মো. ওবায়দুল হক

বিগত ১৭ বছর ধরে দেশের পররাষ্ট্রনীতিতে যে ধারা চলমান ছিল, তার একটি গুণগত পরিবর্তনের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। এই নতুন পররাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তি হলো ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ বা সবার আগে জাতীয় স্বার্থ। বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক বাস্তবতায় এবং বাংলাদেশের নিজস্ব স্বার্থ বিবেচনায় তাই প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
ঢাকা-দিল্লি-ওয়াশিংটন এবং বেইজিংয়ের মধ্যকার চতুর্মুখী সম্পর্কের টানাপোড়েনের মাঝে এই সফরকে কেবল একটি গতানুগতিক দ্বিপাক্ষিক সফর হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।
চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের এবং পরীক্ষিত। এই মুহূর্তে বাংলাদেশের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো নাজুক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সামাল দেওয়া। এই দুরবস্থা থেকে উত্তরণে চীনের বিকল্প খুব কমই আছে। বাংলাদেশের এখন কোনো নির্দিষ্ট প্রজেক্টের ঋণের চেয়ে বেশি প্রয়োজন সরাসরি ‘বাজেটারি সাপোর্ট’ বা থোক বরাদ্দ। অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী চীনই পারে এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় সহায়তাটি দিতে। পাশাপাশি ফরেন ডিরেক্ট ইনভেস্টমেন্ট (এফডিআই) বা সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রেও চীন বড় ভরসা। তিস্তা মহাপরিকল্পনা বা পদ্মা ব্যারেজের মতো বৃহৎ অবকাঠামোগত উন্নয়নের ক্ষেত্রেও চীনের সম্পৃক্ততা নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে চীনের সঙ্গে সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হওয়ার অর্থ এই নয় যে, বাংলাদেশ ভারত বা যুক্তরাষ্ট্রের মতো গুরুত্বপূর্ণ মিত্রদের দূরে ঠেলে দিচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে সামরিক চুক্তি বা সমরাস্ত্র ক্রয় নিয়ে জনপরিসরে খুব বেশি আলোচনা না হলেও, বিষয়টি ভূ-রাজনৈতিক আলোচনার একটি বড় অংশ। তবে বাংলাদেশের বর্তমান কৌশল হলো, সামরিক ক্ষেত্রে কোনো একটি নির্দিষ্ট দেশের (বিশেষ করে চীনের) ওপর নির্ভরশীল না থেকে উৎসের বহুমুখীকরণ করা।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে এফ-১৮ হর্নেট যুদ্ধবিমান এবং অ্যাপাচি হেলিকপ্টার দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে বলে জানা যায়। কিন্তু বাস্তবতা হলো, যুক্তরাষ্ট্রের এসব অত্যাধুনিক সমরাস্ত্র কেনার মতো আর্থিক সক্ষমতা এই মুহূর্তে বাংলাদেশের নেই। অন্যদিকে চীনের সমরাস্ত্র সস্তা এবং সাশ্রয়ী। তবে বাংলাদেশ এখন তুরস্কের মতো দেশ থেকেও সমরাস্ত্র কিনছে এবং চীন থেকে সরাসরি যুদ্ধবিমান না কিনে, চীনের প্রযুক্তিতে পাকিস্তানে তৈরি যুদ্ধবিমান কেনার কথাও ভাবছে।
যুক্তরাষ্ট্রের দিক থেকে চীনের ওপর সামরিক নির্ভরশীলতা কমানোর একটা প্রচ্ছন্ন চাপ থাকতে পারে। কিন্তু বাংলাদেশের নিজেদের স্বার্থেই এই নির্ভরশীলতা কমানো প্রয়োজন এবং বাংলাদেশ সেই পথেই হাঁটছে। তাই এই সফরে চীনের সঙ্গে বড় ধরনের কোনো প্রতিরক্ষা চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ।
বাংলাদেশ একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে কার কাছ থেকে সমরাস্ত্র কিনবে বা কার সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করবে, তা একান্তই তার নিজস্ব ব্যাপার। চীনের উপস্থিতিতে ভারতের অস্বস্তি থাকাটা অস্বাভাবিক নয়, বিশেষ করে তিস্তা প্রকল্পের মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে। তবে ভারতের এই সেনসিটিভিটির প্রতি বাংলাদেশ বরাবরই শ্রদ্ধাশীল ছিল। কিন্তু ভারত এই শ্রদ্ধার প্রতিদান দিতে ব্যর্থ হয়েছে। তিস্তার পানিবন্টন চুক্তি নিয়ে ভারত বছরের পর বছর সময়ক্ষেপণ করেছে। কৃষকের জীবন, জীবিকা ও পরিবেশ রক্ষার মতো অস্তিত্বের প্রশ্নে বাংলাদেশ আর কতদিন অপেক্ষা করবে?
