জ্বালানি তেলে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান
আবু আহমেদ

জ্বালানি তেল আমদানি ও বিপণন কার্যক্রম বেসরকারি খাতে উন্মুক্ত করার একটি উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। দীর্ঘকাল ধরে খাতটি মূলত রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) একক নিয়ন্ত্রণে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে বর্ধিত অর্থনীতির বিশাল চাহিদা মেটানো এবং শিল্পকারখানায় নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে বেসরকারি খাতকে যুক্ত করার ভাবনাটি ইতিবাচক হিসেবেই দেখি।
তবে জ্বালানি একটি ‘কৌশলগত পণ্য’ হওয়ায় এই উদ্যোগ বাস্তবায়নের আগে এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব, সম্ভাব্য মনোপলি বা একচেটিয়া বাজার তৈরির শঙ্কা এবং শক্তিশালী রেগুলেটরি কাঠামোর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে গভীর বিশ্লেষণ প্রয়োজন।
প্রথমেই আসা যাক এই উদ্যোগের যৌক্তিকতায়। দেশের অর্থনীতি আর আগের মতো ছোট নেই, জ্বালানির চাহিদাও আকাশচুম্বী। সরকার বা বিপিসির একার পক্ষে এই বিপুল চাহিদা সবসময় সুচারুভাবে মেটানো সম্ভব হচ্ছে না। ফলস্বরূপ শিল্পকারখানাগুলো গ্যাস-বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটে ভুগছে। অন্যদিকে বিপিসির বিরুদ্ধে প্রায়শই দুর্নীতি ও অদক্ষতার অভিযোগ ওঠে; প্রতিষ্ঠানটির সিস্টেম লস ২০ শতাংশের বেশি। এ অবস্থায় বেসরকারি খাতকে জ্বালানি আমদানির সুযোগ দেওয়া হলে বাজারে একধরনের প্রতিযোগিতা তৈরি হতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির জন্যই মঙ্গলজনক।
তবে মূল সমস্যাটি লুকিয়ে আছে আমাদের পরিশোধন বা রিফাইনিং সক্ষমতায়। ১৯৬৮ সালে কাজ শুরু করা ‘ইস্টার্ন রিফাইনারি’ নিয়েই আমরা বসে আছি। গত কয়েক দশকে দেশে অনেক খাতে অভাবনীয় বিনিয়োগ হলেও দুর্ভাগ্যজনকভাবে জ্বালানি তেল পরিশোধনের সক্ষমতা বাড়াতে উল্লেখযোগ্য কোনো বিনিয়োগ হয়নি। ফলস্বরূপ আমাদের মোট চাহিদার অর্ধেকেরও বেশি পরিশোধিত জ্বালানি তেল চড়া দামে আমদানি করতে হয়। অথচ, অপরিশোধিত তেল (ক্রুড অয়েল) আমদানি করে দেশে পরিশোধন করতে পারলে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করা সম্ভব। প্রতিবেশী দেশ ভারত সস্তায় অপরিশোধিত তেল আমদানি করে তা পরিশোধন করে নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে রপ্তানি করছে।
এখন দেশের বড় বড় শিল্পগ্রুপ (যেমন- মেঘনা, টিকে বা বসুন্ধরা গ্রুপ) যদি এই খাতে আসতে চায়, তবে তাদের শুধু আমদানিকারক বা পরিবেশক হলে চলবে না; তাদের রিফাইনারি স্থাপনে জোর দিতে হবে। এটি বিপুল বিনিয়োগ বা ক্যাপিটাল ইন্টেন্সিভ খাত। বেসরকারি উদ্যোক্তারা যদি এই বিনিয়োগ করতে সক্ষম হন, তবে সরকারকে তাদের জমিসহ অন্যান্য লজিস্টিক সহায়তা দিয়ে উৎসাহিত করতে হবে। প্রয়োজনে সরকার এখানে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) মডেলে যেতে পারে; যেখানে ৪০ শতাংশ মালিকানা সরকারের এবং ৬০ শতাংশ বেসরকারি বা বিদেশি বিনিয়োগকারীর হাতে থাকতে পারে। পরবর্তীতে সরকার চাইলে শেয়ারবাজারের মাধ্যমে নিজস্য অংশটুকু ছেড়েও দিতে পারে।
