স্ট্রিম সম্পাদকীয়

পর্দা নামল ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর ষোলোটি শহরে এক মাস ধরে চলা এই মহাযজ্ঞ এখন স্মৃতি। বিশ্বের কোটি কোটি মানুষের মতো বাংলাদেশের মানুষও ছিল এই আনন্দের অংশীদার।
১৮ ঘণ্টা আগে
বিএনপি সরকারের পাঁচ মাস অতিক্রান্ত হওয়ার মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এবং তাঁর কার্যালয়ের মুখপাত্র আন্তরিকতা ও সাফল্যের সঙ্গে সরকারের দায়িত্ব পালনের যে বিবরণ দিয়েছেন, সে বিষয়ে কেউ শতভাগ একমত কিংবা ভিন্নমত হবেন না।
১৯ জুলাই ২০২৬
অতিবৃষ্টি ও বন্যার প্রভাব নিত্যপণ্যের বাজারে পড়বে, এটা ধরেই নেওয়া হয়েছিল। দাবি করে বলা হচ্ছিল, প্রশাসন যেন এদিকে দৃষ্টি রাখে। বিশেষত কাঁচাবাজারে অস্বাভাবিক প্রভাব যেন না পড়ে। এমনিতেই মূল্যস্ফীতি নতুন করে বাড়ছে।
১৮ জুলাই ২০২৬
মিয়ানমারের রাখাইন উপকূল থেকে জুনের শেষে দুটি নৌকা ছেড়ে যায় কক্সবাজার ও রাখাইনের রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিয়ে। উদ্দেশ্য অবৈধভাবে ভিনদেশে পাড়ি দেওয়া। একটি নৌকা যাত্রার পরপরই নিখোঁজ হয়, অন্যটি ডুবে যায় ৮ জুলাই আয়ারওয়াদি উপকূলে। জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার হিসাবে,
১৭ জুলাই ২০২৬
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের হত্যাকাণ্ড বাংলাদেশের ইতিহাসের এক গভীর ক্ষত। নিহতদের পরিবার ন্যায়বিচারের অপেক্ষায়। রাষ্ট্রেরও দায় হচ্ছে অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে বিচার নিশ্চিত করা। কিন্তু এই ন্যায়বিচারের পথেই যদি অসংখ্য নিরপরাধ মানুষ মিথ্যা মামলা, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা কিংবা মামলা-বাণিজ্যের শিকার হন তাহলে তা বি
১৬ জুলাই ২০২৬
অতিবৃষ্টি ও বন্যায় চট্টগ্রাম বিভাগ এবং আরও কিছু অঞ্চলে যেসব ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা নিরূপণের পর জানা যাবে সেখানে কৃষির ক্ষতি কতটা। আক্রান্ত সব জায়গা থেকে পানি সরার আগ পর্যন্ত সঠিকভাবে ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ সম্ভব না হলেও সেটা অনুমান করা যাচ্ছে।
১৫ জুলাই ২০২৬
প্রতিবছর বন্যা আসে, পাহাড়ধস হয়, মানুষ মারা যায়। এসব বাংলাদেশের পরিচিত দুর্ভাগ্য। কিন্তু এবার দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বন্যা ও পাহাড়ধস আমাদের সামনে আরেকটি বাস্তবতা স্পষ্ট করে দিয়েছে। দুর্যোগের বড় ক্ষতি শুধু প্রাণহানি বা ঘরবাড়ি ধ্বংস নয়। বড় ক্ষতি হলো মানুষের বাস্তুচ্যুতি।
১৪ জুলাই ২০২৬
বন্যার সময় মানুষের দুর্ভোগের সঙ্গে গোঁদের ওপর বিষফোঁড়া হিসেবে হাজির হয় পণ্যবাজারের উল্লম্ফন। চট্টগ্রাম বিভাগের অন্তত সাতটি জেলায় সপ্তাহজুড়ে টানা বৃষ্টি ও বন্যায় এবারও সেই চিত্র ফিরে এসেছে। রাস্তাঘাট পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন বলা যায়।
