স্ট্রিম প্রতিবেদক

পাওনা আটকে রাখার অভিযোগে গ্রামীণফোন লিমিটেডের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নেমেছেন প্রতিষ্ঠানটির চাকরিচ্যুত কর্মীরা। তারা বকেয়া পাওনা আদায় ও সরকারের বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আহরণের সুযোগ নিশ্চিত করতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছেন।
সোমবার (৩ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এনবিআরের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ‘গ্রামীণফোন ৫% বিলম্ব বকেয়া আদায় ঐক্য পরিষদের’ ব্যানারে এই প্রতিবাদ সমাবেশ হয়। সমাবেশ শেষে সংগঠনের একটি প্রতিনিধিদল এনবিআর চেয়ারম্যানের কাছে স্মারকলিপি দেন।
সমাবেশে বক্তাদের অভিযোগ, ২০১০ থেকে ২০১২ অর্থবছরের ‘ওয়ার্কার্স প্রফিট পার্টিসিপেশন ফান্ড’ এবং ‘ওয়ার্কার্স ওয়েলফেয়ার ফান্ড’-সংক্রান্ত ৫ শতাংশ বিলম্বজনিত ক্ষতিপূরণ দীর্ঘ ১৬ বছরেও পরিশোধ করেনি গ্রামীণফোন। বাংলাদেশ শ্রম আইন অনুযায়ী এই অর্থ পরিশোধযোগ্য। তবে আইনি জটিলতা তৈরি করে রিট আবেদনের মাধ্যমে বছরের পর বছর শ্রমিকদের এই অর্থ আটকে রাখা হয়েছে।
সংগঠনের আহ্বায়ক আবু সাদাত মো. শোয়েব বলেন, দীর্ঘদিন পাওনা আটকে থাকায় প্রতিষ্ঠানটির প্রায় ৪ হাজার ৩০০ সাবেক কর্মী পরিবার নিয়ে চরম আর্থিক, সামাজিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। মামলা-মোকদ্দমার দীর্ঘসূত্রতা শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করার পাশাপাশি রাষ্ট্রের কয়েকশ কোটি টাকার সম্ভাব্য রাজস্ব আহরণকে ব্যাহত করেছে।
সমাবেশে মোহাম্মদ তানভীর আহমেদ বলেন, ‘আমাদের ২০১০, ২০১১ ও ২০১২ সালের লভ্যাংশের টাকা সময়মতো না দিয়ে রিটের মাধ্যমে কালক্ষেপণ করা হয়। ২০১৫ সালে আইনি চাপে পড়ে মূল টাকা দেওয়া হলেও বিলম্বের জন্য প্রযোজ্য সুদের টাকা বাদ দেওয়া হয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘শ্রম আইনের চক্রবৃদ্ধি সুদের হিসাব অনুযায়ী বর্তমানে ৪ হাজার ৩০০ জন সাবেক কর্মীর মোট পাওনা প্রায় ৩৩ হাজার ১৪৭ কোটি টাকা। তবে আমরা একটি নমনীয় সমঝোতার প্রস্তাব দিয়েছি। মূল হিসাবের মাত্র ০.০৩% বা জনপ্রতি ১০ কোটি টাকা পেলেই গ্রামীণফোনের সঙ্গে বিরোধ মিটিয়ে নিতে রাজি আমরা।’
স্মারকলিপিতে বলা হয়, ঐক্য পরিষদের সমঝোতার প্রস্তাব অনুযায়ী, কর পরিশোধের পর প্রতি সুবিধাভোগীকে ১০ কোটি টাকা করে দেওয়া হলে, সরকার আয়কর রাজস্ব হিসেবে ন্যূনতম ১৩ হাজার কোটি টাকা পাবে।
স্মারকলিপিতে এনবিআরের প্রতি চারটি আহ্বান জানানো হয়- জনস্বার্থ ও সম্ভাব্য বিশাল রাজস্ব আহরণের দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা; প্রয়োজনবোধে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সব কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে বিষয়টির আইনি সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া; আইন অনুযায়ী বিরোধ নিষ্পত্তি করে সরকারের প্রাপ্য কর নির্ধারণ ও আদায় নিশ্চিত এবং শ্রমিক বিরোধের একটি শান্তিপূর্ণ, ন্যায্য ও টেকসই সমাধান করা।