বেসরকারি খাতকে এই সুযোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় শঙ্কা হলো সিন্ডিকেট তৈরি হওয়া। জ্বালানি খাতের মতো স্পর্শকাতর জায়গায় মাত্র দু-তিনটি কোম্পানিকে বিনা শর্তে ব্যবসা করতে দিলে তারা ইচ্ছামতো দাম নির্ধারণ করতে পারে। এখানেই প্রয়োজন বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) কঠোর হস্তক্ষেপ। এলপিজি গ্যাসের মতো জ্বালানি তেলের ক্ষেত্রেও রেগুলেটরি কমিশনকে মূল্য নির্ধারণ করে দিতে হবে। আমদানিকৃত তেলের মান ঠিক থাকছে কি না, সেটি নিশ্চিত করার দায়িত্বও নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে নিতে হবে।
যেকোনো প্রতিষ্ঠান চাইলেই তাকে জ্বালানি আমদানির অনুমোদন দেওয়া উচিত হবে না। এর জন্য কঠোর মাপকাঠি থাকা জরুরি। আবেদনকারী প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব জেটি বা জাহাজ আছে কি না, তেল খালাস ও সংরক্ষণের প্রয়োজনীয় অবকাঠামো আছে কি না, নিজস্ব ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক ও পর্যাপ্ত মূলধন আছে কি না—এই বিষয়গুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করতে হবে।
সরকার প্রক্রিয়াটি হুট করে পুরো উন্মুক্ত না করে পরীক্ষামূলকভাবে শুরু করতে পারে। শুরুতে সক্ষমতা যাচাইয়ের জন্য বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাজারের মাত্র ১০ শতাংশ সরবরাহের অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। একইসঙ্গে পদ্মা, মেঘনা ও যমুনার মতো রাষ্ট্রায়ত্ত বিপণন কোম্পানিগুলোর কার্যক্রমও পূর্ণ উদ্যমে চালু রাখতে হবে, যাতে বাজারে ভারসাম্য বজায় থাকে এবং বেসরকারি খাত কোনোভাবেই সরকারকে জিম্মি করতে না পারে।
আমরা নতুন কোনো চাকায় হাওয়া দিচ্ছি না। ভারত, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান বা ভিয়েতনামের মতো প্রতিবেশী ও সমকক্ষ দেশগুলোতে জ্বালানি খাতে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণের মডেল কেমন, তা আমাদের বিশেষজ্ঞদের খতিয়ে দেখতে হবে। গ্লোবাল প্র্যাকটিস পর্যবেক্ষণ করে আমাদের দেশের জন্য সবচেয়ে উপযোগী মডেলটি বেছে নিতে হবে।
বাংলাদেশের শিল্পপতিদের শুধু তৈরি পোশাক বা টেক্সটাইল খাতের ওপর নির্ভর করে থাকার দিন শেষ হয়ে আসছে। সময় এসেছে মাঝারি ও ভারী শিল্পে, বিশেষ করে রিফাইনারির মতো লাভজনক ও অত্যাবশ্যকীয় খাতে বিনিয়োগ করার। সরকারের সঠিক নীতিনির্ধারণ, বিইআরসি-এর কঠোর নজরদারি ও বেসরকারি খাতের দায়িত্বশীল বিনিয়োগের মাধ্যমেই কেবল জ্বালানি খাতে এই উদ্যোগের সুফল দেশের সাধারণ মানুষ ও অর্থনীতি ভোগ করতে পারবে।

জ্বালানি তেল আমদানি ও বিপণন কার্যক্রম বেসরকারি খাতে উন্মুক্ত করার একটি উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। দীর্ঘকাল ধরে খাতটি মূলত রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) একক নিয়ন্ত্রণে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে বর্ধিত অর্থনীতির বিশাল চাহিদা মেটানো এবং শিল্পকারখানায় নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে বেসরকারি খাতকে যুক্ত করার ভাবনাটি ইতিবাচক হিসেবেই দেখি।
