লেখা:

দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী সিটি গ্রুপের চলমান আর্থিক সংকট ও সাড়ে ২৬ হাজার কোটি টাকার ঋণ পুনর্গঠনের উদ্যোগ দেশের সার্বিক অর্থনীতির জন্য একটি বড় সতর্কবার্তা। ভোগ্যপণ্য থেকে শুরু করে আমদানি বাণিজ্যের বিশাল অংশজুড়ে থাকা এই প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান দশা কেবল তাদের নিজস্ব সংকট নয়, বরং এটি দেশের সামগ্রিক ব্যবসা-বাণিজ্য এবং অর্থনীতির একটি ‘টেস্ট কেস’।
সিটি গ্রুপের মতো দেশের অন্যতম প্রধান একটি শিল্প পরিবার যখন তারল্য সংকটে পড়ে, তখন স্বভাবতই প্রশ্ন জাগে, দেশের অন্য বৃহৎ শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোও ভেতরে ভেতরে এমন নাজুক অবস্থায় পৌঁছেছে কি না। বাইরে থেকে অনেক প্রতিষ্ঠানকে আর্থিকভাবে সফল ও স্থিতিশীল মনে হলেও তাদের প্রকৃত স্বাস্থ্য কতটা ভালো, তা খতিয়ে দেখার সময় এসেছে। সিটি গ্রুপ এলসি (ঋণপত্র) খুলতে না পারার কথা স্বীকার করেছে। এর অর্থ হলো, তারা গভীর তারল্য সংকটে ভুগছে এবং এলসির জন্য প্রয়োজনীয় মার্জিন পরিশোধ করতে পারছে না। এটিকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে না দেখে সরকারের উচিত সিটি গ্রুপকে একটি ‘কেস স্টাডি’ হিসেবে বিবেচনা করে পুরো খাতের আর্থিক স্থিতিশীলতা যাচাই করা।
গ্রুপটির দাবি, ব্যাংক খাতের অস্থিরতার কারণে তারা এলসি খুলতে পারছে না। তবে এই যুক্তি পুরোপুরি গ্রহণযোগ্য নয়। এটা সত্য যে, দেশের ব্যাংক খাতে কিছু সমস্যা রয়েছে; তবে ৬০টির বেশি ব্যাংকের মধ্যে অন্তত ১৫-২০টি এখনো যথেষ্ট ভালো অবস্থানে আছে এবং নিয়মিত মুনাফা করছে। ব্যাংক খাতে যদি এতটাই তারল্য সংকট থাকত, তবে দেশের সামগ্রিক আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য মুখ থুবড়ে পড়ত। বাস্তবে শিল্পের মূলধনী যন্ত্রপাতি থেকে শুরু করে ভোগ্যপণ্যের আমদানি সচল রয়েছে। সুতরাং সিটি গ্রুপের এলসি খুলতে না পারার মূল কারণ ব্যাংকের সংকট নয়, বরং তাদের নিজস্ব তারল্য সংকট এবং এলসি মার্জিন দিতে ব্যর্থ হওয়াটাই অধিকতর যুক্তিসঙ্গত।
মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় ১০-১২ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ৬টি নতুন কারখানায় গ্যাস সংযোগ না পাওয়ার যে দাবি গ্রুপটি করেছে, তা অনেকটাই বাস্তবসম্মত। বাংলাদেশে দীর্ঘমেয়াদী, টেকসই জ্বালানি নীতির অভাব রয়েছে, যার পেছনে অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও ভূ-রাজনৈতিক কারণ জড়িত। বিপুল বিনিয়োগের পর কারখানা অলস পড়ে থাকলে লোকসানের পরিমাণ বাড়বেই। তবে মনে রাখতে হবে, সিটি গ্রুপ মূলত চাল, ডাল, তেল, আটা, ময়দার মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্য নিয়ে ব্যবসা করে। দেশে গাড়ি বা বিলাসবহুল পণ্যের বিক্রি কমলেও নিত্যপণ্যের চাহিদা বা বাজার সাধারণত সংকুচিত হয় না। একটি স্থিতিশীল বাজারের পণ্য সরবরাহকারী হিসেবে তাদের লোকসান হওয়ার যৌক্তিক কারণ খুব কমই। তাই তাদের আর্থিক ব্যবস্থাপনা বা লেনদেন প্রক্রিয়ায় কোনো অস্বচ্ছতা রয়েছে কি না, তা গভীরভাবে তদন্ত করা প্রয়োজন।
