স্ট্রিম সংবাদদাতা

গাইবান্ধার ফুলছড়ি সরকারি ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে ভুল প্রশ্নে পরীক্ষা নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ওই কেন্দ্রে এইচএসসি বাংলা প্রথমপত্রের নিয়মিত ও অনিয়মিত পরীক্ষার্থীদের অদলবদল প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা হয়েছে।
পরীক্ষা চলাকালে ১০৭ নম্বর কক্ষে নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের অনিয়মিতদের (২০২৫ সালের সিলেবাস) প্রশ্ন সরবরাহ করা হয়। একইভাবে ১০৯ নম্বর কক্ষে অনিয়মিত পরীক্ষার্থীদের নিয়মিতদের (২০২৬ সালের সিলেবাস) প্রশ্ন দেওয়া হয়।
পরীক্ষা শেষে বিষয়টি জানাজানি হলে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এই কেন্দ্রে পরীক্ষা দেওয়া সব ২৯৬ শিক্ষার্থীই সাঘাটা উপজেলার উদয়ন মহিলা ডিগ্রি কলেজ এবং ফুলছড়ি উপজেলার বুড়াইল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের।
১০৭ নম্বর কক্ষের নিয়মিত পরীক্ষার্থী মারুফা আক্তার জানান, তাদের কক্ষে ৯০ জন ভুল প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দিয়েছেন। কক্ষের দায়িত্বরত পর্যবেক্ষককে ভুল প্রশ্নের কথা বললেও তারা পরীক্ষা চালিয়ে যেতে বলেন।
১০৯ নম্বর কক্ষের অনিয়মিত পরীক্ষার্থী আব্দুল আহাদ ও আদহাম বুলখী জানান, নিয়মিতদের প্রশ্নপত্র দেওয়ায় অনেকে নির্ধারিত সিলেবাসের বাইরে উত্তর লিখেছেন।
ঘটনার পর কলেজ প্রাঙ্গণে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা ভিড় করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ফুলছড়ি ফাঁড়ি পুলিশের ইনচার্জ মশিউর রহমানের নেতৃত্বে সেখানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়। অভিভাবকরা এই অবহেলার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে কেন্দ্রের সচিব ও ফুলছড়ি সরকারি ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ এস. এম. আসাদুল ইসলাম বলেন, ‘যে প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে সেই অনুযায়ীই খাতা মূল্যায়ন হবে। বোর্ড আশ্বস্ত করেছে, পরীক্ষার্থীদের কোনো ক্ষতি হবে না।’
ফুলছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান জানান, পরীক্ষার্থীদের ক্ষতি এড়াতে কেন্দ্র সচিবকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তবে গাইবান্ধা জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আতাউর রহমান এই ভুলের জন্য কেন্দ্র সচিবকে দায়ী করে বলেন, নিয়মিত ও অনিয়মিত পরীক্ষার্থীদের আলাদা কক্ষে বসানোর এবং প্রশ্নপত্র বিতরণের আগে যাচাই করার নিয়ম থাকলেও এখানে তা করা হয়নি; বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গাইবান্ধার ফুলছড়ি সরকারি ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে ভুল প্রশ্নে পরীক্ষা নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ওই কেন্দ্রে এইচএসসি বাংলা প্রথমপত্রের নিয়মিত ও অনিয়মিত পরীক্ষার্থীদের অদলবদল প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা হয়েছে।
পরীক্ষা চলাকালে ১০৭ নম্বর কক্ষে নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের অনিয়মিতদের (২০২৫ সালের সিলেবাস) প্রশ্ন সরবরাহ করা হয়। একইভাবে ১০৯ নম্বর কক্ষে অনিয়মিত পরীক্ষার্থীদের নিয়মিতদের (২০২৬ সালের সিলেবাস) প্রশ্ন দেওয়া হয়।
পরীক্ষা শেষে বিষয়টি জানাজানি হলে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এই কেন্দ্রে পরীক্ষা দেওয়া সব ২৯৬ শিক্ষার্থীই সাঘাটা উপজেলার উদয়ন মহিলা ডিগ্রি কলেজ এবং ফুলছড়ি উপজেলার বুড়াইল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের।
১০৭ নম্বর কক্ষের নিয়মিত পরীক্ষার্থী মারুফা আক্তার জানান, তাদের কক্ষে ৯০ জন ভুল প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দিয়েছেন। কক্ষের দায়িত্বরত পর্যবেক্ষককে ভুল প্রশ্নের কথা বললেও তারা পরীক্ষা চালিয়ে যেতে বলেন।
১০৯ নম্বর কক্ষের অনিয়মিত পরীক্ষার্থী আব্দুল আহাদ ও আদহাম বুলখী জানান, নিয়মিতদের প্রশ্নপত্র দেওয়ায় অনেকে নির্ধারিত সিলেবাসের বাইরে উত্তর লিখেছেন।
ঘটনার পর কলেজ প্রাঙ্গণে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা ভিড় করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ফুলছড়ি ফাঁড়ি পুলিশের ইনচার্জ মশিউর রহমানের নেতৃত্বে সেখানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়। অভিভাবকরা এই অবহেলার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে কেন্দ্রের সচিব ও ফুলছড়ি সরকারি ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ এস. এম. আসাদুল ইসলাম বলেন, ‘যে প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে সেই অনুযায়ীই খাতা মূল্যায়ন হবে। বোর্ড আশ্বস্ত করেছে, পরীক্ষার্থীদের কোনো ক্ষতি হবে না।’
ফুলছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান জানান, পরীক্ষার্থীদের ক্ষতি এড়াতে কেন্দ্র সচিবকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তবে গাইবান্ধা জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আতাউর রহমান এই ভুলের জন্য কেন্দ্র সচিবকে দায়ী করে বলেন, নিয়মিত ও অনিয়মিত পরীক্ষার্থীদের আলাদা কক্ষে বসানোর এবং প্রশ্নপত্র বিতরণের আগে যাচাই করার নিয়ম থাকলেও এখানে তা করা হয়নি; বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
.png)

জুলাই অভ্যুত্থানের সময় কারাগার থেকে পালানো ৬৯০ বন্দিকে এখনো গ্রেপ্তার করা যায়নি। তাদের মধ্যে ১৬৬ জনের কোনো তথ্যই নেই কারা অধিদপ্তরে। একই সময় পালানো তালিকাভুক্ত ৯ জঙ্গির তিনজন এখনো লাপাত্তা।
২ ঘণ্টা আগে
গোপালগঞ্জে একটি বালুবাহী ট্রাকের সঙ্গে যাত্রীবাহী বাসের সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছে অন্তত ২৫ জন। মঙ্গলবার দুপুরে গোপালগঞ্জ-টেকেরহাট সড়কে সদর উপজেলার বৌলতলী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহতদের উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
হামের উপসর্গে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের কারও হাম শনাক্ত হয়নি। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ সময়ে দেশে ১ হাজার ২ শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে হামের উপসর্গে
২ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক বৈঠক করেছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকির। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে সিইসি দপ্তরে বেলা ২টা থেকে আধা-ঘণ্টার এই বৈঠক হয়।
২ ঘণ্টা আগে