কোন দল কার সঙ্গে গড়বে রাজনৈতিক ঐক্য ও নির্বাচনী জোট? বিএনপি আর এনসিপির মধ্যে কি রাজনৈতিক ঐক্য ও নির্বাচনী জোট হচ্ছে?—এসব প্রশ্ন এখন জনমনে। এ প্রসঙ্গে কী বলছেন এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন।
স্ট্রিম প্রতিবেদক

এনসিপি শুরু থেকেই বলে আসছে এবং এখনো তার অবস্থানে অটল যে বাংলাদেশের পুরোনো স্টাবলিশমেন্টের বিপরীতে একটি নতুন রাজনৈতিক শক্তি প্রয়োজন। বাংলাদেশকে নতুনভাবে সাজানোর জন্য, একটি নাগরিকবান্ধব ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের জন্য এই শক্তির বিকল্প নেই। আমরা এখনো আমাদের সেই অবস্থানেই অটল আছি। আমাদের বিশ্বাস, নির্বাচনী রাজনীতিসহ যেকোনো ক্ষেত্রে আমাদের নিজেদের শক্তির ওপর ভরসা করেই সামনে এগিয়ে যেতে হবে।
বাংলাদেশের নির্বাচনী সংস্কৃতিতে সব সময়ই দেখা যায়, নির্বাচনকালে নানা ধরনের বোঝাপড়া ও জোট গঠনের প্রক্রিয়া চলে। সেই প্রেক্ষাপটে আমরা মনে করি, এনসিপি তার স্বকীয়তা ও স্বাতন্ত্র্য বজায় রাখবে। একই সঙ্গে আমরা এ-ও বিশ্বাস করি যে যদি কোনো ধরনের ফ্যাসিবাদবিরোধী শক্তি দেশের গণতন্ত্র ও জনগণের স্বার্থে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে, তাহলে তাদের মধ্যে ঐক্য থাকা জরুরি। আমরা সেই ঐক্য চাই, তবে নিজের রাজনৈতিক অবস্থান ও দাবি-দাওয়া বজায় রেখে।
বিএনপির সঙ্গে কোনো আনুষ্ঠানিক আলোচনা বা চুক্তির ব্যাপারে আমার জানা নেই। এ রকম কোনো আলোচনা আমাদের মধ্যে হয়নি। বিএনপির সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ ঠিক ততটাই আছে, যতটা অন্য সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গেও রয়েছে। আনুষ্ঠানিকভাবে জানানোর মতো কিছু ঘটেনি বলেই আমার জানা।
আমাদের মূল দাবি হলো গণপরিষদ নির্বাচন। এটি শুধু এনসিপির দাবি নয়—আমরা মনে করি, বাংলাদেশের ভবিষ্যতের জন্য এটি এখন একান্ত প্রয়োজনীয়। আমরা চাই, এই দফায় গণপরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক। সেই লক্ষ্যেই আমরা আমাদের নির্বাচনী ইশতেহার ও দলীয় ইশতেহার প্রস্তুত করছি। ইতিমধ্যে আমরা ২৪ দফা প্রকাশ করেছি এবং আমাদের পরবর্তী সব লেখালেখি, চিন্তা ও নীতিগত দিকনির্দেশনাও এই ২৪ দফার ভিত্তিতেই গড়ে উঠবে।
আমরা চেষ্টা করছি, এনসিপির যেসব প্রার্থী আগামী নির্বাচনে অংশ নেবেন, তাঁরা যেন বাংলাদেশের সব শ্রেণি, পেশা, ধর্ম ও বর্ণের প্রতিনিধিত্ব করতে পারেন। আমরা চাই, আগামী সংসদটি শ্রেণিভিত্তিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক গণপরিষদের ধারণা থেকে গড়ে উঠুক—অন্তত এনসিপির পক্ষ থেকে আমরা সেই প্রচেষ্টাই চালাব।
