স্ট্রিম প্রতিবেদক

স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের পরও দক্ষিণ কোরিয়ার বাজারে বাংলাদেশের ৯৭ শতাংশ পণ্য ও সেবা অগ্রাধিকারমূলক শুল্ক সুবিধা পাবে। সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (সিইপিএ) কার্যকর হওয়ার প্রথম দিন থেকেই বাংলাদেশের ৮ হাজার ৪২৮টি পণ্য কোরিয়ার বাজারে তাৎক্ষণিক শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাবে।
বিপরীতে দক্ষিণ কোরিয়া বাংলাদেশের বাজারে ১ হাজার ৫৪টি পণ্যে একই সুবিধা ভোগ করবে। সামগ্রিকভাবে কোরিয়ার ৮৭ শতাংশ পণ্য বাংলাদেশের বাজারে অগ্রাধিকারমূলক সুবিধা পাবে।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সচিবালয়ে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে সিইপিএ আলোচনা সমাপ্তের ঘোষণা দেন দুই দেশের বাণিজ্যমন্ত্রী। প্রায় এক বছর ধরে পাঁচ দফা আনুষ্ঠানিক আলোচনা ও প্রায় ৪০টি ভার্চুয়াল বৈঠকের পর সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা। এখন দুই দেশের আইনগত ও প্রাতিষ্ঠানিক অনুমোদন শেষে চুক্তিটি কার্যকর হবে।
সচিবালয়ে আয়োজিত সিইপিএ নেগোসিয়েশন কনক্লুশন সেরিমনিতে যৌথ ঘোষণা দেন বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এবং দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রী হান-কু ইয়েও। অনুষ্ঠানে বাণিজ্যসচিব আতাউর রহমান খান, বাংলাদেশের প্রধান আলোচক ও অতিরিক্ত সচিব (এফটিএ) আয়েশা আক্তার, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধান আলোচক পাক কুন-ওহ এবং দুই দেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পরে সংবাদ সম্মেলনে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ‘বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র পাঁচ মাসের মধ্যে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ অর্থনীতির একটি দেশের সঙ্গে উচ্চমানের বাণিজ্য চুক্তির আলোচনা সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়েছে। এ চুক্তির আওতায় বাংলাদেশের ৯৭ শতাংশ পণ্য অগ্রাধিকারমূলক শুল্ক সুবিধা পাবে। আর দক্ষিণ কোরিয়া পাবে ৮৭ শতাংশ পণ্যে।’
তিনি বলেন, ‘দক্ষিণ কোরিয়া ২ লাখ কোটি ডলারের অর্থনীতির দেশ। আমরা একটি বড় বাণিজ্যিক অংশীদার পেলাম। তৈরি পোশাক, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, জুতা, ওষুধ, হোম টেক্সটাইলসহ বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্যগুলো কোরিয়ার বাজারে আরও প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান পাবে। অন্যদিকে কৃষিপণ্য, প্লাস্টিক ও খুচরা যন্ত্রাংশ আমদানিতে বাংলাদেশ সুবিধা পাবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ১ লাখ কোটি ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করতে চাই। এ জন্য ৮ শতাংশ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, রপ্তানি সম্প্রসারণ ও বিদেশি বিনিয়োগ প্রয়োজন। সিইপিএ সেই লক্ষ্য অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’
পণ্য বাণিজ্যের পাশাপাশি সেবা খাতেও উল্লেখযোগ্য অঙ্গীকার করেছে দুই দেশ। চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ দক্ষিণ কোরিয়ার জন্য সেবাখাতে ৯৫টি উপখাত উন্মুক্ত করবে। বিপরীতে দক্ষিণ কোরিয়া বাংলাদেশের জন্য ১১১টি উপখাতে চারটি মোডে সেবা বাণিজ্যের সুযোগ দেবে। সরকারের আশা, এর মাধ্যমে প্রযুক্তি স্থানান্তর, দক্ষ জনশক্তির অংশগ্রহণ ও বিনিয়োগ সহযোগিতা আরও জোরদার হবে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানায়, সিইপিএ বাস্তবায়নের প্রস্তুতি হিসেবে বাংলাদেশ ও কোরিয়া প্রথমে টার্মস অব রেফারেন্স (টিওআর) চূড়ান্ত করে। এরপর ট্রেড নেগোসিয়েটিং কমিটি (টিএনসি) এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থার প্রতিনিধিদের নিয়ে ১১টি টেকনিক্যাল ওয়ার্কিং গ্রুপ (টিডব্লিউজি) গঠন করা হয়। ২০২৫ সালের ২২-২৭ আগস্ট দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলে প্রথম দফা আলোচনা শুরু হয়।
দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রী ইয়ে হান-কু বলেন, কোরিয়া ও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের ইতিহাস ৫৬ বছরের। এতদিন সম্পর্কের কেন্দ্রবিন্দু ছিল মূলত টেক্সটাইল খাত। এখন প্রযুক্তি, সরবরাহ ব্যবস্থা, শিল্প সহযোগিতা, বিনিয়োগ ও পণ্য বহুমুখীকরণের মতো নতুন ক্ষেত্রে সম্পর্ক সম্প্রসারণের সময় এসেছে।’
