স্ট্রিম সংবাদদাতা

লক্ষ্মীপুরে ১৬ ঘর বিশিষ্ট ছয়টি ভোটের সিলসহ গ্রেপ্তার ব্যবসায়ী সোহেল রানা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এতে সিল তৈরির (অর্ডার) নির্দেশদাতা জামায়াত নেতা সৌরভ হোসেন শরীফের (৩৪) নাম প্রকাশ করেছেন তিনি। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে লক্ষ্মীপুর জজ আদালতের এপিপি অ্যাডভোকেট মো. আব্দুল আহাদ শাকিল বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
স্থানীয়সূত্রে জানা গেছে, স্বীকারোক্তিতে উল্লেখ করা সৌরভ হোসেন শরীফ পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মো. শাহজাহানের ছেলে। তিনি ওই ওয়ার্ডের জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি। এ ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর থেকে তিনি আত্মগোপনে আছেন।
এপিপি মো. আব্দুল আহাদ শাকিল বলেন, বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে আসামি সোহেল অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ রেজাউল হকের আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। সেখানে তিনি সিল তৈরির নির্দেশদাতা শরীফের নাম প্রকাশ করেছেন। পরে আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী আসামির স্বীকারোক্তি ও জামায়াত নেতার সম্পৃক্ততার কথা গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ছয়টি সিলসহ ব্যবসায়ী সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় রাতেই সদর মডেল থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) হুমায়ুন কবির বাদি হয়ে দুজনের নামে মামলা দায়ের করেন।
হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী বলেন, ‘গ্রেপ্তারকৃত সোহেল রানাকে বুধবার বিকেলে আদালতে সোপর্দ করা হলে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। সোহেল স্বীকারোক্তি দিয়েছেন, শরীফ হোসেন সৌরভ নামে এক ব্যক্তি তাকে দিয়ে সিলগুলো বানিয়েছে। আমরা তাঁকে (শরিফ) খুঁজছি।’
সিল তৈরির নির্দেশদাতার রাজনৈতিক-সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে জানতে চাইলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমরা এটা ভেরিফাই করছি। তাঁকে আটকের পর ব্যাকগ্রাউন্ডটা পাব। আমরা তাঁর কিছু ছবি পেয়েছি, শুভেচ্ছা বার্তা পেয়েছি। তাঁকে আটকের পর বলা যাবে, সে কোন দলের সদস্য। সিল বানানোর মানেই হচ্ছে জাল ভোট দেওয়ার প্রবণতা। আমাদের তদন্ত চলছে। আসামিকেও আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।’

এদিকে আটকের পর ব্যবসায়ী সোহেল জানান, গত ৩০ জানুয়ারি তার হোয়াটসঅ্যাপে সিলগুলো তৈরির অর্ডার দেন শরীফ। যিনি পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক। এ ঘটনায় পুলিশ ওই দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। পরে শরীফকে দল থেকে বহিষ্কারের কথা জানায় জেলা জামায়াত।
লক্ষ্মীপুর পৌর জামায়াতের আমির আবুল ফারাহ নিশান বলেন, সৌরভ ওয়ার্ড জামায়াতের কর্মী। এ ঘটনার পর তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়। ঘটনাটি তদন্তে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার লক্ষ্মীপুর শহরের পুরাতন আদালত সড়কের ‘মারইয়াম প্রিন্টার্স’ নামক একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক সোহেল রানাকে আটক করে সদর থানা পুলিশ। সে সদর উপজেলার টুমচর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের খুরশিদ আলমের ছেলে।

