সাদিক কায়েমের মেয়র প্রার্থী হওয়ার গুঞ্জন নিয়ে যা জানাল শিবির

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

ডাকসু ভিপি আবু সাদিক কায়েম। ছবি: সংগৃহীত

ছাত্রশিবিরে সক্রিয় থাকা অবস্থায় অন্য কোনো দলের সাংগঠনিক কাঠামোতে যুক্ত হওয়া বা নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক ও ডাকসু জিএস এস এম ফরহাদ। আজ শুক্রবার (১ মে) ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েমের প্রার্থী হওয়ার গুঞ্জন প্রসঙ্গে তিনি এই সাংগঠনিক অবস্থান পরিষ্কার করেন।

আজ শুক্রবার রাজধানীর কাকরাইলে আইডিইবি মিলনায়তনে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ আয়োজিত এক সম্মেলনে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক সম্পাদক ও ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েমের উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে গুঞ্জন শুরু হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ছবি ভাইরাল হওয়ার পর দাবি করা হচ্ছে, সাদিক কায়েমকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করেছে জামায়াত। এমনকি শিবিরের সাবেক নেতা হারুনুর রশীদ রাফি এক পোস্টে সাদিক কায়েমকে শুভকামনা জানিয়ে লেখেন, ‘ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কর্তৃক মনোনীত মেয়র প্রার্থী বন্ধুবর আবু সাদিক মুহাম্মদ সাদিক কায়েমের জন্য দোয়া ও শুভকামনা রইল।’

এই আলোচনার প্রেক্ষিতে এস এম ফরহাদ স্ট্রিমকে বলেন, ‘ইসলামী ছাত্রশিবিরের কোনো পর্যায়ের দায়িত্বশীল থাকা অবস্থায় অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ বা প্রার্থী হওয়ার সুযোগ নেই। এমনকি কোনো রাজনৈতিক দল থেকেও তাঁকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দেওয়ার সুযোগ নেই। ছাত্রশিবিরের দায়িত্ব থেকে বিদায় নেওয়ার পরেই কেবল যে কেউ অন্য কোনো দলে যুক্ত হতে বা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন।’

সাদিক কায়েমের জামায়াতের সম্মেলনে উপস্থিত থাকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যেকোনো রাজনৈতিক দলের কর্মসূচিতে শিবিরের প্রতিনিধিরা যেতে পারেন। এটি একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া এবং এতে দলীয়ভাবে কোনো বিধিনিষেধ নেই। বর্তমান দায়িত্বশীলদের নিয়ে এ ধরনের বিভ্রান্তিকর সংবাদে কাউকে কান না দেওয়ার জন্য তিনি অনুরোধ জানান।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম এবং জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি শফিকুল ইসলাম মাসুদের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাঁদের পাওয়া যায়নি। ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর ছাত্রশিবিরের শীর্ষ নেতাদের প্রকাশ্যে আসা এবং আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে তাঁদের ভূমিকা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল থেকেই এই গুঞ্জনের সৃষ্টি হয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত