জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬

ও গণভোট

ক্লিক করুন

চুয়াডাঙ্গায় বিএনপির ২ নেতা বহিষ্কার

স্ট্রিম সংবাদদাতা
স্ট্রিম সংবাদদাতা
চুয়াডাঙ্গা

প্রকাশ : ১৯ মার্চ ২০২৬, ১০: ৫৮
বিএনপির বহিষ্কার হওয়া দুই নেতা। ছবি: সংগৃহীত

দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গ ও সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে চুয়াডাঙ্গায় বিএনপির দুই নেতা বহিষ্কার হয়েছেন। তাঁরা হলেন— দামুড়হুদা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মনিরুজ্জামান মনির এবং আলমডাঙ্গা পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান ওল্টু।

জেলা বিএনপির সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু ও সাধারণ সম্পাদক শরীফুজ্জামান শরীফের সই করা এক পত্রে তাদের বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

বুধবার (১৮ মার্চ) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ মিল্টন।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনের ভেতরে তাঁদের নানা অসংগতি ও শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ নিয়ে আলোচনা চলছিল। সাম্প্রতিক সময়ে এসব কর্মকাণ্ডের মাত্রা বাড়ায় অবশেষে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের একাধিক নেতাকর্মীর ভাষ্য, কিছু নেতার বিতর্কিত ভূমিকার কারণেই জেলায় বিএনপির সাংগঠনিক দুর্বলতা প্রকট হয়েছে। এতে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে জেলার দুটি আসনই হারিয়েছে বিএনপি। বর্তমানে ওয়ার্ড থেকে জেলা পর্যায় পর্যন্ত কমিটিগুলোতে গ্রুপিং স্পষ্ট হয়ে উঠেছে, যা দলের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জেলা বিএনপির কয়েকজন নেতা বলেন, দলের ভেতরে আত্মীয়তা ও স্বজনপ্রীতির চর্চা বন্ধ না হলে এই সংকট কাটানো কঠিন হবে। একই সঙ্গে বহিষ্কৃত নেতাদের পুনর্বহালের প্রবণতাকেও তাঁরা দলের অন্যতম বড় দুর্বলতা হিসেবে দেখছেন।

এ বিষয়ে জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ মিল্টন বলেন, ‘যারা দলের বাইরে গিয়ে অপকর্মে জড়িত থাকবে, তাঁদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এতে দলের শৃঙ্খলা ফিরে আসবে। দলকে শক্তিশালী করতে ইতিবাচক ধারার রাজনীতি বজায় রাখা হবে এবং অল্প সময়ের মধ্যেই আগের অবস্থানে ফিরে যাওয়ার আশা করছেন নেতারা।’

তিনি আরও বলেন, ‘দলের ভেতরে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এই পদক্ষেপকে অনেকেই গুরুত্বপূর্ণ বার্তা হিসেবে দেখছেন। এখন দেখার বিষয়, এর মাধ্যমে চুয়াডাঙ্গা বিএনপি সাংগঠনিক সংকট কাটিয়ে কতটা ঘুরে দাঁড়াতে পারে।’

সম্পর্কিত