স্ট্রিম প্রতিবেদক

বিএনপি জুলাই সনদকে কলুষিত করেছে এবং তারা সংস্কারের চেয়ে দলীয় ইশতেহার বাস্তবায়নকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, ‘সংস্কারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে গণআন্দোলনের কোনো বিকল্প নেই এবং প্রয়োজনে আবারও রাজপথে নামার প্রস্তুতি নিতে হবে।’
রোববার (১২ এপ্রিল) রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সে মুক্তিযোদ্ধা হলরুমে ১১ দলীয় ঐক্যের আয়োজনে ‘জুলাই শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায়’ তিনি এসব কথা বলেন।
নাহিদ ইসলাম তাঁর বক্তব্যে ১৯৯০ সালের পরবর্তী বিএনপি সরকারের সমালোচনা করে বলেন, ‘নব্বইয়ের গণআন্দোলনের পর বিএনপি ক্ষমতায় এলেও তারা তিন দলের জোটের রূপরেখা অস্বীকার করেছিল। বর্তমানে তারা জুলাই সনদের কথা বললেও আসলে একে কলুষিত করেছে। তারা জোর করে সংস্কারের জায়গায় দলীয় ইশতেহারের বিষয় ঢুকিয়ে দিয়েছে। জুলাই সনদ কোনো দলীয় ইশতেহার হতে পারে না।’
পুলিশ ও বিচার বিভাগ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনার আমলে আমরা দেখেছি কীভাবে বিচার বিভাগকে দলীয়করণ করা হয়েছিল। বর্তমান পরিস্থিতিতেও আমরা দেখছি বিচারপতি নিয়োগ ও পুলিশ সংস্কারের ক্ষেত্রে টালবাহানা করা হচ্ছে। তারা হয়তো আবারও ‘জাতীয়তাবাদী পুলিশ বাহিনী’ তৈরির চেষ্টায় রয়েছে, যে কারণে সংস্কার অধ্যাদেশ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে না।’
জুলাই অধিদপ্তর বা শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের মতো কাজগুলো অন্তর্বর্তী সরকারের সময় শুরু হলেও বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রে অনীহা দেখা যাচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন এনসিপি আহ্বায়ক। তিনি বলেন, ‘আমরা চেয়েছিলাম সংসদেই সব সমাধান হবে, কিন্তু সরকারকে যদি কুক্ষিগত করার চেষ্টা করা হয়, তবে রাজপথই হবে শেষ ঠিকানা।’
জুলাই আন্দোলনের শহীদ পরিবার ও আহত যোদ্ধাদের আশ্বস্ত করে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘এবার রাজপথের আন্দোলনে শহীদ পরিবার বা আহত যোদ্ধারা সামনে থাকবেন না। এবার মঞ্চে থাকা নেতারা সামনের সারিতে থাকবেন। গুলি আসলে আগে আমাদের বুকে আসবে।’
অনুষ্ঠানে ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারা ছাড়াও জুলাই আন্দোলনের শহীদদের পরিবারের সদস্য এবং আহত ছাত্র-জনতা উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপি জুলাই সনদকে কলুষিত করেছে এবং তারা সংস্কারের চেয়ে দলীয় ইশতেহার বাস্তবায়নকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, ‘সংস্কারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে গণআন্দোলনের কোনো বিকল্প নেই এবং প্রয়োজনে আবারও রাজপথে নামার প্রস্তুতি নিতে হবে।’
রোববার (১২ এপ্রিল) রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সে মুক্তিযোদ্ধা হলরুমে ১১ দলীয় ঐক্যের আয়োজনে ‘জুলাই শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায়’ তিনি এসব কথা বলেন।
নাহিদ ইসলাম তাঁর বক্তব্যে ১৯৯০ সালের পরবর্তী বিএনপি সরকারের সমালোচনা করে বলেন, ‘নব্বইয়ের গণআন্দোলনের পর বিএনপি ক্ষমতায় এলেও তারা তিন দলের জোটের রূপরেখা অস্বীকার করেছিল। বর্তমানে তারা জুলাই সনদের কথা বললেও আসলে একে কলুষিত করেছে। তারা জোর করে সংস্কারের জায়গায় দলীয় ইশতেহারের বিষয় ঢুকিয়ে দিয়েছে। জুলাই সনদ কোনো দলীয় ইশতেহার হতে পারে না।’
পুলিশ ও বিচার বিভাগ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনার আমলে আমরা দেখেছি কীভাবে বিচার বিভাগকে দলীয়করণ করা হয়েছিল। বর্তমান পরিস্থিতিতেও আমরা দেখছি বিচারপতি নিয়োগ ও পুলিশ সংস্কারের ক্ষেত্রে টালবাহানা করা হচ্ছে। তারা হয়তো আবারও ‘জাতীয়তাবাদী পুলিশ বাহিনী’ তৈরির চেষ্টায় রয়েছে, যে কারণে সংস্কার অধ্যাদেশ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে না।’
জুলাই অধিদপ্তর বা শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের মতো কাজগুলো অন্তর্বর্তী সরকারের সময় শুরু হলেও বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রে অনীহা দেখা যাচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন এনসিপি আহ্বায়ক। তিনি বলেন, ‘আমরা চেয়েছিলাম সংসদেই সব সমাধান হবে, কিন্তু সরকারকে যদি কুক্ষিগত করার চেষ্টা করা হয়, তবে রাজপথই হবে শেষ ঠিকানা।’
জুলাই আন্দোলনের শহীদ পরিবার ও আহত যোদ্ধাদের আশ্বস্ত করে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘এবার রাজপথের আন্দোলনে শহীদ পরিবার বা আহত যোদ্ধারা সামনে থাকবেন না। এবার মঞ্চে থাকা নেতারা সামনের সারিতে থাকবেন। গুলি আসলে আগে আমাদের বুকে আসবে।’
অনুষ্ঠানে ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারা ছাড়াও জুলাই আন্দোলনের শহীদদের পরিবারের সদস্য এবং আহত ছাত্র-জনতা উপস্থিত ছিলেন।

জুলাই শহীদদের রক্তের সঙ্গে কোনো আপস করা হবে না; প্রয়োজনে রাজপথই চূড়ান্ত ঠিকানা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে জামায়াত-এনসিপিসহ ১১ দলীয় ঐক্য। রোববার (১২ এপ্রিল) রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সে জুলাই শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় একথা বলেন নেতারা।
৪৪ মিনিট আগে
জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে অতীতেও সন্ত্রাস, হানাহানি ও বিশৃঙ্খলা ছিল। জুলাইয়ে আমরা এত রক্ত দিলাম। তারপরও রাজনীতির জন্য কেন আরও রক্ত দিতে হবে? আমরা তো আশা করেছিলাম, রক্ত দেওয়া ওখানেই শেষ হবে। রাজনীতির ময়দানে সুস্থতা ফিরে আসবে।
১৮ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরুর ২ দিনের মধ্যে ৬০০টির বেশি বিক্রি হয়েছে। মনোনয়নপ্রত্যাশীদের মধ্যে দলটির শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের স্ত্রী, কন্যাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের শতাধিক নারী নেত্রীর নাম সামনে এসেছে।
২১ ঘণ্টা আগে
ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘তেল আছে শুধু সংসদে, বাংলাদেশে নেই। সংসদে সরকারি দলের মন্ত্রী-সংসদ সদস্যরা কথা বললে মনে হয় দেশ তেলের ওপর ভাসছে। শুধু কিছু অসৎ চোরচোট্টা মানুষের কারণে আমরা সমস্যায় পড়ে গেছি।’
১ দিন আগে