মিরহাজুল শিবলী

জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরুর ২ দিনের মধ্যে ৬০০টির বেশি বিক্রি হয়েছে। মনোনয়নপ্রত্যাশীদের মধ্যে দলটির শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের স্ত্রী, কন্যাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের শতাধিক নারী নেত্রীর নাম সামনে এসেছে। এবার বিএনপি জোট ৩৬, জামায়াত জোট ১৩ এবং স্বতন্ত্ররা মিলে ১টি সংরক্ষিত নারী আসন পাবে।
বিএনপির বর্তমান ও সাবেক নেতাদের স্ত্রী-কন্যার পাশাপাশি মনোনয়ন চান বিগত দিনে আন্দোলন সংগ্রামে থাকা নারী নেত্রীরা। এ ছাড়াও সংরক্ষিত আসনের জন্য বিএনপির মনোনয়ন কিনেছেন পেশাজীবী, শিক্ষক-আইনজীবীসহ নানা শ্রেণির নারীরা। তবে কখনো বিএনপি করেননি এমন মনোনয়নপ্রত্যাশীও দেখা গেছে।
বিএনপির সহদপ্তর সম্পাদক তারিকুল ইসলাম তেনজিং শনিবার জানিয়েছেন, ‘এ পর্যন্ত জমা পড়েছে ৭৮ বা ৭৯টি মনোনয়নপত্র। রোববার মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন। আশা করছি যারা মনোনয়নপত্র নিয়েছেন, তারা কালই জমা দেবেন।’
দলটির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘আমি মনে করি দলের আন্দোলন সংগ্রামে যাদের ভূমিকা রয়েছে এবং যাদের পার্লামেন্টে যুক্তি দিয়ে কথা বলতে পারেন এবং সমাজে যাদের সুনাম আছে—তাদেরই নিশ্চয়ই দল বাছাই করবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিগত আন্দোলনে নারীদের অনেক অবদান রয়েছে। কেউ যদি ফেসবুকে কোনো নারী স্বাধীন মতামত পেশ করেছেন, তাকে গভীর রাতে পুলিশ গ্রেপ্তার করে নিয়ে গেছে এবং যারা রাজপথে সক্রিয় ছিলেন, তাদের ওপরে চলেছে বর্বরোচিত অত্যাচার এবং মিথ্যা মামলা দিয়ে নিপীড়ন-নির্যাতনের শেষ ছিলো না।’
আলোচনায় যাঁরা
দলের বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সংরক্ষিত আসনের এমপির দৌড়ে রয়েছেন জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির স্বনির্ভরবিষয়ক সম্পাদক শিরীন সুলতানা, প্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক রাশেদা বেগম, সহপ্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক রেহেনা আক্তার, সহস্থানীয় সরকারবিষয়ক সম্পাদক শাম্মী আক্তার, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহশিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক হেলেন জেরিন খান, শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের স্ত্রী ও মহিলা দলের সহসভাপতি নাজমুন নাহার বেবী, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আরিফা সুলতানা রুমা, মহিলা দলের কৃষিবিষয়ক সম্পাদক সেলিনা হাফিজ, সহত্রাণবিষয়ক সম্পাদক নুরুন্নাহার রেজা, সাবেক সদস্য সানজানা চৈতি, কণ্ঠশিল্পী কনকচাঁপা ও বেবী নাজনীন, সিলেট বিএনপির তাহসিন শরমিন তামান্না।
এ ছাড়াও আলোচনায় রয়েছেন মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ, ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নিপুণ রায় চৌধুরী, নীলুফার চৌধুরী, বিলকিস ইসলাম, সৈয়দা আসিফা আশরাফী, রোখসানা খানম, আয়েশা সিদ্দিকা, নেওয়াজ হালিমা, ফরিদা ইয়াসমীন, সাবিরা সুলতানা ও চৌধুরী নাদিরা আক্তার, চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা দলের মনোয়ারা বেগম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখা মহিলা দলের আহ্বায়ক রুমা আক্তার, পাবনার সাঁথিয়া উপজেলা বিএনপি আহ্বায়ক খায়রুন নাহার, বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য মাহমুদা