স্ট্রিম প্রতিবেদক

আর্লিং হলান্ড ও মার্টিন ওডেগার্ডের নৈপুণ্যে ২৮ বছর পর ফুটবল বিশ্বকাপে ফিরছে নরওয়ে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে অংশ নিতে যাচ্ছে ফুটবল বিশ্বে ‘দ্য লায়নস’ নামে পরিচিত দেশটি। নিজেদের সোনালি প্রজন্মের এই দলকে ঘিরে এবার নকআউটের স্বপ্ন দেখছে স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশটির মানুষ।
১৯৩৮ সালে বিশ্বকাপে অভিষেক হওয়া নরওয়ে এ নিয়ে মোট চারবার বিশ্বমঞ্চে জায়গা পেয়েছে। অভিষেক আসরের পর নিজেদের দ্বিতীয় বিশ্বকাপের জন্য তাদের অপেক্ষা করতে হয়েছিল ৫৬ বছর। এরপর ১৯৯৪ ও ১৯৯৮ আসরে খেলার পর নরওয়ে ফুটবল দল দীর্ঘ সময় আড়ালে ছিল। বিশ্বকাপে এ পর্যন্ত খেলা ৯ ম্যাচে ২ জয়ের বিপরীতে ৩ পরাজয় বরণ করেছে তারা।
ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ৩১তম অবস্থানে থাকা নরওয়ের এবারের বিশ্বকাপের বাছাইপর্ব ছিল রাজকীয়। কোচ স্টাল সোলবাকেনের অধীনে উয়েফা বাছাইপর্বের ‘আই’ গ্রুপে ইতালির মতো পরাশক্তিকে পেছনে ফেলে সরাসরি মূল পর্ব নিশ্চিত করেছে তারা। বাছাইপর্বের ৮ ম্যাচের সবকটিতেই জয় পেয়েছে নরওয়ে। হলান্ডের দুর্দান্ত ফর্মে প্রতিপক্ষের জালে ৩২ গোল দেওয়ার বিপরীতে একটি গোলও হজম করেনি তারা।

এবারের আসরে বিশ্বের নজর থাকবে মূলত আর্লিং হলান্ডের ওপর। এই ‘গোল মেশিন’ বাছাইপর্বের মাত্র ৮ ম্যাচ খেলে ১৬টি গোল করেছেন। চলতি মৌসুমেও ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে ৩৪ ম্যাচে ২৮ গোল এবং চ্যাম্পিয়নস লিগে ৮ গোল করে দুর্দান্ত ফর্মে আছেন তিনি। হলান্ডকে বল জোগানোর মূল দায়িত্ব থাকবে মাঝমাঠের প্রধান কারিগর মার্টিন ওডেগার্ডের ওপর। আর্সেনালের এই অধিনায়ক দলটির প্রাণভোমরা হিসেবে কাজ করবেন।
নরওয়ে এবার লড়বে টুর্নামেন্টের অন্যতম গ্ল্যামারাস গ্রুপ ‘আই’-তে। যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স, আফ্রিকার শক্তিশালী সেনেগাল এবং ইরাক। আগামী ১৭ জুন ইরাকের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে নরওয়ের বিশ্বকাপ অভিযান। এরপর ২৩ জুন সেনেগাল এবং ২৭ জুন গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে ফ্রান্সের মুখোমুখি হবে সোলবাকেনের শিষ্যরা।
বিশ্লেষকদের মতে, গ্রুপ ‘আই’-তে ফ্রান্স অন্যতম ফেবারিট হলেও নকআউটে যাওয়ার মূল লড়াই হবে নরওয়ে এবং সেনেগালের মধ্যে। ১৭ জুন ইরাকের বিপক্ষে বড় জয় দিয়ে যাত্রা শুরু করতে পারলে ২৩ জুন সেনেগালকে আটকে দিলেই নকআউট নিশ্চিত হয়ে যেতে পারে ওডেগার্ডদের।

