স্ট্রিম সম্পাদকীয়

খেলাপি ঋণের সমস্যা আজকের নয়। তবে বিগত আওয়ামী লীগ শাসনামলে এটা অব্যাহতভাবে বাড়ছিল। পরিস্থিতি আড়াল করতে খেলাপি ঋণ কমিয়ে দেখানোরও চেষ্টা চলে, যা তাদের পতনের পর আসে সামনে। মাত্রা ছাড়ানো খেলাপি ঋণের জন্য একগুচ্ছ ব্যাংক নিয়ে ছড়ায় উদ্বেগ। সেটা কমাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন নেতৃত্ব কিছু পদক্ষেপও নেয়। সংকটগ্রস্ত ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠন করা হয়। বেশি সংকটগ্রস্ত ব্যাংক একীভূতকরণের পদক্ষেপও নেওয়া হয়। এর মধ্যে বেশি আলোচিত ইসলামী ধারার কয়েকটি ব্যাংক। টানা ভালো ব্যবসা করা ইসলামী ব্যাংকের ঋণ পরিস্থিতিও দেখা যায় উদ্বেগজনক।
অন্তর্বর্তী সরকারের আমলেও উচ্চ সুদের হারসহ বিভিন্ন কারণে নতুন করে কিছু ঋণ খেলাপি হয়। ক্ষমতাচ্যুত সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বসে পড়াতেও পরিস্থিতির অবনতি ঘটে। বিশেষ সুবিধা দিয়েও খেলাপি ঋণ বৃদ্ধির ধারাকে বিপরীতমুখি করা যায়নি। আশা ছিল, নির্বাচিত সরকার এলে ব্যবসার পরিবেশ উন্নত হয়ে ঋণ পরিস্থিতি ইতিবাচক দিকে মোড় নেবে। নতুন সরকারের ১০০ দিন অতিবাহিত হয়েছে। এর মধ্যে বছরের প্রথম তিন মাসে খেলাপি ঋণ পরিস্থিতির আরও অবনতির খবর মিলল। টাকার অঙ্কে এটা বেড়েছে প্রায় ৩১ হাজার কোটি। আর বিতরণ করা ঋণের ৩২ শতাংশের বেশি এখন খেলাপি। এই পরিমাণ খেলাপি ঋণ উদ্বেগজনক বৈকি। অনিয়মের চাপে একগুচ্ছ ব্যাংকের স্বাস্থ্যের এত অবনতি হয়েছে যে, সেগুলোকে আর টেনে তোলা যাবে না বলেই মনে করেন অনেক বিশেষজ্ঞ। যাদের হাতে এসব ব্যাংক লুণ্ঠিত হয়েছে, তাদের একাংশ জেলে হলেও মূল অংশটাই পলাতক। বৃহৎ ঋণের সিংহভাগ আবার পাচার হয়েছে, যা ফিরিয়ে আনা কঠিন।
এ অবস্থায় সরকার কী করতে পারে, সেটা বলা সহজ নয়। একশ্রেণির নন-ব্যাংক প্রতিষ্ঠান থেকেও বিপুল অর্থ আত্মসাৎ হয়েছে। এ অবস্থায় ‘ইচ্ছাকৃত খেলাপি’দের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার বিকল্প নেই। এটা যেন দৃষ্টান্ত হয়ে থাকে। খেলাপি ঋণ পরিস্থিতি সামাল দেওয়াসহ ব্যাংক খাত সংস্কারে বলিষ্ঠ নেতৃত্ব দিতে হবে নতুন গভর্নরকে। নইলে মানুষ কেন্দ্রীয় ব্যাংকে আনা পরিবর্তনে কোনো অর্থ খুঁজে পাবে না। সুনির্দিষ্ট কিছু কারণে হয়তো বছরের প্রথম তিন মাসে খেলাপি ঋণ আরও বেড়েছে। পরের তিন মাসেই হয়তো এতে কিছুটা উন্নতি পরিলক্ষিত হবে। সেটা বড় নয়। এ ক্ষেত্রে প্রধান কাজ উদ্বেগজনক ঋণ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে উদ্যোগী হওয়া। যেসব ঋণ আদায় সম্ভব, তাতে ব্যাংকগুলোকে মনোনিবেশ করতে হবে। বেসরকারি খাতে ঋণ বিতরণও এখন উদ্বেগজনকভাবে কম। এ ঋণও যেন খেলাপি না হয়, সেদিকে রাখতে হবে দৃষ্টি। শিল্প খাত চাঙ্গা করতে বিশেষ ঋণ তহবিল গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এর অপব্যবহারও যেন না হয়।