হাবিবা, বিএনপির প্রয়াত নেতা নাসির উদ্দিন পিন্টুর স্ত্রী নাসিমা আক্তার কল্পনা, প্রয়াত শফিউল বারীর স্ত্রী বীথিকা বিনতে হোসাইন, মহিলা দলের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সদস্যসচিব নাসিমা আক্তার, খিলগাঁও মডেল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের শিক্ষক রোকেয়া চৌধুরী, ঢাকার কোতোয়ালি থানা বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক সুরাইয়া বেগম, সাবেক ভিপি অধ্যাপক নাজমা সুলতানাসহ অনেকে।
আলোচনায় আরও রয়েছেন বিএনপির প্রয়াত নেতা মওদুদ আহমদের স্ত্রী হাসনা জসিমউদ্দীন মওদুদ, প্রয়াত মহাসচিব আবদুস সালাম তালুকদারের মেয়ে সালিমা বেগম, বিএনপি সাবেক হুইপ সৈয়দ ওয়াহিদুল আলমের মেয়ে শাকিলা ফারজানা, সাবেক মহাসচিব খন্দকার দেলোয়ার হোসেনের পরিবারের কোনো সদস্য, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি যুগ্ম আহ্বায়ক ফেরদৌসী আহমেদ।
তবে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে পরাজিত হওয়া সানসিলা জেবরিন, মায়ের ডাকের সমন্বয়ক সানজিদা ইসলামের নামও শোনা যাচ্ছে।

জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরুর ২ দিনের মধ্যে ৬০০টির বেশি বিক্রি হয়েছে। মনোনয়নপ্রত্যাশীদের মধ্যে দলটির শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের স্ত্রী, কন্যাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের শতাধিক নারী নেত্রীর নাম সামনে এসেছে। এবার বিএনপি জোট ৩৬, জামায়াত জোট ১৩ এবং স্বতন্ত্ররা মিলে ১টি সংরক্ষিত নারী আসন পাবে।
বিএনপির বর্তমান ও সাবেক নেতাদের স্ত্রী-কন্যার পাশাপাশি মনোনয়ন চান বিগত দিনে আন্দোলন সংগ্রামে থাকা নারী নেত্রীরা। এ ছাড়াও সংরক্ষিত আসনের জন্য বিএনপির মনোনয়ন কিনেছেন পেশাজীবী, শিক্ষক-আইনজীবীসহ নানা শ্রেণির নারীরা। তবে কখনো বিএনপি করেননি এমন মনোনয়নপ্রত্যাশীও দেখা গেছে।
বিএনপির সহদপ্তর সম্পাদক তারিকুল ইসলাম তেনজিং শনিবার জানিয়েছেন, ‘এ পর্যন্ত জমা পড়েছে ৭৮ বা ৭৯টি মনোনয়নপত্র। রোববার মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন। আশা করছি যারা মনোনয়নপত্র নিয়েছেন, তারা কালই জমা দেবেন।’
দলটির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘আমি মনে করি দলের আন্দোলন সংগ্রামে যাদের ভূমিকা রয়েছে এবং যাদের পার্লামেন্টে যুক্তি দিয়ে কথা বলতে পারেন এবং সমাজে যাদের সুনাম আছে—তাদেরই নিশ্চয়ই দল বাছাই করবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিগত আন্দোলনে নারীদের অনেক অবদান রয়েছে। কেউ যদি ফেসবুকে কোনো নারী স্বাধীন মতামত পেশ করেছেন, তাকে গভীর রাতে পুলিশ গ্রেপ্তার করে নিয়ে গেছে এবং যারা রাজপথে সক্রিয় ছিলেন, তাদের ওপরে চলেছে বর্বরোচিত অত্যাচার এবং মিথ্যা মামলা দিয়ে নিপীড়ন-নির্যাতনের শেষ ছিলো না।’
আলোচনায় যাঁরা
দলের বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সংরক্ষিত আসনের এমপির দৌড়ে রয়েছেন জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির স্বনির্ভরবিষয়ক সম্পাদক শিরীন সুলতানা, প্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক রাশেদা বেগম, সহপ্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক রেহেনা আক্তার, সহস্থানীয় সরকারবিষয়ক সম্পাদক শাম্মী আক্তার, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহশিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক হেলেন জেরিন খান, শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের স্ত্রী ও মহিলা দলের সহসভাপতি নাজমুন নাহার বেবী, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আরিফা সুলতানা রুমা, মহিলা দলের কৃষিবিষয়ক সম্পাদক সেলিনা হাফিজ, সহত্রাণবিষয়ক সম্পাদক নুরুন্নাহার রেজা, সাবেক সদস্য সানজানা চৈতি, কণ্ঠশিল্পী কনকচাঁপা ও বেবী নাজনীন, সিলেট বিএনপির তাহসিন শরমিন তামান্না।
