার্ডটাই আমার পরিচয়। কার্ড ক্যামনে পামু বাবা!’
পার্কে মাসুনা বেগমের মতো আরও অনেকে বসে আছেন৷ কেউ ঘুমাচ্ছেন৷ তাঁদের কারও ঘর নেই৷ ফুটপাতে থাকেন৷ ঈদে নেই নতুন পোশাক। খাবারই খেয়েছেন একবেলা৷ তাঁদের মধ্যে ঈসমাইল ‘ভালো কাজের হোটেল’ থেকে একবেলা খাবার পেয়েছেন৷ সেটাই তাঁর ঈদের খাবার৷
ঈসমাইল স্ট্রিমকে বলেন, ‘আমার ঈদের কিছু নাই৷ তয় ভালো কাজের হোটেল থেকে ভালো খানা দুছে৷ পোলাও আর মুরগি। এইটাই ঈদের আনন্দ৷’
খাবার ছাড়া আর কিছু পেয়েছেন কিনা প্রশ্নে ঈসমাইল বলেন, ‘পোলাপানরে কাপড় দিছে৷ খাওন দিছে৷ আমগোরে আর কিছু দেয় নাই৷’

আয় নেই, মাথা গোঁজার ঠায় নেই, অনেকের পরিচয়টুকুও নেই। রাজধানীর সড়কগুলোতে পা বাড়ালে এমন অনেকের দেখা মেলে। ঈদের ছুটিতে ফাঁকা হয়ে যাওয়া নগরে তারা যেন আরও বেশি দৃশ্যমান।
শনিবার (২১ মার্চ) রাজধানীবাসী যখন ঈদুল ফিতর উদযাপনে ব্যস্ত এই মানুষগুলোর মধ্যে দেখা যায় না কোনো ভাবাবেগ। এ যেন আর ১০টা দিনের মতোই স্বাভাবিক।
বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে পরিবাগ জামে মসজিদের সামনে দেখা মেলে এমনই একজনের। নাম জানালেন টাইগার। কথা প্রসঙ্গে জানা গেল, বুদ্ধি হওয়ার পর মা-বাবাকে পাননি তিনি৷ স্থায়ী ঠিকানা, জন্ম নিবন্ধন বা এনআইডি কার্ডের মতো পরিচয়পত্রগুলোও নেই৷ নামটাও পেয়েছেন লোকমুখে।
ঈদ নিয়ে জানতে চাইলে স্ট্রিমকে টাইগার বলেন, ‘আমার তো কেউ নাই৷ রাস্তাঘাটে থাকি৷ বোতল টুকায়ে বিক্রি করি৷ দিনে ৮০ থেকে ১০০ টাকা পাই৷ ওই টাকা দিয়া কি ঈদ হয়!’
খাবার কী খেয়েছেন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘সকাল থেকে মসজিদের সামনে বসে আছি৷ ঈদের নামাজের পরে মানুষ কিছু টাকা পয়সা দিয়েছে৷ ওইগুলা দিয়া চা, রুটি আর পরোটা খাইছি৷’
কারওয়ান বাজারের পান্থকুঞ্জ পার্কে থাকেন মসুনা বেগম এমনই আরেকজন৷ এক বছর আগে তাঁর মুখে টিউমার দেখা দেয়৷ চিকিৎসা করাতে পারেননি৷ সম্প্রতি পানি জমেছে হাতে৷ সেটারও চিকিৎসা হয়নি৷ তাঁর সম্পদ বলতে ছিল এনআইডি কার্ড, একটা ব্যাগ, ছোট একটি বিছানা, একটা ফিচার ফোন, কিছু কাপড় আর ৮০০ টাকা৷ চাঁদরাতে তাও চুরি হয়ে গেছে৷
পান্থকুঞ্জ পার্কে যখন এই বৃদ্ধার সঙ্গে দেখা হয় জীবনের শেষ সম্বলটুকু হারিয়ে কাঁদছিলেন৷ মসুনা বেগম স্ট্রিমকে বলেন, ‘আমার সব হারায়ে গেছে বাবা৷ আমার তো কিছু নাই৷ এখানেই থাকি৷ আমি এহন ক্যামনে ঘুমামু, কী খামু? আমি এহন কই যামু বাবা!’
কিছু না পেলেও এনআইডি কার্ডটা ফেরত পেতে চান মসুনা৷ তিনি বলেন, ‘আমার তো ঘর নাই৷ এনআইডি কার্ডটাই আমার পরিচয়। কার্ড ক্যামনে পামু বাবা!’
পার্কে মাসুনা বেগমের মতো আরও অনেকে বসে আছেন৷ কেউ ঘুমাচ্ছেন৷ তাঁদের কারও ঘর নেই৷ ফুটপাতে থাকেন৷ ঈদে নেই নতুন পোশাক। খাবারই খেয়েছেন একবেলা৷ তাঁদের মধ্যে ঈসমাইল ‘ভালো কাজের হোটেল’ থেকে একবেলা খাবার পেয়েছেন৷ সেটাই তাঁর ঈদের খাবার৷
ঈসমাইল স্ট্রিমকে বলেন, ‘আমার ঈদের কিছু নাই৷ তয় ভালো কাজের হোটেল থেকে ভালো খানা দুছে৷ পোলাও আর মুরগি। এইটাই ঈদের আনন্দ৷’
খাবার ছাড়া আর কিছু পেয়েছেন কিনা প্রশ্নে ঈসমাইল বলেন, ‘পোলাপানরে কাপড় দিছে৷ খাওন দিছে৷ আমগোরে আর কিছু দেয় নাই৷’

দেশে প্রতিবছরই বাড়ছে বজ্রপাতে মৃত্যু। বিশেষ করে হাওর অঞ্চলে এপ্রিল-মে মাসে ধান কাটার মৌসুমে বজ্রপাতে মৃত্যু সবচেয়ে বেশি। চলতি বছরের ২৬ এপ্রিল থেকে ২ মে পর্যন্ত ৭ দিনেই বজ্রপাতে ৭১ জন মারা গেছেন। সব মিলিয়ে এ বছর মৃত্যু শতাধিক।
১ মিনিট আগে
রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গানের আসর জমিয়ে ছদ্মবেশে অভিযান চালিয়ে মাদক সেবন ও বিক্রির অভিযোগে সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার রাতে অভিনব এই কৌশলে তাদের গাঁজাসহ আটকে করে শাহবাগ থানা-পুলিশ।
১৫ মিনিট আগে
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে টানা সাত দিনের ছুটির প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার।
১৭ মিনিট আগে
চীনের ৬ নাগরিকসহ অনলাইন জুয়া ও অর্থ পাচার চক্রের ৯ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। বুধবার রাজধানীর উত্তরা ও তুরাগ এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
২ ঘণ্টা আগে