সামাজিক মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের ৬ বয়ান, সরকার কি আমলে নিচ্ছে

স্ট্রিম গ্রাফিক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়া সফর শেষে বর্তমানে চীনে অবস্থান করছেন। মালয়েশিয়া সফর নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খুব একটা প্রতিক্রিয়া না থাকলেও চীন সফর নিয়ে দেশে এবং দেশের বাহিরে নানান জল্পনা-কল্পনা বিদ্যমান রয়েছে। এ সফর শুধু ‘সমর্থন’ ও ‘সমালোচনা’—এই দুই ভাগে বিভক্ত করা সমীচীন হবে না।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, বিশেষ করে ফেসবুকের প্রতিক্রিয়াগুলো দেখলে বোঝা যায়, এই সফরকে ঘিরে জন-আলোচনা অনেক বেশি স্তরবিন্যস্ত। কোথাও এটি অর্থনৈতিক সম্ভাবনার সফর, কোথাও কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনের প্রদর্শন; আবার কোথাও এটি ঋণ-নির্ভরতার আশঙ্কা, ভারত-চীন ভারসাম্যের সংকেত, কিংবা নিছক কূটনৈতিক প্রদর্শনীর সমালোচনায় পরিণত হয়েছে। ফলে সফরটি কেবল বেইজিংয়ে কতগুলো বৈঠক হলো, কতটি সমঝোতা স্মারক সই হলো—সেই প্রশ্নে সীমাবদ্ধ নেই; বরং বড় প্রশ্ন হয়ে উঠেছে, এই সফর আদৌ জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারবে কিনা।

ছয় ধরনের গুরুত্বপূর্ণ বয়ান

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে (ফেসবুকের) প্রতিক্রিয়াগুলো মোটামুটি ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ বয়ানে ভাগ করা যায়—

প্রথমত, আছে অর্থনৈতিক প্রত্যাশার বয়ান। এই বয়ানে চীন সফরকে দেখা হচ্ছে চাকরি, বিনিয়োগ, অবকাঠামো, শিল্পায়ন ও বাণিজ্য সম্প্রসারণের সুযোগ হিসেবে। এ ধরনের প্রতিক্রিয়ার কেন্দ্রে মূলত একটি প্রশ্ন: এই সফর থেকে সাধারণ মানুষ কী পাবে? যারা এ দৃষ্টিকোণ থেকে সফরটিকে সমর্থন করছেন, তারা আসলে কূটনৈতিক শব্দচয়নের চেয়ে বাস্তব ফলাফল দেখতে চান—কোন খাতে বিনিয়োগ আসবে, কত কর্মসংস্থান হবে, বিদ্যুৎ, পরিবহন বা উৎপাদন খাতে কী পরিবর্তন হবে। অর্থাৎ তাদের কাছে সফরের সাফল্যের মাপকাঠি ‘ঐতিহাসিক’ বিশেষণ নয়, বরং দৃশ্যমান অর্থনৈতিক লাভ।

দ্বিতীয়ত, আছে কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনের বয়ান। এখানে সফরটিকে অনেকে স্বাগত জানাচ্ছেন এই কারণে যে বাংলাদেশ একক কোনো আঞ্চলিক শক্তির ওপর নির্ভর না করে বহুমাত্রিক পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করছে। এই বয়ানের ভাষা সাধারণত এমন: বাংলাদেশকে নিজের স্বার্থে চীন, ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, মধ্যপ্রাচ্য—সবার সঙ্গেই কাজ করতে হবে; কারও ছায়াতলে নয়, বরং নিজের জাতীয় স্বার্থে। এই দৃষ্টিভঙ্গি কেবল আবেগের নয়; বরং বাংলাদেশি পররাষ্ট্রনীতির দীর্ঘমেয়াদি এক বাস্তবতার কথাই বলে—একটি মধ্যম আকারের উন্নয়নশীল রাষ্ট্রকে বহুপাক্ষিক সম্পর্কের জায়গা তৈরি করতেই হয়। ফলে চীন সফরকে অনেকে দেখছেন ভারতের বিকল্প খোঁজা হিসেবে নয়, বরং কূটনৈতিক বিকল্প বাড়ানোর প্রচেষ্টা হিসেবে।

তবে এই বয়ানের পাশেই আরও তীক্ষ্ণ একটি ধারা আছে—ভারত-ভারসাম্য বা ভারত-প্রভাব হ্রাসের বয়ান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমনও অনেকে আছেন, যারা চীন সফরকে দিল্লির প্রভাববলয়ের বাইরে যাওয়ার প্রতীক হিসেবে দেখছেন। তাদের ভাষায়, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি ভারতের দৃষ্টিকোণ থেকে নির্ধারিত হবে কেন?

