একেএম শামসুদ্দিন

সাম্প্রতিক সময়ে দেশে ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনার আড়ালে একটি ভিন্ন ক্যাম্পেইন সামনে এসেছে, যেটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকাসহ দেশের আনাচে-কানাচে সাদা-কালো রঙের ‘কালেমা খচিত পতাকা’ টাঙানোর হিড়িক চোখে পড়ছে। সাধারণ দৃষ্টিতে একে অনেকের কাছে ধর্মীয় ভক্তির প্রকাশ মনে হলেও গভীরভাবে বিশ্লেষণ করলে একটি প্রশ্ন সামনে আসে—এটি নিছক ধর্মীয় আবেগ, নাকি সুসংগঠিত কোনো উগ্রবাদী এজেন্ডা বাস্তবায়নের অশুভ ইশারা?
স্পষ্ট করেই বলা যায়, এই পতাকা টাঙানোর পেছনে ধর্মীয় কোনো বিষয় বা ইতিবাচক শিক্ষার উদ্দেশ্য নেই। বরং দেশের সাধারণ মানুষের সহজাত ধর্মভীরুতা ও দুর্বলতাকে পুঁজি করে কোনো এক স্বার্থান্বেষী মহল তার অসৎ উদ্দেশ্য সাধনের পাঁয়তারা করছে। এই গোষ্ঠীর মূল লক্ষ্য পরিষ্কার— দেশকে অস্থিতিশীল করা। যেকোনো অস্থিতিশীল পরিস্থিতি থেকে যারা ফায়দা লুটতে চায়, তারাই নেপথ্যে কলকাঠি নাড়ছে। এর পেছনে আন্তর্জাতিক গোয়েন্দা সংস্থা, বিশেষ করে বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী গোষ্ঠীগুলোর ইন্ধন থাকা অমূলক নয়; যারা পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে বাংলাদেশে তাদের শক্ত অবস্থান তৈরির চেষ্টা করছে।
এই সাদা-কালো পতাকার সঙ্গে আল-কায়েদা, আইএস বা তালেবানের মতো আন্তর্জাতিক উগ্রবাদী গোষ্ঠীগুলোর ব্যবহৃত পতাকার হুবহু মিল। এটা কাকতালীয় নয়। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশ একটি নতুন পথচলার চেষ্টা করছে। ঠিক সেই সময়ে এমন পতাকা প্রদর্শন আন্তর্জাতিক মহলে একটি বার্তা দেওয়ার সুপরিকল্পিত চেষ্টা হতে পারে—যাতে বিশ্ববাসীকে বোঝানো যায়, বাংলাদেশ মৌলবাদের দিকে ঝুঁকছে। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বর্তমান পরিস্থিতিকে নেতিবাচকভাবে তুলে ধরতে এটি একটি মোক্ষম অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।
আমরা যা দেখছি, তা মূলত একটি প্রাথমিক ধাপ। যারা এই ষড়যন্ত্রের বীজ বুনছে, তারা ওই পতাকা উড়িয়ে মূলত একটি ‘টেস্ট বেলুন’ ছেড়েছে। তারা দেখতে চাইছে, সাধারণ মানুষ কীভাবে এর প্রতিক্রিয়া জানায়, সরকার কীভাবে পরিস্থিতি সামাল দেয় এবং আমাদের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো কী পদক্ষেপ নেয়। এটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এর সাথে দেশের অন্যান্য অস্থিতিশীল পরিস্থিতির গভীর সংযোগ রয়েছে। সম্প্রতি গাইবান্ধায় মূর্তি নির্মাণের ঘটনা নিয়ে উদ্ভুত পরিস্থিতি কিংবা চৈতালী চক্রবর্তীর মতো কারো মুখ থেকে দেশকে ভাগ করে আলাদা প্রদেশ করার যে ঔদ্ধত্যপূর্ণ বক্তব্য এসেছে—এগুলো বৃহত্তর কোনো ষড়যন্ত্রের অশনিসংকেত বলেই মনে করি। এসব ঘটনাকে ধামাচাপা দেওয়া কিংবা ‘স্লিপ অব টাং’ বলে এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। রাষ্ট্রের দায়িত্বশীল জায়গা থেকে যদি এটাকে অবহেলা করা হয়, তবে তা দেশের জন্য খুবই খারাপ পরিণতি ডেকে আনতে পারে।
