স্ট্রিম প্রতিবেদক

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিবন্ধন পেতে যাচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। কিন্তু রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য সংরক্ষণ করা ১১৫টি প্রতীকের মধ্যে তাদের চাওয়া শাপলা নেই। এ বিষয়ে দলটি আইনি ও রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করবে বলে তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে।
আজ ২৫ সেপ্টেম্বর বিকেলে নির্বাচন কমিশন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘নাগরিক ঐক্যও শাপলা প্রতীক চেয়েছিল। তাদেরও দেওয়া হয়নি।’
তবে শাপলা প্রতীক নাগরিক ঐক্য বা এনসিপির কেউ-ই কি পাচ্ছে না, এমন প্রশ্ন করলে সিইসি বলেন, ‘সেটা তো বলি নাই আমি।’
বাংলাদেশে বর্তমানে নিবন্ধিত দলের সংখ্যা ৫১টি (আওয়ামী লীগসহ)। এবার আরও ছয়টি দল নিবন্ধন পেতে যাচ্ছে। এতে নিবন্ধিত দলের সংখ্যা দাঁড়াবে ৫৭টিতে। এসব নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য ১১৫টি প্রতীক সংরক্ষণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে ইসি। গতকাল ২৪ সেপ্টম্বর তারা এ প্রজ্ঞাপন জারি করে। তবে সেখানে শাপলা প্রতীক নেই। এদিকে প্রতীক হিসেবে শাপলাই চান এনসিপি নেতারা।
যা বলছেন এনসিপি নেতারা
এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব স্ট্রিমকে বলেন, ‘প্রতীক নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয় নাই। আমরা শাপলা চাই। শাপলা না দিলে কী হবে সেটা আমাদের রাজনৈতিক শক্তির ওপর ডিপেন্ড করবে। আমরা রাজনৈতিকভাবেই লড়াইটা করব।’
এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব সালেহ উদ্দিন সিফাত স্ট্রিমকে বলেন, ‘আমরা তিনটা প্রতীক চেয়েছি, শাপলা, সাদা শাপলা অথবা লাল শাপলা। কিন্তু এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দিতে পারেনি ইসি। কিন্তু শাপলা প্রতীক না দেওয়ার কোনো কারণও দেখাতে পারে নাই ইসি।’
সিফাত আরও বলেন, ‘ইসি আজ বলেছেন, শাপলাকে প্রতীক না দেওয়ার কারণ তিনি ব্যাখ্যা করবেন না। এটা সন্তোষজন উত্তর নয়। ফলে যদি শাপলা না পাই, তাহলে আমরা আইনি এবং রাজনৈতিক ভাবে মোকাবিলা করব।’
২০২৫ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি আত্মপ্রকাশ করে এনসিপি। পরে ২২ জুন জাতীয় ফুল ‘শাপলা’ প্রতীক চেয়ে ইসি নিবন্ধনের জন্য আবেদন জমা দেয় দলটি। শাপলা প্রতীকের পাশাপাশি দ্বিতীয় ও তৃতীয় পছন্দের তালিকায় কলম ও মোবাইল ফোন চেয়েছিল তারা।
আবেদন জমা দেওয়ার পর দলটির সদস্যসচিব আখতার হোসেন বলেন, ‘আমরা আরপিও (গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ) অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনে দল নিবন্ধনের শর্তসমূহ পূরণ করে আমাদের দল নিবন্ধনের আবেদন এই মাত্র দাখিল করেছি। নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তাগণ আমাদের আবেদন রিসিভ (গ্রহণ) করেছেন। আমাদেরকে রিসিভ কপি তাঁরা দিয়েছেন।’
তখন দলটির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী তাঁদের প্রতীক শাপলায় জনগণ ভোট দেবেন উল্লেখ করে বলেন, ‘৫ তারিখে গণ–অভ্যুত্থানে যেভাবে বাংলাদেশের মানুষের জয় হয়েছিল, আগামীর পার্লামেন্ট ভোটে এনসিপির শাপলা প্রতীকে পুরো বাংলাদেশের মানুষ জয়জয়কার করে দেবে, এনসিপির নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠন হবে।’
জাতীয় ফুল শাপলাকে দলীয় প্রতীক পেতে নাগরিক ঐক্যও আবেদন করেছিল। তবে গত ৯ জুলাই নির্বাচনি প্রতীক হিসেবে ‘শাপলা’ ব্যবহার না করার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়।
তখন নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করেন এনসিপির নেতারা। ৯ জুলাই মধ্যরাতে দলটির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম এক ফেসবুক পোস্টে লেখেন, ‘বিএনপির প্রতীক “ধানের শীষ” হতে পারলে শাপলা ফুল কেন প্রতীক হতে পারবে না? শাপলা ফুল এককভাবে জাতীয় প্রতীক নয়, এটি জাতীয় প্রতীকের একটি অংশমাত্র। একইভাবে ধানের শীষ, পাট পাতা এবং তারকাও জাতীয় প্রতীকের অবিচ্ছেদ্য অংশ। জাতীয় প্রতীকের একটি অংশ যদি কোনো দলের প্রতীক হতে পারে, তবে শাপলা কেন পারবে না?’