তিনি আশা করেন, বাংলাদেশের নতুন সরকার দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে। সিইপিএ কার্যকর হলে কোরিয়ার কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে আরও স্বাচ্ছন্দ্যে বিনিয়োগে আগ্রহী হবে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে বর্তমানে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ১৩৯ কোটি ডলার। এর মধ্যে বাংলাদেশ প্রায় ৪৯ কোটি ১৭ লাখ ৩০ হাজার ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানি করে। বিপরীতে আমদানি করে ৯০ কোটি ২০ লাখ ডলার মূল্যের পণ্য। বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি প্রায় ৪১ কোটি ১০ লাখ ডলার।
বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে তৈরি পোশাক, হোম টেক্সটাইল, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, জুতা, ওষুধ, পাট ও পাটজাত পণ্য, হিমায়িত খাদ্য ও সিরামিক সামগ্রী। অন্যদিকে আমদানি পণ্যের রয়েছে শিল্পখাতের যন্ত্রপাতি, লোহা ও ইস্পাত, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম, প্লাস্টিক, রাসায়নিক ও কাগজজাত পণ্য।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলেন, সিইপিএ কার্যকর হলে শুধু রপ্তানিই বাড়বে না। একই সঙ্গে শিল্পায়ন, বিদেশি বিনিয়োগ, প্রযুক্তি স্থানান্তর ও কর্মসংস্থানেরও নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে। এলডিসি উত্তরণের পর বাংলাদেশের বৈশ্বিক বাণিজ্য সক্ষমতা ধরে রাখতেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের পরও দক্ষিণ কোরিয়ার বাজারে বাংলাদেশের ৯৭ শতাংশ পণ্য ও সেবা অগ্রাধিকারমূলক শুল্ক সুবিধা পাবে। সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (সিইপিএ) কার্যকর হওয়ার প্রথম দিন থেকেই বাংলাদেশের ৮ হাজার ৪২৮টি পণ্য কোরিয়ার বাজারে তাৎক্ষণিক শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাবে।
বিপরীতে দক্ষিণ কোরিয়া বাংলাদেশের বাজারে ১ হাজার ৫৪টি পণ্যে একই সুবিধা ভোগ করবে। সামগ্রিকভাবে কোরিয়ার ৮৭ শতাংশ পণ্য বাংলাদেশের বাজারে অগ্রাধিকারমূলক সুবিধা পাবে।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সচিবালয়ে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে সিইপিএ আলোচনা সমাপ্তের ঘোষণা দেন দুই দেশের বাণিজ্যমন্ত্রী। প্রায় এক বছর ধরে পাঁচ দফা আনুষ্ঠানিক আলোচনা ও প্রায় ৪০টি ভার্চুয়াল বৈঠকের পর সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা। এখন দুই দেশের আইনগত ও প্রাতিষ্ঠানিক অনুমোদন শেষে চুক্তিটি কার্যকর হবে।
সচিবালয়ে আয়োজিত সিইপিএ নেগোসিয়েশন কনক্লুশন সেরিমনিতে যৌথ ঘোষণা দেন বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এবং দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রী হান-কু ইয়েও। অনুষ্ঠানে বাণিজ্যসচিব আতাউর রহমান খান, বাংলাদেশের প্রধান আলোচক ও অতিরিক্ত সচিব (এফটিএ) আয়েশা আক্তার, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধান আলোচক পাক কুন-ওহ এবং দুই দেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পরে সংবাদ সম্মেলনে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ‘বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র পাঁচ মাসের মধ্যে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ অর্থনীতির একটি দেশের সঙ্গে উচ্চমানের বাণিজ্য চুক্তির আলোচনা সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়েছে। এ চুক্তির আওতায় বাংলাদেশের ৯৭ শতাংশ পণ্য অগ্রাধিকারমূলক শুল্ক সুবিধা পাবে। আর দক্ষিণ কোরিয়া পাবে ৮৭ শতাংশ পণ্যে।’
তিনি বলেন, ‘দক্ষিণ কোরিয়া ২ লাখ কোটি ডলারের অর্থনীতির দেশ। আমরা একটি বড় বাণিজ্যিক অংশীদার পেলাম। তৈরি পোশাক, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, জুতা, ওষুধ, হোম টেক্সটাইলসহ বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্যগুলো কোরিয়ার বাজারে আরও প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান পাবে। অন্যদিকে কৃষিপণ্য, প্লাস্টিক ও খুচরা যন্ত্রাংশ আমদানিতে বাংলাদেশ সুবিধা পাবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ১ লাখ কোটি ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করতে চাই। এ জন্য ৮ শতাংশ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, রপ্তানি সম্প্রসারণ ও বিদেশি বিনিয়োগ প্রয়োজন। সিইপিএ সেই লক্ষ্য অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’
