‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’
স্ট্রিম প্রতিবেদক

বিএনপি সরকারের প্রতিমন্ত্রীসহ ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ‘ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের’ দুজন রাজসাক্ষী পাওয়ার দাবি করেছে জামায়াতে ইসলামী। দলের আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের এক উপদেষ্টা এবং বর্তমান সরকারের এক প্রতিমন্ত্রীকে নির্বাচনে ব্যাপক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের রাজসাক্ষী হিসেবে পাওয়া গেছে।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাজধানীর মগবাজার আল-ফালাহ মিলনায়তনে জামায়াতের জেলা ও মহানগরীর আমির সম্মেলনে এসব কথা বলেন শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, জুলাই বিপ্লবের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতা হস্তান্তরকে স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য করতে ব্যর্থ হয়েছে। ফলে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরে যে জনআকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছিল, নির্বাচনের মাধ্যমে তা বাস্তবায়ন হয়নি। কারণ নির্বাচনকে সুষ্ঠু হতে দেওয়া হয়নি। ব্যাপক ইঞ্জিনিয়ারিং হয়েছে। বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের এক উপদেষ্টার মুখ থেকেই তা বের হয়েছে। তিনিই প্রথম রাজসাক্ষী।
জামায়াত আমির বলেন, নির্বাচনে ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে শুধু উপদেষ্টাই নন, বরং বিএনপি সরকারেরই এক প্রতিমন্ত্রী বলে ফেলেছেন– ‘আন্দোলন করেছে যুবসমাজ, আমরাও ছিলাম। তবে ড. ইউনূস যুক্তরাজ্যে গিয়ে ক্যাপ্টেনের হাতে ট্রফি তুলে দিয়ে এসেছেন’। ট্রফি যদি ওখানেই তুলে দেওয়া হয়, তাহলে নির্বাচনের প্রয়োজন কী? এটি দ্বিতীয় রাজসাক্ষী।
তিনি বলেন, দুটি ভোট একই দিনে হয়েছে পৃথক ব্যালটে। একটি ছিল জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচন; আরেকটি গণভোট। জনগণ গণভোটে ৬৮ শতাংশের বেশি হ্যাঁ-তে ভোট দিয়েছে। বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের এক উপদেষ্টা বলেছেন– ‘তাদের (ইসলামপন্থী) আমরা মেইন স্ট্রিমে আসতে দেইনি। তাদের ১৬৮টি পাওয়ার কথা ছিল। তাদের আমরা ৬৮টিতে বেঁধে দিয়েছি’। এটি চরম লজ্জাজনক।
শফিকুর রহমান বলেন, ইতিহাস একদিন এই নির্বাচনে ময়নাতদন্ত করবে। সেদিন চুলচেরা আরও অনেক জিনিস বের হয়ে আসবে। আমাদের ১১-দলীয় ঐক্য দেশ পরিচালনার সুযোগ পেল কিনা, তার চেয়ে বড় আফসোসের জায়গা জনগণের আকাঙ্ক্ষার মৃত্যু হলো।
তিনি বলেন, জনগণের ভোটাধিকার আর কতকাল চোরাবালিতে হামাগুড়ি খাবে। আমরা আশাবাদী, অপসংস্কৃতির অপনোদন হবে। সুস্থ রাজনীতির বিকাশ ঘটবে। আমরা সেই সুস্থ রাজনীতির ধারায় হাঁটছি বলেই এত বড় দলীয় বা জোটগত ক্ষতি মেনে নিয়েছি বৃহত্তর স্বার্থে। আরেকটি আফসোস হলো, আমরা প্রথম দিনে দুটি শপথ নিলেও সরকারি দল একটি নিয়েছে। আমরা প্রতারণা ও ধোঁকাবাজির রাজনীতিকে প্রত্যাখান এবং ঘৃণা করি।
শফিকুর রহমান বলেন, যুদ্ধপরিস্থিতির কারণে আমাদের দেশ আর্থিক ও জ্বালানি সংকটের মুখোমুখি হোক, তা আমরা চাইনি। আমরা আন্দোলন-সংগ্রামের দিকে যাব, জনদুর্ভোগ বাড়বে– এটা চাইনি। কিন্তু আমাদের যখন সংসদে ন্যায্য বিষয়ে কথা বলতে দেওয়া হবে না, তখন আমাদের যাওয়ার জায়গা রাজপথ।
কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড এবং হেলথ কার্ড দিয়ে দলীয়করণ ও চাঁদাবাজি হচ্ছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, সরকারের অবস্থানে আমরা কার্যত দেখতে পাচ্ছি– দেশের চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে ব্যক্তি বড়! এই চরিত্রকে পাল্টাতে হবে। রাজনীতির এই সংস্কৃতি বাংলাদেশে আর চলতে দেওয়া হবে না।
সম্মেলনে জামায়াতের নায়েবে আমির, সেক্রেটারি জেনারেল, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য, সাংগঠনিক ৭৯টি জেলা ও মহানগরীর আমির এবং সেক্রেটারিরা উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপি সরকারের প্রতিমন্ত্রীসহ ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ‘ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের’ দুজন রাজসাক্ষী পাওয়ার দাবি করেছে জামায়াতে ইসলামী। দলের আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের এক উপদেষ্টা এবং বর্তমান সরকারের এক প্রতিমন্ত্রীকে নির্বাচনে ব্যাপক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের রাজসাক্ষী হিসেবে পাওয়া গেছে।