পোস্টের শেষে তিনি নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশে লেখেন, ‘যদি মার্কা দেখেই ভয় পান, তাহলে সেটা আগে থেকেই বলেন!’
এরপর গত ৪ আগস্ট বরাদ্দ চাওয়া প্রতীকে সংশোধন এনে আবারও নির্বাচন কমিশনে আবেদন করে এনসিপি। তবে এবার বাদ যায় কলম ও মোবাইল প্রতীক। নতুন প্রতীক হিসাবে শাপলার পাশাপাশি যোগ করা হয় সাদা শাপলা ও লাল শাপলা।
গত মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেন, 'শাপলা প্রতীক এনসিপিকে বরাদ্দ দেওয়া হবে না। কারণ, এটি ইসির সংরক্ষিত প্রতীকের তালিকায় নেই। এখন এনসিপিকে বিকল্প প্রস্তাব জমা দিতে হবে এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে দুই পক্ষের পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে।'
এর পর গতকাল শাপলা প্রতীক চেয়ে আবার আবেদন করে এনসিপি। ই-মেইলের মাধ্যমে এই আবেদন করা হয়।
আজ নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে এ-সংক্রান্ত একটি চিঠি পাঠায় এনসিপি। চিঠিতে বলা হয়, 'আমরা আশা করি নির্বাচন কমিশন ২০০৮ সালের নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালায় প্রয়োজনীয় সংশোধনী এনে জাতীয় নাগরিক পার্টির অনুকূলে ১. শাপলা, ২. সাদা শাপলা এবং ৩. লাল শাপলা থেকে যেকোনো একটি প্রতীক বরাদ্দ করবে।'
এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের সই করা ওই চিঠিতে আরও বলা হয়, 'কমিশন যেন সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাদের পূর্বের স্বেচ্ছাচারী ও একরোখা মনোভাব পরিহার করে এবং এমনভাবে সিদ্ধান্ত নেয় যাতে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন এবং সব দলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে তাদের আন্তরিকতা নিয়ে জনমনে কোনো প্রশ্ন না ওঠে।'
দলটি আরও বলে, 'কমিশনের কোনো অনীহা দেখা দিলে তা জনমনে সন্দেহ সৃষ্টি করবে যে কমিশন সত্যিই সবার জন্য সমান সুযোগ তৈরিতে আগ্রহী কি না।'

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিবন্ধন পেতে যাচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। কিন্তু রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য সংরক্ষণ করা ১১৫টি প্রতীকের মধ্যে তাদের চাওয়া শাপলা নেই। এ বিষয়ে দলটি আইনি ও রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করবে বলে তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে।
আজ ২৫ সেপ্টেম্বর বিকেলে নির্বাচন কমিশন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘নাগরিক ঐক্যও শাপলা প্রতীক চেয়েছিল। তাদেরও দেওয়া হয়নি।’
তবে শাপলা প্রতীক নাগরিক ঐক্য বা এনসিপির কেউ-ই কি পাচ্ছে না, এমন প্রশ্ন করলে সিইসি বলেন, ‘সেটা তো বলি নাই আমি।’
বাংলাদেশে বর্তমানে নিবন্ধিত দলের সংখ্যা ৫১টি (আওয়ামী লীগসহ)। এবার আরও ছয়টি দল নিবন্ধন পেতে যাচ্ছে। এতে নিবন্ধিত দলের সংখ্যা দাঁড়াবে ৫৭টিতে। এসব নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য ১১৫টি প্রতীক সংরক্ষণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে ইসি। গতকাল ২৪ সেপ্টম্বর তারা এ প্রজ্ঞাপন জারি করে। তবে সেখানে শাপলা প্রতীক নেই। এদিকে প্রতীক হিসেবে শাপলাই চান এনসিপি নেতারা।