সবচেয়ে উদ্বেগের জায়গা হলো আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর ভূমিকা। ২০০৫ সালের সিরিজ বোমা হামলা কিংবা হলি আর্টিজানের মতো ভয়াবহ জঙ্গি হামলার ক্ষত আমাদের সমাজে এখনো দগদগে। এদেশের মানুষ কিন্তু বারবার প্রমাণ করেছে, তারা ধর্মীয় উগ্রপন্থা বা জঙ্গিবাদ সমর্থন করে না। তা সত্ত্বেও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) বিশেষায়িত ইউনিটগুলোর চোখের সামনেই এ ধরনের শোডাউন হচ্ছে। সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জামিনে থাকা ব্যক্তিরাও এসব কর্মকাণ্ডে নেতৃত্ব দিচ্ছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। এটি গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর ব্যর্থতা ও গাফিলতির পরিচায়ক।
এর পাশাপাশি সমাজে এমন অনেক ‘ইসলামিক স্কলার’ বা বক্তা রয়েছেন, যাদের প্রচুর অনুসারী। অর্থের বিনিময়ে তাদের কেউ প্রভাবিত হয়েছেন কি না কিংবা তাদের মাধ্যমে বিশেষ কোনো উগ্রবাদী বয়ান ছড়ানো হচ্ছে কি না, সেদিকেও নজরদারি করা জরুরি।
উগ্রবাদী প্রতীককে সাধারণ মানুষের আবেগের সাথে মিশিয়ে ফেলার এই যে অপকৌশল, সেটা রুখতে হলে কেবল পুলিশের ওপর নির্ভর করলে চলবে না। এ ধরনের পতাকার রাজনীতি ঠেকানোর কাজে সরাসরি পুলিশকে এগিয়ে দিলে উল্টো জনমনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হতে পারে। একটি সমাজে জঙ্গি বা উগ্রবাদীরা তখনই টিকে থাকতে পারে, যখন তারা সাধারণ মানুষের সাথে মিশে যাওয়ার সুযোগ পায়। কিন্তু সমাজ যদি সচেতন থাকে, পাড়া-মহল্লার মানুষের চোখ-কান যদি খোলা থাকে, তবে কোনো উগ্রবাদীই সেখানে আশ্রয় পাবে না। সুবিধা করতে পারবে না।
এক্ষেত্রে রাষ্ট্র ও সচেতন নাগরিক সমাজের যুগপৎ ভূমিকা অপরিহার্য। প্রথমত, সরকারকে অবিলম্বে গোয়েন্দা বিভাগকে সর্বোচ্চ মাত্রায় সক্রিয় করতে হবে। কেবল তথ্য সংগ্রহ নয়; প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে সুনির্দিষ্ট ও কঠোর অ্যাকশন প্ল্যান বাস্তবায়ন করতে হবে। দ্বিতীয়ত, সুশীল সমাজ, বুদ্ধিজীবী এবং প্রকৃত আলেম সমাজকে এগিয়ে আসতে হবে। প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যেমন দেশের ক্রান্তিলগ্নে সমাজের মাথা ও বরেণ্য বুদ্ধিজীবীদের ডেকে তাদের পরামর্শ নিয়েছিলেন– বর্তমান সরকারকেও সেই পথে হাঁটতে হবে। যাদের কথায় মানুষ আস্থা রাখে, তাদের মাধ্যমে পাড়ায়, মহল্লায় সভা-সেমিনার করে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে হবে।
