স্ট্রিম প্রতিবেদক

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান ও সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের পরামর্শেই ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে শ্যুট অ্যাট সাইট বা দেখামাত্র গুলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন।
ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম বলেছেন, হত্যা ও গণহত্যার পরিকল্পনা বাস্তবায়নে তারা ‘গ্যাং অব ফোরের’ সদস্য ছিলেন। মরণাস্ত্র, হেলিকপ্টার ও সামরিক বাহিনী ব্যবহারের পরিকল্পনাও তাদেরই ছিল।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ সালমান এফ রহমান ও আনিসুল হকের বিরুদ্ধে গণহত্যার মামলার বিচার শুরু হয়। ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্রসিকিউশন সূচনা বক্তব্য শেষে আদালত আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য করেন।
পরে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, বিগত সরকারের আমলে আসামি আনিসুল হক ও সালমান এফ রহমান নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিলেন। তাঁরা পরস্পরের সঙ্গে একাধিক বৈঠক ও টেলিফোনে কথোপকথনের মাধ্যমে জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতাকে নির্মূল করার ষড়যন্ত্র করেছিলেন। বারুদাস্ত্র, হেলিকপ্টার ও সামরিক বাহিনী ব্যবহারের পরিকল্পনা তারাই করেছেন এবং তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীকে প্রভাবিত করেছেন। এরই ফলশ্রুতিতে দেশজুড়ে পাখির মতো গুলি করে ছাত্র-জনতাকে হত্যা করা হয়।
কারফিউ জারি ও গুলির নির্দেশ প্রসঙ্গে তাজুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা দেখিয়েছি, কারফিউ জারির ব্যাপারে সালমান এফ রহমান ও আনিসুল হকের শলাপরামর্শ ছিল। তাঁদের পরামর্শেই দেখামাত্র গুলির নির্দেশ বা পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয়েছে। আনিসুল হকের পরামর্শের মধ্যে একটি ছিল আন্দোলনকারীদের একেবারে নির্মূল করে দেওয়া। এই দুজনের মাথা থেকেই এসব পরিকল্পনা এসেছে। তাদের ‘গ্যাং অব ফোরের সদস্য’ও বলা হয়।'
প্রসিকিউশন জানায়, এই দুজনের বিরুদ্ধে ২৮ জন সাক্ষীর তালিকা দেওয়া হয়েছে। ডিজিটাল, ডকুমেন্টারি ও লাইভ এভিডেন্সের মাধ্যমে তাদের অপরাধ অকাট্যভাবে প্রমাণ করতে সক্ষম হবে বলেও আশা প্রকাশ করা হয়।
বর্তমানে বিভিন্ন মামলায় কারাগারে রয়েছেন এক সময়ের প্রভাবশালী এই দুই নেতা।
কারাগার থেকে সালমান এফ রহমান ও আনিসুল হকের ভোট দেওয়ার খবরকে ‘মিথ্যা ও গুঞ্জন’ বলে দাবি করেছেন তাদের আইনজীবী পলাশ চন্দ্র রায়।
আজ আদালত প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, সামাজিক মাধ্যমে একটা খবর ছড়িয়েছে যে তারা (আনিসুল ও সালমান) জেলখানা থেকে ভোট দিয়েছেন। কিন্তু এটি মিথ্যা। জেলখানা থেকে ভোট দেওয়ার জন্য একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়। আগে রেজিস্ট্রেশন করতে হয়। উনারা কোনো রেজিস্ট্রেশনই করেননি। তাই ভোট দেওয়ার কোনো প্রশ্নই আসে না।

