ছয় বছর পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়টির ছাত্রসংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের কাছে প্রত্যাশা নিয়ে লিখেছেন সাবেক শিক্ষার্থী।
নাইম আহমেদ

বহু প্রত্যাশিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে গেছে। শিক্ষার্থীরা ভোটকেন্দ্রে যাচ্ছেন, ভোট দিচ্ছেন, হাস্যজ্জ্বোল ছবি দিচ্ছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেসব ছবি দেখছি আর কত কিছু যে মনে পড়ছে!
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী হিসেবে আমার কাছে ডাকসু এক বিশেষ আগ্রহের জায়গা, আবেগেরও। মনে পড়ে, ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি হয়েছিলাম। অজপাড়া থেকে সেই প্রথম এত বড় শহরে আসা। নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার নিরন্তর সংগ্রাম। আগের বছরই বাবা মারা গিয়েছিলেন, সংসারে টানাপড়েন। এমন অবস্থায় হলে না থেকে বাইরে থাকার সুযোগই ছিল না। যদিও বরাদ্দ পেলাম মাস্টার দা সূর্য সেন হল, কিন্তু সেখানে তো আবার প্রথম বর্ষে সিট দেয় না। তাই অগত্যা তৎকালীন সরকারদলীয় ছাত্রসংঠনের দখলে থাকা একটা গণরুমে (মূলত ক্যান্টিনের পাশে থাকা গ্যারেজ টাইপ একটা পরিত্যক্ত জায়গাকে বোর্ড দিয়ে ঢেকে রুমের মতো করা)। সেখানে প্রথম বর্ষের ৩০ জন শিক্ষার্থী সঙ্গে ঠাঁই নিলাম।
বিভিন্ন পাঠচক্রের সুবাদে ছাত্র সংগঠনের কিছু প্রগতিশীল মানুষের সঙ্গে পরিচয় গড়ে ওঠে। তাঁদেরই কয়েকজনের সঙ্গে, সম্ভবত ২০১২ কি ১৩ সালে, ডাকসু নির্বাচনের দাবিতে একটা মিছিলে অংশ নিয়ে ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ শেষে ভিসি অফিসে তালা দেওয়া ও অবস্থান কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছিলাম। কীভাবে কীভাবে যেন সেই ছবি জাতীয় পত্রিকাতে চলে এল। আর যায় কোথায়, ছাত্রলীগের দয়া করে দেওয়া আশ্রয়ে থেকে ডাকসুর জন্য মিছিল-মিটিং! পড়ে গেলাম তাদের রোষানল আর নজরদারিতে।
এরপর কেটে গেল পাঁচটি বছর, ডাকসু নির্বাচন আর হলো না। আর ২০১৯ সালে যখন ডাকসু নির্বাচন হলো, এর কিছুদিন আগেই আমি ক্যাম্পাস থেকে বেরিয়ে গিয়েছি। ফলে ডাকসু আমার কাছে অধরাই রয়ে গেছে। এখন বরং আমি বলতে পারি, কেমন ডাকসু চাই। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী হিসেবে আজকের এই ডাকসু নির্বাচনে আমার একটিই চাওয়া, যে বা যাঁরাই নির্বাচিত হোন, তাঁরা যেন এই বিদ্যায়তনের মৌলিক কিছু সংস্কার করেন। বিভিন্ন প্যানেলের প্রার্থীরা অবশ্য বিচিত্র রকম সংস্কার প্রস্তাব নিয়েই ভোটের মাঠে নেমেছেন। তাঁদের সেসব প্রস্তাবনার মধ্য থেকে আমি চাই— অন্তত কিছু সংস্কার যেন করা হয়, কিছু নিয়ম যেন বদলায়। তবেই আমরা বলতে পারব গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী ছাত্র সংসদ নির্বাচন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে নতুন এক চেহারা দিয়েছে।
আমার চাওয়া বিশেষ কিছু নয়। এই ক্যাম্পাসের বর্তমান শিক্ষার্থীরা যা চান, আমিও তাই-ই চাই। যেমন, যুগ যুগ ধরে চলে আসা গণরুম ও গেস্টরুমভিত্তিক যে পেশিনির্ভর ক্ষমতার রাজনীতি, যা শিক্ষার্থীদের নজরদারির মধ্যে রাখে; তা যেন চিরতরে বন্ধ হয়। গেস্টরুম ও গণরুমের অপসংস্কৃতি যেন বন্ধ হয়।
