স্ট্রিম প্রতিবেদক

রাষ্ট্রপরিচালনার সর্বত্র শরিয়াহকে প্রাধান্য দিয়ে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। এতে বলা হয়েছে, দলটি ক্ষমতায় গেলে ‘রাষ্ট্র পরিচালনার সব ক্ষেত্রে ইসলামের মৌলিক নীতিমালার পরিপালন’ করবে।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) পল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে দলের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম ইশতেহার পাঠ করেন। ‘জনপ্রত্যাশার বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে ইশতেহারে জনপ্রত্যাশা হিসেবে শরিয়াহর প্রাধান্য, জুলাই সনদের প্রতি দায়বদ্ধতা, তারুণ্যের কর্মসংস্থান, সুশাসন প্রতিষ্ঠা, নাগরিক সেবা ও অধিকারকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
চরমোনাই পীর বলেন, ‘আমাদের ইশতেহারের নামকরণ জনপ্রত্যাশার ইশতেহার করেছি। কারণ মহান স্বাধীনতার যুদ্ধ এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে যে জনপ্রত্যাশার উন্মেষ ঘটেছে, তা রাষ্ট্রপরিচালনায় প্রতিফলিত করার অঙ্গীকার নিয়েই এই ইশতেহার।’
সব ক্ষেত্রে ইসলামের মৌলিক নীতিমালা পরিপালন
ইশতেহারে রাষ্ট্র গঠনে নীতিগত আট দফা ঘোষণা করেছে দলটি। প্রথম দফাতে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপরিচালনার সব ক্ষেত্রে ইসলামের মৌলিক নীতিমালার পরিপালন করা হবে। ব্যাখ্যায় বলা হয়, রাষ্ট্র পরিচালনায় ইসলামের মৌলিক নীতিমালার মধ্যে রয়েছে আদালত, ইনসাফ, নাগরিকের স্বার্থের প্রতি সংবেদনশীলতা, দায়বদ্ধতা, সামাজিক নিরাপত্তা ও আইনের শাসন। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে এই মৌলিক নীতিমালার পূর্ণ প্রতিপালন করবে।
এই দফার শুরুতে বলা হয়েছে, ইসলাম প্রচলিত অর্থে ধর্ম বলতে যা বোঝায় তার চেয়েও বিস্তৃত একটি ধারণা। বিশ্বাসের সমষ্টি ও ইবাদতের সঙ্গে সঙ্গে ইসলাম জীবন পরিচালনার সব ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা ও নির্দেশনা দেয়। বিশেষ করে মানুষের সবচেয়ে বড় যৌথ প্রকল্প রাষ্ট্র ও শাসন-সংক্রান্ত বিষয়ে ইসলামের নির্ধারিত, বিস্তৃত এবং বহু শতাব্দী চর্চিত রীতি-নীতি ও বিধিমালা রয়েছে। এর আলোকে ১ হাজার ৩০০ বছর মানবসভ্যতা শান্তি ও সমৃদ্ধির সঙ্গে পরিচালিত হয়েছে।
অন্য দফাগুলোতে যথাক্রমে ‘ক্ষমতার চর্চা ও হস্তান্তরে গণতান্ত্রিক পদ্ধতির ধারণ’, ‘সব ধর্ম ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্টীর অধিকার-সন্মান রক্ষায় প্রতিশ্রুতি’, ‘পারস্পরিক সম্মান ও সহযোগিতামূলক বৈদেশিক সম্পর্কে’র কথা বলা হয়েছে। বৈদেশিক সম্পর্কের ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশ তার সব প্রতিবেশী ও বিশ্বের অপরাপর রাষ্ট্রের সঙ্গে পারস্পরিক সম্মান ও সহযোগিতার সম্পর্ক গড়ে তুলবে।
পঞ্চম দফা ‘সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা’য় বলা হয়েছে, রাষ্ট্র পরিচালনায় সুশাসন, স্বচ্ছতা ও গণতান্ত্রিক জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা করা হবে। দক্ষ ও নিরপেক্ষ প্রশাসন গড়ে তোলা হবে এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানসমূহকে পেশাদারিত্ব, নৈতিকতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে বাধ্য করা হবে।
ষষ্ঠ দফা ‘বৈষম্যবিরোধিতা ও ন্যায্যতা’র ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, রাষ্ট্রচিন্তা, আইন প্রণয়ন ও নীতিনির্ধারণের প্রতিটি স্তরে পিছিয়ে পড়া ও বঞ্চিত জনগোষ্ঠীর বাস্তব অভিজ্ঞতা ও প্রয়োজন প্রতিফলিত করা হবে। বৈষম্যকে একটি কাঠামোগত সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করে তার আইনগত, প্রাতিষ্ঠানিক ও সামাজিক প্রতিকার নিশ্চিত করা হবে।