যা বলছেন এনসিপি নেতারা
এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব স্ট্রিমকে বলেন, ‘প্রতীক নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয় নাই। আমরা শাপলা চাই। শাপলা না দিলে কী হবে সেটা আমাদের রাজনৈতিক শক্তির ওপর ডিপেন্ড করবে। আমরা রাজনৈতিকভাবেই লড়াইটা করব।’
এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব সালেহ উদ্দিন সিফাত স্ট্রিমকে বলেন, ‘আমরা তিনটা প্রতীক চেয়েছি, শাপলা, সাদা শাপলা অথবা লাল শাপলা। কিন্তু এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দিতে পারেনি ইসি। কিন্তু শাপলা প্রতীক না দেওয়ার কোনো কারণও দেখাতে পারে নাই ইসি।’
সিফাত আরও বলেন, ‘ইসি আজ বলেছেন, শাপলাকে প্রতীক না দেওয়ার কারণ তিনি ব্যাখ্যা করবেন না। এটা সন্তোষজন উত্তর নয়। ফলে যদি শাপলা না পাই, তাহলে আমরা আইনি এবং রাজনৈতিক ভাবে মোকাবিলা করব।’
২০২৫ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি আত্মপ্রকাশ করে এনসিপি। পরে ২২ জুন জাতীয় ফুল ‘শাপলা’ প্রতীক চেয়ে ইসি নিবন্ধনের জন্য আবেদন জমা দেয় দলটি। শাপলা প্রতীকের পাশাপাশি দ্বিতীয় ও তৃতীয় পছন্দের তালিকায় কলম ও মোবাইল ফোন চেয়েছিল তারা।
আবেদন জমা দেওয়ার পর দলটির সদস্যসচিব আখতার হোসেন বলেন, ‘আমরা আরপিও (গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ) অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনে দল নিবন্ধনের শর্তসমূহ পূরণ করে আমাদের দল নিবন্ধনের আবেদন এই মাত্র দাখিল করেছি। নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তাগণ আমাদের আবেদন রিসিভ (গ্রহণ) করেছেন। আমাদেরকে রিসিভ কপি তাঁরা দিয়েছেন।’
তখন দলটির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী তাঁদের প্রতীক শাপলায় জনগণ ভোট দেবেন উল্লেখ করে বলেন, ‘৫ তারিখে গণ–অভ্যুত্থানে যেভাবে বাংলাদেশের মানুষের জয় হয়েছিল, আগামীর পার্লামেন্ট ভোটে এনসিপির শাপলা প্রতীকে পুরো বাংলাদেশের মানুষ জয়জয়কার করে দেবে, এনসিপির নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠন হবে।’
জাতীয় ফুল শাপলাকে দলীয় প্রতীক পেতে নাগরিক ঐক্যও আবেদন করেছিল। তবে গত ৯ জুলাই নির্বাচনি প্রতীক হিসেবে ‘শাপলা’ ব্যবহার না করার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়।
তখন নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করেন এনসিপির নেতারা। ৯ জুলাই মধ্যরাতে দলটির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম এক ফেসবুক পোস্টে লেখেন, ‘বিএনপির প্রতীক “ধানের শীষ” হতে পারলে শাপলা ফুল কেন প্রতীক হতে পারবে না? শাপলা ফুল এককভাবে জাতীয় প্রতীক নয়, এটি জাতীয় প্রতীকের একটি অংশমাত্র। একইভাবে ধানের শীষ, পাট পাতা এবং তারকাও জাতীয় প্রতীকের অবিচ্ছেদ্য অংশ। জাতীয় প্রতীকের একটি অংশ যদি কোনো দলের প্রতীক হতে পারে, তবে শাপলা কেন পারবে না?’