ক্যাম্পাসে কোনো ক্যান্টিন বা ক্যাফেতে শিক্ষার্থীদের জন্য পুষ্টিনির্ভর সুষম খাবারের বা ব্যালান্সড ডায়েটের ব্যবস্থা নেই। যাঁরাই জিতুক, এটা নিয়ে তাঁরা যেন অগ্রাধিকারভিত্তিতে কাজ করেন। আবাসন সংকট নিরসনে যেন প্রশাসনকে চাপের মধ্যে রাখা যায়। বলা বাহুল্য, এই আবাসন সংকটই হলো গণরুম ও গেস্টরুমভিত্তিক যে পেশিনির্ভর ক্ষমতার রাজনীতি, তার সবচেয়ে বড় উৎস। আবাসন সংকট জিইয়ে রেখেই ক্ষমতাহীন সাধারণ শিক্ষার্থীদের জিম্মি করা হয়ে আসছে যুগ যুগ ধরে।
রেজিস্ট্রার বিল্ডিংসহ প্রতিটি প্রশাসনিক স্তরে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা চিরতরে দূর করার জন্য, ডাকসু যেন কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আমাদের ক্যাম্পাসটি সবার, সব শিক্ষার্থীর। এখানে সবার জন্য, সবাই মিলে (দলমত, ধর্ম, লিঙ্গ, জাতিনির্বিশেষে) যেন একটি সহনশীল, শান্তিপূর্ণ, পারস্পরিক শ্রদ্ধাশীল ও সহাবস্থানের পরিবেশ তৈরি করা যায়, তা নিশ্চিত করতে হবে।
আজকের ডাকসু নির্বাচনে যাঁরা নির্বাচিত হবেন, আশা করব, এ দায়িত্ব পালনে তাঁরা সচেষ্ট হবেন। সর্বোপরি, বিজয়ী ব্যক্তি বা প্যানেল যেন কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল, বা মতাদর্শের অনুসারীদের প্রতিনিধি না হয়ে সব শিক্ষার্থীর প্রতিনিধি হয়ে ওঠে। সব শিক্ষার্থীর পাশে থাকে।
অনেকের মতো আমিও মনে করি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মানেই বাংলাদেশ। ১৯৫২, ১৯৬৯, ১৯৭১, ১৯৯০, ২০২৪— প্রতিবার ইতিহাসের বাঁক বদলের কাণ্ডারি ছিল এই বিশ্ববিদ্যালয়। তাই এবারের ডাকসু নির্বাচনে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দায়িত্ব অনেক। তাঁদের আজ বলতে হবে, ইতিহাসের বাঁক বদল পেরিয়ে ২০২৫ সালে এসে তাঁরা এখন কী করবেন? আমাদের দেশকে একটি বাংলাদেশপন্থী, উদার, গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল বন্দোবস্তের দিকে নেবেন, নাকি প্রতিক্রিয়াশীলতার নাগপাশে বন্দী হবেন? আমাদের প্রত্যাশা একটাই, বাংলাদেশের ইতিহাসের সূতিকাগার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ভুলেও এমন কাউকে প্রতিনিধি না করেন, যাঁরা নিপীড়কের সহযোগী, যাঁরা গণহত্যার সহযোগী।
নতুন সময়ের বাংলাদেশের মতো আমরা নতুন এক ডাকসু চাই। যে ডাকসু নেতৃত্ব দলমতের উদ্ধে গিয়ে শুধু শিক্ষার্থীবান্ধব হবে, আমরা সেই ডাকসু চাই। আমাদের বিশ্বাস, অন্যায়ের প্রশ্নে, দেশের প্রশ্নে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কোনোদিন যেমন আপস করেনি, আজও করবে না। স্বৈরাচারবিরোধী দীর্ঘ আন্দোলন ও জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে প্রকাশ্যে, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অংশ নেওয়া সব যোদ্ধা-প্রার্থীর জন্য শুভকামনা।
লেখক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী; বর্তমানে উচ্চশিক্ষায় অস্ট্রেলিয়ায় অধ্যয়নরত।

বহু প্রত্যাশিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে গেছে। শিক্ষার্থীরা ভোটকেন্দ্রে যাচ্ছেন, ভোট দিচ্ছেন, হাস্যজ্জ্বোল ছবি দিচ্ছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেসব ছবি দেখছি আর কত কিছু যে মনে পড়ছে!
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী হিসেবে আমার কাছে ডাকসু এক বিশেষ আগ্রহের জায়গা, আবেগেরও। মনে পড়ে, ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি হয়েছিলাম। অজপাড়া থেকে সেই প্রথম এত বড় শহরে আসা। নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার নিরন্তর সংগ্রাম। আগের বছরই বাবা মারা গিয়েছিলেন, সংসারে টানাপড়েন। এমন অবস্থায় হলে না থেকে বাইরে থাকার সুযোগই ছিল না। যদিও বরাদ্দ পেলাম মাস্টার দা সূর্য সেন হল, কিন্তু সেখানে তো আবার প্রথম বর্ষে সিট দেয় না। তাই অগত্যা তৎকালীন সরকারদলীয় ছাত্রসংঠনের দখলে থাকা একটা গণরুমে (মূলত ক্যান্টিনের পাশে থাকা গ্যারেজ টাইপ একটা পরিত্যক্ত জায়গাকে বোর্ড দিয়ে ঢেকে রুমের মতো করা)। সেখানে প্রথম বর্ষের ৩০ জন শিক্ষার্থী সঙ্গে ঠাঁই নিলাম।
বিভিন্ন পাঠচক্রের সুবাদে ছাত্র সংগঠনের কিছু প্রগতিশীল মানুষের সঙ্গে পরিচয় গড়ে ওঠে। তাঁদেরই কয়েকজনের সঙ্গে, সম্ভবত ২০১২ কি ১৩ সালে, ডাকসু নির্বাচনের দাবিতে একটা মিছিলে অংশ নিয়ে ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ শেষে ভিসি অফিসে তালা দেওয়া ও অবস্থান কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছিলাম। কীভাবে কীভাবে যেন সেই ছবি জাতীয় পত্রিকাতে চলে এল। আর যায় কোথায়, ছাত্রলীগের দয়া করে দেওয়া আশ্রয়ে থেকে ডাকসুর জন্য মিছিল-মিটিং! পড়ে গেলাম তাদের রোষানল আর নজরদারিতে।
এরপর কেটে গেল পাঁচটি বছর, ডাকসু নির্বাচন আর হলো না। আর ২০১৯ সালে যখন ডাকসু নির্বাচন হলো, এর কিছুদিন আগেই আমি ক্যাম্পাস থেকে বেরিয়ে গিয়েছি। ফলে ডাকসু আমার কাছে অধরাই রয়ে গেছে। এখন বরং আমি বলতে পারি, কেমন ডাকসু চাই। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী হিসেবে আজকের এই ডাকসু নির্বাচনে আমার একটিই চাওয়া, যে বা যাঁরাই নির্বাচিত হোন, তাঁরা যেন এই বিদ্যায়তনের মৌলিক কিছু সংস্কার করেন। বিভিন্ন প্যানেলের প্রার্থীরা অবশ্য বিচিত্র রকম সংস্কার প্রস্তাব নিয়েই ভোটের মাঠে নেমেছেন। তাঁদের সেসব প্রস্তাবনার মধ্য থেকে আমি চাই— অন্তত কিছু সংস্কার যেন করা হয়, কিছু নিয়ম যেন বদলায়। তবেই আমরা বলতে পারব গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী ছাত্র সংসদ নির্বাচন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে নতুন এক চেহারা দিয়েছে।
আমার চাওয়া বিশেষ কিছু নয়। এই ক্যাম্পাসের বর্তমান শিক্ষার্থীরা যা চান, আমিও তাই-ই চাই। যেমন, যুগ যুগ ধরে চলে আসা গণরুম ও গেস্টরুমভিত্তিক যে পেশিনির্ভর ক্ষমতার রাজনীতি, যা শিক্ষার্থীদের নজরদারির মধ্যে রাখে; তা যেন চিরতরে বন্ধ হয়। গেস্টরুম ও গণরুমের অপসংস্কৃতি যেন বন্ধ হয়।
ক্যাম্পাসে কোনো ক্যান্টিন বা ক্যাফেতে শিক্ষার্থীদের জন্য পুষ্টিনির্ভর সুষম খাবারের বা ব্যালান্সড ডায়েটের ব্যবস্থা নেই। যাঁরাই জিতুক, এটা নিয়ে তাঁরা যেন অগ্রাধিকারভিত্তিতে কাজ করেন। আবাসন সংকট নিরসনে যেন প্রশাসনকে চাপের মধ্যে রাখা যায়। বলা বাহুল্য, এই আবাসন সংকটই হলো গণরুম ও গেস্টরুমভিত্তিক যে পেশিনির্ভর ক্ষমতার রাজনীতি, তার সবচেয়ে বড় উৎস। আবাসন সংকট জিইয়ে রেখেই ক্ষমতাহীন সাধারণ শিক্ষার্থীদের জিম্মি করা হয়ে আসছে যুগ যুগ ধরে।
রেজিস্ট্রার বিল্ডিংসহ প্রতিটি প্রশাসনিক স্তরে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা চিরতরে দূর করার জন্য, ডাকসু যেন কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আমাদের ক্যাম্পাসটি সবার, সব শিক্ষার্থীর। এখানে সবার জন্য, সবাই মিলে (দলমত, ধর্ম, লিঙ্গ, জাতিনির্বিশেষে) যেন একটি সহনশীল, শান্তিপূর্ণ, পারস্পরিক শ্রদ্ধাশীল ও সহাবস্থানের পরিবেশ তৈরি করা যায়, তা নিশ্চিত করতে হবে।
