খুলনায় নানি-নাতির মরদেহ উদ্ধার

স্ট্রিম সংবাদদাতা
স্ট্রিম সংবাদদাতা
খুলনা

প্রতীকী ছবি

খুলনা নগরের একটি বাসা থেকে এক নানি-নাতির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনার পর থেকে নিখোঁজ রয়েছে অপর এক নাতি।

শনিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে নগরের সোনাডাঙ্গা এলাকার কাঁচা বাজারের পাশে দারুল আমান মহল্লার সুজুকি কর্নার গলির শরিফুল ইসলামের বাড়ি থেকে লাশ দুটি উদ্ধার করা হয় বলে সোনাডাঙ্গা থানার ওসি মো. রফিকুল ইসলাম জানান।

নিহতরা হলেন বেবী বেগম (৬৫) ও নাতি শামীম ব্যাপারী (১২)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাসাটির দরজা দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকায় প্রতিবেশীদের সন্দেহ হয়। পরে তারা খোঁজ নিতে গিয়ে ঘরের ভেতরে বেবি বেগম ও শামীমের মরদেহ দেখতে পান। খবর পেয়ে সোনাডাঙ্গা থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে।

ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে বাসার দরজা ভেঙে দুটি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। এদের মধ্যে একজন নারী ও এক শিশু। তবে অন্য নাতি মোস্তাকিম এখনও নিখোঁজ রয়েছে। তার সন্ধান করছে পুলিশ।

ওসি বলেন, নিহত শামীম ও নিখোঁজ মুস্তাকিম ফাতেমা বেগমের প্রথম পক্ষের সন্তান। প্রায় চার বছর আগে ফাতেমা বেগমের সঙ্গে তার প্রথম স্বামী মাসুম ব্যাপারীর বিবাহবিচ্ছেদ হয়। এরপর দুই সন্তান শামীম ও মুস্তাকিম মায়ের সঙ্গেই বসবাস করছিল।

ওসি বলেন, ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান বলেন, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, পারিবারিক বিরোধের জেরে ফাতেমা বেগমের দ্বিতীয় স্বামী রফিকুল ইসলাম এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে থাকতে পারেন। রফিকুল ইসলামের বাড়ি নগরের দৌলতপুর থানার মানিকতলা এলাকায়। পেশায় তিনি একজন ট্রাকচালক। ঘটনার পর থেকে রফিকুল ইসলামকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

সম্পর্কিত