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাজধানীর মগবাজার আল-ফালাহ মিলনায়তনে জামায়াতের জেলা ও মহানগরীর আমির সম্মেলনে এসব কথা বলেন শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, জুলাই বিপ্লবের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতা হস্তান্তরকে স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য করতে ব্যর্থ হয়েছে। ফলে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরে যে জনআকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছিল, নির্বাচনের মাধ্যমে তা বাস্তবায়ন হয়নি। কারণ নির্বাচনকে সুষ্ঠু হতে দেওয়া হয়নি। ব্যাপক ইঞ্জিনিয়ারিং হয়েছে। বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের এক উপদেষ্টার মুখ থেকেই তা বের হয়েছে। তিনিই প্রথম রাজসাক্ষী।
জামায়াত আমির বলেন, নির্বাচনে ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে শুধু উপদেষ্টাই নন, বরং বিএনপি সরকারেরই এক প্রতিমন্ত্রী বলে ফেলেছেন– ‘আন্দোলন করেছে যুবসমাজ, আমরাও ছিলাম। তবে ড. ইউনূস যুক্তরাজ্যে গিয়ে ক্যাপ্টেনের হাতে ট্রফি তুলে দিয়ে এসেছেন’। ট্রফি যদি ওখানেই তুলে দেওয়া হয়, তাহলে নির্বাচনের প্রয়োজন কী? এটি দ্বিতীয় রাজসাক্ষী।
তিনি বলেন, দুটি ভোট একই দিনে হয়েছে পৃথক ব্যালটে। একটি ছিল জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচন; আরেকটি গণভোট। জনগণ গণভোটে ৬৮ শতাংশের বেশি হ্যাঁ-তে ভোট দিয়েছে। বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের এক উপদেষ্টা বলেছেন– ‘তাদের (ইসলামপন্থী) আমরা মেইন স্ট্রিমে আসতে দেইনি। তাদের ১৬৮টি পাওয়ার কথা ছিল। তাদের আমরা ৬৮টিতে বেঁধে দিয়েছি’। এটি চরম লজ্জাজনক।
শফিকুর রহমান বলেন, ইতিহাস একদিন এই নির্বাচনে ময়নাতদন্ত করবে। সেদিন চুলচেরা আরও অনেক জিনিস বের হয়ে আসবে। আমাদের ১১-দলীয় ঐক্য দেশ পরিচালনার সুযোগ পেল কিনা, তার চেয়ে বড় আফসোসের জায়গা জনগণের আকাঙ্ক্ষার মৃত্যু হলো।
তিনি বলেন, জনগণের ভোটাধিকার আর কতকাল চোরাবালিতে হামাগুড়ি খাবে। আমরা আশাবাদী, অপসংস্কৃতির অপনোদন হবে। সুস্থ রাজনীতির বিকাশ ঘটবে। আমরা সেই সুস্থ রাজনীতির ধারায় হাঁটছি বলেই এত বড় দলীয় বা জোটগত ক্ষতি মেনে নিয়েছি বৃহত্তর স্বার্থে। আরেকটি আফসোস হলো, আমরা প্রথম দিনে দুটি শপথ নিলেও সরকারি দল একটি নিয়েছে। আমরা প্রতারণা ও ধোঁকাবাজির রাজনীতিকে প্রত্যাখান এবং ঘৃণা করি।
শফিকুর রহমান বলেন, যুদ্ধপরিস্থিতির কারণে আমাদের দেশ আর্থিক ও জ্বালানি সংকটের মুখোমুখি হোক, তা আমরা চাইনি। আমরা আন্দোলন-সংগ্রামের দিকে যাব, জনদুর্ভোগ বাড়বে– এটা চাইনি। কিন্তু আমাদের যখন সংসদে ন্যায্য বিষয়ে কথা বলতে দেওয়া হবে না, তখন আমাদের যাওয়ার জায়গা রাজপথ।
কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড এবং হেলথ কার্ড দিয়ে দলীয়করণ ও চাঁদাবাজি হচ্ছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, সরকারের অবস্থানে আমরা কার্যত দেখতে পাচ্ছি– দেশের চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে ব্যক্তি বড়! এই চরিত্রকে পাল্টাতে হবে। রাজনীতির এই সংস্কৃতি বাংলাদেশে আর চলতে দেওয়া হবে না।
সম্মেলনে জামায়াতের নায়েবে আমির, সেক্রেটারি জেনারেল, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য, সাংগঠনিক ৭৯টি জেলা ও মহানগরীর আমির এবং সেক্রেটারিরা উপস্থিত ছিলেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংরক্ষিত নারী আসনে দলীয় প্রার্থী বাছাইয়ের প্রক্রিয়া শুরু করছে বিএনপি। আগামীকাল শুক্রবার থেকে শুরু হবে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ কার্যক্রম।
১ দিন আগে
জনগণের প্রত্যাশা উপেক্ষা করে কোনো সরকারই দীর্ঘদিন টিকে থাকতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু। তিনি বলেছেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নে বর্তমান সরকার কৌশলে গড়িমসি করছে।
১ দিন আগে
জুলাই সনদ অনুযায়ী সংস্কারে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন দাবিতে আগামী ১৮ এপ্রিল থেকে ২ মে পর্যন্ত কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য।
১ দিন আগে
চীন সরকারের আমন্ত্রণে দেশটি সফরে গেছে ক্ষমতাসীন বিএনপির প্রতিনিধি দল। বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) ভোরে দলটি চীনে পৌঁছায়।
১ দিন আগে