এই মনোভাবকে পুরোপুরি উপেক্ষা করার সুযোগ নেই, কারণ এর পেছনে রয়েছে জাতীয় মর্যাদা, নীতিগত স্বাধীনতা এবং আঞ্চলিক অসমতার অভিজ্ঞতা। কিন্তু এখানেই সরকারের জন্য সবচেয়ে বড় সতর্কতার জায়গা। কারণ, চীন সফরকে যদি সরকার বা সরকারপন্থী প্রচারযন্ত্র এমনভাবে তুলে ধরে যে বাংলাদেশ যেন প্রকাশ্যে ‘ভারতবিরোধী’ অবস্থান নিচ্ছে, তাহলে অর্থনৈতিক ও কৌশলগত লাভের সম্ভাবনাকে অকারণ কূটনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে ঠেলে দেওয়া হবে। বাংলাদেশের স্বার্থ ভারতবিরোধিতায় নয়; বরং ভারত-চীন-যুক্তরাষ্ট্র—সব পক্ষের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখে নিজের দরকষাকষির ক্ষমতা বাড়ানোয়।

অতিরঞ্জনের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। ‘ঐতিহাসিক’, ‘অভূতপূর্ব’, ‘গেমচেঞ্জার’—এই ধরনের বিশেষণ খুব দ্রুত জন-আস্থাকে স্তিমিত করে, যদি তার সঙ্গে বাস্তব ফলাফল না মেলে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাংলাদেশের নাগরিকেরা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি ফলাফল-সচেতন; ফলে কূটনৈতিক আড়ম্বর দিয়ে দীর্ঘদিন জনমত ধরে রাখা যাবে না।

তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ বয়ানটি হলো ঋণ, নির্ভরতা ও স্বচ্ছতার উদ্বেগ। এটি নিছক ‘চীনবিরোধী’ প্রতিক্রিয়া নয়; বরং রাষ্ট্রীয় চুক্তি, অবকাঠামো ঋণ, শর্তযুক্ত অর্থায়ন এবং কৌশলগত সম্পদের ওপর দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণ—এসব নিয়ে জনগণের স্বাভাবিক প্রশ্ন। ফেসবুকে এই বয়ানের ভাষা সাধারণত এমন: চীনের অর্থায়ন কি টেকসই? ঋণের শর্ত কী? এসব প্রকল্পে বাংলাদেশের দায় কতটুকু? ভবিষ্যতে কোনো খাত অতিরিক্ত নির্ভরশীল হয়ে পড়বে কি না?

এই প্রশ্নগুলোকে ‘উন্নয়নবিরোধিতা’ বলে উড়িয়ে দিলে তা সরকার ভুল করবে। কারণ, গত এক দশকে দক্ষিণ এশিয়া ও বৈশ্বিক দক্ষিণের নানা দেশে বড় অবকাঠামো প্রকল্প, ঋণের বোঝা, ব্যয়বৃদ্ধি এবং অস্বচ্ছ দরকষাকষি নিয়ে জন-আলোচনা বেড়েছে। বাংলাদেশের নাগরিকেরা এখন জানতে চান—চুক্তি হয়েছে, কিন্তু কোন শর্তে? এ সফরের জনমতের বড় অংশ তাই মূলত স্বচ্ছতার দাবি।

চতুর্থত, আছে ইস্যুভিত্তিক বাস্তববাদী বয়ান। এই দৃষ্টিভঙ্গিতে সফরের মূল্য নির্ধারিত হবে খুব নির্দিষ্ট কিছু ইস্যুতে অগ্রগতি দিয়ে—তিস্তা প্রকল্প, জ্বালানি, শিল্পপার্ক, রেল-সড়ক সংযোগ, বাজারপ্রবেশ, প্রযুক্তি সহযোগিতা, কিংবা আঞ্চলিক অবকাঠামো। এটি মূলত বাস্তবধর্মী কার্যকারিতা দেখতে চায়। কোন প্রকল্পে কী অগ্রগতি হলো, কত দিনে হবে, কোন মন্ত্রণালয় বাস্তবায়ন করবে, এবং সাধারণ মানুষ তার সুফল কীভাবে পাবে? এ ধরনের বয়ান সরকারের জন্য একটি ফলপ্রসূ। কারণ, এখানে রাজনৈতিক আনুগত্যের চেয়ে নীতিগত ফলাফলের মূল্য বেশি।