এ ধরনের বৃহৎ শিল্প প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেলে মালিকপক্ষের হয়তো খুব বেশি ক্ষতি হবে না; কিন্তু সরাসরি বিপদে পড়বে সেখানে কর্মরত হাজার হাজার শ্রমিক-কর্মচারী। পরোক্ষভাবে জড়িত আরও অনেক মানুষের জীবনজীবিকা হুমকির মুখে পড়বে। প্রতিষ্ঠান দেউলিয়া হলে বা ব্যাপক হারে শ্রমিক ছাঁটাই শুরু হলে দেশে বেকারত্বের চাপ আরও বাড়বে, যা সামাল দেওয়া সরকারের জন্য কঠিন হয়ে দাঁড়াবে। তাই দেশের স্বার্থেই এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানকে টিকিয়ে রাখা জরুরি।
সিটি গ্রুপকে রক্ষায় ৩৬টি ব্যাংক যে ২৬ হাজার কোটি টাকার ঋণ পুনর্গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে এবং পর্যবেক্ষক ও অডিটর নিয়োগ দিয়ে লভ্যাংশ প্রদানে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে—তা ইতিবাচক। কিন্তু এত বড় একটি প্রতিষ্ঠান যখন ধীরে ধীরে দুর্বল হচ্ছিল, তখন কি কোনো সতর্কবার্তা ছিল না? হঠাৎ করে প্রশাসক বা পর্যবেক্ষক বসানোর মতো পরিস্থিতি তৈরি হলো কীভাবে? জনগণের ব্যাংকে রাখা আমানতের টাকা যেন কোনোভাবেই অপচয় না হয়, সেটি নিশ্চিত করতে হবে। তাদের বিগত কয়েক বছরের আয়-ব্যয়, মুনাফার হার ও লভ্যাংশ প্রদানের ইতিহাস চুলচেরা বিশ্লেষণ করা উচিত।
স্বাধীনতার ৫০ বছর পেরিয়ে গেলেও আমাদের দেশের অনেক শিল্পগোষ্ঠী এখনো নিজের পায়ে শক্তভাবে দাঁড়াতে শেখেনি। তারা সবসময় সরকারের কাছে প্রণোদনা, করছাড় ও নানা সুবিধা দাবি করে। করোনা মহামারি বা রাজনৈতিক পটপরিবর্তন—যেকোনো সংকটে তারা সরকারের কাছে হাত পাতে। কিন্তু যখন তারা বিপুল মুনাফা করে, তখন সেই মুনাফার খবর গোপন রাখা হয়। সেই লাভের একাংশ দিয়ে হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা গবেষণায় বিনিয়োগ করে যে সামাজিক দায়বদ্ধতা পালন করা উচিত, তা আমাদের কর্পোরেটগুলোর মধ্যে খুব একটা দেখা যায় না। লোকসান হলে সরকারের দায় আর লাভ হলে তা একান্তই মালিকের—এই মানসিকতা থেকে বেরিয়ে উদ্যোক্তাদের স্বাবলম্বী ও দেশপ্রেমিক হতে হবে।
এই সংকট থেকে শিক্ষা নিয়ে সরকার ও নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোকে নিতে হবে কঠোর পদক্ষেপ। অনেক সময় অডিটরদের যোগসাজশে লোকসানকে মুনাফা বা মুনাফাকে লোকসান হিসেবে দেখিয়ে ‘উইন্ডো ড্রেসিং’ করা হয়। এটি কঠোরভাবে বন্ধ করতে হবে।