পোস্টের শেষে তিনি নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশে লেখেন, ‘যদি মার্কা দেখেই ভয় পান, তাহলে সেটা আগে থেকেই বলেন!’
এরপর গত ৪ আগস্ট বরাদ্দ চাওয়া প্রতীকে সংশোধন এনে আবারও নির্বাচন কমিশনে আবেদন করে এনসিপি। তবে এবার বাদ যায় কলম ও মোবাইল প্রতীক। নতুন প্রতীক হিসাবে শাপলার পাশাপাশি যোগ করা হয় সাদা শাপলা ও লাল শাপলা।
গত মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেন, 'শাপলা প্রতীক এনসিপিকে বরাদ্দ দেওয়া হবে না। কারণ, এটি ইসির সংরক্ষিত প্রতীকের তালিকায় নেই। এখন এনসিপিকে বিকল্প প্রস্তাব জমা দিতে হবে এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে দুই পক্ষের পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে।'
এর পর গতকাল শাপলা প্রতীক চেয়ে আবার আবেদন করে এনসিপি। ই-মেইলের মাধ্যমে এই আবেদন করা হয়।
আজ নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে এ-সংক্রান্ত একটি চিঠি পাঠায় এনসিপি। চিঠিতে বলা হয়, 'আমরা আশা করি নির্বাচন কমিশন ২০০৮ সালের নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালায় প্রয়োজনীয় সংশোধনী এনে জাতীয় নাগরিক পার্টির অনুকূলে ১. শাপলা, ২. সাদা শাপলা এবং ৩. লাল শাপলা থেকে যেকোনো একটি প্রতীক বরাদ্দ করবে।'
এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের সই করা ওই চিঠিতে আরও বলা হয়, 'কমিশন যেন সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাদের পূর্বের স্বেচ্ছাচারী ও একরোখা মনোভাব পরিহার করে এবং এমনভাবে সিদ্ধান্ত নেয় যাতে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন এবং সব দলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে তাদের আন্তরিকতা নিয়ে জনমনে কোনো প্রশ্ন না ওঠে।'
দলটি আরও বলে, 'কমিশনের কোনো অনীহা দেখা দিলে তা জনমনে সন্দেহ সৃষ্টি করবে যে কমিশন সত্যিই সবার জন্য সমান সুযোগ তৈরিতে আগ্রহী কি না।'

দেশ থেকে ফ্যাসিবাদ, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও দুঃশাসন দূর না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্রতর হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, মুক্তির মঞ্জিলের আন্দোলন গন্তব্যে না পৌঁছানো পর্যন্ত আমরা থামব না।
২১ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সৈকত আরিফ। আর সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন ফারহানা মানিক মুনা। শুক্রবার (২৪ জুলাই) দুই দিনব্যাপী সম্মেলন শেষে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির তথ্য জানানো হয়েছে।
১ দিন আগে
জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ছেড়েছে খেলাফত মজলিস। শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে দলের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার তৃতীয় সাধারণ বৈঠক শেষে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
২৫ জুলাই ২০২৬
বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি মাঈন আহমেদ এবং শিক্ষা ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক মেঘমল্লার বসু সংগঠন থেকে পদত্যাগ করেছেন। একসঙ্গে কেন্দ্রীয় সংসদের সহসভাপতি নাজিফা জান্নাতকে সংগঠনের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
২৫ জুলাই ২০২৬