আজকের ডাকসু নির্বাচনে যাঁরা নির্বাচিত হবেন, আশা করব, এ দায়িত্ব পালনে তাঁরা সচেষ্ট হবেন। সর্বোপরি, বিজয়ী ব্যক্তি বা প্যানেল যেন কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল, বা মতাদর্শের অনুসারীদের প্রতিনিধি না হয়ে সব শিক্ষার্থীর প্রতিনিধি হয়ে ওঠে। সব শিক্ষার্থীর পাশে থাকে।
অনেকের মতো আমিও মনে করি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মানেই বাংলাদেশ। ১৯৫২, ১৯৬৯, ১৯৭১, ১৯৯০, ২০২৪— প্রতিবার ইতিহাসের বাঁক বদলের কাণ্ডারি ছিল এই বিশ্ববিদ্যালয়। তাই এবারের ডাকসু নির্বাচনে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দায়িত্ব অনেক। তাঁদের আজ বলতে হবে, ইতিহাসের বাঁক বদল পেরিয়ে ২০২৫ সালে এসে তাঁরা এখন কী করবেন? আমাদের দেশকে একটি বাংলাদেশপন্থী, উদার, গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল বন্দোবস্তের দিকে নেবেন, নাকি প্রতিক্রিয়াশীলতার নাগপাশে বন্দী হবেন? আমাদের প্রত্যাশা একটাই, বাংলাদেশের ইতিহাসের সূতিকাগার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ভুলেও এমন কাউকে প্রতিনিধি না করেন, যাঁরা নিপীড়কের সহযোগী, যাঁরা গণহত্যার সহযোগী।
নতুন সময়ের বাংলাদেশের মতো আমরা নতুন এক ডাকসু চাই। যে ডাকসু নেতৃত্ব দলমতের উদ্ধে গিয়ে শুধু শিক্ষার্থীবান্ধব হবে, আমরা সেই ডাকসু চাই। আমাদের বিশ্বাস, অন্যায়ের প্রশ্নে, দেশের প্রশ্নে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কোনোদিন যেমন আপস করেনি, আজও করবে না। স্বৈরাচারবিরোধী দীর্ঘ আন্দোলন ও জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে প্রকাশ্যে, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অংশ নেওয়া সব যোদ্ধা-প্রার্থীর জন্য শুভকামনা।
লেখক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী; বর্তমানে উচ্চশিক্ষায় অস্ট্রেলিয়ায় অধ্যয়নরত।

ব্যক্তি ও পরিবার যেভাবে আয়-ব্যয়ের হিসাব মেলায়, সরকার সেভাবে মেলাবে না, এটাই স্বাভাবিক। আমাদের মতো দেশের ক্ষেত্রে এটা বেশি করে প্রযোজ্য। আমাদের তো উন্নয়নের চাহিদা এখনও বিরাট। কিছুটা উন্নয়ন দেখতে পেলে এর চাহিদা আরও বেড়ে যায়। তথ্য-উপাত্ত প্রাপ্তির ক্ষেত্রে বিপ্লব ঘটে যাওয়ার পর আমরা আবার সহজেই জানতে পার
২ ঘণ্টা আগে
নদীমাতৃক বাংলাদেশের অর্থনীতি, কৃষি, বাস্তুসংস্থান ও গ্রামীণ জীবনযাত্রা দেশটির নদীগুলোর টেকসই ব্যবস্থাপনার সাথে নিবিড়ভাবে জড়িত। দেশের প্রধান আন্তঃসীমান্ত নদীগুলোর মধ্যে তিস্তা বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এ কারণে নদীটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে।
১৫ ঘণ্টা আগে
রেহান আসিফ আসাদ, প্রকৌশলী ও প্রযুক্তি পেশাদার। প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টার দায়িত্বে আছেন। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের আগে বুধবার (১০ জুন) স্ট্রিমের সঙ্গে আলাপে তিনি তুলে ধরেছেন সিম ট্যাক্স, স্টার্টআপ তহবিল, ডেটা সেন্টারসহ ডিজিটাল অবকাঠামো ঘিরে সরকারের পরিকল্পনা।
১৮ ঘণ্টা আগে
ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে ‘পুশ-ইন’ এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও মানবিক ইস্যুতে পরিণত হয়েছে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) বাংলাদেশে মানুষ ঠেলে পাঠানোর প্রচেষ্টা জোরদার করেছে। এই তথ্য জানাচ্ছে খোদ বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড (বিজিবি)।
২০ ঘণ্টা আগে