স্ট্রিম সংবাদদাতা

নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে প্রায় ছয় মাস কারাভোগের পর বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. শফিকুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। সোমবার (৩ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আলিম বছিরের সই করা এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
আদেশে জানানো হয়, মো. শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ঢাকার মোহাম্মদপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি ফৌজদারি মামলা বিচারাধীন। ওই মামলায় তিনি কারাগারে ছিলেন। এরপর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সরকারি চাকরি আইন এবং বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় আইনের ধারা অনুযায়ী তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করে। তাঁর বরখাস্তের এ আদেশ ২০২৫ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর অর্থাৎ গ্রেপ্তারের দিন থেকেই কার্যকর হবে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, মো. শফিকুল ইসলাম শিক্ষা ছুটিতে ছিলেন। সম্প্রতি তিনি বিভাগে যোগদানের আবেদন করেন। এ সময়ে এক নারী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে তাঁর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দেন। এরপর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করে এবং অভিযোগ তদন্তে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে।
মামলার এজাহারে বলা হয়, ঢাকার এক নারীর সঙ্গে শফিকুল ইসলামের ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছিল এবং পারিবারিকভাবে তাঁদের বিয়ের কথা হয়। পরে তিনি ওই নারীকে মোহাম্মদপুরে নিজের বাসায় ডেকে নিয়ে মারধর করেন। এরপর কুয়াকাটার একটি আবাসিক হোটেলে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
সহকারী অধ্যাপক মো. শফিকুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, পারিবারিকভাবে তাঁদের বিয়ের কথা ঠিক হয়েছিল। পরে উভয়ের সম্মতিতেই সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন। এরপর পিএইচডির জন্য যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার উদ্দেশ্যে গত বছরের ২৮ আগস্ট বিমানবন্দরে গেলে তিনি জানতে পারেন, তাঁর বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টার মামলা হয়েছে।
তিনি আরো জানান, গত ১৬ সেপ্টেম্বর তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং ১৭৭ দিন কারাগারে থাকেন। তাঁর দাবি, তাঁকে পরিকল্পিতভাবে ফাঁসানো হয়েছে এবং ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত করার চেষ্টা চলছে।
এ ঘটনায় অভিযোগকারী নারীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে মামলা চলমান বিধায় এই বিষয়ে তিনি কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হননি।
এ বিষয়ে ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক ড. তানভীর কায়সার বলেন, শফিকুল ইসলাম দেড় বছরের বেশি সময় শিক্ষা ছুটিতে ছিলেন। ওই সময়ে তাঁর বিরুদ্ধে নারী নির্যাতনের মামলা হয় এবং তিনি কারাগারে ছিলেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ড. আব্দুল আলিম বছির বলেন, এটি একটি বিচারাধীন ফৌজদারি মামলা। মামলার তদন্ত ও বিচার আদালতের বিষয়। বিশ্ববিদ্যালয় কেবল চাকরির শৃঙ্খলাজনিত দিক বিবেচনা করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিয়েছে।

নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে প্রায় ছয় মাস কারাভোগের পর বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. শফিকুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। সোমবার (৩ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আলিম বছিরের সই করা এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
আদেশে জানানো হয়, মো. শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ঢাকার মোহাম্মদপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি ফৌজদারি মামলা বিচারাধীন। ওই মামলায় তিনি কারাগারে ছিলেন। এরপর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সরকারি চাকরি আইন এবং বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় আইনের ধারা অনুযায়ী তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করে। তাঁর বরখাস্তের এ আদেশ ২০২৫ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর অর্থাৎ গ্রেপ্তারের দিন থেকেই কার্যকর হবে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, মো. শফিকুল ইসলাম শিক্ষা ছুটিতে ছিলেন। সম্প্রতি তিনি বিভাগে যোগদানের আবেদন করেন। এ সময়ে এক নারী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে তাঁর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দেন। এরপর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করে এবং অভিযোগ তদন্তে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে।
মামলার এজাহারে বলা হয়, ঢাকার এক নারীর সঙ্গে শফিকুল ইসলামের ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছিল এবং পারিবারিকভাবে তাঁদের বিয়ের কথা হয়। পরে তিনি ওই নারীকে মোহাম্মদপুরে নিজের বাসায় ডেকে নিয়ে মারধর করেন। এরপর কুয়াকাটার একটি আবাসিক হোটেলে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
সহকারী অধ্যাপক মো. শফিকুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, পারিবারিকভাবে তাঁদের বিয়ের কথা ঠিক হয়েছিল। পরে উভয়ের সম্মতিতেই সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন। এরপর পিএইচডির জন্য যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার উদ্দেশ্যে গত বছরের ২৮ আগস্ট বিমানবন্দরে গেলে তিনি জানতে পারেন, তাঁর বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টার মামলা হয়েছে।
তিনি আরো জানান, গত ১৬ সেপ্টেম্বর তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং ১৭৭ দিন কারাগারে থাকেন। তাঁর দাবি, তাঁকে পরিকল্পিতভাবে ফাঁসানো হয়েছে এবং ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত করার চেষ্টা চলছে।
এ ঘটনায় অভিযোগকারী নারীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে মামলা চলমান বিধায় এই বিষয়ে তিনি কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হননি।
এ বিষয়ে ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক ড. তানভীর কায়সার বলেন, শফিকুল ইসলাম দেড় বছরের বেশি সময় শিক্ষা ছুটিতে ছিলেন। ওই সময়ে তাঁর বিরুদ্ধে নারী নির্যাতনের মামলা হয় এবং তিনি কারাগারে ছিলেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ড. আব্দুল আলিম বছির বলেন, এটি একটি বিচারাধীন ফৌজদারি মামলা। মামলার তদন্ত ও বিচার আদালতের বিষয়। বিশ্ববিদ্যালয় কেবল চাকরির শৃঙ্খলাজনিত দিক বিবেচনা করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিয়েছে।
.png)

বাংলাদেশে দুই, তিন বা চারটি নয় বরং একটিই বিরোধী দল রয়েছে। সেটি জামায়াত ইসলামী। মঙ্গলবার (৪ জুলাই) বিকেলে লক্ষ্মীপুরে জুলাই সমাবেশের সভাপতির বক্তব্যে পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এসব কথা বলেছেন।
২১ মিনিট আগে
বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও ক্যাম্পাসে থমথমে ভাব বিরাজ করছে। সাধারণ শিক্ষার্থীরা উদ্বেগ ও উত্তেজনার মধ্য দিয়ে সময় কাটাচ্ছেন।
২৭ মিনিট আগে
দেশের অন্যতম শীর্ষ পেঁয়াজ উৎপাদনকারী জেলা পাবনায় সংরক্ষণ করা পেঁয়াজে অসময়ে ভয়াবহ পচন দেখা দিয়েছে। সনাতন পদ্ধতির চাতালের পাশাপাশি কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের তৈরি আধুনিক সংরক্ষণাগারে রেখেও ঠেকানো যাচ্ছে না পচন। এতে চলতি বছর রেকর্ড ফলনের পরেও লোকসানের শঙ্কায় পড়েছেন কৃষক।
১ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর ঢাকা কলেজে ছাত্রদল ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের কয়েকজনের আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
১ ঘণ্টা আগে