অন্যদিকে সরকারি সাফল্য ও কূটনৈতিক মর্যাদার বয়ানও আছে। এ বয়ানে চীন সফরকে শক্তিশালী নেতৃত্ব, আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা এবং বাংলাদেশের কূটনৈতিক গুরুত্ব বৃদ্ধির প্রমাণ হিসেবে দেখা হয়। সরকার স্বাভাবিকভাবেই এই বয়ানকে সামনে আনতে চাইবে। কিন্তু এখানেই অতিরঞ্জনের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। ‘ঐতিহাসিক’, ‘অভূতপূর্ব’, ‘গেমচেঞ্জার’—এই ধরনের বিশেষণ খুব দ্রুত জন-আস্থাকে স্তিমিত করে, যদি তার সঙ্গে বাস্তব ফলাফল না মেলে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাংলাদেশের নাগরিকেরা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি ফলাফল-সচেতন; ফলে কূটনৈতিক আড়ম্বর দিয়ে দীর্ঘদিন জনমত ধরে রাখা যাবে না।

সবশেষে আছে বিরোধী সমালোচনার বয়ান—যেখানে বলা হয়, বিদেশ সফর, ছবি তোলা আর সমঝোতা স্মারক দিয়ে মূল্যস্ফীতি কমবে না, কর্মসংস্থান বাড়বে না, দুর্নীতি কমবে না। এই সমালোচনার কিছু অংশ অবশ্যই দলীয় ও রাজনৈতিক; কিন্তু পুরোটা নয়। এর ভেতরে একটি মৌলিক গণতান্ত্রিক প্রশ্ন আছে: পররাষ্ট্রনীতি যদি নাগরিকের দৈনন্দিন জীবনে কোনো দৃশ্যমান প্রভাব না ফেলে, তাহলে সাধারণ মানুষ কেন তাতে উচ্ছ্বসিত হবে? অর্থাৎ জনমতের এক বড় অংশ সফরটিকে দেশের ভেতরের শাসন, জবাবদিহি ও অর্থনৈতিক চাপের প্রশ্ন থেকে আলাদা করে দেখতে রাজি নয়।

চীন সফরের রাজনৈতিক সাফল্য নির্ভর করবে শুধু বেইজিংয়ের বৈঠককক্ষে কী হলো তার ওপর নয়; বরং ঢাকার বাজার, কারখানা, কৃষিখামার, বিদ্যুৎব্যবস্থা ও কর্মসংস্থানের ওপর তার প্রভাব কতটা দৃশ্যমান হলো—তার ওপর।

এই বহুমাত্রিক জনমতের মুখে সরকারের করণীয় কী

বিগত ও অতীতের সরকারসমূহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং সাধারণ জনগণকে সব সময় উপেক্ষা করে গিয়েছে। এতে সরকার এবং জনগণের মধ্যে একধরনের দূরত্ব তৈরি হয়। তাই বর্তমান সরকারের উচিত এই গুরুত্বপূর্ণ বয়ানের ওপরে প্রতিষ্ঠিত জনগণের মধ্যে যে ধোঁয়াশা, সেটি দূর করা। এক্ষেত্রে নিম্নলিখিত পদক্ষেপ গুলো তারা নিতে পারে—

প্রথমত, সরকারের উচিত সফর-উত্তর সব চুক্তি ও সমঝোতার একটি পরিষ্কার পাবলিক ব্রিফ প্রকাশ করা। কোনটি ঋণ, কোনটি অনুদান, কোনটি বিনিয়োগ প্রতিশ্রুতি, আর কোনটি কেবল সমঝোতা স্মারক—এগুলো স্পষ্ট না করলে সন্দেহ বাড়বে। ঋণের শর্ত, প্রকল্পের সম্ভাব্য ব্যয়, বাস্তবায়নের সময়সীমা, দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা—এসব জানানো এখন রাজনৈতিক উদারতা নয়; গণতান্ত্রিক প্রয়োজন।

দ্বিতীয়ত, সরকারকে কূটনীতির ভাষাকে মানুষের জীবনের ভাষায় অনুবাদ করতে হবে। ‘কৌশলগত অংশীদারত্ব’ বা ‘দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদার’—এই ধরনের বাক্য সাধারণ মানুষের কাছে অর্থহীন, যদি তারা না জানে এতে কর্মসংস্থান, বিদ্যুৎ, কৃষি, রপ্তানি, পরিবহন বা দ্রব্যমূল্যে কী প্রভাব পড়বে। কোন জেলায় শিল্পায়ন হবে, কোন খাতে চাকরি তৈরি হবে, কোন অবকাঠামো ব্যবসার খরচ কমাবে—সরকারকে সেসব বলতে হবে। মানুষ কূটনৈতিক কমিউনিকেশনের ভেতরে বাস করে না; তারা বাস করে অর্থনীতির ভেতরে।