আর্লিং হলান্ড ও মার্টিন ওডেগার্ডের নৈপুণ্যে ২৮ বছর পর ফুটবল বিশ্বকাপে ফিরছে নরওয়ে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে অংশ নিতে যাচ্ছে ফুটবল বিশ্বে ‘দ্য লায়নস’ নামে পরিচিত দেশটি। নিজেদের সোনালি প্রজন্মের এই দলকে ঘিরে এবার নকআউটের স্বপ্ন দেখছে স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশটির মানুষ।
১৯৩৮ সালে বিশ্বকাপে অভিষেক হওয়া নরওয়ে এ নিয়ে মোট চারবার বিশ্বমঞ্চে জায়গা পেয়েছে। অভিষেক আসরের পর নিজেদের দ্বিতীয় বিশ্বকাপের জন্য তাদের অপেক্ষা করতে হয়েছিল ৫৬ বছর। এরপর ১৯৯৪ ও ১৯৯৮ আসরে খেলার পর নরওয়ে ফুটবল দল দীর্ঘ সময় আড়ালে ছিল। বিশ্বকাপে এ পর্যন্ত খেলা ৯ ম্যাচে ২ জয়ের বিপরীতে ৩ পরাজয় বরণ করেছে তারা।
ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ৩১তম অবস্থানে থাকা নরওয়ের এবারের বিশ্বকাপের বাছাইপর্ব ছিল রাজকীয়। কোচ স্টাল সোলবাকেনের অধীনে উয়েফা বাছাইপর্বের ‘আই’ গ্রুপে ইতালির মতো পরাশক্তিকে পেছনে ফেলে সরাসরি মূল পর্ব নিশ্চিত করেছে তারা। বাছাইপর্বের ৮ ম্যাচের সবকটিতেই জয় পেয়েছে নরওয়ে। হলান্ডের দুর্দান্ত ফর্মে প্রতিপক্ষের জালে ৩২ গোল দেওয়ার বিপরীতে একটি গোলও হজম করেনি তারা।

এবারের আসরে বিশ্বের নজর থাকবে মূলত আর্লিং হলান্ডের ওপর। এই ‘গোল মেশিন’ বাছাইপর্বের মাত্র ৮ ম্যাচ খেলে ১৬টি গোল করেছেন। চলতি মৌসুমেও ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে ৩৪ ম্যাচে ২৮ গোল এবং চ্যাম্পিয়নস লিগে ৮ গোল করে দুর্দান্ত ফর্মে আছেন তিনি। হলান্ডকে বল জোগানোর মূল দায়িত্ব থাকবে মাঝমাঠের প্রধান কারিগর মার্টিন ওডেগার্ডের ওপর। আর্সেনালের এই অধিনায়ক দলটির প্রাণভোমরা হিসেবে কাজ করবেন।
নরওয়ে এবার লড়বে টুর্নামেন্টের অন্যতম গ্ল্যামারাস গ্রুপ ‘আই’-তে। যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স, আফ্রিকার শক্তিশালী সেনেগাল এবং ইরাক। আগামী ১৭ জুন ইরাকের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে নরওয়ের বিশ্বকাপ অভিযান। এরপর ২৩ জুন সেনেগাল এবং ২৭ জুন গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে ফ্রান্সের মুখোমুখি হবে সোলবাকেনের শিষ্যরা।
বিশ্লেষকদের মতে, গ্রুপ ‘আই’-তে ফ্রান্স অন্যতম ফেবারিট হলেও নকআউটে যাওয়ার মূল লড়াই হবে নরওয়ে এবং সেনেগালের মধ্যে। ১৭ জুন ইরাকের বিপক্ষে বড় জয় দিয়ে যাত্রা শুরু করতে পারলে ২৩ জুন সেনেগালকে আটকে দিলেই নকআউট নিশ্চিত হয়ে যেতে পারে ওডেগার্ডদের।

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে মোট ১০৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে রয়েছে গ্রুপ পর্বের ৩২টি ম্যাচ, নকআউট রাউন্ডের ৫২টি ম্যাচ, কোয়ার্টারফাইনাল, সেমিফাইনাল, তৃতীয় স্থান নির্ধারণী এবং ফাইনাল।
৮ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে জশ ইংলিসের উইকেট পাওয়ার পর আগ্রাসী আচরণের মাশুল হিসেবে আইসিসির থেকে ডিমেরিট পয়েন্ট পেয়েছেন নাহিদ রানা। আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানিয়েছে আইসিসি।
৮ ঘণ্টা আগে
মাত্র ১৯ বছর বয়স। এর মধ্যেই তকমা পেয়েছেন বিস্ময় বালকের। সান্তোসের পেলের পর আর কাউকে এভাবে পায়নি ব্রাজিল। তিনি এনড্রিক, ফুটবলের ভবিষ্যৎ ‘রাজা’।
১০ ঘণ্টা আগে
ফুটবলে প্রায় এমন কোনো শিরোপা নেই, যা তাঁর নেই। তিনি লিওনেল আন্দ্রেস মেসি। এলএম-১০। আকাশি-সাদা জার্সির রক্তমাংসের মানুষ মেসির আর একটিই নাম হতে পারে, তা ‘অমরত্ব’।
১০ ঘণ্টা আগে