তবে জ্বালানি একটি ‘কৌশলগত পণ্য’ হওয়ায় এই উদ্যোগ বাস্তবায়নের আগে এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব, সম্ভাব্য মনোপলি বা একচেটিয়া বাজার তৈরির শঙ্কা এবং শক্তিশালী রেগুলেটরি কাঠামোর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে গভীর বিশ্লেষণ প্রয়োজন।
প্রথমেই আসা যাক এই উদ্যোগের যৌক্তিকতায়। দেশের অর্থনীতি আর আগের মতো ছোট নেই, জ্বালানির চাহিদাও আকাশচুম্বী। সরকার বা বিপিসির একার পক্ষে এই বিপুল চাহিদা সবসময় সুচারুভাবে মেটানো সম্ভব হচ্ছে না। ফলস্বরূপ শিল্পকারখানাগুলো গ্যাস-বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটে ভুগছে। অন্যদিকে বিপিসির বিরুদ্ধে প্রায়শই দুর্নীতি ও অদক্ষতার অভিযোগ ওঠে; প্রতিষ্ঠানটির সিস্টেম লস ২০ শতাংশের বেশি। এ অবস্থায় বেসরকারি খাতকে জ্বালানি আমদানির সুযোগ দেওয়া হলে বাজারে একধরনের প্রতিযোগিতা তৈরি হতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির জন্যই মঙ্গলজনক।
তবে মূল সমস্যাটি লুকিয়ে আছে আমাদের পরিশোধন বা রিফাইনিং সক্ষমতায়। ১৯৬৮ সালে কাজ শুরু করা ‘ইস্টার্ন রিফাইনারি’ নিয়েই আমরা বসে আছি। গত কয়েক দশকে দেশে অনেক খাতে অভাবনীয় বিনিয়োগ হলেও দুর্ভাগ্যজনকভাবে জ্বালানি তেল পরিশোধনের সক্ষমতা বাড়াতে উল্লেখযোগ্য কোনো বিনিয়োগ হয়নি। ফলস্বরূপ আমাদের মোট চাহিদার অর্ধেকেরও বেশি পরিশোধিত জ্বালানি তেল চড়া দামে আমদানি করতে হয়। অথচ, অপরিশোধিত তেল (ক্রুড অয়েল) আমদানি করে দেশে পরিশোধন করতে পারলে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করা সম্ভব। প্রতিবেশী দেশ ভারত সস্তায় অপরিশোধিত তেল আমদানি করে তা পরিশোধন করে নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে রপ্তানি করছে।
এখন দেশের বড় বড় শিল্পগ্রুপ (যেমন- মেঘনা, টিকে বা বসুন্ধরা গ্রুপ) যদি এই খাতে আসতে চায়, তবে তাদের শুধু আমদানিকারক বা পরিবেশক হলে চলবে না; তাদের রিফাইনারি স্থাপনে জোর দিতে হবে। এটি বিপুল বিনিয়োগ বা ক্যাপিটাল ইন্টেন্সিভ খাত। বেসরকারি উদ্যোক্তারা যদি এই বিনিয়োগ করতে সক্ষম হন, তবে সরকারকে তাদের জমিসহ অন্যান্য লজিস্টিক সহায়তা দিয়ে উৎসাহিত করতে হবে। প্রয়োজনে সরকার এখানে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) মডেলে যেতে পারে; যেখানে ৪০ শতাংশ মালিকানা সরকারের এবং ৬০ শতাংশ বেসরকারি বা বিদেশি বিনিয়োগকারীর হাতে থাকতে পারে। পরবর্তীতে সরকার চাইলে শেয়ারবাজারের মাধ্যমে নিজস্য অংশটুকু ছেড়েও দিতে পারে।
বেসরকারি খাতকে এই সুযোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় শঙ্কা হলো সিন্ডিকেট তৈরি হওয়া। জ্বালানি খাতের মতো স্পর্শকাতর জায়গায় মাত্র দু-তিনটি কোম্পানিকে বিনা শর্তে ব্যবসা করতে দিলে তারা ইচ্ছামতো দাম নির্ধারণ করতে পারে। এখানেই প্রয়োজন বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) কঠোর হস্তক্ষেপ। এলপিজি গ্যাসের মতো জ্বালানি তেলের ক্ষেত্রেও রেগুলেটরি কমিশনকে মূল্য নির্ধারণ করে দিতে হবে। আমদানিকৃত তেলের মান ঠিক থাকছে কি না, সেটি নিশ্চিত করার দায়িত্বও নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে নিতে হবে।
