রাকসু নির্বাচন
প্রায় ১৯ হাজার শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশের মেসগুলোতে ভাড়া নিয়ে থাকেন। অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের মতে, আবাসিক শিক্ষার্থীদের কাছে প্রার্থীরা যেভাবে পৌঁছাতে পারছেন, তাঁদের কাছে সেভাবে পৌঁছাতে পারছেন না।
স্ট্রিম সংবাদদাতা

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) অর্ধেকের বেশি শিক্ষার্থী অনাবাসিক। তবে প্রার্থীদের প্রচারণার বড় অংশই আবাসিক হলকেন্দ্রিক হওয়ায় অনাবাসিক শিক্ষার্থীরা প্রার্থীদের সম্পর্কে যথেষ্ট তথ্য পাননি। শিক্ষার্থীরা বলছেন, এর ফলে ভোটের দিন যোগ্য প্রতিনিধি নির্বাচনে বাধা সৃষ্টি হতে পারে।
রাবিতে বর্তমানে ১৮টি আবাসিক হল রয়েছে। এর মধ্যে ১১টি ছেলেদের ও ৬টি মেয়েদের। আছে একটি আন্তর্জাতিক ডরমেটরি। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট ভোটার সংখ্যা ২৮ হাজার ৯০১। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তর জানাচ্ছে, আবাসিক হলগুলোর ধারণক্ষমতা কেবল ১০ হাজার। প্রায় ১৯ হাজার শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশের মেসগুলোতে ভাড়া নিয়ে থাকেন। অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের মতে, আবাসিক শিক্ষার্থীদের কাছে প্রার্থীরা যেভাবে পৌঁছাতে পারছেন, তাঁদের কাছে সেভাবে পৌঁছাতে পারছেন না।
গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী সাকিব মল্লিক স্ট্রিমকে বলেন, ‘আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্ধেকের বেশি শিক্ষার্থী অনাবাসিক, যারা ক্যাম্পাসের আশেপাশে মেস বা বাড়ি ভাড়া করে থাকে। প্রার্থীরাও এটা জানেন। তারপরও আমরা দেখেছি যে তাঁদের প্রচারণা বেশিরভাগ হলো ক্যাম্পাসের মাঝে ও আবাসিক হলগুলোতে। বেশিরভাগ শিক্ষার্থী হলে থাকেন না, তাই অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা প্রার্থীদেরই বেশি থাকা উচিত ছিল। কিন্তু অত বেশি তৎপরতা আমি প্রার্থীদের মাঝে দেখিনি।’
ভোটারদের বিশাল অংশ অনাবাসিক শিক্ষার্থী। আবাসিক শিক্ষার্থীরা আমার কাছে যতটা গুরুত্বপূর্ণ, তারাও আমাদের কাছে সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের আশেপাশের মেসগুলোতে যাচ্ছি। মুনান হওলাদার, সহ মিডিয়া ও প্রকাশনা সম্পাদক পদপ্রার্থী, সর্বজনীন শিক্ষার্থী সংসদ
একই কথা বলেন পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ ফয়সাল রহমানও। তিনি স্ট্রিমকে বলেন, ‘আবাসিক শিক্ষার্থীদের সাথে তো প্রার্থীদের সারাক্ষণ যোগাযোগ হচ্ছে—হলে, ক্যান্টিনে, কিংবা আড্ডার জায়গায় দেখা হচ্ছে, কথা হচ্ছে। ফলে প্রার্থীরা তাঁদের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করতে পারছে, নিজেদের পরিকল্পনা ও লক্ষ্য সহজে তুলে ধরতে পারছে।’
