স্ট্রিম প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন একইসঙ্গে ‘গণভোট’ অনুষ্ঠিত হবে। গণভোটের পক্ষে সারা দেশে প্রচারণার ঘোষণা দিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ। সংগঠনটি জানিয়েছে, দেশে ফ্যাসিবাদের পুনরাবৃত্তি রোধ এবং রাষ্ট্রক্ষমতা তথাকথিত এলিট শ্রেণির হাত থেকে সাধারণ মেহনতি মানুষের কাছে হস্তান্তর করতেই তারা এই গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের ডাক দিয়েছে।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ থেকে দুপুরে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে সংগঠনটি। ওসমান হাদি হত্যার বিচার দাবিতে মিছিল শেষে সংগঠনটির সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের ঘোষণা করেন, তারা দেশের ৩০০ আসনেই গণভোট হ্যাঁ-এর পক্ষে প্রচারণা চালাবেন।
জাবের বলেন, ‘এই জুলাই গণভোটে হ্যাঁ ভোট দিয়ে বাংলাদেশে যেই ফ্যাসিবাদ ও স্বৈরাচার কায়েম হয়, সেটাকে আমরা বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাব। আমরা বাংলাদেশকে এলিট ক্লাসদের কাছ থেকে বাংলাদেশের রিকশাওয়ালা, ভ্যানওয়ালা, সিএনজিওয়ালা এবং গার্মেন্টস শ্রমিকদের কাছে তুলে দেব।’
দলীয় পরিচয় নয়, বরং ইনসাফ ও আজাদির মানদণ্ডে প্রার্থী সমর্থনের কথা উল্লেখ করে জাবের বলেন, ‘আমরা কোনো রাজনৈতিক দল চিনি না, আমরা ইনসাফ ও আজাদি চিনি। দেশের ৩০০ আসনে ইনকিলাব মঞ্চের পক্ষ থেকে আমরা লিফলেট বিতরণ করব। সেটা বিএনপির পক্ষে যেতে পারে, জামায়াতের পক্ষে যেতে পারে কিংবা এনসিপির পক্ষে যেতে পারে—সেটা আমাদের দেখার বিষয় না। যেই আসনে যিনি সব চেয়ে যোগ্য এবং ইনসাফ ও আজাদির কথা বলবেন, আমরা তাঁকেই ভোট দেওয়ার জন্য জনগণকে উদ্বুদ্ধ করব।’
কর্মসূচির বিস্তারিত তুলে ধরে জাবের জানান, নির্বাচনের আগে দেশের ৩০০ আসনেই ইনকিলাব মঞ্চের কর্মীরা ছড়িয়ে পড়বেন। এছাড়া আগামী তিন দিনের মধ্যে ঢাকা শহরে শহীদ ‘উসমান হাদির’ ভ্যানগাড়ি প্রতীক নিয়ে গ্র্যান্ড র্যালি করার ঘোষণা দেন তিনি।
বক্তব্যের শেষে তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, যারা ইনসাফ, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের পক্ষে বুক চিতিয়ে দাঁড়াবে, প্রয়োজনে তাদের সামনে ঢাল হয়ে দাঁড়াতে হবে। শনিবার থেকেই গণভোটের পক্ষে এই কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানান তিনি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন একইসঙ্গে ‘গণভোট’ অনুষ্ঠিত হবে। গণভোটের পক্ষে সারা দেশে প্রচারণার ঘোষণা দিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ। সংগঠনটি জানিয়েছে, দেশে ফ্যাসিবাদের পুনরাবৃত্তি রোধ এবং রাষ্ট্রক্ষমতা তথাকথিত এলিট শ্রেণির হাত থেকে সাধারণ মেহনতি মানুষের কাছে হস্তান্তর করতেই তারা এই গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের ডাক দিয়েছে।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ থেকে দুপুরে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে সংগঠনটি। ওসমান হাদি হত্যার বিচার দাবিতে মিছিল শেষে সংগঠনটির সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের ঘোষণা করেন, তারা দেশের ৩০০ আসনেই গণভোট হ্যাঁ-এর পক্ষে প্রচারণা চালাবেন।
জাবের বলেন, ‘এই জুলাই গণভোটে হ্যাঁ ভোট দিয়ে বাংলাদেশে যেই ফ্যাসিবাদ ও স্বৈরাচার কায়েম হয়, সেটাকে আমরা বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাব। আমরা বাংলাদেশকে এলিট ক্লাসদের কাছ থেকে বাংলাদেশের রিকশাওয়ালা, ভ্যানওয়ালা, সিএনজিওয়ালা এবং গার্মেন্টস শ্রমিকদের কাছে তুলে দেব।’
দলীয় পরিচয় নয়, বরং ইনসাফ ও আজাদির মানদণ্ডে প্রার্থী সমর্থনের কথা উল্লেখ করে জাবের বলেন, ‘আমরা কোনো রাজনৈতিক দল চিনি না, আমরা ইনসাফ ও আজাদি চিনি। দেশের ৩০০ আসনে ইনকিলাব মঞ্চের পক্ষ থেকে আমরা লিফলেট বিতরণ করব। সেটা বিএনপির পক্ষে যেতে পারে, জামায়াতের পক্ষে যেতে পারে কিংবা এনসিপির পক্ষে যেতে পারে—সেটা আমাদের দেখার বিষয় না। যেই আসনে যিনি সব চেয়ে যোগ্য এবং ইনসাফ ও আজাদির কথা বলবেন, আমরা তাঁকেই ভোট দেওয়ার জন্য জনগণকে উদ্বুদ্ধ করব।’
কর্মসূচির বিস্তারিত তুলে ধরে জাবের জানান, নির্বাচনের আগে দেশের ৩০০ আসনেই ইনকিলাব মঞ্চের কর্মীরা ছড়িয়ে পড়বেন। এছাড়া আগামী তিন দিনের মধ্যে ঢাকা শহরে শহীদ ‘উসমান হাদির’ ভ্যানগাড়ি প্রতীক নিয়ে গ্র্যান্ড র্যালি করার ঘোষণা দেন তিনি।
বক্তব্যের শেষে তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, যারা ইনসাফ, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের পক্ষে বুক চিতিয়ে দাঁড়াবে, প্রয়োজনে তাদের সামনে ঢাল হয়ে দাঁড়াতে হবে। শনিবার থেকেই গণভোটের পক্ষে এই কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানান তিনি।

সংসদ নির্বাচন ঘিরে গড়ে ওঠা ১১-দলীয় ঐক্যের শরিকদের মধ্যে দূরত্ব বাড়ছে। বিভিন্ন স্থানে কেন্দ্রঘোষিত কর্মসূচিতে অনেকে যাচ্ছেন না। দুটি দল নিজ থেকেই তাদের নেতাদের না রাখতে বলছে। খেলাফত আন্দোলন এবং খেলাফত মজলিস ঘোষণা দিয়েই নিষ্ক্রিয়।
১৪ জুলাই ২০২৬
নিজের বক্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। আজ মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদের অধিবেশনে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন।
১৪ জুলাই ২০২৬
চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় চলমান বন্যায় প্রাণহানি ও জনজীবনের ব্যাপক বিপর্যয়ের কারণে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের জুলাই পদযাত্রা আগামী ১৫ থেকে ১৮ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে।
১৪ জুলাই ২০২৬
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলনকে ‘স্ট্যান্টবাজি ও টেন্ডারবাজিতে ওস্তাদ’ বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ।
১৪ জুলাই ২০২৬