১৩ জুলাই ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলায় শান্তি প্রক্রিয়া বিপন্ন হয়ে পড়ল কিনা, সেই প্রশ্ন উঠেছে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতার জানাজা সম্পন্নের পরপরই এমন পরিস্থিতি সৃষ্টির জন্য হরমুজ প্রণালিতে ছড়িয়ে পড়া উত্তেজনা দায়ী বলেই মনে হচ্ছে।
১২ জুলাই ২০২৬
নরসিংদীর মেথিকান্দা রেলস্টেশনে দীর্ঘদিন ধরে বসবাসকারী ছিন্নমূল নারী ববি বেগম যেভাবে দুর্বৃত্তদের হাতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন, সেটাকে মর্মান্তিক বললেও কম বলা যায়। বাকপ্রতিবন্ধী প্রবীণ এ নারীর জমানো অর্থ কেড়ে নিতেই যে কিছু অমানুষ তার ওপর চড়াও হয়েছিল, সেটা ইতোমধ্যে স্পষ্ট।
১১ জুলাই ২০২৬
চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ির পাহাড়ি জনপদ কয়েক দিন ধরে যা প্রত্যক্ষ করছে, তা পুঞ্জীভূত অবহেলার ফল। সেখানে পাহাড়ধস ও পানিতে ডুবে পাঁচ দিনে অন্তত ৩৩ প্রাণহানি হয়েছে, যার বড় অংশ আবার কক্সবাজারে রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরের বাসিন্দা।
১০ জুলাই ২০২৬
তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফিরিয়ে আনার বিষয়ে হাইকোর্টের রায় আপিল বিভাগে বহাল থাকাটাই ছিল প্রত্যাশিত। মাঠে থাকা রাজনৈতিক দল আর নাগরিক সমাজও এ বিষয়ে একমত। আপিল বিভাগ এ সংক্রান্ত কিছু বিষয়ের নিষ্পত্তি জাতীয় সংসদের ওপর ছেড়ে দিয়েছেন। সংসদ জনগণ প্রদত্ত সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী।
০৯ জুলাই ২০২৬
গেল অর্থবছরে হওয়া গড় মূল্যস্ফীতি তার আগের অর্থবছরের তুলনায় কিছুটা কমলেও গত তিন মাস ধরে এটা ৯ শতাংশের বেশি থাকা উদ্বেগজনক। ২০২২ সালের জানুয়ারি থেকে মূল্যস্ফীতি বাড়তে বাড়তে শেখ হাসিনার শাসনামলে ডাবল ডিজিটে পৌঁছেছিল।
০৮ জুলাই ২০২৬
আমাদের নীতিনির্ধারকদের বুঝতে হবে, শিল্প ও বাণিজ্যের পাশাপাশি গৃহস্থালি পর্যায়ে গ্যাসের সংকট সামাজিক অস্থিরতার কারণ হতে পারে। দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার পাশাপাশি শীতকাল ও রক্ষণাবেক্ষণকালীন সংকট মোকাবিলায় মজুত সক্ষমতা তৈরির কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা এখন আশু বিবেচনার দাবি রাখে।
০৭ জুলাই ২০২৬
কক্সবাজারের উখিয়ায় পাহাড়ধসে প্রাণহানির ঘটনা বেদনাদায়ক বললেও কম বলা হয়। এক রাতে রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও শহরে মোট নয়জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে রয়েছে তিন, পাঁচ ও সাত বছরের শিশু। ভারি বৃষ্টির রাতে ঘুমের মধ্যে মাটিচাপা পড়ে মৃত্যু—এর চেয়ে করুণ আর কী হতে পারে?
০৬ জুলাই ২০২৬
পরিণত বয়সে চলে গেলেও অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের মৃত্যু আমাদের গভীরভাবে স্পর্শ করেছে। তাঁকে যারা জানতেন এবং দীর্ঘদিন তাঁর চলার পথটি যারা খেয়াল করতেন, তারা সবাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই প্রবীণ শিক্ষক ও লেখকের মৃত্যুতে গভীরভাবে শোকাহত হবেন।
০৫ জুলাই ২০২৬.png)