যেকোনো প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে একটি নিরপেক্ষ নিরীক্ষা প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা বাধ্যতামূলক করতে হবে। একইসঙ্গে, এসব প্রতিষ্ঠানের অডিটেড ফিন্যান্সিয়াল স্টেটমেন্ট জনসমক্ষে প্রকাশ করতে হবে। একজন সাধারণ নাগরিক, গ্রাহক বা বিনিয়োগকারীর জানার অধিকার রয়েছে—যে প্রতিষ্ঠানটির সেবা তারা নিচ্ছে, তার প্রকৃত আর্থিক অবস্থা কেমন। তথ্যের এই স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা গেলেই কেবল কোম্পানি, গ্রাহক এবং সর্বোপরি দেশের অর্থনীতি বড় ধরনের বিপর্যয় থেকে রক্ষা পাবে।

দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী সিটি গ্রুপের চলমান আর্থিক সংকট ও সাড়ে ২৬ হাজার কোটি টাকার ঋণ পুনর্গঠনের উদ্যোগ দেশের সার্বিক অর্থনীতির জন্য একটি বড় সতর্কবার্তা। ভোগ্যপণ্য থেকে শুরু করে আমদানি বাণিজ্যের বিশাল অংশজুড়ে থাকা এই প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান দশা কেবল তাদের নিজস্ব সংকট নয়, বরং এটি দেশের সামগ্রিক ব্যবসা-বাণিজ্য এবং অর্থনীতির একটি ‘টেস্ট কেস’।
সিটি গ্রুপের মতো দেশের অন্যতম প্রধান একটি শিল্প পরিবার যখন তারল্য সংকটে পড়ে, তখন স্বভাবতই প্রশ্ন জাগে, দেশের অন্য বৃহৎ শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোও ভেতরে ভেতরে এমন নাজুক অবস্থায় পৌঁছেছে কি না। বাইরে থেকে অনেক প্রতিষ্ঠানকে আর্থিকভাবে সফল ও স্থিতিশীল মনে হলেও তাদের প্রকৃত স্বাস্থ্য কতটা ভালো, তা খতিয়ে দেখার সময় এসেছে। সিটি গ্রুপ এলসি (ঋণপত্র) খুলতে না পারার কথা স্বীকার করেছে। এর অর্থ হলো, তারা গভীর তারল্য সংকটে ভুগছে এবং এলসির জন্য প্রয়োজনীয় মার্জিন পরিশোধ করতে পারছে না। এটিকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে না দেখে সরকারের উচিত সিটি গ্রুপকে একটি ‘কেস স্টাডি’ হিসেবে বিবেচনা করে পুরো খাতের আর্থিক স্থিতিশীলতা যাচাই করা।
গ্রুপটির দাবি, ব্যাংক খাতের অস্থিরতার কারণে তারা এলসি খুলতে পারছে না। তবে এই যুক্তি পুরোপুরি গ্রহণযোগ্য নয়। এটা সত্য যে, দেশের ব্যাংক খাতে কিছু সমস্যা রয়েছে; তবে ৬০টির বেশি ব্যাংকের মধ্যে অন্তত ১৫-২০টি এখনো যথেষ্ট ভালো অবস্থানে আছে এবং নিয়মিত মুনাফা করছে। ব্যাংক খাতে যদি এতটাই তারল্য সংকট থাকত, তবে দেশের সামগ্রিক আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য মুখ থুবড়ে পড়ত। বাস্তবে শিল্পের মূলধনী যন্ত্রপাতি থেকে শুরু করে ভোগ্যপণ্যের আমদানি সচল রয়েছে। সুতরাং সিটি গ্রুপের এলসি খুলতে না পারার মূল কারণ ব্যাংকের সংকট নয়, বরং তাদের নিজস্ব তারল্য সংকট এবং এলসি মার্জিন দিতে ব্যর্থ হওয়াটাই অধিকতর যুক্তিসঙ্গত।
মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় ১০-১২ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ৬টি নতুন কারখানায় গ্যাস সংযোগ না পাওয়ার যে দাবি গ্রুপটি করেছে, তা অনেকটাই বাস্তবসম্মত। বাংলাদেশে দীর্ঘমেয়াদী, টেকসই জ্বালানি নীতির অভাব রয়েছে, যার পেছনে অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও ভূ-রাজনৈতিক কারণ জড়িত। বিপুল বিনিয়োগের পর কারখানা অলস পড়ে থাকলে লোকসানের পরিমাণ বাড়বেই। তবে মনে রাখতে হবে, সিটি গ্রুপ মূলত চাল, ডাল, তেল, আটা, ময়দার মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্য নিয়ে ব্যবসা করে। দেশে গাড়ি বা বিলাসবহুল পণ্যের বিক্রি কমলেও নিত্যপণ্যের চাহিদা বা বাজার সাধারণত সংকুচিত হয় না। একটি স্থিতিশীল বাজারের পণ্য সরবরাহকারী হিসেবে তাদের লোকসান হওয়ার যৌক্তিক কারণ খুব কমই। তাই তাদের আর্থিক ব্যবস্থাপনা বা লেনদেন প্রক্রিয়ায় কোনো অস্বচ্ছতা রয়েছে কি না, তা গভীরভাবে তদন্ত করা প্রয়োজন।
এ ধরনের বৃহৎ শিল্প প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেলে মালিকপক্ষের হয়তো খুব বেশি ক্ষতি হবে না; কিন্তু সরাসরি বিপদে পড়বে সেখানে কর্মরত হাজার হাজার শ্রমিক-কর্মচারী। পরোক্ষভাবে জড়িত আরও অনেক মানুষের জীবনজীবিকা হুমকির মুখে পড়বে। প্রতিষ্ঠান দেউলিয়া হলে বা ব্যাপক হারে শ্রমিক ছাঁটাই শুরু হলে দেশে বেকারত্বের চাপ আরও বাড়বে, যা সামাল দেওয়া সরকারের জন্য কঠিন হয়ে দাঁড়াবে। তাই দেশের স্বার্থেই এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানকে টিকিয়ে রাখা জরুরি।
সিটি গ্রুপকে রক্ষায় ৩৬টি ব্যাংক যে ২৬ হাজার কোটি টাকার ঋণ পুনর্গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে এবং পর্যবেক্ষক ও অডিটর নিয়োগ দিয়ে লভ্যাংশ প্রদানে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে—তা ইতিবাচক। কিন্তু এত বড় একটি প্রতিষ্ঠান যখন ধীরে ধীরে দুর্বল হচ্ছিল, তখন কি কোনো সতর্কবার্তা ছিল না? হঠাৎ করে প্রশাসক বা পর্যবেক্ষক বসানোর মতো পরিস্থিতি তৈরি হলো কীভাবে? জনগণের ব্যাংকে রাখা আমানতের টাকা যেন কোনোভাবেই অপচয় না হয়, সেটি নিশ্চিত করতে হবে। তাদের বিগত কয়েক বছরের আয়-ব্যয়, মুনাফার হার ও লভ্যাংশ প্রদানের ইতিহাস চুলচেরা বিশ্লেষণ করা উচিত।
স্বাধীনতার ৫০ বছর পেরিয়ে গেলেও আমাদের দেশের অনেক শিল্পগোষ্ঠী এখনো নিজের পায়ে শক্তভাবে দাঁড়াতে শেখেনি। তারা সবসময় সরকারের কাছে প্রণোদনা, করছাড় ও নানা সুবিধা দাবি করে। করোনা মহামারি বা রাজনৈতিক পটপরিবর্তন—যেকোনো সংকটে তারা সরকারের কাছে হাত পাতে। কিন্তু যখন তারা বিপুল মুনাফা করে, তখন সেই মুনাফার খবর গোপন রাখা হয়। সেই লাভের একাংশ দিয়ে হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা গবেষণায় বিনিয়োগ করে যে সামাজিক দায়বদ্ধতা পালন করা উচিত, তা আমাদের কর্পোরেটগুলোর মধ্যে খুব একটা দেখা যায় না। লোকসান হলে সরকারের দায় আর লাভ হলে তা একান্তই মালিকের—এই মানসিকতা থেকে বেরিয়ে উদ্যোক্তাদের স্বাবলম্বী ও দেশপ্রেমিক হতে হবে।
