বাংলাদেশের রাজনীতিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন সবসময়ই বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। বাংলাদেশ যেহেতু একটি গণতান্ত্রিক দেশ, তাই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা কোনো নতুন বিষয় নয়। এটি আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতির শুরু থেকেই প্রচলিত। রাষ্ট্রের একজন বৈধ নাগরিক হিসেবে যার ভোটাধিকার আছে, তার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করারও অধিকার রয়েছে। আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া জাতীয় সংসদ নির্বাচনের একটি উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এবারের নির্বাচনে বিপুল সংখ্যক স্বতন্ত্র প্রার্থীর অংশগ্রহণ পরিলক্ষিত হচ্ছে। এতে করে তাদের রাজনৈতিক গুরুত্ব নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
ঐতিহাসিকভাবে দেখা গেছে, স্বতন্ত্র প্রার্থীরা বিভিন্ন সময়ে বিজয়ী হয়ে সংসদে গিয়েছেন এবং আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তবে এবারের প্রেক্ষাপট ভিন্ন। সাম্প্রতিক অতীতে আমরা ২০২৪ সালের নির্বাচন দেখেছি, যা জনমনে এবং রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক প্রশ্নবিদ্ধ ছিল। সেই নির্বাচনে দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপি এবং জামায়াতসহ তাদের সহযোগী দলগুলো অংশ নেয়নি। সেই বিতর্কিত নির্বাচনেও ৬০ জনের বেশি স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী হয়েছিলেন। এমনকি তারা সংসদে গিয়ে প্রধান বিরোধী দলের ভূমিকা নেবেন কি না, তা নিয়ে দীর্ঘ বিতর্ক হয়েছিল। যদিও শেষ পর্যন্ত রাজনৈতিক সমীকরণে তার প্রতিফলন তেমনভাবে দেখা যায়নি। অনেকগুলেঅ বড় রাজনৈতিক দলের অনুপস্থিতি সেই নির্বাচনের নৈতিক ভিত্তিকে অত্যন্ত দুর্বল করে দিয়েছিল।
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশ যখন একটি নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তখন আসন্ন নির্বাচন ঘিরে জনমনে ব্যাপক প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। শুরুতে কোনো দলকে নিষিদ্ধ করা হবে না- এমন আলাপ থাকলেও, পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ফলে দীর্ঘ সময় পর দেশের নির্বাচনী মাঠে আওয়ামী লীগহীন এক নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভোটের মূল লড়াই মূলত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং জামায়াতে ইসলামীর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছে। এর পাশাপাশি জাতীয় পার্টির একটি অংশও নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে, যাদের দেশের উত্তরাঞ্চলে একটি নির্দিষ্ট ভোট ব্যাংক রয়েছে।
এই বিশেষ পরিস্থিতিতে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের আধিক্য এবং তাদের গুরুত্ব অনেক বেড়েছে। বিশেষ করে বিএনপির ভেতরে মনোনয়ন নিয়ে যে তুমুল প্রতিযোগিতা ছিল, তার ফলে অনেক যোগ্য নেতা দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র হিসেবে মাঠে নেমেছেন। উদাহরণ হিসেবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার রুমিন ফারহানার কথা বলা যায়। একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য হিসেবে তিনি তার সংসদীয় বাগ্মিতা এবং যুক্তিনির্ভর বিতর্কের মাধ্যমে দেশজুড়ে পরিচিতি পেয়েছেন। এবার দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন এবং স্থানীয় ভোটারদের কাছে তার ব্যাপক জনপ্রিয়তা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
একইভাবে পটুয়াখালী-৩ আসনে এক চমকপ্রদ রাজনৈতিক লড়াই আমরা দেখতে পাচ্ছি। সেখানে বিএনপির কোনো দাপ্তরিক প্রার্থী নেই। গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূরকে সেখানে বিএনপি সমর্থন দিলেও স্থানীয় বিএনপির একটি বড় অংশ স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুনকে সমর্থন দিচ্ছে। হাসান মামুন ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সভাপতি এবং বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য হওয়া সত্ত্বেও স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তবে স্থানীয় পর্যায়ে গণমাধ্যম ও জনমত জরিপ বলছে, হাসান মামুন তার ব্যক্তিগত ইমেজ ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে নির্বাচনী লড়াইয়ে বেশ সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছেন। আসনটিতে জামায়াত ইসলামীর প্রার্থী ঢাকা দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম মাসুদ।