ফয়সাল আরও বলেন, ‘অনাবাসিক শিক্ষার্থীরা সকালে ক্লাসে আসে, বিকেলেই বাসায় ফিরে যায়। প্রার্থীরা খুব সীমিত সময় তাঁদের সঙ্গে দেখা করতে পারে। ফলে অনেক শিক্ষার্থীই প্রার্থী, প্যানেল কিংবা নির্বাচনী ইস্যু সম্পর্কে খুব একটা জানেন না। ফলস্বরূপ, কাকে ভোট দেবেন, কোন প্যানেলের অবস্থান কী—এ বিষয়ে অনেকেই বিভ্রান্তিতে আছেন।
ম্যানেজমেন্ট বিভাগের শিক্ষার্থী নাজমুল হুদা স্ট্রিমকে বলেন, ‘আমার মনে হয়, আবাসিক শিক্ষার্থীদের কাছে প্রার্থীরা যেভাবে সক্রিয়ভাবে পৌঁছাতে পারছে, অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে সেটা অনেক সীমিত। তবে শুধু সময়ের অভাবই নয়, এখানে মানসিক দূরত্বও একটা বড় কারণ। আবাসিকরা সবসময় ক্যাম্পাসকেন্দ্রিক থাকায়, তারা নির্বাচন নিয়ে আগ্রহী। এটি নিয়ে আলোচনা করে, মতামত দেয়। কিন্তু অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের অনেকেই নির্বাচনী উত্তাপটাকে বাইরে থেকেই দেখছে—তাঁদের কাছে এটা একটু দূরের বিষয় মনে হয়।’
নাজমুল আরও বলেন, ‘প্রার্থীরাও অনেক সময় মনে করে অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের ভোট নিশ্চিত করা কঠিন, তাই তারা সেদিকে তেমন মনোযোগ দেয় না। অথচ ভোটের একটা বড় অংশই অনাবাসিকদের।’
ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অনাবাসিক শিক্ষার্থী তারিফুল ইসলাম স্ট্রিমকে বলেন, ‘আমরা যখন বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিই, তখন অনেক প্রার্থী আসেন, পরিচয় হয়। কয়েকজন প্রার্থী মেসগুলোতেও এসেছেন। তবুও দেখা যায়, অধিকাংশ প্রার্থী মূলত আবাসিক শিক্ষার্থীদের দিকে বেশি মনোযোগ দিচ্ছেন। আমরা চাই, প্রার্থীরাও আমাদের দিকে নজর দিন, মেসগুলোতে এসে সরাসরি আমাদের সঙ্গে কথা বলুক। এতে আমরা তাদের পরিকল্পনা ও লক্ষ্য ভালোভাবে জানতে পারব এবং সচেতনভাবে ভোট দিতে পারব।’
অনাবাসিক প্রার্থীদের কাছে পৌঁছানোর বিষয়ে সর্বজনীন শিক্ষার্থী সংসদের সহ মিডিয়া ও প্রকাশনা সম্পাদক পদপ্রার্থী মুনান হওলাদার স্ট্রিমকে বলেন, ‘ভোটারদের বিশাল অংশ অনাবাসিক শিক্ষার্থী। আবাসিক শিক্ষার্থীরা আমার কাছে যতটা গুরুত্বপূর্ণ, তারাও আমাদের কাছে সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের আশেপাশের মেসগুলোতে যাচ্ছি। সেখানে গিয়ে আমার লিফলেট পৌঁছে দিচ্ছি। তাঁদের সাথে পরিচিত হচ্ছি। তবে ছেলেদের মেসগুলোতে পৌঁছাতে পারলেও মেয়েদের মেসগুলোতে আমাদের এলাও করছে না। তো সেখানে একটা বড় গ্যাপ থেকেই যাচ্ছে।’
পূর্ণাঙ্গ তফসিল অনুযায়ী, আগামীকাল রাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে ভোট গণনা শেষে ফলাফল ঘোষণা করা হবে।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) অর্ধেকের বেশি শিক্ষার্থী অনাবাসিক। তবে প্রার্থীদের প্রচারণার বড় অংশই আবাসিক হলকেন্দ্রিক হওয়ায় অনাবাসিক শিক্ষার্থীরা প্রার্থীদের সম্পর্কে যথেষ্ট তথ্য পাননি। শিক্ষার্থীরা বলছেন, এর ফলে ভোটের দিন যোগ্য প্রতিনিধি নির্বাচনে বাধা সৃষ্টি হতে পারে।