সর্বোপরি, জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নে কোনো বিভাজন কাম্য নয়। প্রতিবেশী দেশ ভারতে অনেক রাজনৈতিক ও আদর্শিক দ্বন্দ্ব থাকলেও জাতীয় নিরাপত্তার ইস্যুতে তারা সবসময় ঐক্যবদ্ধ। বাংলাদেশেও যেকোনো ক্রাইসিস বা ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় ধর্ম-বর্ণ, রাজনৈতিক মতাদর্শ নির্বিশেষে সবাইকে এক কাতারে দাঁড়াতে হবে। আর জাতীয় ঐক্য গড়ার প্রাথমিক উদ্যোগ সরকারকেই নিতে হবে। অঙ্কুরেই যদি এই অশুভ তৎপরতা বিনষ্ট করা না যায়, তবে আগামীতে দেশ গভীর ও অন্ধকার খাদের দিকে ধাবিত হতে পারে। সময় থাকতে সতর্ক হওয়ার কোনো বিকল্প নেই।

সাম্প্রতিক সময়ে দেশে ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনার আড়ালে একটি ভিন্ন ক্যাম্পেইন সামনে এসেছে, যেটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকাসহ দেশের আনাচে-কানাচে সাদা-কালো রঙের ‘কালেমা খচিত পতাকা’ টাঙানোর হিড়িক চোখে পড়ছে। সাধারণ দৃষ্টিতে একে অনেকের কাছে ধর্মীয় ভক্তির প্রকাশ মনে হলেও গভীরভাবে বিশ্লেষণ করলে একটি প্রশ্ন সামনে আসে—এটি নিছক ধর্মীয় আবেগ, নাকি সুসংগঠিত কোনো উগ্রবাদী এজেন্ডা বাস্তবায়নের অশুভ ইশারা?
স্পষ্ট করেই বলা যায়, এই পতাকা টাঙানোর পেছনে ধর্মীয় কোনো বিষয় বা ইতিবাচক শিক্ষার উদ্দেশ্য নেই। বরং দেশের সাধারণ মানুষের সহজাত ধর্মভীরুতা ও দুর্বলতাকে পুঁজি করে কোনো এক স্বার্থান্বেষী মহল তার অসৎ উদ্দেশ্য সাধনের পাঁয়তারা করছে। এই গোষ্ঠীর মূল লক্ষ্য পরিষ্কার— দেশকে অস্থিতিশীল করা। যেকোনো অস্থিতিশীল পরিস্থিতি থেকে যারা ফায়দা লুটতে চায়, তারাই নেপথ্যে কলকাঠি নাড়ছে। এর পেছনে আন্তর্জাতিক গোয়েন্দা সংস্থা, বিশেষ করে বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী গোষ্ঠীগুলোর ইন্ধন থাকা অমূলক নয়; যারা পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে বাংলাদেশে তাদের শক্ত অবস্থান তৈরির চেষ্টা করছে।
এই সাদা-কালো পতাকার সঙ্গে আল-কায়েদা, আইএস বা তালেবানের মতো আন্তর্জাতিক উগ্রবাদী গোষ্ঠীগুলোর ব্যবহৃত পতাকার হুবহু মিল। এটা কাকতালীয় নয়। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশ একটি নতুন পথচলার চেষ্টা করছে। ঠিক সেই সময়ে এমন পতাকা প্রদর্শন আন্তর্জাতিক মহলে একটি বার্তা দেওয়ার সুপরিকল্পিত চেষ্টা হতে পারে—যাতে বিশ্ববাসীকে বোঝানো যায়, বাংলাদেশ মৌলবাদের দিকে ঝুঁকছে। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বর্তমান পরিস্থিতিকে নেতিবাচকভাবে তুলে ধরতে এটি একটি মোক্ষম অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।