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান ও সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের পরামর্শেই ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে শ্যুট অ্যাট সাইট বা দেখামাত্র গুলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন।
ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম বলেছেন, হত্যা ও গণহত্যার পরিকল্পনা বাস্তবায়নে তারা ‘গ্যাং অব ফোরের’ সদস্য ছিলেন। মরণাস্ত্র, হেলিকপ্টার ও সামরিক বাহিনী ব্যবহারের পরিকল্পনাও তাদেরই ছিল।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ সালমান এফ রহমান ও আনিসুল হকের বিরুদ্ধে গণহত্যার মামলার বিচার শুরু হয়। ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্রসিকিউশন সূচনা বক্তব্য শেষে আদালত আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য করেন।
পরে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, বিগত সরকারের আমলে আসামি আনিসুল হক ও সালমান এফ রহমান নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিলেন। তাঁরা পরস্পরের সঙ্গে একাধিক বৈঠক ও টেলিফোনে কথোপকথনের মাধ্যমে জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতাকে নির্মূল করার ষড়যন্ত্র করেছিলেন। বারুদাস্ত্র, হেলিকপ্টার ও সামরিক বাহিনী ব্যবহারের পরিকল্পনা তারাই করেছেন এবং তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীকে প্রভাবিত করেছেন। এরই ফলশ্রুতিতে দেশজুড়ে পাখির মতো গুলি করে ছাত্র-জনতাকে হত্যা করা হয়।
কারফিউ জারি ও গুলির নির্দেশ প্রসঙ্গে তাজুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা দেখিয়েছি, কারফিউ জারির ব্যাপারে সালমান এফ রহমান ও আনিসুল হকের শলাপরামর্শ ছিল। তাঁদের পরামর্শেই দেখামাত্র গুলির নির্দেশ বা পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয়েছে। আনিসুল হকের পরামর্শের মধ্যে একটি ছিল আন্দোলনকারীদের একেবারে নির্মূল করে দেওয়া। এই দুজনের মাথা থেকেই এসব পরিকল্পনা এসেছে। তাদের ‘গ্যাং অব ফোরের সদস্য’ও বলা হয়।'
প্রসিকিউশন জানায়, এই দুজনের বিরুদ্ধে ২৮ জন সাক্ষীর তালিকা দেওয়া হয়েছে। ডিজিটাল, ডকুমেন্টারি ও লাইভ এভিডেন্সের মাধ্যমে তাদের অপরাধ অকাট্যভাবে প্রমাণ করতে সক্ষম হবে বলেও আশা প্রকাশ করা হয়।
বর্তমানে বিভিন্ন মামলায় কারাগারে রয়েছেন এক সময়ের প্রভাবশালী এই দুই নেতা।
কারাগার থেকে সালমান এফ রহমান ও আনিসুল হকের ভোট দেওয়ার খবরকে ‘মিথ্যা ও গুঞ্জন’ বলে দাবি করেছেন তাদের আইনজীবী পলাশ চন্দ্র রায়।
আজ আদালত প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, সামাজিক মাধ্যমে একটা খবর ছড়িয়েছে যে তারা (আনিসুল ও সালমান) জেলখানা থেকে ভোট দিয়েছেন। কিন্তু এটি মিথ্যা। জেলখানা থেকে ভোট দেওয়ার জন্য একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়। আগে রেজিস্ট্রেশন করতে হয়। উনারা কোনো রেজিস্ট্রেশনই করেননি। তাই ভোট দেওয়ার কোনো প্রশ্নই আসে না।
.png)

সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি রোববার (২৬ জুলাই) শ্রদ্ধা নিবেদন করেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। পরে স্মৃতিসৌধের পরিদর্শন বইয়ে মন্তব্য লিখে স্বাক্ষর করেন।
১ ঘণ্টা আগে
প্রবাসীদের সুবিধার্থে রাজধানীর আশকোনায় হজ্জ ক্যাম্পে ১০০ শয্যার আবাসন ব্যবস্থা চালু হবে বলে জানিয়েছেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। রোববার (২৬ জুলাই) হজ্জ ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা জানান।
১ ঘণ্টা আগে
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা নিয়ে স্পিকারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)। রোববার (২৬ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের এ কথা জানান ইসি সচিব আখতার আহমেদ।
১ ঘণ্টা আগে
শুধু চাকরির পেছনে না ছুটে কৃষিভিত্তিক শিল্প, অ্যাগ্রো বিজনেস ও উদ্ভাবনী কৃষি উদ্যোগের মাধ্যমে তরুণদের উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
১ ঘণ্টা আগে