বাণিজ্যের আড়ালে অর্থপাচার রোধে বাংলাদেশের করণীয়

প্রকাশ : ০২ এপ্রিল ২০২৬, ১১: ৫৪
এআই জেনারেটেড ছবি

গত এক দশকে বাংলাদেশ থেকে বাণিজ্যের আড়ালে প্রায় ৬৮ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়েছে—গ্লোবাল ফিনান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটি (জিএফআই)-এর এই তথ্য বেশ উদ্বেগজনক। এমনকি এটি রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক নিরাপত্তার জন্য এক গভীর সতর্কবার্তা। কেন না এই তথ্য কেবল একটি পরিসংখ্যান নয়; এর ভেতর আছে নানান অপূর্ণতা।

হয়তো এই টাকা দিয়ে দেশের নানান প্রান্তে হাসপাতাল, স্কুল, সসমাজসেবামূলক প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্টা করা যেত। কিন্তু বাস্তবে আমরা দেখতে পেলাম সীমিত রাষ্ট্রীয় সক্ষমতার প্রতিচ্ছবি। দেশ যখন বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সংকট, মূল্যস্ফীতি এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপ মোকাবিলা করছে, তখন এই বিপুল অর্থপাচার আমাদের অর্থনীতির ভেতরে লুকিয়ে থাকা এক কাঠামোগত দুর্বলতাকে উন্মোচিত করে। এর ফলাফল প্রতিফলিত হয় সাধারণ মানুষের ওপর এবং তৈরি করে একটি শ্রেণীভিত্তিক সমাজ।

এক অদৃশ্য প্রক্রিয়া

বাণিজ্যভিত্তিক অর্থপাচার একটি সংঘটিত অপরাধ। এটি পরিচালিত হয় ইনভয়েস, এলসি, শিপমেন্ট ডকুমেন্ট এবং কাস্টমস ঘোষণার মতো কয়েকটি ধাপে। এর মূল কৌশল হলো ট্রেড মিসইনভয়েসিং; যেখানে আমদানিতে পণ্যের মূল্য অতিরিক্ত দেখানো হয় এবং যার মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা বেশি পরিমাণে বিদেশে পাঠানো হয়।

পরে যখন পণ্য রপ্তানি করা হয়, তখন রপ্তানিতে পণ্যের মূল্য কম দেখানো হয়—যাতে আয়ের একটি অংশ বিদেশে রেখে দেওয়া যায়। এই প্রক্রিয়া সহজে ধরা পড়ে না, কারণ এটি বৈধ বাণিজ্যের আড়ালেই ঘটে। ছোট ছোট মূল্য পার্থক্য ধীরে ধীরে জমে গিয়ে বিপুল অর্থপাচারে পরিণত হয়।

এই অর্থপাচার একটি জটিল তিন স্তর কাঠামোতে পরিচালিত হয়। যেমন; বাংলাদেশ→ মধ্যবর্তী বাণিজ্য কেন্দ্র→ উন্নত অর্থনীতি।

প্রথমে বাংলাদেশে মিসইনভয়েসিং হয়। এরপর সিঙ্গাপুর, হংকং বা দুবাইয়ের মতো ট্রানজিট হাবের মাধ্যমে লেনদেন ঘুরিয়ে নেওয়া হয়। শেষ পর্যন্ত অর্থ জমা হয় উন্নত অর্থনীতির ব্যাংকিং ব্যবস্থায়। এই বহুস্তরীয় প্রক্রিয়া এমন এক অস্বচ্ছতা তৈরি করে, যেখানে কোনো একক দেশ পুরো চিত্রটি দেখতে পায় না। ফলে জবাবদিহি দুর্বল হয়ে পড়ে।

বাংলাদেশ কেন ঝুঁকিপূর্ণ

বাংলাদেশের দ্রুত বাণিজ্য সম্প্রসারণ—বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাত—অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির চালিকাশক্তি হলেও, একই সঙ্গে এটি ঝুঁকিও তৈরি করেছে। এর মূল দুর্বলতাগুলো হলো—১. বৈশ্বিক মূল্যতথ্যের অভাব, ২. কাস্টমস, বাংলাদেশ ব্যাংক ও এনবিআরের মধ্যে সমন্বয়ের ঘাটতি, ৩. জটিল শুল্ক কাঠামো ও প্রশাসনিক বিবেচনাধিকার এবং ৪. প্রভাবশালী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে দুর্বল প্রয়োগ। বাস্তবে, এই অর্থপাচার বৃহত্তর দুর্নীতি, পুঁজি পাচার ও প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতার সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত।

