মিরহাজুল শিবলী

রাষ্ট্র বিনির্মাণে ১০টি খাতে বিশেষ প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বিএনপি। এর মধ্যেই এসব খাতের ২২টি পরিকল্পনা নিয়ে জনগণের মতামত সংগ্রহ করা হচ্ছে। বিচার-বিশ্লেষণের পর এসব প্রস্তাব আসন্ন নির্বাচনের ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। নির্বাচিত হয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতায় এলে এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে চায় দলটি। এ ছাড়া, এসব বিষয়ে জনগণের প্রত্যক্ষ মতামত সংগ্রহের জন্য এরই মধ্যে ‘ম্যাচ মাই পলিসি’ নামের একটি ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন চালু করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য, শিক্ষা, ক্রীড়া, কৃষি, পরিবেশ, কর্মসংস্থান ও প্রবাসীকল্যাণ নিয়ে নানা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে বিএনপি। ইমাম, মুয়াজ্জিন ও পুরোহিতদের জীবনমানের উন্নয়ন এবং নারীদের সামাজিক গুরুত্ব বৃদ্ধির জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ও কৃষকদের জন্য বিশেষ কার্ড চালু করতে চায় দলটি। এ ছাড়াও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য স্থির করেছে বিএনপি।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাতে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এ-সংক্রান্ত একটি পোস্ট করেন। সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, ‘এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো জেন-জি, তরুণ ও সাধারণ জনগণকে পলিসি নির্ধারণের প্রক্রিয়ায় সক্রিয়ভাবে যুক্ত করা এবং জনগণের প্রত্যক্ষ মতামতের ভিত্তিতে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাকে আরও গণমুখী, কার্যকর ও বাস্তবসম্মত করা।’
তারেক রহমান আরও লিখেছেন, ‘বিএনপি মনে করে, “ম্যাচ মাই পলিসি” কেবল একটি প্রযুক্তিগত উদ্যোগ নয়; এটি পলিসি-নির্ভর রাজনীতি, অংশগ্রহণমূলক গণতন্ত্র এবং জনগণের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ তৈরির একটি নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতির সূচনা।’
বিএনপির একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র বলছে, ইশতেহার তৈরির জন্য বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত একটি দল কাজ করছে। ইশতেহার প্রণয়নে বিএনপির সংস্কার প্রস্তাব ‘৩১ দফা’ বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।
বিএনপির একাধিক কেন্দ্রীয় নেতা ও নির্বাচন সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সংশ্লিষ্ট ১০টি খাত নিয়ে বিভিন্ন বক্তৃতায় দলটির চেয়ারম্যান একাধিকবার আলোচনা করেছেন। গত ৭ থেকে ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত রাজধানী ঢাকায় দলটির অঙ্গসংগঠন ও মূল দলের নেতাকর্মীদের আটটি বিষয়ের ওপর প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। নেতারা নিজ নিজ এলাকায় গিয়ে কর্মীদের সচেতন করবেন এবং নির্বাচনি প্রচারণা শুরু হলে জনগণের কাছে এসব বিষয় উপস্থাপন করবেন।
গত শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাজধানীর জিয়া উদ্যানে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচনি পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান জানান, খুব শিগগিরই বিএনপি নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করবে। তিনি বলেন, ‘নির্বাচন পরিচালনা এক বিষয় আর ইশতেহার রাজনৈতিক ব্যাপার। এটার জন্য আলাদা দল কাজ করছে। আমার ধারণা, খুব শিগগিরই হবে।’
কর্মসংস্থান ও আধুনিক অর্থনীতি:
বিএনপির অন্যতম প্রধান প্রতিশ্রুতি হলো মেধাভিত্তিক সরকারি নিয়োগ নিশ্চিত করা। ফ্রিল্যান্সার ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য পেপ্যালসহ আন্তর্জাতিক পেমেন্ট গেটওয়ে বাংলাদেশে চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রযুক্তি খাতে সরাসরি ২ লাখ এবং পরোক্ষভাবে আরও ৮ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিনামূল্যে উচ্চগতির ইন্টারনেট সুবিধা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।
শিক্ষা ও প্রযুক্তি:
শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ উদ্যোগের কথা ভাবছে বিএনপি। বেকারত্ব দূর করতে মাধ্যমিক পর্যায় থেকেই কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা রয়েছে। বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতায় টিকতে বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি আরবি, জাপানিজ, কোরিয়ান বা ইতালিয়ানের মতো তৃতীয় একটি ভাষা শেখার সুযোগ তৈরি করতে চায় দলটি।
প্রবাসীকল্যাণ:
আগামী ৫ বছরে ১ কোটি জনশক্তি বিদেশে পাঠানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে বিএনপি। উপজেলা পর্যায়ে স্বল্প খরচে বিদেশযাত্রা ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। প্রবাসীদের জন্য ‘প্রবাসী কার্ড’ চালু করা হবে, যার মাধ্যমে সহজ রেমিট্যান্স প্রবাহ ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত হবে। এ ছাড়াও ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত সহজ ঋণের সুযোগ রাখা হয়েছে।
সুস্বাস্থ্য ও শক্তিশালী চিকিৎসাব্যবস্থা:
বিএনপির স্বাস্থ্য পরিকল্পনায় ১ লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের কথা বলা হয়েছে, যার ৮০ শতাংশই হবেন নারী। দুরারোগ্য ব্যাধির চিকিৎসায় সরকারি খরচে বেসরকারি হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ মডেল চালু করা হবে। দেশের প্রতিটি হাসপাতালকে জবাবদিহির আওতায় আনা হবে।
ফ্যামিলি কার্ড ও নারী উন্নয়ন:
দরিদ্র পরিবারগুলোকে সহায়তা করতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর পরিকল্পনা করেছে বিএনপি। এর মাধ্যমে পরিবারের নারী সদস্যদের হাতে প্রতি মাসে ২,০০০-২,৫০০ টাকার আর্থিক সহায়তা অথবা নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হবে।
কৃষক কার্ড ও কৃষির আধুনিকায়ন:
কৃষকদের জন্য ‘কৃষক কার্ড’ চালুর মাধ্যমে সার, বীজ ও কীটনাশকের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে চায় বিএনপি। সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও শস্যবিমার পাশাপাশি উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।
নদী রক্ষা ও পরিবেশ সংরক্ষণ:
পরিবেশ রক্ষায় আগামী ৫ বছরে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে বিএনপি। জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় তিস্তা ও পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং সারা দেশে অন্তত ২০ হাজার কিলোমিটার খাল ও নদী পুনঃখননের পরিকল্পনা রয়েছে। বর্জ্য থেকে জ্বালানি ও সার উৎপাদনের জন্য ‘সমন্বিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা’ গড়ে তোলা হবে।
ক্রীড়া উন্নয়ন:
খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চতুর্থ শ্রেণি থেকেই এটি বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা রয়েছে। ৬৪ জেলায় ‘স্পোর্টস ভিলেজ’ নির্মাণ এবং প্রতিভাবান কিশোরদের জন্য ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কর্মসূচির মাধ্যমে বৃত্তি ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে খেলার সুযোগ তৈরি করতে চায় দলটি।
ধর্মীয় সম্প্রীতি ও ইমাম-মুয়াজ্জিন সম্মান:
ইমাম, খতিব ও মুয়াজ্জিনদের জন্য মাসিক সম্মানি ও উৎসব ভাতার ব্যবস্থা করতে চায় বিএনপি। একই সঙ্গে সব ধর্মের উপাসনালয়ের প্রধানদের জন্যও সমান সম্মানি ও মর্যাদা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।
দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ:
বিএনপির অন্যতম অঙ্গীকার হলো রাষ্ট্র পরিচালনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা। দুর্নীতি দমন কমিশনকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে দেওয়া এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য স্থির করেছে দলটি।