এনসিপি একটি নতুন দল হিসেবে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কারভাবে জানাতে চায়, আমরা বিদ্যমান সব রাজনৈতিক শক্তির সঙ্গেই কথা বলতে প্রস্তুত, যদি সেটা দেশের বৃহত্তর স্বার্থে হয়। বিএনপি যে জাতীয় ঐক্য বা জাতীয় সরকারের মতো একটি ধারণার দিকে এগোতে চায়, সেটিকে আমরা একটি ইতিবাচক রাজনৈতিক চিন্তা ও তত্ত্ব হিসেবে দেখি।
তবে বাস্তবে বিষয়টি কতটা বাস্তবায়নযোগ্য বা রাজনৈতিকভাবে সম্ভব, তা সময়ই বলে দেবে। কারণ, ক্ষমতার রাজনীতিতে এমন সমন্বয় কতটা কার্যকর হতে পারে, সেটি এখনো অনিশ্চিত। তবুও যদি বিএনপির এই আহ্বান তাদের সত্যিকারের ইচ্ছা ও আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হয়, তাহলে আমরা সেটিকে ইতিবাচক দৃষ্টিতেই দেখতে চাই।

এনসিপি শুরু থেকেই বলে আসছে এবং এখনো তার অবস্থানে অটল যে বাংলাদেশের পুরোনো স্টাবলিশমেন্টের বিপরীতে একটি নতুন রাজনৈতিক শক্তি প্রয়োজন। বাংলাদেশকে নতুনভাবে সাজানোর জন্য, একটি নাগরিকবান্ধব ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের জন্য এই শক্তির বিকল্প নেই। আমরা এখনো আমাদের সেই অবস্থানেই অটল আছি। আমাদের বিশ্বাস, নির্বাচনী রাজনীতিসহ যেকোনো ক্ষেত্রে আমাদের নিজেদের শক্তির ওপর ভরসা করেই সামনে এগিয়ে যেতে হবে।
বাংলাদেশের নির্বাচনী সংস্কৃতিতে সব সময়ই দেখা যায়, নির্বাচনকালে নানা ধরনের বোঝাপড়া ও জোট গঠনের প্রক্রিয়া চলে। সেই প্রেক্ষাপটে আমরা মনে করি, এনসিপি তার স্বকীয়তা ও স্বাতন্ত্র্য বজায় রাখবে। একই সঙ্গে আমরা এ-ও বিশ্বাস করি যে যদি কোনো ধরনের ফ্যাসিবাদবিরোধী শক্তি দেশের গণতন্ত্র ও জনগণের স্বার্থে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে, তাহলে তাদের মধ্যে ঐক্য থাকা জরুরি। আমরা সেই ঐক্য চাই, তবে নিজের রাজনৈতিক অবস্থান ও দাবি-দাওয়া বজায় রেখে।
বিএনপির সঙ্গে কোনো আনুষ্ঠানিক আলোচনা বা চুক্তির ব্যাপারে আমার জানা নেই। এ রকম কোনো আলোচনা আমাদের মধ্যে হয়নি। বিএনপির সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ ঠিক ততটাই আছে, যতটা অন্য সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গেও রয়েছে। আনুষ্ঠানিকভাবে জানানোর মতো কিছু ঘটেনি বলেই আমার জানা।
আমাদের মূল দাবি হলো গণপরিষদ নির্বাচন। এটি শুধু এনসিপির দাবি নয়—আমরা মনে করি, বাংলাদেশের ভবিষ্যতের জন্য এটি এখন একান্ত প্রয়োজনীয়। আমরা চাই, এই দফায় গণপরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক। সেই লক্ষ্যেই আমরা আমাদের নির্বাচনী ইশতেহার ও দলীয় ইশতেহার প্রস্তুত করছি। ইতিমধ্যে আমরা ২৪ দফা প্রকাশ করেছি এবং আমাদের পরবর্তী সব লেখালেখি, চিন্তা ও নীতিগত দিকনির্দেশনাও এই ২৪ দফার ভিত্তিতেই গড়ে উঠবে।
আমরা চেষ্টা করছি, এনসিপির যেসব প্রার্থী আগামী নির্বাচনে অংশ নেবেন, তাঁরা যেন বাংলাদেশের সব শ্রেণি, পেশা, ধর্ম ও বর্ণের প্রতিনিধিত্ব করতে পারেন। আমরা চাই, আগামী সংসদটি শ্রেণিভিত্তিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক গণপরিষদের ধারণা থেকে গড়ে উঠুক—অন্তত এনসিপির পক্ষ থেকে আমরা সেই প্রচেষ্টাই চালাব।