অর্থনীতি, রাষ্ট্র ও সমাজের ওপর চাপ

এই বিলিয়ন ডলারের ইনভয়েস জালিয়াতির প্রভাব বহুমাত্রিক; প্রথমত, রাজস্ব ক্ষতি ও উন্নয়ন ব্যাহত হয়। যখন অর্থ বিদেশে চলে যায়, তখন কর আদায় কমে যায়। ফলে রাষ্ট্রের উন্নয়ন ব্যয় সংকুচিত হয়।

দ্বিতীয়ত, এটি বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ সৃষ্টি করে। প্রতি বছর কয়েক বিলিয়ন ডলার বেরিয়ে যাওয়ার ফলে রিজার্ভ সংকট তীব্র হয় এবং বিনিময় হার অস্থির হয়ে ওঠে।

তৃতীয়ত, এ সময় সরকার ভুল নীতিনির্ধারণ করে। বিশেষত যখন বাণিজ্য-তথ্য বিকৃত হয়, তখন সরকার ভুল তথ্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেয়।

চতুর্থত, দুর্নীতির প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ হয়।

এই প্রক্রিয়া প্রায়ই ব্যবসায়ী, ব্যাংকিং খাত এবং প্রশাসনের একটি অংশের মধ্যে যোগসাজশ তৈরি করে, যা দুর্নীতিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়। অবশেষে, এতে করে বৈষম্য বৃদ্ধি পায়। এই ব্যবস্থার সুবিধা পায় একটি সীমিত গোষ্ঠী, আর এর খেসারত দেয় সাধারণ মানুষ।

কেন প্রচলিত সংস্কার কাজ করছে না?

বাংলাদেশে বিভিন্ন সময়ে নীতিমালা সংশোধন, নির্দেশনা জারি এবং কমিটি গঠন করা হয়েছে। কিন্তু বাস্তব পরিবর্তন হয়নি। কারণ তা প্রণোদনা, ক্ষমতা এবং স্বার্থের সঙ্গে জড়িত। সামগ্রিক ধারাক্রম অনেকটা এরকম—উচ্চ শুল্ক → মিসইনভয়েসিংয়ের প্রণোদনা, দুর্বল সমন্বয় → নজরদারির ঘাটতি, বাছাই করে আইন প্রয়োগ → বড় খেলোয়াড়দের সুরক্ষা দেয়া হয়। ফলে, অনেক ক্ষেত্রে আমরা দেখতে পাই ‘রিফর্মে মিমিক্রি’—যেখানে সংস্কারের ভাষা আছে, কিন্তু বাস্তব প্রয়োগ এবং পরিবর্তন নেই।

প্রশ্নটি এখন রাজনৈতিক সদিচ্ছার

এই বিলিয়ন ডলারের ইনভয়েস জালিয়াতি কি বন্ধ করা সম্ভব? অবশ্যই সম্ভব। এর জন্য প্রয়োজন সঠিক কৌশল। বাংলাদেশে বাণিজ্যভিত্তিক অর্থপাচার এখন আর বিচ্ছিন্ন অনিয়ম নয়; সত্যিকার অর্থে, এটা প্রাতিষ্ঠানিকভাবে টিকে থাকা একটি অর্থনৈতিক প্রবাহ। তাই এর মোকাবিলাও হতে হবে একইভাবে কাঠামোগত, সমন্বিত এবং রাজনৈতিকভাবে দৃঢ়।

নতুন সরকারের জন্য এটা কেবল অর্থনৈতিক সংস্কার নয়—রাষ্ট্রীয় সক্ষমতা পুনর্গঠনের একটি পরীক্ষা। এই প্রেক্ষাপটে করণীয়গুলোকে তিনটি স্তরে বোঝা জরুরি: তাৎক্ষণিক নিয়ন্ত্রণ, মধ্যমেয়াদি সংস্কার এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রাতিষ্ঠানিক রূপান্তর—যা কার্যত ‘সেরা’ (SERA হলো দুর্নীতি মোকাবিলার একটি খাতভিত্তিক প্রচেষ্টা) বাস্তবধর্মী কাঠামো কাঠামোর বাস্তব প্রয়োগ। উল্লেখ্য, সেরা হলো ১. এস—সেক্টর (খাত নির্বাচন), ২. ই—এক্সপোজার (ঝুঁকি উন্মোচন), ৩. আর—রেসপন্স (প্রতিকার পরিকল্পনা) এবং ৪. এ—অ্যাকশন (বাস্তবায়ন ও মূল্যায়ন)।

তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ

‘সিগন্যাল’ দিতে হবে—রাষ্ট্র এখন সকল অনিয়মের উপর নজর রাখছে, নতুন সরকারের প্রথম কাজ হওয়া উচিত একটি শক্তিশালী বার্তা দেওয়া—ইনভয়েস জালিয়াতি আর ‘ঝুঁকিমুক্ত’ নয়।

এজন্য প্রয়োজন দ্রুত ও দৃশ্যমান কিছু পদক্ষেপ: প্রথমত, উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ লেনদেন শনাক্ত করে তাৎক্ষণিক তদন্ত শুরু করা। বড় অঙ্কের আমদানি এলসি, বিশেষ করে মূলধনী যন্ত্রপাতি, কেমিক্যাল বা অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি দেখা যায়—এসব ক্ষেত্রে দ্রুত অডিট চালানো জরুরি।

দ্বিতীয়ত, শীর্ষ ৫০ বা ১০০ আমদানিকারক ও রপ্তানিকারকের বিশেষ নিরীক্ষা চালানো যেতে পারে। একে শুধু তথ্য সংগ্রহ হিসেবে না দেখে, একটি রাজনৈতিক বার্তা হিসেবে দেখা দরকার; তা হলো, ‘বড় খেলোয়াড়রাও আইনের বাইরে নয়’।

তৃতীয়ত, রপ্তানি আয়ের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করা। যারা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে রপ্তানি আয় দেশে আনছে না, তাদের ব্যাংকিং সুবিধা সীমিত করা বা স্থগিত করা যেতে পারে।

চতুর্থত, কিছু দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। বড় আকারের অনিয়ম প্রমাণিত হলে তা প্রকাশ্যে আনতে হবে। বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে ‘সিলেক্টিভ ইনফোর্সমেন্ট’ একটি সংস্কৃতিতে পরিণত হয়েছে; এটি ভাঙতে হলে দৃশ্যমান পদক্ষেপ প্রয়োজন।

মধ্যমেয়াদি সংস্কার

সিস্টেমকে ঢেলে সাজাতে হবে। বর্তমান ব্যবস্থার সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো—রাষ্ট্র তথ্য পায়, কিন্তু তা বিশ্লেষণ করতে পারে না; সন্দেহ করে, কিন্তু প্রমাণ করতে পারে না। এই অবস্থাকে বদলাতে হলে প্রযুক্তি ও ডেটা-নির্ভর সংস্কার অপরিহার্য।

প্রথমত, রিয়েল-টাইম ট্রেড প্রাইস ভেরিফিকেশন সিস্টেম চালু করা। আন্তর্জাতিক বাজারদরের সঙ্গে আমদানি-রপ্তানির ঘোষিত মূল্য মিলিয়ে দেখা গেলে অস্বাভাবিক পার্থক্য তাৎক্ষণিকভাবে ধরা পড়বে।

দ্বিতীয়ত, কাস্টমস, বাংলাদেশ ব্যাংক ও এনবিআরের মধ্যে ডেটা একীভূত করা। বর্তমানে এই তিনটি সংস্থা আলাদা আলাদা তথ্য ধরে রাখে, কিন্তু সমন্বয়ের অভাবে পুরো চিত্রটি অদৃশ্য থাকে। একটি সমন্বিত প্ল্যাটফর্ম থাকলে একই লেনদেনের আর্থিক ও বাণিজ্যিক দিক একসঙ্গে বিশ্লেষণ করা সম্ভব হবে।

তৃতীয়ত, মিরর ট্রেড ডেটা ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা। অর্থাৎ, বাংলাদেশ যে পণ্য আমদানি বা রপ্তানি করছে, তার বিপরীতে অংশীদার দেশ কী রিপোর্ট করছে—এই তুলনা করলে মিসইনভয়েসিং সহজেই ধরা যায়।

চতুর্থত, ব্যাংকিং খাতে ঝুঁকি-ভিত্তিক পর্যবেক্ষণ চালু করা। সব লেনদেন সমান ঝুঁকিপূর্ণ নয়; বড় অঙ্ক, অস্বাভাবিক মূল্য বা পুনরাবৃত্ত আচরণ শনাক্ত করে অগ্রাধিকারভিত্তিতে নজরদারি করতে হবে।

