স্ট্রিম প্রতিবেদক

জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে গণভোট নিয়ে সরকারের ‘গড়িমসি’ এবং ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন থেকে নির্বাচন কমিশনের সরে আসার সিদ্ধান্তে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি আগামী নভেম্বরের মধ্যে গণভোট এবং সেই ফলাফলের ভিত্তিতে ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছে।
আজ রোববার (১৯ অক্টোবর) দলের কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানানো হয়। এর আগে সকালে জামায়াতের নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জাতীয় নির্বাচনের সঙ্গে একই দিনে গণভোট আয়োজনের প্রস্তাবকে ‘অবাস্তব ও অপরিপক্ক ধারণা’ হিসেবে আখ্যায়িত করে বলা হয়েছে, ‘একই দিনে গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে গণভোটের গুরুত্ব মারাত্মকভাবে হ্রাস পাবে। এটি জাতির সঙ্গে প্রতারণার সামিল এবং গণভোট প্রক্রিয়াকে অনিশ্চয়তায় ফেলবে। কারণ, জাতীয় নির্বাচনে কোনো ভোটকেন্দ্রের ভোটগ্রহণ স্থগিত হলে গণভোটও স্থগিত হয়ে যাবে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’
এই প্রেক্ষাপটে জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে অবিলম্বে ‘জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ’ জারি করে নভেম্বরের মধ্যেই গণভোট আয়োজনের দাবি জানিয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন না করার সিদ্ধান্তে উদ্বেগ প্রকাশ করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য করতে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন অত্যন্ত জরুরি। এর মাধ্যমে জাতি সরাসরি ভোট প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করতে পারবে, জাল ভোট ও কারচুপি প্রতিরোধ হবে এবং ভোটারদের মধ্যে আস্থা তৈরি হবে।’ এ বিষয়ে সরকার ও নির্বাচন কমিশনের কাছে জোর দাবি জানিয়েছে জামায়াত।
এ ছাড়া, গত ১৭ অক্টোবর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হামলায় ‘জুলাই যোদ্ধারা’ আহত হওয়ার ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে আহতদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সব মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানায় দলটি।

জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে গণভোট নিয়ে সরকারের ‘গড়িমসি’ এবং ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন থেকে নির্বাচন কমিশনের সরে আসার সিদ্ধান্তে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি আগামী নভেম্বরের মধ্যে গণভোট এবং সেই ফলাফলের ভিত্তিতে ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছে।
আজ রোববার (১৯ অক্টোবর) দলের কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানানো হয়। এর আগে সকালে জামায়াতের নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জাতীয় নির্বাচনের সঙ্গে একই দিনে গণভোট আয়োজনের প্রস্তাবকে ‘অবাস্তব ও অপরিপক্ক ধারণা’ হিসেবে আখ্যায়িত করে বলা হয়েছে, ‘একই দিনে গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে গণভোটের গুরুত্ব মারাত্মকভাবে হ্রাস পাবে। এটি জাতির সঙ্গে প্রতারণার সামিল এবং গণভোট প্রক্রিয়াকে অনিশ্চয়তায় ফেলবে। কারণ, জাতীয় নির্বাচনে কোনো ভোটকেন্দ্রের ভোটগ্রহণ স্থগিত হলে গণভোটও স্থগিত হয়ে যাবে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’
এই প্রেক্ষাপটে জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে অবিলম্বে ‘জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ’ জারি করে নভেম্বরের মধ্যেই গণভোট আয়োজনের দাবি জানিয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন না করার সিদ্ধান্তে উদ্বেগ প্রকাশ করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য করতে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন অত্যন্ত জরুরি। এর মাধ্যমে জাতি সরাসরি ভোট প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করতে পারবে, জাল ভোট ও কারচুপি প্রতিরোধ হবে এবং ভোটারদের মধ্যে আস্থা তৈরি হবে।’ এ বিষয়ে সরকার ও নির্বাচন কমিশনের কাছে জোর দাবি জানিয়েছে জামায়াত।
এ ছাড়া, গত ১৭ অক্টোবর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হামলায় ‘জুলাই যোদ্ধারা’ আহত হওয়ার ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে আহতদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সব মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানায় দলটি।

বাকশাল ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে দেশের মানুষের বাক্, ব্যক্তি ও চলাচলের স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ।
২৮ মিনিট আগে
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে এনসিপি নেতারা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ পরিবারের সদস্যদের বাসায় ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় ও শহীদদের কবরস্থানে মোনাজাত করেন। তারা একে 'শহীদী মোলাকাত' বলছেন।
১৭ ঘণ্টা আগে
সংবিধান সংস্কার পরিষদের জন্য সংসদে এবং সংসদের বাইরে সর্বাত্মক চাপ তৈরি করা হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
১ দিন আগে
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘ঈদ আসে খুশির বার্তা নিয়ে। ঈদ আসলে বিশেষ করে শহরে-নগরে অবস্থানরত জনগণ নাড়ির টানে বাড়ির দিকে ছুটতে থাকে। সেই সময়টা অতীতেও বিভিন্ন সময় অনেক গ্যাঞ্জাম ছিল, সমস্যা ছিল। এবার সমস্যাটা হয়েছে আরও বেশি মাত্রায়। আমরা খুবই ব্যথিত, আমরা লজ্জিত।
১ দিন আগে