ব্যাংককে তার নিয়মে চলতে দেওয়াতেই রয়েছে সমাধান। হতাশাজনক পরিস্থিতিতে কিছু ব্যাংক কিন্তু ভালো অবস্থায় রয়েছে। সেগুলো যেন স্বাভাবিকভাবে কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারে, সে পরিবেশটাই কাম্য। সংবেদনশীল ব্যাংক খাতে নতুন করে আস্থার সংকট দেখা দিতে পারে, এমন কাজ থেকেও সংশ্লিষ্ট সবাইকে দূরে থাকতে হবে।

খেলাপি ঋণের সমস্যা আজকের নয়। তবে বিগত আওয়ামী লীগ শাসনামলে এটা অব্যাহতভাবে বাড়ছিল। পরিস্থিতি আড়াল করতে খেলাপি ঋণ কমিয়ে দেখানোরও চেষ্টা চলে, যা তাদের পতনের পর আসে সামনে। মাত্রা ছাড়ানো খেলাপি ঋণের জন্য একগুচ্ছ ব্যাংক নিয়ে ছড়ায় উদ্বেগ। সেটা কমাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন নেতৃত্ব কিছু পদক্ষেপও নেয়। সংকটগ্রস্ত ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠন করা হয়। বেশি সংকটগ্রস্ত ব্যাংক একীভূতকরণের পদক্ষেপও নেওয়া হয়। এর মধ্যে বেশি আলোচিত ইসলামী ধারার কয়েকটি ব্যাংক। টানা ভালো ব্যবসা করা ইসলামী ব্যাংকের ঋণ পরিস্থিতিও দেখা যায় উদ্বেগজনক।
অন্তর্বর্তী সরকারের আমলেও উচ্চ সুদের হারসহ বিভিন্ন কারণে নতুন করে কিছু ঋণ খেলাপি হয়। ক্ষমতাচ্যুত সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বসে পড়াতেও পরিস্থিতির অবনতি ঘটে। বিশেষ সুবিধা দিয়েও খেলাপি ঋণ বৃদ্ধির ধারাকে বিপরীতমুখি করা যায়নি। আশা ছিল, নির্বাচিত সরকার এলে ব্যবসার পরিবেশ উন্নত হয়ে ঋণ পরিস্থিতি ইতিবাচক দিকে মোড় নেবে। নতুন সরকারের ১০০ দিন অতিবাহিত হয়েছে। এর মধ্যে বছরের প্রথম তিন মাসে খেলাপি ঋণ পরিস্থিতির আরও অবনতির খবর মিলল। টাকার অঙ্কে এটা বেড়েছে প্রায় ৩১ হাজার কোটি। আর বিতরণ করা ঋণের ৩২ শতাংশের বেশি এখন খেলাপি। এই পরিমাণ খেলাপি ঋণ উদ্বেগজনক বৈকি। অনিয়মের চাপে একগুচ্ছ ব্যাংকের স্বাস্থ্যের এত অবনতি হয়েছে যে, সেগুলোকে আর টেনে তোলা যাবে না বলেই মনে করেন অনেক বিশেষজ্ঞ। যাদের হাতে এসব ব্যাংক লুণ্ঠিত হয়েছে, তাদের একাংশ জেলে হলেও মূল অংশটাই পলাতক। বৃহৎ ঋণের সিংহভাগ আবার পাচার হয়েছে, যা ফিরিয়ে আনা কঠিন।
