leadT1ad

নির্বাচনের পর তারা জনগণের নাভিশ্বাস উঠাতে চায়: তারেক রহমান

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

বুধবার ফরিদপুরে নির্বাচনী সমাবেশে বক্তব্য দেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। স্ট্রিম ছবি

জামায়াতে ইসলামীর প্রতি ইঙ্গিত করে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘জনগণকে তারা ১২ তারিখ পর্যন্ত দেখে রাখবে। ১৩ তারিখ থেকে তারা এমন পরিস্থিতি তৈরি করতে চায়, যেখানে জনগণের নাভিশ্বাস উঠে যাবে।’

বুধবার (৪ জানুয়ারি) দুপুরে ফরিদপুরের রাজেন্দ্র কলেজ মাঠে নির্বাচনী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র হচ্ছে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, জনগণের ভোটের ও কথা বলার অধিকারের বিরুদ্ধে আবার ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। এই ষড়যন্ত্র যারা করছে জনগণ তাদের ‘গুপ্ত’ নামে ডাকে। কারণ, জনগণ দেখেছে বিভিন্ন পরিস্থিতিতে তারা রূপের পরিবর্তন করে।

বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘জনগণের প্রতি তাদের আস্থা নেই। তারা জনগণের শক্তিতে বিশ্বাস করে না। তারা মা-বোনদের বিকাশ নম্বর চাইছে, এনআইডি কার্ড চাইছে। তারা বলে বেড়ায় সৎ মানুষের শাসন দেবেন। নিজেই অনৈতিক বিষয় দিয়ে কাজ শুরু করেছেন। জনগণ কীভাবে বিশ্বাস করবে আপনি সৎ লোকের শাসন দেবেন?’

বহু ত্যাগ ও বিসর্জনের মধ্য দিয়ে জনগণ হারানো অধিকার (ভোটের) ফিরে পেয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘যদি আমরা এই ষড়যন্ত্র থামিয়ে দিতে পারি, তবে ১৩ তারিখ থেকে এ দেশে জবাবদিহিমূলক ও জনগণের শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে’।

জামায়াত আমিরের ‘হ্যাকড’ এক্স-হ্যান্ডেলে নারীদের নিয়ে পোস্টের প্রতি ইঙ্গিত করে তারেক রহমান বলেন, ‘দেশের খেটে খাওয়া মা-বোনদের প্রতি যে রাজনৈতিক দল ও নেতার চিন্তা বা আদর্শ এ রকম হয়ে থাকে তাদের থেকে কি দেশের মানুষ ভালো কিছু আশা করতে পারে? এর প্রমাণ আমরা ১৯৭১ সালে দেখেছি। ৭১ সালে তাদের বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের কারণে এ দেশের লাখ লাখ মা-বোনের সম্মানহানি হয়েছিল। এদের থেকে সতর্ক থাকতে হবে।’

একাত্তর সালে মুক্তিযোদ্ধারা দেশ স্বাধীন করেছে। ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতা স্বৈরাচার বিদায় করে সেই স্বাধীনতা রক্ষা করেছে। মানুষের ভোটের ও কথা বলার অধিকার ধরে রাখতে হবে বলেও মন্তব্য করেন বিএনপি প্রধান।

ফরিদপুরকে বিভাগে উন্নীত করার বিষয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘বিভাগ করলে যদি জনগণের সুবিধা হয়, তবে এই দাবি বিএনপি সরকার পূরণ করবে। পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে হাত দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।

Ad 300x250

সম্পর্কিত