বর্তমানে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কে এক ধরনের শীতলতা চলছে এবং এর দায় মূলত দিল্লির। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক উন্নয়নে দিল্লির দিক থেকে কোনো ইতিবাচক পদক্ষেপ দেখা যায়নি। ভারতের কাছ থেকে এই মুহূর্তে বড় কোনো বিদেশি বিনিয়োগ আসারও সম্ভাবনা নেই। ভারত বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী ঠিকই, কিন্তু বাংলাদেশ এখন ‘ডিকাপলিং’ নীতিতে বিশ্বাসী। অর্থাৎ চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক কেমন হবে, তা ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের মাপকাঠিতে নির্ধারিত হবে না। প্রতিটি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক তার নিজস্ব স্বকীয়তায় চলবে।
ঐতিহাসিকভাবে ১৯৭১ সালের পর থেকে বাংলাদেশের সরকারপ্রধানরা তাদের প্রথম বিদেশ সফরের গন্তব্য হিসেবে সাধারণত ভারতকে বেছে নিতেন। কিন্তু এবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়া হয়ে চীন সফরে গেছেন। মূলত ‘চীন-প্রথম’ বিতর্ক এড়াতেই কৌশলগত কারণে কুয়ালালামপুরকে প্রথম গন্তব্য হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা যায়। তবে দিল্লির সদিচ্ছা এবং আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ থাকলে প্রধানমন্ত্রী নিশ্চয়ই ভারত সফর করবেন।
অন্যদিকে, এই সফর নিয়ে বাংলাদেশে বা ভারতে যতটা উন্মাদনা, চীনের সাধারণ জনজীবনে তা নিয়ে কোনো আলোচনাই নেই। চীনের মতো বৃহৎ রাষ্ট্রে প্রায় প্রতিদিনই রাষ্ট্রপ্রধানদের আনাগোনা থাকে। তবে দেশটির নীতিনির্ধারণী মহল এবং কমিউনিস্ট পার্টির সাউথ এশিয়া ডেস্ক নিশ্চিতভাবেই এই সফরটিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে।
দিনশেষে, আন্তর্জাতিক সম্পর্কে স্থায়ী কোনো মিত্র বা শত্রু নেই, আছে কেবল স্থায়ী জাতীয় স্বার্থ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফর সেই জাতীয় স্বার্থ আদায়েরই একটি বাস্তবমুখী পদক্ষেপ। পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে, ভারতের অযৌক্তিক প্রভাব বলয় থেকে বেরিয়ে এবং বেইজিংয়ের অর্থনৈতিক ও কাঠামোগত সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ তার কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে পৌঁছাতে চায়।

বিগত ১৭ বছর ধরে দেশের পররাষ্ট্রনীতিতে যে ধারা চলমান ছিল, তার একটি গুণগত পরিবর্তনের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। এই নতুন পররাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তি হলো ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ বা সবার আগে জাতীয় স্বার্থ। বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক বাস্তবতায় এবং বাংলাদেশের নিজস্ব স্বার্থ বিবেচনায় তাই প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
ঢাকা-দিল্লি-ওয়াশিংটন এবং বেইজিংয়ের মধ্যকার চতুর্মুখী সম্পর্কের টানাপোড়েনের মাঝে এই সফরকে কেবল একটি গতানুগতিক দ্বিপাক্ষিক সফর হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।
চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের এবং পরীক্ষিত। এই মুহূর্তে বাংলাদেশের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো নাজুক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সামাল দেওয়া। এই দুরবস্থা থেকে উত্তরণে চীনের বিকল্প খুব কমই আছে। বাংলাদেশের এখন কোনো নির্দিষ্ট প্রজেক্টের ঋণের চেয়ে বেশি প্রয়োজন সরাসরি ‘বাজেটারি সাপোর্ট’ বা থোক বরাদ্দ। অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী চীনই পারে এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় সহায়তাটি দিতে। পাশাপাশি ফরেন ডিরেক্ট ইনভেস্টমেন্ট (এফডিআই) বা সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রেও চীন বড় ভরসা। তিস্তা মহাপরিকল্পনা বা পদ্মা ব্যারেজের মতো বৃহৎ অবকাঠামোগত উন্নয়নের ক্ষেত্রেও চীনের সম্পৃক্ততা নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে চীনের সঙ্গে সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হওয়ার অর্থ এই নয় যে, বাংলাদেশ ভারত বা যুক্তরাষ্ট্রের মতো গুরুত্বপূর্ণ মিত্রদের দূরে ঠেলে দিচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে সামরিক চুক্তি বা সমরাস্ত্র ক্রয় নিয়ে জনপরিসরে খুব বেশি আলোচনা না হলেও, বিষয়টি ভূ-রাজনৈতিক আলোচনার একটি বড় অংশ। তবে বাংলাদেশের বর্তমান কৌশল হলো, সামরিক ক্ষেত্রে কোনো একটি নির্দিষ্ট দেশের (বিশেষ করে চীনের) ওপর নির্ভরশীল না থেকে উৎসের বহুমুখীকরণ করা।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে এফ-১৮ হর্নেট যুদ্ধবিমান এবং অ্যাপাচি হেলিকপ্টার দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে বলে জানা যায়। কিন্তু বাস্তবতা হলো, যুক্তরাষ্ট্রের এসব অত্যাধুনিক সমরাস্ত্র কেনার মতো আর্থিক সক্ষমতা এই মুহূর্তে বাংলাদেশের নেই। অন্যদিকে চীনের সমরাস্ত্র সস্তা এবং সাশ্রয়ী। তবে বাংলাদেশ এখন তুরস্কের মতো দেশ থেকেও সমরাস্ত্র কিনছে এবং চীন থেকে সরাসরি যুদ্ধবিমান না কিনে, চীনের প্রযুক্তিতে পাকিস্তানে তৈরি যুদ্ধবিমান কেনার কথাও ভাবছে।
যুক্তরাষ্ট্রের দিক থেকে চীনের ওপর সামরিক নির্ভরশীলতা কমানোর একটা প্রচ্ছন্ন চাপ থাকতে পারে। কিন্তু বাংলাদেশের নিজেদের স্বার্থেই এই নির্ভরশীলতা কমানো প্রয়োজন এবং বাংলাদেশ সেই পথেই হাঁটছে। তাই এই সফরে চীনের সঙ্গে বড় ধরনের কোনো প্রতিরক্ষা চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ।
বাংলাদেশ একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে কার কাছ থেকে সমরাস্ত্র কিনবে বা কার সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করবে, তা একান্তই তার নিজস্ব ব্যাপার। চীনের উপস্থিতিতে ভারতের অস্বস্তি থাকাটা অস্বাভাবিক নয়, বিশেষ করে তিস্তা প্রকল্পের মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে। তবে ভারতের এই সেনসিটিভিটির প্রতি বাংলাদেশ বরাবরই শ্রদ্ধাশীল ছিল। কিন্তু ভারত এই শ্রদ্ধার প্রতিদান দিতে ব্যর্থ হয়েছে। তিস্তার পানিবন্টন চুক্তি নিয়ে ভারত বছরের পর বছর সময়ক্ষেপণ করেছে। কৃষকের জীবন, জীবিকা ও পরিবেশ রক্ষার মতো অস্তিত্বের প্রশ্নে বাংলাদেশ আর কতদিন অপেক্ষা করবে?
