স্ট্রিম সংবাদদাতা

রাঙামাটিতে জ্বালানি তেল সংকটে দুই দিন ধরে বন্ধ রয়েছে কাপ্তাই হ্রদে স্পিডবোট চলাচল। একই কারণে যাত্রীবাহী লঞ্চ চলাচলও সীমিত করেছে মালিক সমিতি।
গতকাল মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সকাল থেকে বুধবার (১ এপ্রিল) পর্যন্ত দুই দিন কাপ্তাই হ্রদে স্পিডবোট চলাচল বন্ধ রয়েছে। লঞ্চ মালিকরা জানিয়েছেন, দু-একদিনের মধ্যে স্বাভাবিক তেল সরবরাহ পাওয়া না গেলে লঞ্চ চলাচল বন্ধ রাখা ছাড়া উপায় থাকবে না। তাই আপাতত চলাচল সীমিত করা হয়েছে।
লঞ্চ মালিক সমিতি তথ্য অনুযায়ী, রাঙামাটি শহরের সঙ্গে জেলার বাঘাইছড়ি, লংগদু, বরকল, জুরাছড়ি, বিলাইছড়ি ও নানিয়ারচর উপজেলায় নৌপথে ৩০ থেকে ৩৫টি যাত্রীবাহী চলাচল লঞ্চ করে। এ সব লঞ্চে দৈনিক ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ লিটার তেলের প্রয়োজন হয়। ঈদের আগে তেল সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও এখন পাম্প থেকে চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি তেল পাওয়া যাচ্ছে না। এতে লঞ্চ চলাচল ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা করছেন মালিকরা।
রাঙামাটি রিজার্ভ বাজার লঞ্চ ঘাটের লাইনম্যান বিশ্বজিৎ দে বলেন, জ্বালানি কিছুটা সাশ্রয়ী করার জন্য আমরা কিছু রুটে লঞ্চ চলাচল সীমিত করেছি। আগে রাঙামাটি শহর থেকে মারিশ্যায় চারটি লঞ্চ আসা-যাওয়া করত, এখন তিনটি করবে। এছাড়া লংগদু মাইনীতে চারটি আসা-যাওয়া করত, এখন তিনটি এবং বরকলে চারটি যেত, এখন দুটি যাবে। তেল সরবরাহ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এভাবেই চলবে।
রাঙামাটি ফিশারি ঘাটের স্পিডবোটে লাইনম্যান মো. মহিউদ্দিন বলেন, ‘অকটেন না পাওয়ায় গতকাল (মঙ্গলবার) থেকে আজ (বুধবার) দুদিন স্পিড বোট চলাচল বন্ধ রাখতে হয়েছে। পাম্পগুলো থেকে আমরা চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি পাচ্ছি না।’
রাঙামাটি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী বলেন, ‘সংকট তো হওয়ার কথা না। কারণ যাত্রীবাহী লঞ্চ, স্পিড বোটগুলোকে একদিন পরপর তেল দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। তারপরেও আমরা তাদের কথা বলে এই সমস্যা কীভাবে সমাধান করে দিতে পারি, সেটা দেখছি।’

রাঙামাটিতে জ্বালানি তেল সংকটে দুই দিন ধরে বন্ধ রয়েছে কাপ্তাই হ্রদে স্পিডবোট চলাচল। একই কারণে যাত্রীবাহী লঞ্চ চলাচলও সীমিত করেছে মালিক সমিতি।
গতকাল মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সকাল থেকে বুধবার (১ এপ্রিল) পর্যন্ত দুই দিন কাপ্তাই হ্রদে স্পিডবোট চলাচল বন্ধ রয়েছে। লঞ্চ মালিকরা জানিয়েছেন, দু-একদিনের মধ্যে স্বাভাবিক তেল সরবরাহ পাওয়া না গেলে লঞ্চ চলাচল বন্ধ রাখা ছাড়া উপায় থাকবে না। তাই আপাতত চলাচল সীমিত করা হয়েছে।
লঞ্চ মালিক সমিতি তথ্য অনুযায়ী, রাঙামাটি শহরের সঙ্গে জেলার বাঘাইছড়ি, লংগদু, বরকল, জুরাছড়ি, বিলাইছড়ি ও নানিয়ারচর উপজেলায় নৌপথে ৩০ থেকে ৩৫টি যাত্রীবাহী চলাচল লঞ্চ করে। এ সব লঞ্চে দৈনিক ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ লিটার তেলের প্রয়োজন হয়। ঈদের আগে তেল সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও এখন পাম্প থেকে চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি তেল পাওয়া যাচ্ছে না। এতে লঞ্চ চলাচল ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা করছেন মালিকরা।
রাঙামাটি রিজার্ভ বাজার লঞ্চ ঘাটের লাইনম্যান বিশ্বজিৎ দে বলেন, জ্বালানি কিছুটা সাশ্রয়ী করার জন্য আমরা কিছু রুটে লঞ্চ চলাচল সীমিত করেছি। আগে রাঙামাটি শহর থেকে মারিশ্যায় চারটি লঞ্চ আসা-যাওয়া করত, এখন তিনটি করবে। এছাড়া লংগদু মাইনীতে চারটি আসা-যাওয়া করত, এখন তিনটি এবং বরকলে চারটি যেত, এখন দুটি যাবে। তেল সরবরাহ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এভাবেই চলবে।
রাঙামাটি ফিশারি ঘাটের স্পিডবোটে লাইনম্যান মো. মহিউদ্দিন বলেন, ‘অকটেন না পাওয়ায় গতকাল (মঙ্গলবার) থেকে আজ (বুধবার) দুদিন স্পিড বোট চলাচল বন্ধ রাখতে হয়েছে। পাম্পগুলো থেকে আমরা চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি পাচ্ছি না।’
রাঙামাটি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী বলেন, ‘সংকট তো হওয়ার কথা না। কারণ যাত্রীবাহী লঞ্চ, স্পিড বোটগুলোকে একদিন পরপর তেল দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। তারপরেও আমরা তাদের কথা বলে এই সমস্যা কীভাবে সমাধান করে দিতে পারি, সেটা দেখছি।’

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এর জন্য সম্প্রতি দুই দফা অভ্যন্তরীণ বৈঠক করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও কমিশনাররা। বৈঠকে নির্বাচনী আইন, বিধিমালা ছাড়াও কবে স্থানীয় পর্যায়ের নির্বাচন শুরু করা যাবে, সে বিষয়ে বিশদ আলোচনা হয়।
৭ ঘণ্টা আগে
ঈদের দীর্ঘ ছুটির মধ্যেও বৈরী আবহাওয়া ও যাতায়াত সমস্যার কারণে কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতে আশানুরূপ পর্যটক আগমন ঘটেনি। এতে লোকসানের শঙ্কায় পড়েছেন স্থানীয় হোটেল ব্যবসায়ী ও পর্যটন সংশ্লিষ্ট লক্ষাধিক মানুষ।
৭ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে পুকুরে ডুবে যাওয়া তিন শিশুকে উদ্ধারের চেষ্টা করতে গিয়ে এক মাছচাষি ও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে তার সাহসী প্রচেষ্টায় প্রাণে বেঁচে গেছে আরও দুই শিশু।
৭ ঘণ্টা আগে
খুলনা নগরের একটি বাসা থেকে এক নানি-নাতির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনার পর থেকে নিখোঁজ রয়েছে অপর এক নাতি।
৮ ঘণ্টা আগে