নীতিগত আট দফার সপ্তমটি ‘দুর্নীতির মূলোৎপাটন’। আর আট দফার সর্বশেষ ‘নারীর মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠা’ নিয়ে। এর ব্যাখ্যায় দলটি বলেছে, ইসলামী আন্দোলন নারীর প্রতি দায়বোধ করে এবং নারীর বিদ্যমান পরিস্থিতি যে সমস্যাজনক তাও স্বীকার করে। সেজন্য নারীর মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় এই ভূমির হাজার বছরের বোধ-বিশ্বাস ও ঐতিহ্যের আলোকে করণীয় সব পদক্ষেপ নেবে।
চরমোনাই পীরের দলের মতে, বিদ্যমান চিন্তাকাঠামোতে শরিয়াহ-ও নারীকে পরস্পরবিরোধী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই পরিপ্রেক্ষিতে ইশতেহার পাঠ করতে গিয়ে চরমোনাই পীর বলেন, আমরা দৃঢ়তার সঙ্গে বলতে চাই– নারীর কর্মসংস্থান, অধিকার, মর্যাদা ও স্বাধীনতার জন্য ইসলামই সবচেয়ে কার্যকর নীতি। আমাদের ইশতেহারের পরতে-পরতে তার প্রতিফলন দেখা যাবে।
তিনি বলেন, ইসলামী আন্দোলনের ইশতেহার জাতির সঙ্গে একটি প্রতিজ্ঞা। আপনাদের সমর্থনে রাষ্ট্রক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হলে এই ইশতেহারের প্রতিটি ধারা বাস্তবায়নে ইসলামী আন্দোলন দৃঢ়প্রতিজ্ঞ থাকবে।

রাষ্ট্রপরিচালনার সর্বত্র শরিয়াহকে প্রাধান্য দিয়ে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। এতে বলা হয়েছে, দলটি ক্ষমতায় গেলে ‘রাষ্ট্র পরিচালনার সব ক্ষেত্রে ইসলামের মৌলিক নীতিমালার পরিপালন’ করবে।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) পল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে দলের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম ইশতেহার পাঠ করেন। ‘জনপ্রত্যাশার বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে ইশতেহারে জনপ্রত্যাশা হিসেবে শরিয়াহর প্রাধান্য, জুলাই সনদের প্রতি দায়বদ্ধতা, তারুণ্যের কর্মসংস্থান, সুশাসন প্রতিষ্ঠা, নাগরিক সেবা ও অধিকারকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
চরমোনাই পীর বলেন, ‘আমাদের ইশতেহারের নামকরণ জনপ্রত্যাশার ইশতেহার করেছি। কারণ মহান স্বাধীনতার যুদ্ধ এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে যে জনপ্রত্যাশার উন্মেষ ঘটেছে, তা রাষ্ট্রপরিচালনায় প্রতিফলিত করার অঙ্গীকার নিয়েই এই ইশতেহার।’
সব ক্ষেত্রে ইসলামের মৌলিক নীতিমালা পরিপালন
ইশতেহারে রাষ্ট্র গঠনে নীতিগত আট দফা ঘোষণা করেছে দলটি। প্রথম দফাতে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপরিচালনার সব ক্ষেত্রে ইসলামের মৌলিক নীতিমালার পরিপালন করা হবে। ব্যাখ্যায় বলা হয়, রাষ্ট্র পরিচালনায় ইসলামের মৌলিক নীতিমালার মধ্যে রয়েছে আদালত, ইনসাফ, নাগরিকের স্বার্থের প্রতি সংবেদনশীলতা, দায়বদ্ধতা, সামাজিক নিরাপত্তা ও আইনের শাসন। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে এই মৌলিক নীতিমালার পূর্ণ প্রতিপালন করবে।
এই দফার শুরুতে বলা হয়েছে, ইসলাম প্রচলিত অর্থে ধর্ম বলতে যা বোঝায় তার চেয়েও বিস্তৃত একটি ধারণা। বিশ্বাসের সমষ্টি ও ইবাদতের সঙ্গে সঙ্গে ইসলাম জীবন পরিচালনার সব ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা ও নির্দেশনা দেয়। বিশেষ করে মানুষের সবচেয়ে বড় যৌথ প্রকল্প রাষ্ট্র ও শাসন-সংক্রান্ত বিষয়ে ইসলামের নির্ধারিত, বিস্তৃত এবং বহু শতাব্দী চর্চিত রীতি-নীতি ও বিধিমালা রয়েছে। এর আলোকে ১ হাজার ৩০০ বছর মানবসভ্যতা শান্তি ও সমৃদ্ধির সঙ্গে পরিচালিত হয়েছে।
