স্ট্রিম প্রতিবেদক

দেশের বৃহৎ কওমি মাদরাসা হাটহাজারীর ‘দারুল উলূম মুঈনুল ইসলাম’ আওয়ামী ফ্যাসিবাদ ও ভারতীয় আধিপত্যবাদের হামলার নিশানায় পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছে হেফাজতে ইসলাম। আওয়ামী লীগের মদদে ও পুলিশের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত নিষ্ক্রিয় ভূমিকার সুযোগে গভীর রাত পর্যন্ত মাদরাসায় সন্ত্রাসী হামলা চালানো হয়েছে জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে সংগঠনটি।
আজ রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো যৌথ বিবৃতিতে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব আল্লামা সাজেদুর রহমান অবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেছেন।
বিবৃতিতে তাঁরা বলেন, ‘আমরা উম্মুল মাদারিস দারুল উলূম মুঈনুল ইসলাম হাটহাজারী ও চারিয়া মাদরাসায় গত রাতে ফ্যাসিবাদের দোসর সুন্নী নামধারীদের সন্ত্রাসী হামলার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এ মাদরাসায় হামলা মানে দেশের সব কওমি মাদরাসায় হামলার শামিল, যা বরদাশত করা হবে না। এছাড়া আধিপত্যবাদ ও ফ্যাসিবাদবিরোধী গণ-আন্দোলনের পথিকৃৎ ও অন্যতম জুলাই শক্তি হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ-এর প্রধান দপ্তরও এই মাদরাসায়। ফলে এই ঐতিহ্যবাহী বৃহৎ কওমি মাদরাসাটি আওয়ামী ফ্যাসিবাদ ও ইন্ডিয়ান আধিপত্যবাদের হামলার নিশানায় পরিণত হয়েছে। গতকাল কথিত জশনে জুলুসকে উপলক্ষ করে ফ্যাসিস্ট লীগের মদদে এবং পুলিশের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত নিষ্ক্রিয় ভূমিকার সুযোগে হাটহাজারী মাদরাসায় গভীর রাত পর্যন্ত সন্ত্রাসী হামলা চালায় একদল নামধারী সুন্নীরা। ’
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘হামলায় হাটহাজারী মাদরাসার প্রায় দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। অনেককে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে পাঠাতে হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে কারা ভিকটিম তা বোঝার অপেক্ষা রাখে না। তাছাড়া একটি ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট মসজিদের উদ্দেশে সুন্নী সন্ত্রাসীদের অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি ও গালিগালাজ এবং মাদরাসার শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে কটূ মন্তব্য ও পাথর ছুঁড়ে উসকানিমূলক আচরণ কোনোভাবেই রাসূল (সা.)-এর শিক্ষা হতে পারে না। আমরা এসবেরও তীব্র নিন্দা জানাই।’
হেফাজত নেতারা বলেন, মাদরাসা কর্তৃপক্ষ ছাত্রদের নিয়ন্ত্রণ না করলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারত। ছাত্ররা একতরফা আহত হলেও আইনশৃঙ্খলার রক্ষার স্বার্থে এবং বাড়তি রক্তপাত ও সংঘাত এড়াতে ধৈর্য ও স্থিতিশীলতাকে অগ্রাধিকার দিয়েছে মাদরাসা কর্তৃপক্ষ।