লক্ষ্মীপুরে ১৬ ঘর বিশিষ্ট ছয়টি ভোটের সিলসহ গ্রেপ্তার ব্যবসায়ী সোহেল রানা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এতে সিল তৈরির (অর্ডার) নির্দেশদাতা জামায়াত নেতা সৌরভ হোসেন শরীফের (৩৪) নাম প্রকাশ করেছেন তিনি। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে লক্ষ্মীপুর জজ আদালতের এপিপি অ্যাডভোকেট মো. আব্দুল আহাদ শাকিল বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
স্থানীয়সূত্রে জানা গেছে, স্বীকারোক্তিতে উল্লেখ করা সৌরভ হোসেন শরীফ পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মো. শাহজাহানের ছেলে। তিনি ওই ওয়ার্ডের জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি। এ ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর থেকে তিনি আত্মগোপনে আছেন।
এপিপি মো. আব্দুল আহাদ শাকিল বলেন, বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে আসামি সোহেল অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ রেজাউল হকের আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। সেখানে তিনি সিল তৈরির নির্দেশদাতা শরীফের নাম প্রকাশ করেছেন। পরে আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী আসামির স্বীকারোক্তি ও জামায়াত নেতার সম্পৃক্ততার কথা গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ছয়টি সিলসহ ব্যবসায়ী সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় রাতেই সদর মডেল থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) হুমায়ুন কবির বাদি হয়ে দুজনের নামে মামলা দায়ের করেন।
হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী বলেন, ‘গ্রেপ্তারকৃত সোহেল রানাকে বুধবার বিকেলে আদালতে সোপর্দ করা হলে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। সোহেল স্বীকারোক্তি দিয়েছেন, শরীফ হোসেন সৌরভ নামে এক ব্যক্তি তাকে দিয়ে সিলগুলো বানিয়েছে। আমরা তাঁকে (শরিফ) খুঁজছি।’
সিল তৈরির নির্দেশদাতার রাজনৈতিক-সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে জানতে চাইলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমরা এটা ভেরিফাই করছি। তাঁকে আটকের পর ব্যাকগ্রাউন্ডটা পাব। আমরা তাঁর কিছু ছবি পেয়েছি, শুভেচ্ছা বার্তা পেয়েছি। তাঁকে আটকের পর বলা যাবে, সে কোন দলের সদস্য। সিল বানানোর মানেই হচ্ছে জাল ভোট দেওয়ার প্রবণতা। আমাদের তদন্ত চলছে। আসামিকেও আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।’

এদিকে আটকের পর ব্যবসায়ী সোহেল জানান, গত ৩০ জানুয়ারি তার হোয়াটসঅ্যাপে সিলগুলো তৈরির অর্ডার দেন শরীফ। যিনি পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক। এ ঘটনায় পুলিশ ওই দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। পরে শরীফকে দল থেকে বহিষ্কারের কথা জানায় জেলা জামায়াত।
লক্ষ্মীপুর পৌর জামায়াতের আমির আবুল ফারাহ নিশান বলেন, সৌরভ ওয়ার্ড জামায়াতের কর্মী। এ ঘটনার পর তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়। ঘটনাটি তদন্তে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার লক্ষ্মীপুর শহরের পুরাতন আদালত সড়কের ‘মারইয়াম প্রিন্টার্স’ নামক একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক সোহেল রানাকে আটক করে সদর থানা পুলিশ। সে সদর উপজেলার টুমচর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের খুরশিদ আলমের ছেলে।

বাংলাদেশে সোশ্যাল ডেমোক্রেসির বীজ বপন করেছেন শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক বলে মন্তব্য করেছেন জাস্টিস অ্যান্ড ডেমোক্রেসি পার্টির (জেডিপি) আহ্বায়ক নাঈম আহমাদ।
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনীতিদের মধ্যে ১৭ নেতা কোটিপতি। বিপরীতে জামায়াতে ইসলামীতে এমন নেতা আছেন একজন। নির্বাচন কমিশনে (ইসি) জমা দেওয়া প্রার্থীদের হলফনামা বিশ্লেষণে এই তথ্য পাওয়া গেছে।
১৯ ঘণ্টা আগে
গুজব ও অপতথ্যভিত্তিক উসকানির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল।
২০ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়ার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন।
১ দিন আগে