রাবিতে বর্তমানে ১৮টি আবাসিক হল রয়েছে। এর মধ্যে ১১টি ছেলেদের ও ৬টি মেয়েদের। আছে একটি আন্তর্জাতিক ডরমেটরি। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট ভোটার সংখ্যা ২৮ হাজার ৯০১। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তর জানাচ্ছে, আবাসিক হলগুলোর ধারণক্ষমতা কেবল ১০ হাজার। প্রায় ১৯ হাজার শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশের মেসগুলোতে ভাড়া নিয়ে থাকেন। অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের মতে, আবাসিক শিক্ষার্থীদের কাছে প্রার্থীরা যেভাবে পৌঁছাতে পারছেন, তাঁদের কাছে সেভাবে পৌঁছাতে পারছেন না।
গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী সাকিব মল্লিক স্ট্রিমকে বলেন, ‘আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্ধেকের বেশি শিক্ষার্থী অনাবাসিক, যারা ক্যাম্পাসের আশেপাশে মেস বা বাড়ি ভাড়া করে থাকে। প্রার্থীরাও এটা জানেন। তারপরও আমরা দেখেছি যে তাঁদের প্রচারণা বেশিরভাগ হলো ক্যাম্পাসের মাঝে ও আবাসিক হলগুলোতে। বেশিরভাগ শিক্ষার্থী হলে থাকেন না, তাই অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা প্রার্থীদেরই বেশি থাকা উচিত ছিল। কিন্তু অত বেশি তৎপরতা আমি প্রার্থীদের মাঝে দেখিনি।’
ভোটারদের বিশাল অংশ অনাবাসিক শিক্ষার্থী। আবাসিক শিক্ষার্থীরা আমার কাছে যতটা গুরুত্বপূর্ণ, তারাও আমাদের কাছে সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের আশেপাশের মেসগুলোতে যাচ্ছি। মুনান হওলাদার, সহ মিডিয়া ও প্রকাশনা সম্পাদক পদপ্রার্থী, সর্বজনীন শিক্ষার্থী সংসদ
একই কথা বলেন পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ ফয়সাল রহমানও। তিনি স্ট্রিমকে বলেন, ‘আবাসিক শিক্ষার্থীদের সাথে তো প্রার্থীদের সারাক্ষণ যোগাযোগ হচ্ছে—হলে, ক্যান্টিনে, কিংবা আড্ডার জায়গায় দেখা হচ্ছে, কথা হচ্ছে। ফলে প্রার্থীরা তাঁদের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করতে পারছে, নিজেদের পরিকল্পনা ও লক্ষ্য সহজে তুলে ধরতে পারছে।’
ফয়সাল আরও বলেন, ‘অনাবাসিক শিক্ষার্থীরা সকালে ক্লাসে আসে, বিকেলেই বাসায় ফিরে যায়। প্রার্থীরা খুব সীমিত সময় তাঁদের সঙ্গে দেখা করতে পারে। ফলে অনেক শিক্ষার্থীই প্রার্থী, প্যানেল কিংবা নির্বাচনী ইস্যু সম্পর্কে খুব একটা জানেন না। ফলস্বরূপ, কাকে ভোট দেবেন, কোন প্যানেলের অবস্থান কী—এ বিষয়ে অনেকেই বিভ্রান্তিতে আছেন।
