স্ট্রিম সংবাদদাতা

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে কনফিডেন্স সল্ট লিমিটেড কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন আরও দুই শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। রোববার (১৯ জুলাই) মারা যাওয়া এই দুজনসহ মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে চারজনে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল সূত্রে সোমবার (২০ জুলাই) এসব তথ্য জানা গেছে।
চমেক হাসপাতালের বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের তথ্য মতে, রোববার (১৯ জুলাই) বিকেল ৩টার দিকে হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় উজ্জ্বল দাশ (৫৩) মারা যান। তার শরীরের প্রায় ৫০ শতাংশ দগ্ধ ও শ্বাসনালিও পুড়ে গিয়েছিল। রাত ১১টার দিকে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান নূর নবী হৃদয় (২৫)। তার শরীরের প্রায় ৬০ শতাংশ দগ্ধ এবং শ্বাসনালি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।
মারা যাওয়া দুজনের মধ্যে নূর নবী হৃদয় বোয়ালখালীর পশ্চিম গোমদণ্ডী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের চরখিজিরপুর গ্রামের নূর ছফার ছেলে। উজ্জ্বল দাশ রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পোমরা ইউনিয়নের শান্তিরহাট এলাকার মধুরামপাড়ার বাসিন্দা।
এ ছাড়া বর্তমানে মাহমুদুল হক নামে এক শ্রমিক ৬০ শতাংশ দগ্ধ ও শ্বাসনালি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে চমেক হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এদিকে তিন শ্রমিককে উন্নত চিকিৎসার জন্য শুক্রবার (১৭ জুলাই) ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়। তাদের মধ্যে শ্রমিক লিটন ৪০ শতাংশ, জাহেদ ৩৫ শতাংশ ও সেলিম ২০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছেন। তিনজনেরই শ্বাসনালি পুড়ে গেছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) রাতে চমেক হাসপাতালের আইসিইউতে থাকা মোহাম্মদ নুরুল আলম (৪৫) ও দিদারুল আলম (৩২) মারা যান।
এসব তথ্য জানিয়ে চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন বলেন, সর্বশেষ রোবিবার বিকেলে উজ্জ্বল ও রাতে নুর নবী চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এছাড়া লিটন, সেলিম ও জাহেদ উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
গত ১৬ জুলাই সকালে বোয়ালখালীতে কনফিডেন্স সল্ট লিমিটেড কারখানায় বিস্ফোরণে মোট ১০ শ্রমিক দগ্ধ হন।

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে কনফিডেন্স সল্ট লিমিটেড কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন আরও দুই শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। রোববার (১৯ জুলাই) মারা যাওয়া এই দুজনসহ মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে চারজনে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল সূত্রে সোমবার (২০ জুলাই) এসব তথ্য জানা গেছে।
চমেক হাসপাতালের বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের তথ্য মতে, রোববার (১৯ জুলাই) বিকেল ৩টার দিকে হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় উজ্জ্বল দাশ (৫৩) মারা যান। তার শরীরের প্রায় ৫০ শতাংশ দগ্ধ ও শ্বাসনালিও পুড়ে গিয়েছিল। রাত ১১টার দিকে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান নূর নবী হৃদয় (২৫)। তার শরীরের প্রায় ৬০ শতাংশ দগ্ধ এবং শ্বাসনালি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।
মারা যাওয়া দুজনের মধ্যে নূর নবী হৃদয় বোয়ালখালীর পশ্চিম গোমদণ্ডী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের চরখিজিরপুর গ্রামের নূর ছফার ছেলে। উজ্জ্বল দাশ রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পোমরা ইউনিয়নের শান্তিরহাট এলাকার মধুরামপাড়ার বাসিন্দা।
এ ছাড়া বর্তমানে মাহমুদুল হক নামে এক শ্রমিক ৬০ শতাংশ দগ্ধ ও শ্বাসনালি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে চমেক হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এদিকে তিন শ্রমিককে উন্নত চিকিৎসার জন্য শুক্রবার (১৭ জুলাই) ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়। তাদের মধ্যে শ্রমিক লিটন ৪০ শতাংশ, জাহেদ ৩৫ শতাংশ ও সেলিম ২০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছেন। তিনজনেরই শ্বাসনালি পুড়ে গেছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) রাতে চমেক হাসপাতালের আইসিইউতে থাকা মোহাম্মদ নুরুল আলম (৪৫) ও দিদারুল আলম (৩২) মারা যান।
এসব তথ্য জানিয়ে চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন বলেন, সর্বশেষ রোবিবার বিকেলে উজ্জ্বল ও রাতে নুর নবী চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এছাড়া লিটন, সেলিম ও জাহেদ উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
গত ১৬ জুলাই সকালে বোয়ালখালীতে কনফিডেন্স সল্ট লিমিটেড কারখানায় বিস্ফোরণে মোট ১০ শ্রমিক দগ্ধ হন।
.png)

গত বছরের ২১ জুলাই রাজধানীর উত্তরায় অবস্থিত মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি যুদ্ধবিমান আছড়ে পড়ার ঘটনার কারণ হিসেবে পাইলটের উড্ডয়ন প্রশিক্ষণের ঘাটতিকে দায়ী করেছে তদন্ত কমিশন। একইসঙ্গে, ওই পাইলটের গ্রাউন্ড সুপারভাইজার বা অফিসার কমান্ডিংয়ের নজরদারিতেও পর্যাপ্ততার অভাব ছিল বলে ত
১ ঘণ্টা আগে
বগুড়ার শাজাহানপুরে তুচ্ছ ঘটনায় ছুরিকাঘাতে রঞ্জু মিয়া (৫০) নামে একজনকে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষ। এ ঘটনায় তাঁর ছেলে মো. জুবায়ের (২৫) ও শ্যালক খোরশেদ আলম (৪০) আহত হয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
এক বছর আগে রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর (বিএএফ) একটি যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়। পুরো জাতিকে নাড়িয়ে দেওয়া সেই ট্র্যাজেডিতে ২৬ জন শিক্ষার্থীসহ ৩২ জনের প্রাণহানি ঘটে এবং আরও ১৫০ জনের বেশি মানুষ আহত হন।
২ ঘণ্টা আগে
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় বোমা বিস্ফোরণসহ একাধিক বাসায় ভাঙচুর চালানো হয়। সোমবার (২০ জুলাই) রাত ১০টার দিকে ফতুল্লার হাজীগঞ্জ ঈদগাহ সড়কে এ ঘটনায় নারী-পুরুষসহ আহত হয়েছেন অন্তত ৮ জন।
২ ঘণ্টা আগে