রাষ্ট্র বিনির্মাণে ১০টি খাতে বিশেষ প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বিএনপি। এর মধ্যেই এসব খাতের ২২টি পরিকল্পনা নিয়ে জনগণের মতামত সংগ্রহ করা হচ্ছে। বিচার-বিশ্লেষণের পর এসব প্রস্তাব আসন্ন নির্বাচনের ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। নির্বাচিত হয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতায় এলে এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে চায় দলটি। এ ছাড়া, এসব বিষয়ে জনগণের প্রত্যক্ষ মতামত সংগ্রহের জন্য এরই মধ্যে ‘ম্যাচ মাই পলিসি’ নামের একটি ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন চালু করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য, শিক্ষা, ক্রীড়া, কৃষি, পরিবেশ, কর্মসংস্থান ও প্রবাসীকল্যাণ নিয়ে নানা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে বিএনপি। ইমাম, মুয়াজ্জিন ও পুরোহিতদের জীবনমানের উন্নয়ন এবং নারীদের সামাজিক গুরুত্ব বৃদ্ধির জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ও কৃষকদের জন্য বিশেষ কার্ড চালু করতে চায় দলটি। এ ছাড়াও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য স্থির করেছে বিএনপি।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাতে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এ-সংক্রান্ত একটি পোস্ট করেন। সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, ‘এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো জেন-জি, তরুণ ও সাধারণ জনগণকে পলিসি নির্ধারণের প্রক্রিয়ায় সক্রিয়ভাবে যুক্ত করা এবং জনগণের প্রত্যক্ষ মতামতের ভিত্তিতে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাকে আরও গণমুখী, কার্যকর ও বাস্তবসম্মত করা।’
তারেক রহমান আরও লিখেছেন, ‘বিএনপি মনে করে, “ম্যাচ মাই পলিসি” কেবল একটি প্রযুক্তিগত উদ্যোগ নয়; এটি পলিসি-নির্ভর রাজনীতি, অংশগ্রহণমূলক গণতন্ত্র এবং জনগণের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ তৈরির একটি নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতির সূচনা।’
বিএনপির একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র বলছে, ইশতেহার তৈরির জন্য বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত একটি দল কাজ করছে। ইশতেহার প্রণয়নে বিএনপির সংস্কার প্রস্তাব ‘৩১ দফা’ বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।
বিএনপির একাধিক কেন্দ্রীয় নেতা ও নির্বাচন সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সংশ্লিষ্ট ১০টি খাত নিয়ে বিভিন্ন বক্তৃতায় দলটির চেয়ারম্যান একাধিকবার আলোচনা করেছেন। গত ৭ থেকে ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত রাজধানী ঢাকায় দলটির অঙ্গসংগঠন ও মূল দলের নেতাকর্মীদের আটটি বিষয়ের ওপর প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। নেতারা নিজ নিজ এলাকায় গিয়ে কর্মীদের সচেতন করবেন এবং নির্বাচনি প্রচারণা শুরু হলে জনগণের কাছে এসব বিষয় উপস্থাপন করবেন।
গত শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাজধানীর জিয়া উদ্যানে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচনি পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান জানান, খুব শিগগিরই বিএনপি নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করবে। তিনি বলেন, ‘নির্বাচন পরিচালনা এক বিষয় আর ইশতেহার রাজনৈতিক ব্যাপার। এটার জন্য আলাদা দল কাজ করছে। আমার ধারণা, খুব শিগগিরই হবে।’
কর্মসংস্থান ও আধুনিক অর্থনীতি:
বিএনপির অন্যতম প্রধান প্রতিশ্রুতি হলো মেধাভিত্তিক সরকারি নিয়োগ নিশ্চিত করা। ফ্রিল্যান্সার ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য পেপ্যালসহ আন্তর্জাতিক পেমেন্ট গেটওয়ে বাংলাদেশে চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রযুক্তি খাতে সরাসরি ২ লাখ এবং পরোক্ষভাবে আরও ৮ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিনামূল্যে উচ্চগতির ইন্টারনেট সুবিধা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।
শিক্ষা ও প্রযুক্তি:
শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ উদ্যোগের কথা ভাবছে বিএনপি। বেকারত্ব দূর করতে মাধ্যমিক পর্যায় থেকেই কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা রয়েছে। বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতায় টিকতে বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি আরবি, জাপানিজ, কোরিয়ান বা ইতালিয়ানের মতো তৃতীয় একটি ভাষা শেখার সুযোগ তৈরি করতে চায় দলটি।
প্রবাসীকল্যাণ:
আগামী ৫ বছরে ১ কোটি জনশক্তি বিদেশে পাঠানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে বিএনপি। উপজেলা পর্যায়ে স্বল্প খরচে বিদেশযাত্রা ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। প্রবাসীদের জন্য ‘প্রবাসী কার্ড’ চালু করা হবে, যার মাধ্যমে সহজ রেমিট্যান্স প্রবাহ ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত হবে। এ ছাড়াও ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত সহজ ঋণের সুযোগ রাখা হয়েছে।
সুস্বাস্থ্য ও শক্তিশালী চিকিৎসাব্যবস্থা:
বিএনপির স্বাস্থ্য পরিকল্পনায় ১ লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের কথা বলা হয়েছে, যার ৮০ শতাংশই হবেন নারী। দুরারোগ্য ব্যাধির চিকিৎসায় সরকারি খরচে বেসরকারি হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ মডেল চালু করা হবে। দেশের প্রতিটি হাসপাতালকে জবাবদিহির আওতায় আনা হবে।
ফ্যামিলি কার্ড ও নারী উন্নয়ন:
দরিদ্র পরিবারগুলোকে সহায়তা করতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর পরিকল্পনা করেছে বিএনপি। এর মাধ্যমে পরিবারের নারী সদস্যদের হাতে প্রতি মাসে ২,০০০-২,৫০০ টাকার আর্থিক সহায়তা অথবা নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হবে।
কৃষক কার্ড ও কৃষির আধুনিকায়ন:
কৃষকদের জন্য ‘কৃষক কার্ড’ চালুর মাধ্যমে সার, বীজ ও কীটনাশকের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে চায় বিএনপি। সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও শস্যবিমার পাশাপাশি উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।
নদী রক্ষা ও পরিবেশ সংরক্ষণ:
পরিবেশ রক্ষায় আগামী ৫ বছরে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে বিএনপি। জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় তিস্তা ও পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং সারা দেশে অন্তত ২০ হাজার কিলোমিটার খাল ও নদী পুনঃখননের পরিকল্পনা রয়েছে। বর্জ্য থেকে জ্বালানি ও সার উৎপাদনের জন্য ‘সমন্বিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা’ গড়ে তোলা হবে।
ক্রীড়া উন্নয়ন:
খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চতুর্থ শ্রেণি থেকেই এটি বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা রয়েছে। ৬৪ জেলায় ‘স্পোর্টস ভিলেজ’ নির্মাণ এবং প্রতিভাবান কিশোরদের জন্য ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কর্মসূচির মাধ্যমে বৃত্তি ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে খেলার সুযোগ তৈরি করতে চায় দলটি।
ধর্মীয় সম্প্রীতি ও ইমাম-মুয়াজ্জিন সম্মান:
ইমাম, খতিব ও মুয়াজ্জিনদের জন্য মাসিক সম্মানি ও উৎসব ভাতার ব্যবস্থা করতে চায় বিএনপি। একই সঙ্গে সব ধর্মের উপাসনালয়ের প্রধানদের জন্যও সমান সম্মানি ও মর্যাদা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।
দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ:
বিএনপির অন্যতম অঙ্গীকার হলো রাষ্ট্র পরিচালনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা। দুর্নীতি দমন কমিশনকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে দেওয়া এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য স্থির করেছে দলটি।

দৃশ্যত রক্তপাতহীন হলেও এই ঘটনার সুদূরপ্রসারী প্রভাব বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতের সৃষ্টি করে। অসাংবিধানিক পন্থায় ক্ষমতা পরিবর্তনের এই অধ্যায় পরবর্তী দুই বছর দেশের রাজনীতি ও অর্থনীতিকে প্রভাবিত করে।
৬ ঘণ্টা আগে
গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন আলাদাভাবে আয়োজনের দাবি উপেক্ষা করায় জুলাই সনদের আলোচনা রাজনীতি থেকে হারিয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম।
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। রবিবার (১১ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে আপিল শুনানিতে নির্বাচন কমিশন (ইসি) তাঁর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে। এর ফলে তিনি বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন।
৯ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে ‘বিশেষ সাক্ষাত’ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। এনসিপির নির্বাচনী মিডিয়া উপ-কমিটির প্রধান মাহবুব আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
১১ ঘণ্টা আগে