অন্য দফাগুলোতে যথাক্রমে ‘ক্ষমতার চর্চা ও হস্তান্তরে গণতান্ত্রিক পদ্ধতির ধারণ’, ‘সব ধর্ম ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্টীর অধিকার-সন্মান রক্ষায় প্রতিশ্রুতি’, ‘পারস্পরিক সম্মান ও সহযোগিতামূলক বৈদেশিক সম্পর্কে’র কথা বলা হয়েছে। বৈদেশিক সম্পর্কের ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশ তার সব প্রতিবেশী ও বিশ্বের অপরাপর রাষ্ট্রের সঙ্গে পারস্পরিক সম্মান ও সহযোগিতার সম্পর্ক গড়ে তুলবে।
পঞ্চম দফা ‘সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা’য় বলা হয়েছে, রাষ্ট্র পরিচালনায় সুশাসন, স্বচ্ছতা ও গণতান্ত্রিক জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা করা হবে। দক্ষ ও নিরপেক্ষ প্রশাসন গড়ে তোলা হবে এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানসমূহকে পেশাদারিত্ব, নৈতিকতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে বাধ্য করা হবে।
ষষ্ঠ দফা ‘বৈষম্যবিরোধিতা ও ন্যায্যতা’র ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, রাষ্ট্রচিন্তা, আইন প্রণয়ন ও নীতিনির্ধারণের প্রতিটি স্তরে পিছিয়ে পড়া ও বঞ্চিত জনগোষ্ঠীর বাস্তব অভিজ্ঞতা ও প্রয়োজন প্রতিফলিত করা হবে। বৈষম্যকে একটি কাঠামোগত সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করে তার আইনগত, প্রাতিষ্ঠানিক ও সামাজিক প্রতিকার নিশ্চিত করা হবে।
নীতিগত আট দফার সপ্তমটি ‘দুর্নীতির মূলোৎপাটন’। আর আট দফার সর্বশেষ ‘নারীর মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠা’ নিয়ে। এর ব্যাখ্যায় দলটি বলেছে, ইসলামী আন্দোলন নারীর প্রতি দায়বোধ করে এবং নারীর বিদ্যমান পরিস্থিতি যে সমস্যাজনক তাও স্বীকার করে। সেজন্য নারীর মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় এই ভূমির হাজার বছরের বোধ-বিশ্বাস ও ঐতিহ্যের আলোকে করণীয় সব পদক্ষেপ নেবে।
চরমোনাই পীরের দলের মতে, বিদ্যমান চিন্তাকাঠামোতে শরিয়াহ-ও নারীকে পরস্পরবিরোধী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই পরিপ্রেক্ষিতে ইশতেহার পাঠ করতে গিয়ে চরমোনাই পীর বলেন, আমরা দৃঢ়তার সঙ্গে বলতে চাই– নারীর কর্মসংস্থান, অধিকার, মর্যাদা ও স্বাধীনতার জন্য ইসলামই সবচেয়ে কার্যকর নীতি। আমাদের ইশতেহারের পরতে-পরতে তার প্রতিফলন দেখা যাবে।
তিনি বলেন, ইসলামী আন্দোলনের ইশতেহার জাতির সঙ্গে একটি প্রতিজ্ঞা। আপনাদের সমর্থনে রাষ্ট্রক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হলে এই ইশতেহারের প্রতিটি ধারা বাস্তবায়নে ইসলামী আন্দোলন দৃঢ়প্রতিজ্ঞ থাকবে।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে তাঁর বাসভবনে গিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
১৩ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রাম ইপিজেড থেকে ট্রাক চুরির ঘটনায় ফেনীর সোনাগাজী উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব ইমাম হোসেন পবিরকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
১৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা, হত্যা ও নির্যাতনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য। সমাবেশে নেতারা বলেছেন, রক্ত দিয়ে গড়া ‘জুলাই সনদ’ অস্বীকার করে এবং কারচুপির মাধ্যমে ক্ষমতায় এসে কেউ টিকতে পারবে না।
১৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন গ্রহণযোগ্য মাত্রায় সুষ্ঠু ও প্রতিযোগিতামূলক হয়েছে বলে জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। পাশাপাশি, নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক হয়েছে বলে দাবি সংস্থাটির।
১৫ ঘণ্টা আগে