পাওনা আটকে রাখার অভিযোগে গ্রামীণফোন লিমিটেডের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নেমেছেন প্রতিষ্ঠানটির চাকরিচ্যুত কর্মীরা। তারা বকেয়া পাওনা আদায় ও সরকারের বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আহরণের সুযোগ নিশ্চিত করতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছেন।
সোমবার (৩ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এনবিআরের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ‘গ্রামীণফোন ৫% বিলম্ব বকেয়া আদায় ঐক্য পরিষদের’ ব্যানারে এই প্রতিবাদ সমাবেশ হয়। সমাবেশ শেষে সংগঠনের একটি প্রতিনিধিদল এনবিআর চেয়ারম্যানের কাছে স্মারকলিপি দেন।
সমাবেশে বক্তাদের অভিযোগ, ২০১০ থেকে ২০১২ অর্থবছরের ‘ওয়ার্কার্স প্রফিট পার্টিসিপেশন ফান্ড’ এবং ‘ওয়ার্কার্স ওয়েলফেয়ার ফান্ড’-সংক্রান্ত ৫ শতাংশ বিলম্বজনিত ক্ষতিপূরণ দীর্ঘ ১৬ বছরেও পরিশোধ করেনি গ্রামীণফোন। বাংলাদেশ শ্রম আইন অনুযায়ী এই অর্থ পরিশোধযোগ্য। তবে আইনি জটিলতা তৈরি করে রিট আবেদনের মাধ্যমে বছরের পর বছর শ্রমিকদের এই অর্থ আটকে রাখা হয়েছে।
সংগঠনের আহ্বায়ক আবু সাদাত মো. শোয়েব বলেন, দীর্ঘদিন পাওনা আটকে থাকায় প্রতিষ্ঠানটির প্রায় ৪ হাজার ৩০০ সাবেক কর্মী পরিবার নিয়ে চরম আর্থিক, সামাজিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। মামলা-মোকদ্দমার দীর্ঘসূত্রতা শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করার পাশাপাশি রাষ্ট্রের কয়েকশ কোটি টাকার সম্ভাব্য রাজস্ব আহরণকে ব্যাহত করেছে।
সমাবেশে মোহাম্মদ তানভীর আহমেদ বলেন, ‘আমাদের ২০১০, ২০১১ ও ২০১২ সালের লভ্যাংশের টাকা সময়মতো না দিয়ে রিটের মাধ্যমে কালক্ষেপণ করা হয়। ২০১৫ সালে আইনি চাপে পড়ে মূল টাকা দেওয়া হলেও বিলম্বের জন্য প্রযোজ্য সুদের টাকা বাদ দেওয়া হয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘শ্রম আইনের চক্রবৃদ্ধি সুদের হিসাব অনুযায়ী বর্তমানে ৪ হাজার ৩০০ জন সাবেক কর্মীর মোট পাওনা প্রায় ৩৩ হাজার ১৪৭ কোটি টাকা। তবে আমরা একটি নমনীয় সমঝোতার প্রস্তাব দিয়েছি। মূল হিসাবের মাত্র ০.০৩% বা জনপ্রতি ১০ কোটি টাকা পেলেই গ্রামীণফোনের সঙ্গে বিরোধ মিটিয়ে নিতে রাজি আমরা।’
স্মারকলিপিতে বলা হয়, ঐক্য পরিষদের সমঝোতার প্রস্তাব অনুযায়ী, কর পরিশোধের পর প্রতি সুবিধাভোগীকে ১০ কোটি টাকা করে দেওয়া হলে, সরকার আয়কর রাজস্ব হিসেবে ন্যূনতম ১৩ হাজার কোটি টাকা পাবে।
স্মারকলিপিতে এনবিআরের প্রতি চারটি আহ্বান জানানো হয়- জনস্বার্থ ও সম্ভাব্য বিশাল রাজস্ব আহরণের দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা; প্রয়োজনবোধে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সব কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে বিষয়টির আইনি সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া; আইন অনুযায়ী বিরোধ নিষ্পত্তি করে সরকারের প্রাপ্য কর নির্ধারণ ও আদায় নিশ্চিত এবং শ্রমিক বিরোধের একটি শান্তিপূর্ণ, ন্যায্য ও টেকসই সমাধান করা।
.png)

গাজীপুরের কাশিমপুর ইউনিয়ন ভূমি কার্যালয়ে নানা অনিয়মের অভিযোগে কর্মরত সবাইকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে জেলা প্রশাসন। সোমবার সকালে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে দালালের মাধ্যমে সরকারি কাজ করানো, দাপ্তরিক দায়িত্বে অবহেলা ও সেবাগ্রহীতাদের যথাযথ সেবা না দেওয়ার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া যায়।
৩৭ মিনিট আগে
সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) শর্তসাপেক্ষে জামিন পাওয়া পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের কাছে অন্যান্য দেশের পাসপোর্ট থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
৪৩ মিনিট আগে
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় জামাতাকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কর্মী আখ্যা দিয়ে মারধরের পরে পুলিশে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় তাঁর বড় ভাইকেও দেওয়া হয়।
১ ঘণ্টা আগে
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, সেনাবাহিনীর সিদ্ধান্তের পর কার্যত আন্দোলনের ফলাফল স্পষ্ট হয়। এটি ছিল দীর্ঘ সাড়ে ১৫ বছর কর্তৃত্ববাদী শাসন কায়েম করা শেখ হাসিনা পতনের রেড সিগন্যাল। আর দুদিন বেড়ে ৩৬ জুলাই পতন ঘটে শেখ হাসিনার।
১ ঘণ্টা আগে