দেশের বৃহৎ কওমি মাদরাসা হাটহাজারীর ‘দারুল উলূম মুঈনুল ইসলাম’ আওয়ামী ফ্যাসিবাদ ও ভারতীয় আধিপত্যবাদের হামলার নিশানায় পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছে হেফাজতে ইসলাম। আওয়ামী লীগের মদদে ও পুলিশের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত নিষ্ক্রিয় ভূমিকার সুযোগে গভীর রাত পর্যন্ত মাদরাসায় সন্ত্রাসী হামলা চালানো হয়েছে জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে সংগঠনটি।
আজ রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো যৌথ বিবৃতিতে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব আল্লামা সাজেদুর রহমান অবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেছেন।
বিবৃতিতে তাঁরা বলেন, ‘আমরা উম্মুল মাদারিস দারুল উলূম মুঈনুল ইসলাম হাটহাজারী ও চারিয়া মাদরাসায় গত রাতে ফ্যাসিবাদের দোসর সুন্নী নামধারীদের সন্ত্রাসী হামলার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এ মাদরাসায় হামলা মানে দেশের সব কওমি মাদরাসায় হামলার শামিল, যা বরদাশত করা হবে না। এছাড়া আধিপত্যবাদ ও ফ্যাসিবাদবিরোধী গণ-আন্দোলনের পথিকৃৎ ও অন্যতম জুলাই শক্তি হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ-এর প্রধান দপ্তরও এই মাদরাসায়। ফলে এই ঐতিহ্যবাহী বৃহৎ কওমি মাদরাসাটি আওয়ামী ফ্যাসিবাদ ও ইন্ডিয়ান আধিপত্যবাদের হামলার নিশানায় পরিণত হয়েছে। গতকাল কথিত জশনে জুলুসকে উপলক্ষ করে ফ্যাসিস্ট লীগের মদদে এবং পুলিশের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত নিষ্ক্রিয় ভূমিকার সুযোগে হাটহাজারী মাদরাসায় গভীর রাত পর্যন্ত সন্ত্রাসী হামলা চালায় একদল নামধারী সুন্নীরা। ’
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘হামলায় হাটহাজারী মাদরাসার প্রায় দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। অনেককে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে পাঠাতে হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে কারা ভিকটিম তা বোঝার অপেক্ষা রাখে না। তাছাড়া একটি ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট মসজিদের উদ্দেশে সুন্নী সন্ত্রাসীদের অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি ও গালিগালাজ এবং মাদরাসার শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে কটূ মন্তব্য ও পাথর ছুঁড়ে উসকানিমূলক আচরণ কোনোভাবেই রাসূল (সা.)-এর শিক্ষা হতে পারে না। আমরা এসবেরও তীব্র নিন্দা জানাই।’
হেফাজত নেতারা বলেন, মাদরাসা কর্তৃপক্ষ ছাত্রদের নিয়ন্ত্রণ না করলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারত। ছাত্ররা একতরফা আহত হলেও আইনশৃঙ্খলার রক্ষার স্বার্থে এবং বাড়তি রক্তপাত ও সংঘাত এড়াতে ধৈর্য ও স্থিতিশীলতাকে অগ্রাধিকার দিয়েছে মাদরাসা কর্তৃপক্ষ।

আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর নিরাপদ ও নির্বিঘ্নে উদযাপনের জন্য একগুচ্ছ নিরাপত্তা পরামর্শ দিয়েছে পুলিশ। সড়ক, রেল ও নৌপথের যাত্রী এবং চালকদের প্রতি নিরাপত্তা দির্দেশনা দিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।
২১ মিনিট আগে
জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের সকাল ছিল ঐকতানের। সরকারি-বিরোধী উভয় দলের মুখে হাসি, উষ্ণ শুভেচ্ছা, সব মিলিয়ে নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতির এক আশাব্যঞ্জক সূচনা। কিন্তু দিন গড়াতেই বদলে যায় দৃশ্যপট। রাষ্ট্রপতির ভাষণকে কেন্দ্র করে ফিরে আসে চেনা উত্তাপ, স্লোগান আর ওয়াকআউট।
১ ঘণ্টা আগে
গুম, খুন এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেপ্তার সেনাবাহিনীর ১৫ কর্মকর্তার বিচার প্রচলিত ‘সেনা আইনে’ করার দাবি জানিয়েছে আসামিপক্ষ। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) আইন সংশোধন করে তাদের বিচার শুরু করাকে ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ এবং ‘সেনা আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক’ বলেও আখ্যা দিয়েছে
৩ ঘণ্টা আগে
বাগেরহাটের রামপালে বাসের সঙ্গে মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে বর-কনেসহ ১৩ জন নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন আরও ৯ জন। নিহতদের মধ্যে বর ও কনের পরিবারের নারী-শিশুসহ ১২ সদস্য রয়েছেন। বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টার দিকে মোংলা-খুলনা মহাসড়কে রামপালের বেলাইব্রিজ এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
৪ ঘণ্টা আগে