ঝিনাইদহ-৪ আসনেও একই ধরনের চিত্র পরিলক্ষিত হচ্ছে। সেখানে ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম ফিরোজ স্বতন্ত্র হিসেবে লড়ছেন। এই আসনে বিএনপি থেকে লড়ছেন গণঅধিকার পরিষদ থেকে সদ্য বিএনপিতে যোগদান করা নেতা রাশেদ খাঁন। দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় সাইফুল ইসলাম ফিরোজকে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তবে বহিষ্কৃত হলেও তৃণমূলে ফিরোজের জোরালো অবস্থান দেখা যাচ্ছে। এর অন্যতম কারণ হচ্ছে ২০১৮ সালে তিনি দলীয় প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। ফলে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মানুষ তাকেই বিবেচনা করে আসছিলেন। অন্যদিকে রাশেদ খাাঁনের পৈতৃক নিবাস সদর উপজেলায়। যেটি ঝিনাইদহ-২ আসনের অন্তর্ভুক্ত। ফলে অনেকেই তাকে বহিরাগত হিসেবে বিবেচনা করছেন। তা সত্ত্বেও ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে জয়ী হওয়ার বিষয়ে আশা প্রকাশ করছেন রাশেদ। রাশেদ খাঁন ও সাইফুল ইসলাম ফিরোজের পাশাপাশি এ আসনে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী জামায়ত ইসলামী মাওলানা আবু তালিব।
এছাড়া ঢাকা ১২ আসনে জোটের প্রার্থী হয়েছেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির নেতা সাইফুল হক। তিনি কোদাল প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তবে বিএনপি এ আসনে প্রাথমিকভাবে সাইফুল আলম নিরবকে মনোনয়ন দিয়েছিলো। পরে জোটের প্রার্থীকে আসনটি ছেড়ে দেওয়ার পর নিরব স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ফুটবল মার্কায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এ আসনে ধানের শীষ প্রিতীক না থাকায় সাইফুল আলম নিরব শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আবির্ভুত হয়েছেন। শুধু এই কয়েকজনই নন, দেশের অসংখ্য আসনে বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ বা স্বতন্ত্র প্রার্থীরা মূল প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে দাঁড়িয়েছেন।
বিগত ২০১৪ এবং ২০১৮ সালের নির্বাচনে কার্যকর বিরোধী দলের অভাব আমরা দেখেছি। শক্তিশালী বিরোধী দল হতে হলে কমপক্ষে ১০০টি আসনের প্রয়োজন হয়, যা বর্তমান প্রেক্ষাপটে বিএনপির বিপরীতে অন্য কোনো দলের পক্ষে পাওয়া কঠিন বলে মনে হচ্ছে। এই শূন্যতা পূরণে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেন
এখন প্রশ্ন জাগতে পারে, কেন এবারের নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা এত বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠলেন? এর প্রধান কারণ হলো স্ব-স্ব এলাকায় তাদের ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা এবং দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ত্যাগ। অনেক ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলগুলো যখন তৃণমূলের আকাঙ্ক্ষাকে উপেক্ষা করে বা জোটের প্রয়োজনে জনপ্রিয় প্রার্থীকে বাদ দিয়ে অন্য কাউকে মনোনয়ন দেয়, তখন ভোটাররা তাদের প্রিয় মুখকে বেছে নেওয়ার জন্য স্বতন্ত্র প্রার্থীকেই বিকল্প হিসেবে গ্রহণ করেন। দলীয় লেবেলের চেয়ে যখন ব্যক্তির স্বচ্ছ ভাবমূর্তি বড় হয়ে দাঁড়ায়, তখন স্বতন্ত্র প্রার্থী শক্তিশালী হয়ে ওঠেন।
অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, বিএনপির মতো বড় দলের প্রার্থী বা জামায়াতের মতো সুসংগঠিত দলের বিপরীতে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী কতটুকু টিকে থাকতে পারবেন? তবে বর্তমান নির্বাচনী প্রচারণার মাঠের চিত্র বলছে ভিন্ন কথা। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জনসভাগুলোতে মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি প্রমাণ করছে, ভোটাররা এবার প্রতীক নয়, বরং ব্যক্তিকে গুরুত্ব দিচ্ছেন। জনসমাগমের বিচারে অনেক ক্ষেত্রে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা দলীয় প্রার্থীদের চেয়েও এগিয়ে আছেন। এটি মূলত বড় রাজনৈতিক দলগুলোর মনোনয়ন প্রক্রিয়ার ত্রুটি বা জনপ্রিয় নেতাকে বাদ দেওয়ার জনঅসন্তোষেরই বহিঃপ্রকাশ।