এই সংকট থেকে শিক্ষা নিয়ে সরকার ও নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোকে নিতে হবে কঠোর পদক্ষেপ। অনেক সময় অডিটরদের যোগসাজশে লোকসানকে মুনাফা বা মুনাফাকে লোকসান হিসেবে দেখিয়ে ‘উইন্ডো ড্রেসিং’ করা হয়। এটি কঠোরভাবে বন্ধ করতে হবে।
যেকোনো প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে একটি নিরপেক্ষ নিরীক্ষা প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা বাধ্যতামূলক করতে হবে। একইসঙ্গে, এসব প্রতিষ্ঠানের অডিটেড ফিন্যান্সিয়াল স্টেটমেন্ট জনসমক্ষে প্রকাশ করতে হবে। একজন সাধারণ নাগরিক, গ্রাহক বা বিনিয়োগকারীর জানার অধিকার রয়েছে—যে প্রতিষ্ঠানটির সেবা তারা নিচ্ছে, তার প্রকৃত আর্থিক অবস্থা কেমন। তথ্যের এই স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা গেলেই কেবল কোম্পানি, গ্রাহক এবং সর্বোপরি দেশের অর্থনীতি বড় ধরনের বিপর্যয় থেকে রক্ষা পাবে।

একজন নারী কখন সবচেয়ে নিঃশব্দে কাঁদেন? যখন প্রতারণাটা বোঝার ভাষা থাকে না, অভিযোগ করার জায়গা থাকে না, আর সংসারটা টিকিয়ে রাখার দায় থেকেও মুক্তি নেই। যখন তিনি জানতে পারেন যাঁকে একমাত্র ভেবে এসেছেন এত বছর, জীবনের সবচেয়ে সুন্দর সময়গুলো উৎসর্গ করেছেন, তিনি আসলে গোপনে আরেকটি সংসার পেতে রেখেছেন।
২৪ মিনিট আগে
গত ১৩ জুন দিনভর সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও এবং কয়েকটি ছবি অনেকেই শেয়ার করেন। সেখানে দেখা যাচ্ছে, নদী খননের মাটিতে ঢাকা পড়েছে একটি আশ্রয়ণ প্রকল্পের বেশ কিছু ঘর। ২০ থেকে ৩০ ফুট উঁচু কাদামাটির স্তূপ তৈরি হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
একটি রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে অর্জিত নতুন বাংলাদেশে মানুষ রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন দেখতে চায়। বিশেষ করে সরকারি অর্থ ও ক্ষমতায় ব্যক্তিস্বার্থ বা পারিবারিকীকরণের যে সংস্কৃতি কয়েক দশকে জেঁকে বসেছিল, তার অবসান জরুরি।
৪ ঘণ্টা আগে
বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর জোট জি-৭-এর শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখন ফ্রান্স সফরে রয়েছেন। এই সফরের মধ্যেই ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের ঐতিহাসিক ভার্সাই প্রাসাদে গত ১৭ জুন (বুধবার রাতে) তিনি ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধের সমঝোতা স্মারকে সই করেন। তবে ইরানের পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবা
৯ ঘণ্টা আগে