এ অবস্থায় সরকার কী করতে পারে, সেটা বলা সহজ নয়। একশ্রেণির নন-ব্যাংক প্রতিষ্ঠান থেকেও বিপুল অর্থ আত্মসাৎ হয়েছে। এ অবস্থায় ‘ইচ্ছাকৃত খেলাপি’দের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার বিকল্প নেই। এটা যেন দৃষ্টান্ত হয়ে থাকে। খেলাপি ঋণ পরিস্থিতি সামাল দেওয়াসহ ব্যাংক খাত সংস্কারে বলিষ্ঠ নেতৃত্ব দিতে হবে নতুন গভর্নরকে। নইলে মানুষ কেন্দ্রীয় ব্যাংকে আনা পরিবর্তনে কোনো অর্থ খুঁজে পাবে না। সুনির্দিষ্ট কিছু কারণে হয়তো বছরের প্রথম তিন মাসে খেলাপি ঋণ আরও বেড়েছে। পরের তিন মাসেই হয়তো এতে কিছুটা উন্নতি পরিলক্ষিত হবে। সেটা বড় নয়। এ ক্ষেত্রে প্রধান কাজ উদ্বেগজনক ঋণ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে উদ্যোগী হওয়া। যেসব ঋণ আদায় সম্ভব, তাতে ব্যাংকগুলোকে মনোনিবেশ করতে হবে। বেসরকারি খাতে ঋণ বিতরণও এখন উদ্বেগজনকভাবে কম। এ ঋণও যেন খেলাপি না হয়, সেদিকে রাখতে হবে দৃষ্টি। শিল্প খাত চাঙ্গা করতে বিশেষ ঋণ তহবিল গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এর অপব্যবহারও যেন না হয়।
ব্যাংককে তার নিয়মে চলতে দেওয়াতেই রয়েছে সমাধান। হতাশাজনক পরিস্থিতিতে কিছু ব্যাংক কিন্তু ভালো অবস্থায় রয়েছে। সেগুলো যেন স্বাভাবিকভাবে কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারে, সে পরিবেশটাই কাম্য। সংবেদনশীল ব্যাংক খাতে নতুন করে আস্থার সংকট দেখা দিতে পারে, এমন কাজ থেকেও সংশ্লিষ্ট সবাইকে দূরে থাকতে হবে।

নদীমাতৃক বাংলাদেশের অর্থনীতি, কৃষি, বাস্তুসংস্থান ও গ্রামীণ জীবনযাত্রা দেশটির নদীগুলোর টেকসই ব্যবস্থাপনার সাথে নিবিড়ভাবে জড়িত। দেশের প্রধান আন্তঃসীমান্ত নদীগুলোর মধ্যে তিস্তা বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এ কারণে নদীটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে।
১৩ ঘণ্টা আগে
রেহান আসিফ আসাদ, প্রকৌশলী ও প্রযুক্তি পেশাদার। প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টার দায়িত্বে আছেন। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের আগে বুধবার (১০ জুন) স্ট্রিমের সঙ্গে আলাপে তিনি তুলে ধরেছেন সিম ট্যাক্স, স্টার্টআপ তহবিল, ডেটা সেন্টারসহ ডিজিটাল অবকাঠামো ঘিরে সরকারের পরিকল্পনা।
১৬ ঘণ্টা আগে
ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে ‘পুশ-ইন’ এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও মানবিক ইস্যুতে পরিণত হয়েছে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) বাংলাদেশে মানুষ ঠেলে পাঠানোর প্রচেষ্টা জোরদার করেছে। এই তথ্য জানাচ্ছে খোদ বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড (বিজিবি)।
১৭ ঘণ্টা আগে
ঢালাওভাবে কর্মী না পাঠিয়ে, প্রথমে ৫০ বা ১০০ জন কর্মী পাঠিয়ে তাদের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করতে হবে। তারা সেখানে নিরাপদে আছেন কি না এবং চুক্তিমতো কাজ পাচ্ছেন কি না, তার ওপর ভিত্তি করেই ধাপে ধাপে আরও কর্মী পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।
১৯ ঘণ্টা আগে