আওয়ামী লীগহীন এই নির্বাচনে বিএনপির মধ্যেই স্বতন্ত্র প্রার্থীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। এর কারণ হিসেবে বলা যায়, বিএনপি ও আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের বৃহৎ দুটি দল হওয়ার কারণে এদের মনোনয়ন প্রত্যাশীর সংখ্যাও বেশি থাকে। এবার জামায়াতের ক্ষেত্রে তেমন স্বতন্ত্র প্রার্থী দেখা না গেলেও জোটের রাজনীতিতে কিছু কৌশলগত অবস্থান লক্ষ্য করা গেছে। যেমন নরসিংদীর একটি আসনে জোটের প্রার্থী থাকা সত্ত্বেও জামায়াতের প্রার্থী নির্বাচনী মাঠে রয়েছেন। গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, শেষ সময়ে দল থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ থাকলেও তৃণমূলের চাপে বা কৌশলগত কারণে তারা সরে দাঁড়াননি। ঢাকার কয়েকটি আসনেও (যেমন ঢাকা-১৪ ও ঢাকা-১২) একই রকম চিত্র দেখা যাচ্ছে, যেখানে দলীয় ও জোটের প্রার্থীর বিপরীতে জনপ্রিয় স্বতন্ত্র বা বিদ্রোহী প্রার্থীরা শক্ত চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিচ্ছেন।
সংসদীয় গণতন্ত্রে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যদের একটি অনন্য সুবিধা রয়েছে। বাংলাদেশের সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, দলীয় সংসদ সদস্যরা দলের সিদ্ধান্তের বাইরে বা দলের বিপক্ষে ভোট দিতে পারেন না। কিন্তু স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যদের ওপর এ ধরনের কোনো বিধিনিষেধ নেই। তারা সংসদে সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে নিজের মত প্রকাশ করতে পারেন এবং কোনো বিলের পক্ষে বা বিপক্ষে অবস্থান নিতে পারেন। যদি কোনো মেধাবী ও আইন সম্পর্কে অভিজ্ঞ ব্যক্তি স্বতন্ত্র হিসেবে বিজয়ী হন, তবে তিনি আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় এবং সংসদীয় বিতর্কে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও স্বাধীন ভূমিকা পালন করতে পারেন। বিশেষ করে বিএনপি যদি তাদের ঘোষিত সংস্কার অনুযায়ী বাজেট বা নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্র বাদে অন্য বিষয়ে দলের বাইরে ভোট দেওয়ার সুযোগ রাখে, তবে স্বতন্ত্র সদস্যদের উত্থাপিত বিলও পাস হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে।
সংসদে একটি শক্তিশালী বিরোধী দলের অনুপস্থিতিতে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা ছায়া বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করতে পারেন। বিগত ২০১৪ এবং ২০১৮ সালের নির্বাচনে কার্যকর বিরোধী দলের অভাব আমরা দেখেছি। শক্তিশালী বিরোধী দল হতে হলে কমপক্ষে ১০০টি আসনের প্রয়োজন হয়, যা বর্তমান প্রেক্ষাপটে বিএনপির বিপরীতে অন্য কোনো দলের পক্ষে পাওয়া কঠিন বলে মনে হচ্ছে। এই শূন্যতা পূরণে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেন। তারা ট্রেজারি বেঞ্চের ভুল সিদ্ধান্তগুলোর সমালোচনা করে সংসদকে প্রাণবন্ত ও জবাবদিহিমূলক করতে পারেন। এর আগে এ কে আজাদের মতো স্বতন্ত্র সদস্যরা সংসদে গিয়ে যেভাবে নীতি-নির্ধারণী বিষয়ে গঠনমূলক সমালোচনা করেছেন, তা ইতিবাচক নজির হিসেবে আমাদের সামনে আছে।
পরিশেষে বলা যায়, একটি উৎসবমুখর ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের জন্য স্বতন্ত্র প্রার্থীরা অপরিহার্য হয়ে উঠেছেন। আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতিতে নির্বাচনকে প্রতিযোগিতামূলক করতে এবং ভোটারদের কেন্দ্রে ফিরিয়ে আনতে তাদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। বিগত নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতির হার ২০-২২ শতাংশে নেমে এসেছিল, যা একটি সুস্থ গণতন্ত্রের জন্য কাম্য নয়। এবার যদি স্বতন্ত্র প্রার্থীরা মাঠ উত্তপ্ত রাখতে পারেন এবং ভোটারদের মধ্যে আস্থা ফিরিয়ে আনতে পারেন, তবে ভোটের হার ৬০-৭০ শতাংশে উন্নীত হওয়া সম্ভব। প্রার্থীদের এই আধিক্যই আগামী নির্বাচনকে একটি গ্রহণযোগ্য এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ গণতান্ত্রিক নির্বাচন হিসেবে ইতিহাসে স্থান করে দেবে। তাই আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জয়-পরাজয় যাই হোক না কেন, গণতান্ত্রিক ধারাকে সচল রাখতে তাদের উপস্থিতি ও গুরুত্ব অনস্বীকার্য।
লেখক: সাংবাদিক