পণ্য বাণিজ্যের পাশাপাশি সেবা খাতেও উল্লেখযোগ্য অঙ্গীকার করেছে দুই দেশ। চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ দক্ষিণ কোরিয়ার জন্য সেবাখাতে ৯৫টি উপখাত উন্মুক্ত করবে। বিপরীতে দক্ষিণ কোরিয়া বাংলাদেশের জন্য ১১১টি উপখাতে চারটি মোডে সেবা বাণিজ্যের সুযোগ দেবে। সরকারের আশা, এর মাধ্যমে প্রযুক্তি স্থানান্তর, দক্ষ জনশক্তির অংশগ্রহণ ও বিনিয়োগ সহযোগিতা আরও জোরদার হবে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানায়, সিইপিএ বাস্তবায়নের প্রস্তুতি হিসেবে বাংলাদেশ ও কোরিয়া প্রথমে টার্মস অব রেফারেন্স (টিওআর) চূড়ান্ত করে। এরপর ট্রেড নেগোসিয়েটিং কমিটি (টিএনসি) এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থার প্রতিনিধিদের নিয়ে ১১টি টেকনিক্যাল ওয়ার্কিং গ্রুপ (টিডব্লিউজি) গঠন করা হয়। ২০২৫ সালের ২২-২৭ আগস্ট দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলে প্রথম দফা আলোচনা শুরু হয়।
দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রী ইয়ে হান-কু বলেন, কোরিয়া ও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের ইতিহাস ৫৬ বছরের। এতদিন সম্পর্কের কেন্দ্রবিন্দু ছিল মূলত টেক্সটাইল খাত। এখন প্রযুক্তি, সরবরাহ ব্যবস্থা, শিল্প সহযোগিতা, বিনিয়োগ ও পণ্য বহুমুখীকরণের মতো নতুন ক্ষেত্রে সম্পর্ক সম্প্রসারণের সময় এসেছে।’
তিনি আশা করেন, বাংলাদেশের নতুন সরকার দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে। সিইপিএ কার্যকর হলে কোরিয়ার কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে আরও স্বাচ্ছন্দ্যে বিনিয়োগে আগ্রহী হবে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে বর্তমানে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ১৩৯ কোটি ডলার। এর মধ্যে বাংলাদেশ প্রায় ৪৯ কোটি ১৭ লাখ ৩০ হাজার ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানি করে। বিপরীতে আমদানি করে ৯০ কোটি ২০ লাখ ডলার মূল্যের পণ্য। বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি প্রায় ৪১ কোটি ১০ লাখ ডলার।
বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে তৈরি পোশাক, হোম টেক্সটাইল, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, জুতা, ওষুধ, পাট ও পাটজাত পণ্য, হিমায়িত খাদ্য ও সিরামিক সামগ্রী। অন্যদিকে আমদানি পণ্যের রয়েছে শিল্পখাতের যন্ত্রপাতি, লোহা ও ইস্পাত, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম, প্লাস্টিক, রাসায়নিক ও কাগজজাত পণ্য।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলেন, সিইপিএ কার্যকর হলে শুধু রপ্তানিই বাড়বে না। একই সঙ্গে শিল্পায়ন, বিদেশি বিনিয়োগ, প্রযুক্তি স্থানান্তর ও কর্মসংস্থানেরও নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে। এলডিসি উত্তরণের পর বাংলাদেশের বৈশ্বিক বাণিজ্য সক্ষমতা ধরে রাখতেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
.png)

নতুন অর্থবছরের (২০২৬-২৭) প্রথম মাস জুলাইয়ে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক (আরএমজি) রপ্তানি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১ দশমিক ৯২ শতাংশ কমেছে। তবে চলতি বছরের জুলাইয়ে ৩৮৯ কোটি ডলারের রপ্তানিকে ইতিবাচক সূচনা হিসেবেই দেখছে তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি।
২ ঘণ্টা আগে
সঞ্চালন লাইনে গ্যাসের স্বাভাবিক চাপ না থাকায় নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকার রপ্তানিমুখী পোশাক কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। অনেক কারখানায় উৎপাদন ১৫ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। এতে সময়মতো পণ্য সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের ধরে রাখাও কঠিন হয়ে পড়তে
১০ ঘণ্টা আগে
জ্বালানি সংকট নিরসনে মিয়ানমার থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানির আগ্রহ দেখিয়েছে বাংলাদেশ। রোববার (২ আগস্ট) সচিবালয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর সঙ্গে মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত ইউ কিয়াও সো মোয়ের বৈঠকে এই আগ্রহ দেখায় ঢাকা।
০৩ আগস্ট ২০২৬
‘নিজেই নিজের কাছ থেকে জাহাজ আমদানি মেঘনা গ্রুপের!’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছে মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ। দেশের অন্যতম শিল্পগোষ্ঠীটির পক্ষে মিডিয়া রিলেশন্স ও পাবলিক রিলেশন ডিপার্টমেন্টের সিনিয়র ম্যানেজার হুমায়ুন আহমেদ গত বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) প্রতিবাদলিপি পাঠান।
০২ আগস্ট ২০২৬