এ ছাড়াও আলোচনায় রয়েছেন মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ, ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নিপুণ রায় চৌধুরী, নীলুফার চৌধুরী, বিলকিস ইসলাম, সৈয়দা আসিফা আশরাফী, রোখসানা খানম, আয়েশা সিদ্দিকা, নেওয়াজ হালিমা, ফরিদা ইয়াসমীন, সাবিরা সুলতানা ও চৌধুরী নাদিরা আক্তার, চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা দলের মনোয়ারা বেগম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখা মহিলা দলের আহ্বায়ক রুমা আক্তার, পাবনার সাঁথিয়া উপজেলা বিএনপি আহ্বায়ক খায়রুন নাহার, বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য মাহমুদা হাবিবা, বিএনপির প্রয়াত নেতা নাসির উদ্দিন পিন্টুর স্ত্রী নাসিমা আক্তার কল্পনা, প্রয়াত শফিউল বারীর স্ত্রী বীথিকা বিনতে হোসাইন, মহিলা দলের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সদস্যসচিব নাসিমা আক্তার, খিলগাঁও মডেল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের শিক্ষক রোকেয়া চৌধুরী, ঢাকার কোতোয়ালি থানা বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক সুরাইয়া বেগম, সাবেক ভিপি অধ্যাপক নাজমা সুলতানাসহ অনেকে।
আলোচনায় আরও রয়েছেন বিএনপির প্রয়াত নেতা মওদুদ আহমদের স্ত্রী হাসনা জসিমউদ্দীন মওদুদ, প্রয়াত মহাসচিব আবদুস সালাম তালুকদারের মেয়ে সালিমা বেগম, বিএনপি সাবেক হুইপ সৈয়দ ওয়াহিদুল আলমের মেয়ে শাকিলা ফারজানা, সাবেক মহাসচিব খন্দকার দেলোয়ার হোসেনের পরিবারের কোনো সদস্য, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি যুগ্ম আহ্বায়ক ফেরদৌসী আহমেদ।
তবে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে পরাজিত হওয়া সানসিলা জেবরিন, মায়ের ডাকের সমন্বয়ক সানজিদা ইসলামের নামও শোনা যাচ্ছে।

ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘তেল আছে শুধু সংসদে, বাংলাদেশে নেই। সংসদে সরকারি দলের মন্ত্রী-সংসদ সদস্যরা কথা বললে মনে হয় দেশ তেলের ওপর ভাসছে। শুধু কিছু অসৎ চোরচোট্টা মানুষের কারণে আমরা সমস্যায় পড়ে গেছি।’
৪ ঘণ্টা আগে
ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা সমুন্নত রাখতে এবং শ্রমিকের অধিকার আদায়ে বর্তমান সরকারকে আর ‘জনগণের সরকার’ বলা যায় না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
৯ ঘণ্টা আগে
সরকার দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), পুলিশ সংস্কার কমিশন, গুম কমিশন বা পিএসসির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিল কেন আনছে না, তা নিয়ে প্রশ্ন রেখেছে বিরোধী দল। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) ‘বিশ্বাস ভঙ্গের’ অভিযোগ তুলে সংসদ থেকে ওয়াকআউট করে পরে সংসদ প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের কাছে এই প্রশ্ন রাখেন তারা।
১ দিন আগে
জামায়াত আমির বলেন, একদিকে সংসদ চলছে, অন্যদিকে বিলের কাগজ দেওয়া হচ্ছে। আমি দুর্বল ছাত্র। তাই কিছু বুঝতে পারিনি। এখন হাত উপরে তুলব নাকি নিচে নামাব বুঝতে পারছি না।
১ দিন আগে