নীতিগত সংস্কার

বাংলাদেশে ইনভয়েস জালিয়াতি টিকে থাকার একটি বড় কারণ হলো—বর্তমান নীতিমালাই অনেক ক্ষেত্রে এই আচরণকে উৎসাহিত করে। এই বাস্তবতা স্বীকার না করলে কোনো সংস্কার টেকসই হবে না।

প্রথমত, শুল্ক কাঠামো সরলীকরণ ও কমানো প্রয়োজন। উচ্চ শুল্ক থাকলে আমদানিতে অতিমূল্যায়নের প্রবণতা বাড়ে।

দ্বিতীয়ত, রপ্তানি প্রণোদনার কাঠামো পুনর্বিবেচনা করা জরুরি। যেখানে প্রণোদনা বেশি, সেখানে কমমূল্যায়নের প্রবণতা তৈরি হয়।

তৃতীয়ত, এলসি ও বাণিজ্য প্রক্রিয়ার পূর্ণ ডিজিটালাইজেশন করতে হবে। যত বেশি মানবিক হস্তক্ষেপ থাকবে, তত বেশি ‘ডিসক্রিশন’ থাকবে—আর সেখানেই দুর্নীতির সুযোগ তৈরি হয়।

চতুর্থত, বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনা নীতিতে বাস্তবসম্মত সংস্কার আনতে হবে, যাতে ব্যবসায়ীরা বিকল্প অবৈধ পথ খুঁজতে বাধ্য না হয়।

প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহি

‘কে দায়ী’—এই প্রশ্নটি স্পষ্ট করতে হবে। এই সংস্কৃতি ভাঙতে হলে কঠোর জবাবদিহি প্রয়োজন।

প্রথমত, একটি স্বাধীন ‘ট্রেড ট্রান্সপারেন্সি ইউনিট’ গঠন করা যেতে পারে, যা সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় বা সংসদীয় কমিটির কাছে জবাবদিহি করবে।

দ্বিতীয়ত, কাস্টমস ও ব্যাংক কর্মকর্তাদের জন্য ব্যক্তিগত দায় নির্ধারণ করতে হবে। কোনো সন্দেহজনক লেনদেন বারবার একই কর্মকর্তার মাধ্যমে পাস হলে তা তদন্তের আওতায় আনতে হবে।

তৃতীয়ত, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করা জরুরি। পাচারকৃত অর্থ যেসব দেশে যায়, সেসব দেশের সঙ্গে তথ্য বিনিময় এবং সম্পদ অনুসন্ধান চুক্তি করতে হবে।

চতুর্থত, বেনিফিশিয়াল ওনারশিপ ডিসক্লোজার বাধ্যতামূলক করা—অর্থাৎ, প্রকৃত মালিক কে, তা গোপন রাখা যাবে না।

রাজনৈতিক সদিচ্ছাই মূল

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু সবচেয়ে কঠিন শর্ত এবং সবশেষে, একটি কঠিন সত্য স্বীকার করতে হবে— এই পুরো ব্যবস্থাটি টিকে আছে কারণ এটি অনেকের জন্য লাভজনক। যদি এই লাভবান গোষ্ঠীগুলো প্রভাবশালী হয়, তাহলে কোনো প্রযুক্তিগত বা নীতিগত সংস্কারই কার্যকর হবে না।

নতুন সরকারের জন্য তাই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, তারা কি এই স্বার্থগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে বাস্তব পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত? কারণ, ইনভয়েস জালিয়াতি বন্ধ করা মানে কেবল অর্থপাচার বন্ধ করা নয়; এটি একটি প্রতিষ্ঠিত অর্থনৈতিক ক্ষমতার কাঠামোকে চ্যালেঞ্জ করা। তাই রাজনৈতিক সদিচ্ছার বিকল্প নেই।

রাষ্ট্র কি নিজের অর্থ রক্ষা করতে পারবে?

বাংলাদেশের সামনে এখন একটি স্পষ্ট পথ আছে। প্রযুক্তি আছে, নীতি আছে, আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতাও আছে। যা প্রয়োজন, তা হলো— সমন্বিত প্রয়োগ এবং রাজনৈতিক সাহস। যদি এই দুইটি একসঙ্গে কাজ করে, তাহলে ইনভয়েস জালিয়াতির এই বিলিয়ন ডলারের প্রবাহ থামানো সম্ভব। নয়তো, আমরা কেবল প্রতিবেদন পড়ব, সংখ্যা জানব— কিন্তু টাকা হারানো বন্ধ হবে না।

লেখক: অধ্যাপক, সরকার ও রাজনীতি বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

সম্পর্কিত