তৃতীয়ত, সরকারকে চীন সফরকে ‘ভারতবিরোধী মোড়’ হিসেবে নয়, বরং ‘ভারসাম্যপূর্ণ বহুমুখী কূটনীতি হিসেবে ফ্রেম করতে হবে। বাংলাদেশের স্বার্থ চীনের সঙ্গে সম্পর্ক গভীর করার দরকার আছে, কিন্তু সেই সম্পর্ককে এমনভাবে উপস্থাপন করা ঠিক হবে না, যাতে মনে হয় বাংলাদেশ এক শক্তিকে দেখিয়ে আরেক শক্তির সঙ্গে দরকষাকষি করছে। ঢাকা যদি সত্যিই কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন চায়, তবে তাকে একই সঙ্গে চীনের সঙ্গে অর্থনৈতিক সহযোগিতা, ভারতের সঙ্গে প্রতিবেশী-সম্পর্ক ও সংযোগ, এবং পশ্চিমা অংশীদারদের সঙ্গে বাণিজ্য ও উন্নয়ন সহযোগিতা—সবকিছুকে সমান্তরালে ধরে রাখতে হবে। এটিই পরিণত পররাষ্ট্রনীতির ভাষা।

চতুর্থত, সরকারকে বুঝতে হবে পররাষ্ট্রনীতির বিশ্বাসযোগ্যতা এখন ঘরোয়া শাসনের বিশ্বাসযোগ্যতা থেকে আলাদা নয়। যদি মানুষ দেশে মূল্যস্ফীতি, দুর্নীতি, দুর্বল সেবা, কর্মসংকট এবং বৈষম্য দেখে, তাহলে বিদেশ সফরের সাফল্য তাদের কাছে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্নবিদ্ধ হবে। তাই চীন সফরের রাজনৈতিক সাফল্য নির্ভর করবে শুধু বেইজিংয়ের বৈঠককক্ষে কী হলো তার ওপর নয়; বরং ঢাকার বাজার, কারখানা, কৃষিখামার, বিদ্যুৎব্যবস্থা ও কর্মসংস্থানের ওপর তার প্রভাব কতটা দৃশ্যমান হলো—তার ওপর।

শেষ কথা

সরকারকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এই বয়ানসমূহ গুরুত্বের সঙ্গে দেখা উচিত। কারণ, এখানে রাষ্ট্রের প্রতি নানান গোষ্ঠীর, নানান মতের মানুষ সরকারের কার্যক্রম সম্পর্কে এক ধরনের প্রকাশ্য নিরীক্ষা করেছে। কেউ চাকরি ও বিনিয়োগ চাইছে, কেউ মর্যাদা ও নীতিগত স্বাধীনতা, কেউ স্বচ্ছতা, কেউবা জানতে চাইছে—এই সফর সাধারণ মানুষের জীবন বদলাবে কীভাবে।

এই দাবিগুলো পরস্পরবিরোধী নয়; বরং এগুলোই একটি গণতান্ত্রিক সমাজে দায়িত্বশীল পররাষ্ট্রনীতির ন্যূনতম শর্ত। চীন সফরের প্রকৃত সাফল্য তাই সরকারি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি বা বেইজিংয়ের আনুষ্ঠানিক ছবিতে নির্ধারিত হবে না। সেটি নির্ধারিত হবে এ সফরকে সরকার কতটা দৃশ্যমান অর্থনৈতিক ফল, কতটা স্বচ্ছ চুক্তি, কতটা ভারসাম্যপূর্ণ কূটনীতি এবং কতটা জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রচর্চায় রূপ দিতে পারে—তার ওপর। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম আপাতত সরকারের সামনে সেই মানদণ্ডই তুলে ধরছে। পূর্ব অভিজ্ঞতার পরিপ্রেক্ষিতে, সত্যি বলতে সেটি অযৌক্তিক কোনো মানদণ্ড নয়।

নুরুল হুদা সাকিব, সভাপতি ও অধ্যাপক, সরকার ও রাজনীতি বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।

Ad 300x250

সম্পর্কিত