স্ট্রিম প্রতিবেদক

১১ দলীয় ঐক্য অটুট রাখার স্বার্থে ন্যায্যতার ভিত্তিতে আসন সমঝোতা হওয়া প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছে খেলাফত মজলিস। দলটির কেন্দ্রীয় মজলিসের শূরার জরুরি অধিবেশন শেষে এই মন্তব্য করা হয়।
আজ বুধবার (১৪ জানুয়ারি) রাজধানীর একটি মিলনায়তনে বেলা ১১টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত এই অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
অধিবেশন শেষে গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে বলা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১১ দলের সমঝোতা কেন্দ্রিক উদ্ভূত পরিস্থিতিতে খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার জরুরি অধিবেশনের আয়োজন করে। অধিবেশনে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে ১১ দলীয় ঐক্য অটুট রাখার সিদ্ধান্ত হয়। তবে এর জন্য ন্যায্যতার ভিত্তিতে আসন সমঝোতা হওয়া প্রয়োজন।
বিবৃতিতে বলা হয়, অধিবেশনে খেলাফত মজলিস নেতারা বলেছেন, ইসলামী শক্তির মধ্যে ঐক্য খেলাফত মজলিসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি। এক আসনে একটি ইসলামী দলের প্রার্থী নিয়ে যে নির্বাচনি সমঝোতা বা ওয়ান বক্স পলিসি তা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রথম প্রস্তাব করেছিলেন খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের।
বিবৃতিতে বলা হয়, ১১ দলীয় নির্বাচনি সমঝোতায় ঐক্যবদ্ধতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে খেলাফত মজলিস। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে লক্ষ্য করা যাচ্ছে, ১১ দলের শরীকদের সঙ্গে সর্বশেষ আলোচনায় খেলাফত মজলিসের অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থী ও অঞ্চল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা থেকে বাদ পড়ে যাচ্ছে, যা শুধু খেলাফত মজলিসের জন্যই নয় জোটের জন্যও ক্ষতির কারণ হতে পারে।
খেলাফত মজলিস শূরা সদস্যরা বলেন, ‘তারপরও ইসলাম, দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের স্বার্থে চলমান ১১ দলীয় নির্বাচনি সমঝোতার সঙ্গে ঐক্যবদ্ধভাবে সামনে এগিয়ে যাবে খেলাফত মজলিস। তবে তা হবে ইনসাফ ও সম্মানজনক আসন সমঝোতার ভিত্তিতে। সম্ভাবনাময় ও বিজয়ী হয়ে আসার মতো আসনসমূহে সম্মানজনক সমঝোতার দাবি রাখে খেলাফত মজলিস। প্রতিটি বিভাগে খেলাফত মজলিসের জন্য ন্যূনতম প্রতিনিধিত্বের স্বার্থে আসন সমঝোতা ইনসাফের দাবি।’

১১ দলীয় ঐক্য অটুট রাখার স্বার্থে ন্যায্যতার ভিত্তিতে আসন সমঝোতা হওয়া প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছে খেলাফত মজলিস। দলটির কেন্দ্রীয় মজলিসের শূরার জরুরি অধিবেশন শেষে এই মন্তব্য করা হয়।
আজ বুধবার (১৪ জানুয়ারি) রাজধানীর একটি মিলনায়তনে বেলা ১১টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত এই অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
অধিবেশন শেষে গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে বলা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১১ দলের সমঝোতা কেন্দ্রিক উদ্ভূত পরিস্থিতিতে খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার জরুরি অধিবেশনের আয়োজন করে। অধিবেশনে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে ১১ দলীয় ঐক্য অটুট রাখার সিদ্ধান্ত হয়। তবে এর জন্য ন্যায্যতার ভিত্তিতে আসন সমঝোতা হওয়া প্রয়োজন।
বিবৃতিতে বলা হয়, অধিবেশনে খেলাফত মজলিস নেতারা বলেছেন, ইসলামী শক্তির মধ্যে ঐক্য খেলাফত মজলিসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি। এক আসনে একটি ইসলামী দলের প্রার্থী নিয়ে যে নির্বাচনি সমঝোতা বা ওয়ান বক্স পলিসি তা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রথম প্রস্তাব করেছিলেন খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের।
বিবৃতিতে বলা হয়, ১১ দলীয় নির্বাচনি সমঝোতায় ঐক্যবদ্ধতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে খেলাফত মজলিস। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে লক্ষ্য করা যাচ্ছে, ১১ দলের শরীকদের সঙ্গে সর্বশেষ আলোচনায় খেলাফত মজলিসের অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থী ও অঞ্চল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা থেকে বাদ পড়ে যাচ্ছে, যা শুধু খেলাফত মজলিসের জন্যই নয় জোটের জন্যও ক্ষতির কারণ হতে পারে।
খেলাফত মজলিস শূরা সদস্যরা বলেন, ‘তারপরও ইসলাম, দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের স্বার্থে চলমান ১১ দলীয় নির্বাচনি সমঝোতার সঙ্গে ঐক্যবদ্ধভাবে সামনে এগিয়ে যাবে খেলাফত মজলিস। তবে তা হবে ইনসাফ ও সম্মানজনক আসন সমঝোতার ভিত্তিতে। সম্ভাবনাময় ও বিজয়ী হয়ে আসার মতো আসনসমূহে সম্মানজনক সমঝোতার দাবি রাখে খেলাফত মজলিস। প্রতিটি বিভাগে খেলাফত মজলিসের জন্য ন্যূনতম প্রতিনিধিত্বের স্বার্থে আসন সমঝোতা ইনসাফের দাবি।’

জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল নিপীড়ন, বৈষম্য ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে দেশের মানুষের ঐক্যবদ্ধ অবস্থানের বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেছেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু। তিনি জানান, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটদাতাদের ঐক্যবদ্ধ করে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে কাজ করা হবে।
১৩ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) পুশইন এবং সীমান্ত হত্যার প্রতিবাদে শুক্রবার (১২ জুন) দেশের সীমান্তবর্তী সব জেলা ও পয়েন্টে প্রতিবাদ সমাবেশ করবে জামায়াত-এনসিপিসহ ১১ দলীয় ঐক্য।
১৯ ঘণ্টা আগে
ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের বিরুদ্ধে সরকারি টাকায় নির্বাচনী প্রচার চালানোর অভিযোগ তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা। রাজধানীর নাখালপাড়ার মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেলে এনসিপির বৃক্ষ বিতরণ কর্মসূচিতে এমন মন্তব্য করেন তারা।
১ দিন আগে
জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৮ লাখ ৩৯ হাজার ৫০৫ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব দিয়েছে। জিডিপি ১২ দশমিক ১৪ শতাংশের সমান এই বাজেটকে তারা জনমুখী ও বাস্তবসম্মত বলে দাবি করেছে।
২ দিন আগে