যেকোনো প্রতিষ্ঠান চাইলেই তাকে জ্বালানি আমদানির অনুমোদন দেওয়া উচিত হবে না। এর জন্য কঠোর মাপকাঠি থাকা জরুরি। আবেদনকারী প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব জেটি বা জাহাজ আছে কি না, তেল খালাস ও সংরক্ষণের প্রয়োজনীয় অবকাঠামো আছে কি না, নিজস্ব ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক ও পর্যাপ্ত মূলধন আছে কি না—এই বিষয়গুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করতে হবে।
সরকার প্রক্রিয়াটি হুট করে পুরো উন্মুক্ত না করে পরীক্ষামূলকভাবে শুরু করতে পারে। শুরুতে সক্ষমতা যাচাইয়ের জন্য বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাজারের মাত্র ১০ শতাংশ সরবরাহের অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। একইসঙ্গে পদ্মা, মেঘনা ও যমুনার মতো রাষ্ট্রায়ত্ত বিপণন কোম্পানিগুলোর কার্যক্রমও পূর্ণ উদ্যমে চালু রাখতে হবে, যাতে বাজারে ভারসাম্য বজায় থাকে এবং বেসরকারি খাত কোনোভাবেই সরকারকে জিম্মি করতে না পারে।
আমরা নতুন কোনো চাকায় হাওয়া দিচ্ছি না। ভারত, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান বা ভিয়েতনামের মতো প্রতিবেশী ও সমকক্ষ দেশগুলোতে জ্বালানি খাতে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণের মডেল কেমন, তা আমাদের বিশেষজ্ঞদের খতিয়ে দেখতে হবে। গ্লোবাল প্র্যাকটিস পর্যবেক্ষণ করে আমাদের দেশের জন্য সবচেয়ে উপযোগী মডেলটি বেছে নিতে হবে।
বাংলাদেশের শিল্পপতিদের শুধু তৈরি পোশাক বা টেক্সটাইল খাতের ওপর নির্ভর করে থাকার দিন শেষ হয়ে আসছে। সময় এসেছে মাঝারি ও ভারী শিল্পে, বিশেষ করে রিফাইনারির মতো লাভজনক ও অত্যাবশ্যকীয় খাতে বিনিয়োগ করার। সরকারের সঠিক নীতিনির্ধারণ, বিইআরসি-এর কঠোর নজরদারি ও বেসরকারি খাতের দায়িত্বশীল বিনিয়োগের মাধ্যমেই কেবল জ্বালানি খাতে এই উদ্যোগের সুফল দেশের সাধারণ মানুষ ও অর্থনীতি ভোগ করতে পারবে।
.png)

ঢাকা যেন দিন দিন একটি মরণফাঁদে পরিণত হচ্ছে। বসবাসের অযোগ্য হয়ে উঠছে এই শহর। প্রতিদিনের নাগরিক জীবনের সবচেয়ে বড় যন্ত্রণার নাম এখন যানজট। কর্মজীবী মানুষ, শিক্ষার্থী, শিক্ষক, রোগী, ব্যবসায়ী—কেউই এর হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না।
৩ ঘণ্টা আগে
ডন জেত্রার সঙ্গে আজ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে দেখা হলো। আবারও হ্যান্ডশেকটা ঠিকঠাক হলো না। কারণ ‘আদিবাসী’ এই টগবগে তরুণ তাঁর ডান হাত ভাঁজ করতে পারেন না। কোনোদিন পারবেন কি না, জানা নেই। সহযোদ্ধা রূপাইয়া তঞ্চঙ্গ্যাকে বাঁচাতে গিয়ে তাঁর হাতের এই হাল।
৫ ঘণ্টা আগে
আমরা জমিতে যে পরিমাণ সার দিচ্ছি, ফসল তার খুব সামান্যই কাজে লাগাতে পারছে। সারের এই অপচয় বা পুষ্টি ব্যবহারের নিম্ন কার্যকারিতা বর্তমানে বাংলাদেশের টেকসই কৃষির পথে অন্যতম বড় বাধা।
৭ ঘণ্টা আগেঅত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা বড় করার দাবির পরিপ্রেক্ষিতেই অন্তর্বর্তী সরকার এতে আরো বেশ কিছু ওষুধ সংযোজন করেছিল। প্রস্তুতকারীরা ভালোভাবে না নিলেও ওষুধ সেবনকারী বিরাট জনগোষ্ঠীর জন্য পদক্ষেপটি ছিল ইতিবাচক।
২১ ঘণ্টা আগে