এনসিপি একটি নতুন দল হিসেবে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কারভাবে জানাতে চায়, আমরা বিদ্যমান সব রাজনৈতিক শক্তির সঙ্গেই কথা বলতে প্রস্তুত, যদি সেটা দেশের বৃহত্তর স্বার্থে হয়। বিএনপি যে জাতীয় ঐক্য বা জাতীয় সরকারের মতো একটি ধারণার দিকে এগোতে চায়, সেটিকে আমরা একটি ইতিবাচক রাজনৈতিক চিন্তা ও তত্ত্ব হিসেবে দেখি।
তবে বাস্তবে বিষয়টি কতটা বাস্তবায়নযোগ্য বা রাজনৈতিকভাবে সম্ভব, তা সময়ই বলে দেবে। কারণ, ক্ষমতার রাজনীতিতে এমন সমন্বয় কতটা কার্যকর হতে পারে, সেটি এখনো অনিশ্চিত। তবুও যদি বিএনপির এই আহ্বান তাদের সত্যিকারের ইচ্ছা ও আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হয়, তাহলে আমরা সেটিকে ইতিবাচক দৃষ্টিতেই দেখতে চাই।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য আছেন সাতজন। তাঁরা মূলত বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেই যুক্ত ছিলেন। সিদ্ধান্ত অমান্য করে স্বতন্ত্রভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জয়ী হয়েছেন। দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে এককভাবে প্রার্থী হওয়ার কারণে তাদেরকে ‘বিদ্রোহী প্রার্থী’ বলা হয়। যদিও সংবিধান বা নির্বাচনি আইনে ‘বিদ্রোহী প্রার
২০ ঘণ্টা আগে
প্রতি বছর বাংলাদেশে গড়ে প্রায় ২৫ হাজার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে। এসব ঘটনায় জীবন ও সম্পদের প্রাণহানিও ব্যাপক। বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিসের দেওয়া পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, গত পাঁচ বছরে অগ্নিকাণ্ডে মোট ৬৫০ জনের মৃত্যু ও ২ হাজার ৩৬৮ কোটি টাকার সম্পদের ক্ষতি হয়েছে।
১ দিন আগে
এই মহাবিপদ থেকে বাঁচতে পাকিস্তানের সামনে এখন ‘বিচক্ষণ কূটনীতি’ এবং একমুখী আমেরিকা-নির্ভরতা কাটিয়ে চীন-রাশিয়া-তুরস্ক বলয়ে নিজেদের অবস্থান দৃঢ় করা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। বিশেষ করে তুরস্কের সঙ্গে প্রস্তাবিত ‘মুসলিম ন্যাটো’ গঠন এবং নিজস্ব ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষা করাই হবে তাদের টিকে থাকার মূল চাবিকাঠি।
২ দিন আগে
বোরো মৌসুম মানে বাংলাদেশের কৃষির সবচেয়ে বড় মুহূর্ত। দেশের মোট চাল উৎপাদনের প্রায় ৬০ শতাংশ আসে এই একটি মৌসুম থেকে। ডিসেম্বর থেকে মে পর্যন্ত কৃষকের পুরো জীবন আবর্তিত হয় এই ফসলকে ঘিরে। হাল চাষ থেকে শুরু করে ধান কাটা পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে কৃষকের শরীরে ঘাম, চোখে স্বপ্ন। কিন্তু এবার সেই স্বপ্নের গায়ে
২ দিন আগে