আমরা যা দেখছি, তা মূলত একটি প্রাথমিক ধাপ। যারা এই ষড়যন্ত্রের বীজ বুনছে, তারা ওই পতাকা উড়িয়ে মূলত একটি ‘টেস্ট বেলুন’ ছেড়েছে। তারা দেখতে চাইছে, সাধারণ মানুষ কীভাবে এর প্রতিক্রিয়া জানায়, সরকার কীভাবে পরিস্থিতি সামাল দেয় এবং আমাদের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো কী পদক্ষেপ নেয়। এটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এর সাথে দেশের অন্যান্য অস্থিতিশীল পরিস্থিতির গভীর সংযোগ রয়েছে। সম্প্রতি গাইবান্ধায় মূর্তি নির্মাণের ঘটনা নিয়ে উদ্ভুত পরিস্থিতি কিংবা চৈতালী চক্রবর্তীর মতো কারো মুখ থেকে দেশকে ভাগ করে আলাদা প্রদেশ করার যে ঔদ্ধত্যপূর্ণ বক্তব্য এসেছে—এগুলো বৃহত্তর কোনো ষড়যন্ত্রের অশনিসংকেত বলেই মনে করি। এসব ঘটনাকে ধামাচাপা দেওয়া কিংবা ‘স্লিপ অব টাং’ বলে এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। রাষ্ট্রের দায়িত্বশীল জায়গা থেকে যদি এটাকে অবহেলা করা হয়, তবে তা দেশের জন্য খুবই খারাপ পরিণতি ডেকে আনতে পারে।
সবচেয়ে উদ্বেগের জায়গা হলো আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর ভূমিকা। ২০০৫ সালের সিরিজ বোমা হামলা কিংবা হলি আর্টিজানের মতো ভয়াবহ জঙ্গি হামলার ক্ষত আমাদের সমাজে এখনো দগদগে। এদেশের মানুষ কিন্তু বারবার প্রমাণ করেছে, তারা ধর্মীয় উগ্রপন্থা বা জঙ্গিবাদ সমর্থন করে না। তা সত্ত্বেও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) বিশেষায়িত ইউনিটগুলোর চোখের সামনেই এ ধরনের শোডাউন হচ্ছে। সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জামিনে থাকা ব্যক্তিরাও এসব কর্মকাণ্ডে নেতৃত্ব দিচ্ছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। এটি গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর ব্যর্থতা ও গাফিলতির পরিচায়ক।
এর পাশাপাশি সমাজে এমন অনেক ‘ইসলামিক স্কলার’ বা বক্তা রয়েছেন, যাদের প্রচুর অনুসারী। অর্থের বিনিময়ে তাদের কেউ প্রভাবিত হয়েছেন কি না কিংবা তাদের মাধ্যমে বিশেষ কোনো উগ্রবাদী বয়ান ছড়ানো হচ্ছে কি না, সেদিকেও নজরদারি করা জরুরি।
উগ্রবাদী প্রতীককে সাধারণ মানুষের আবেগের সাথে মিশিয়ে ফেলার এই যে অপকৌশল, সেটা রুখতে হলে কেবল পুলিশের ওপর নির্ভর করলে চলবে না। এ ধরনের পতাকার রাজনীতি ঠেকানোর কাজে সরাসরি পুলিশকে এগিয়ে দিলে উল্টো জনমনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হতে পারে। একটি সমাজে জঙ্গি বা উগ্রবাদীরা তখনই টিকে থাকতে পারে, যখন তারা সাধারণ মানুষের সাথে মিশে যাওয়ার সুযোগ পায়। কিন্তু সমাজ যদি সচেতন থাকে, পাড়া-মহল্লার মানুষের চোখ-কান যদি খোলা থাকে, তবে কোনো উগ্রবাদীই সেখানে আশ্রয় পাবে না। সুবিধা করতে পারবে না।
এক্ষেত্রে রাষ্ট্র ও সচেতন নাগরিক সমাজের যুগপৎ ভূমিকা অপরিহার্য। প্রথমত, সরকারকে অবিলম্বে গোয়েন্দা বিভাগকে সর্বোচ্চ মাত্রায় সক্রিয় করতে হবে। কেবল তথ্য সংগ্রহ নয়; প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে সুনির্দিষ্ট ও কঠোর অ্যাকশন প্ল্যান বাস্তবায়ন করতে হবে। দ্বিতীয়ত, সুশীল সমাজ, বুদ্ধিজীবী এবং প্রকৃত আলেম সমাজকে এগিয়ে আসতে হবে। প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যেমন দেশের ক্রান্তিলগ্নে সমাজের মাথা ও বরেণ্য বুদ্ধিজীবীদের ডেকে তাদের পরামর্শ নিয়েছিলেন– বর্তমান সরকারকেও সেই পথে হাঁটতে হবে। যাদের কথায় মানুষ আস্থা রাখে, তাদের মাধ্যমে পাড়ায়, মহল্লায় সভা-সেমিনার করে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে হবে।
সর্বোপরি, জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নে কোনো বিভাজন কাম্য নয়। প্রতিবেশী দেশ ভারতে অনেক রাজনৈতিক ও আদর্শিক দ্বন্দ্ব থাকলেও জাতীয় নিরাপত্তার ইস্যুতে তারা সবসময় ঐক্যবদ্ধ। বাংলাদেশেও যেকোনো ক্রাইসিস বা ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় ধর্ম-বর্ণ, রাজনৈতিক মতাদর্শ নির্বিশেষে সবাইকে এক কাতারে দাঁড়াতে হবে। আর জাতীয় ঐক্য গড়ার প্রাথমিক উদ্যোগ সরকারকেই নিতে হবে। অঙ্কুরেই যদি এই অশুভ তৎপরতা বিনষ্ট করা না যায়, তবে আগামীতে দেশ গভীর ও অন্ধকার খাদের দিকে ধাবিত হতে পারে। সময় থাকতে সতর্ক হওয়ার কোনো বিকল্প নেই।
.png)

সম্প্রতি প্রকাশিত ‘বাংলাদেশের উদ্ভিদের লাল তালিকা’ শীর্ষক একটি বইয়ে, ১০০০টি উদ্ভিদ প্রজাতির অবস্থা তুলে ধরা হয়েছে। এই তালিকা অনুযায়ী, দেশের ৭টি প্রজাতির উদ্ভিদ ইতোমধ্যে সম্পূর্ণ বিলুপ্ত হয়ে গেছে। ন্যূনতম বিপদগ্রস্ত হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে ২৭১টি প্রজাতি এবং বিপদাপন্ন অবস্থায় রয়েছে ৩৯৫টি প্রজাতি।
২ ঘণ্টা আগে
‘ধানে লাভ নগণ্য, আবাদে আগ্রহ হারাচ্ছেন নওগাঁর কৃষক’ শিরোনামে স্ট্রিমে যে প্রতিবেদন এসেছে, সেটা কমবেশি সারা দেশেরই চিত্র হলে তাতে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ রয়েছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
চীনের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্কের ভিত্তিটি ঐতিহাসিক। আমরা সেই ষাটের দশকের থেকে দেখে আসছি চীন বিভিন্ন সময় বাংলাদেশের প্রধান রাজনৈতিক নেতাদের চীনের সমাজ ও উন্নয়নকে দেখানোর জন্য নিয়ে যেতেন। এখানে যেমন শেখ মুজিবুর রহমানের নাম রয়েছে তেমনি রয়েছে মাওলানা ভাসানীর নামও।
১৮ ঘণ্টা আগে
মো. রাশিদুল ইসলাম রাসেল; জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষক। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফর, বাংলাদেশের ‘লুক ইস্ট’ বা পূর্বমুখী পররাষ্ট্রনীতি, চীনের সঙ্গে সামরিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের ভূ-রাজনৈতিক প্রভাব এবং ঢাকা-দিল্লির সম্পর্কের নানা দিক নিয়ে ঢাকা স্ট্রিমের সঙ্গে ক
২০ ঘণ্টা আগে