বর্তমানে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কে এক ধরনের শীতলতা চলছে এবং এর দায় মূলত দিল্লির। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক উন্নয়নে দিল্লির দিক থেকে কোনো ইতিবাচক পদক্ষেপ দেখা যায়নি। ভারতের কাছ থেকে এই মুহূর্তে বড় কোনো বিদেশি বিনিয়োগ আসারও সম্ভাবনা নেই। ভারত বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী ঠিকই, কিন্তু বাংলাদেশ এখন ‘ডিকাপলিং’ নীতিতে বিশ্বাসী। অর্থাৎ চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক কেমন হবে, তা ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের মাপকাঠিতে নির্ধারিত হবে না। প্রতিটি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক তার নিজস্ব স্বকীয়তায় চলবে।
ঐতিহাসিকভাবে ১৯৭১ সালের পর থেকে বাংলাদেশের সরকারপ্রধানরা তাদের প্রথম বিদেশ সফরের গন্তব্য হিসেবে সাধারণত ভারতকে বেছে নিতেন। কিন্তু এবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়া হয়ে চীন সফরে গেছেন। মূলত ‘চীন-প্রথম’ বিতর্ক এড়াতেই কৌশলগত কারণে কুয়ালালামপুরকে প্রথম গন্তব্য হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা যায়। তবে দিল্লির সদিচ্ছা এবং আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ থাকলে প্রধানমন্ত্রী নিশ্চয়ই ভারত সফর করবেন।
অন্যদিকে, এই সফর নিয়ে বাংলাদেশে বা ভারতে যতটা উন্মাদনা, চীনের সাধারণ জনজীবনে তা নিয়ে কোনো আলোচনাই নেই। চীনের মতো বৃহৎ রাষ্ট্রে প্রায় প্রতিদিনই রাষ্ট্রপ্রধানদের আনাগোনা থাকে। তবে দেশটির নীতিনির্ধারণী মহল এবং কমিউনিস্ট পার্টির সাউথ এশিয়া ডেস্ক নিশ্চিতভাবেই এই সফরটিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে।
দিনশেষে, আন্তর্জাতিক সম্পর্কে স্থায়ী কোনো মিত্র বা শত্রু নেই, আছে কেবল স্থায়ী জাতীয় স্বার্থ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফর সেই জাতীয় স্বার্থ আদায়েরই একটি বাস্তবমুখী পদক্ষেপ। পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে, ভারতের অযৌক্তিক প্রভাব বলয় থেকে বেরিয়ে এবং বেইজিংয়ের অর্থনৈতিক ও কাঠামোগত সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ তার কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে পৌঁছাতে চায়।
.png)

একজন নেতার মৃত্যু একটি দলের জন্য শোকের ঘটনা। একই সঙ্গে এটি রাজনৈতিক পরীক্ষাও। নেতা চলে যাওয়ার পর দলটি কী করে, সেটিই প্রমাণ করে সেই নেতার উত্তরাধিকার কতটা গভীর ছিল। বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর বিএনপিও এমন এক পরীক্ষার সামনে। জন্মদিনে দলটি তাঁকে স্মরণ করবে। শ্রদ্ধা জানাবে।
৯ ঘণ্টা আগে
দেশে গত দুই মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় অনেক খাদ্য ও জ্বালানি পণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী। অথচ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হিসাব বলছে, এ সময়ে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমেছে। বাজার বাস্তবতা ও সরকারি পরিসংখ্যানের এই ব্যবধান বিবিএসের তথ্যের মান, স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে নতুন করে পুরনো বিতর্ক উসকে দিয়েছে।
১৪ আগস্ট ২০২৬
বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল ভিত্তি হলো কৃষি। দেশের খাদ্যনিরাপত্তা, গ্রামীণ কর্মসংস্থান ও সামাজিক স্থিতিশীলতা কৃষির ওপর অনেকটাই নির্ভরশীল। গত কয়েক দশকে আমাদের কৃষিতে অভাবনীয় সাফল্য এসেছে। উন্নত জাতের ফসল, সেচ, সার ব্যবস্থাপনা, রোগবালাই দমন ও প্রযুক্তির ব্যবহার এই সাফল্যের পেছনের মূল কারণ।
১৩ আগস্ট ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ঘিরে নয়াদিল্লির কূটনৈতিক তৎপরতা এখন নতুন মাত্রা পেয়েছে। শুধু সেপ্টেম্বরের ব্রিকস সম্মেলনে আমন্ত্রণ নয়, বাংলাদেশ সরকারের প্রধান হিসেবে আলাদা দ্বিপক্ষীয় সফরের আমন্ত্রণও পেয়েছেন তিনি।
১২ আগস্ট ২০২৬