একটি বিশেষ দলের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতেই রাকসু নির্বাচন পেছানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতারা।
স্ট্রিম সংবাদদাতা

একটি বিশেষ দলের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতেই রাকসু নির্বাচন পেছানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতারা।
বুধবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধনে এ অভিযোগ করেন তাঁরা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীদের ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচির প্রতিবাদে এ মানববন্ধন আয়োজন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ইসলামী ছাত্রশিবির। সেখানে শাটডাউনকে অযৌক্তিক ও ষড়যন্ত্রমূলক আখ্যা দেন ছাত্রশিবিরের নেতারা। মানববন্ধনে সংগঠনটির শতাধিক নেতা–কর্মী অংশ নেন।
চলমান অচলাবস্থাকে পরিকল্পিত বলে অভিহিত করে ইসলামী ছাত্রশিবিরের রাবি শাখার সাধারণ সম্পাদক মুজাহিদ ফরসাল বলেন, ‘একটি দলের এজেন্ডা বাস্তবায়নেই রাকসু নির্বাচন পেছানো হচ্ছে। ইতিমধ্যেই তিনবার নির্বাচন পেছানো হয়েছে। আবারও পোষ্যকোটা ইস্যুকে সামনে এনে নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র চলছে।’
অনুষ্ঠানে শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ বলেন, ‘তাঁদের ঘোষিত শাটডাউন কর্মসূচি সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। নির্দিষ্ট কয়েকটি গোষ্ঠীর শিক্ষক দলীয় ব্যানারের আড়ালে রাকসু নির্বাচন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। শেষ পর্যন্ত তাঁরা নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার মতো অপরাজনীতিতে সফল হয়েছে।’
জাহিদ আরও অভিযোগ করেন, এই শাটডাউনের মূল উদ্দেশ্য হলো নির্বাচন পুরোপুরি বানচাল করা। তিনি বলেন, ‘একের পর এক তারিখ পরিবর্তন করে সময়ক্ষেপণ করা হচ্ছে। শেষ পর্যন্ত হয়তো ঘোষণা দেওয়া হবে এ বছর রাকসু আর সম্ভব নয়। ৩৫ বছর পর নির্বাচন বানচালের এ প্রচেষ্টা শিক্ষার্থীরা কোনোভাবেই মেনে নেবে না।’
উল্লেখ্য, পোষ্যকোটা পুনর্বহাল ও শিক্ষকদের লাঞ্ছনার বিচারের দাবিতে গত ২১ সেপ্টেম্বর থেকে রাবির শিক্ষক–কর্মচারীরা ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি পালন করছেন। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম অচল হয়ে পড়ে।

একটি বিশেষ দলের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতেই রাকসু নির্বাচন পেছানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতারা।
বুধবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধনে এ অভিযোগ করেন তাঁরা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীদের ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচির প্রতিবাদে এ মানববন্ধন আয়োজন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ইসলামী ছাত্রশিবির। সেখানে শাটডাউনকে অযৌক্তিক ও ষড়যন্ত্রমূলক আখ্যা দেন ছাত্রশিবিরের নেতারা। মানববন্ধনে সংগঠনটির শতাধিক নেতা–কর্মী অংশ নেন।
চলমান অচলাবস্থাকে পরিকল্পিত বলে অভিহিত করে ইসলামী ছাত্রশিবিরের রাবি শাখার সাধারণ সম্পাদক মুজাহিদ ফরসাল বলেন, ‘একটি দলের এজেন্ডা বাস্তবায়নেই রাকসু নির্বাচন পেছানো হচ্ছে। ইতিমধ্যেই তিনবার নির্বাচন পেছানো হয়েছে। আবারও পোষ্যকোটা ইস্যুকে সামনে এনে নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র চলছে।’
অনুষ্ঠানে শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ বলেন, ‘তাঁদের ঘোষিত শাটডাউন কর্মসূচি সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। নির্দিষ্ট কয়েকটি গোষ্ঠীর শিক্ষক দলীয় ব্যানারের আড়ালে রাকসু নির্বাচন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। শেষ পর্যন্ত তাঁরা নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার মতো অপরাজনীতিতে সফল হয়েছে।’
জাহিদ আরও অভিযোগ করেন, এই শাটডাউনের মূল উদ্দেশ্য হলো নির্বাচন পুরোপুরি বানচাল করা। তিনি বলেন, ‘একের পর এক তারিখ পরিবর্তন করে সময়ক্ষেপণ করা হচ্ছে। শেষ পর্যন্ত হয়তো ঘোষণা দেওয়া হবে এ বছর রাকসু আর সম্ভব নয়। ৩৫ বছর পর নির্বাচন বানচালের এ প্রচেষ্টা শিক্ষার্থীরা কোনোভাবেই মেনে নেবে না।’
উল্লেখ্য, পোষ্যকোটা পুনর্বহাল ও শিক্ষকদের লাঞ্ছনার বিচারের দাবিতে গত ২১ সেপ্টেম্বর থেকে রাবির শিক্ষক–কর্মচারীরা ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি পালন করছেন। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম অচল হয়ে পড়ে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল নিপীড়ন, বৈষম্য ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে দেশের মানুষের ঐক্যবদ্ধ অবস্থানের বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেছেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু। তিনি জানান, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটদাতাদের ঐক্যবদ্ধ করে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে কাজ করা হবে।
১৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) পুশইন এবং সীমান্ত হত্যার প্রতিবাদে শুক্রবার (১২ জুন) দেশের সীমান্তবর্তী সব জেলা ও পয়েন্টে প্রতিবাদ সমাবেশ করবে জামায়াত-এনসিপিসহ ১১ দলীয় ঐক্য।
১৯ ঘণ্টা আগে
ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের বিরুদ্ধে সরকারি টাকায় নির্বাচনী প্রচার চালানোর অভিযোগ তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা। রাজধানীর নাখালপাড়ার মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেলে এনসিপির বৃক্ষ বিতরণ কর্মসূচিতে এমন মন্তব্য করেন তারা।
১ দিন আগে
জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৮ লাখ ৩৯ হাজার ৫০৫ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব দিয়েছে। জিডিপি ১২ দশমিক ১৪ শতাংশের সমান এই বাজেটকে তারা জনমুখী ও বাস্তবসম্মত বলে দাবি করেছে।
২ দিন আগে