ম্যানেজমেন্ট বিভাগের শিক্ষার্থী নাজমুল হুদা স্ট্রিমকে বলেন, ‘আমার মনে হয়, আবাসিক শিক্ষার্থীদের কাছে প্রার্থীরা যেভাবে সক্রিয়ভাবে পৌঁছাতে পারছে, অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে সেটা অনেক সীমিত। তবে শুধু সময়ের অভাবই নয়, এখানে মানসিক দূরত্বও একটা বড় কারণ। আবাসিকরা সবসময় ক্যাম্পাসকেন্দ্রিক থাকায়, তারা নির্বাচন নিয়ে আগ্রহী। এটি নিয়ে আলোচনা করে, মতামত দেয়। কিন্তু অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের অনেকেই নির্বাচনী উত্তাপটাকে বাইরে থেকেই দেখছে—তাঁদের কাছে এটা একটু দূরের বিষয় মনে হয়।’
নাজমুল আরও বলেন, ‘প্রার্থীরাও অনেক সময় মনে করে অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের ভোট নিশ্চিত করা কঠিন, তাই তারা সেদিকে তেমন মনোযোগ দেয় না। অথচ ভোটের একটা বড় অংশই অনাবাসিকদের।’
ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অনাবাসিক শিক্ষার্থী তারিফুল ইসলাম স্ট্রিমকে বলেন, ‘আমরা যখন বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিই, তখন অনেক প্রার্থী আসেন, পরিচয় হয়। কয়েকজন প্রার্থী মেসগুলোতেও এসেছেন। তবুও দেখা যায়, অধিকাংশ প্রার্থী মূলত আবাসিক শিক্ষার্থীদের দিকে বেশি মনোযোগ দিচ্ছেন। আমরা চাই, প্রার্থীরাও আমাদের দিকে নজর দিন, মেসগুলোতে এসে সরাসরি আমাদের সঙ্গে কথা বলুক। এতে আমরা তাদের পরিকল্পনা ও লক্ষ্য ভালোভাবে জানতে পারব এবং সচেতনভাবে ভোট দিতে পারব।’
অনাবাসিক প্রার্থীদের কাছে পৌঁছানোর বিষয়ে সর্বজনীন শিক্ষার্থী সংসদের সহ মিডিয়া ও প্রকাশনা সম্পাদক পদপ্রার্থী মুনান হওলাদার স্ট্রিমকে বলেন, ‘ভোটারদের বিশাল অংশ অনাবাসিক শিক্ষার্থী। আবাসিক শিক্ষার্থীরা আমার কাছে যতটা গুরুত্বপূর্ণ, তারাও আমাদের কাছে সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের আশেপাশের মেসগুলোতে যাচ্ছি। সেখানে গিয়ে আমার লিফলেট পৌঁছে দিচ্ছি। তাঁদের সাথে পরিচিত হচ্ছি। তবে ছেলেদের মেসগুলোতে পৌঁছাতে পারলেও মেয়েদের মেসগুলোতে আমাদের এলাও করছে না। তো সেখানে একটা বড় গ্যাপ থেকেই যাচ্ছে।’
পূর্ণাঙ্গ তফসিল অনুযায়ী, আগামীকাল রাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে ভোট গণনা শেষে ফলাফল ঘোষণা করা হবে।

নাটোরের লালপুর ও বাগাতিপাড়া উপজেলা নিয়ে গঠিত নাটোর-১ আসন। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এই আসনের ভোটাররা প্রার্থীদের যোগ্যতা, অবদান ও অঙ্গীকারের হিসাব মেলাতে শুরু করেছেন।
২৯ মিনিট আগে
আসিফ মাহমুদ বলেছেন, ‘৫ আগস্টের আগে ১৭ বছর মানুষকে অত্যাচার, নিপীড়ন, খুন-গুম, জেলখানায় অত্যাচার করা হয়েছে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর ঠিক তার একটা ডেমো ১৬ মাসে আমরা দেখেছি। ...গ্রামের অলি-গলি থেকে শুরু করে শহর ও রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যন্ত চাঁদাবাজি এবং সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করা হয়েছে।’
১ ঘণ্টা আগে
ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের নির্বাচনে বৈধতা দেওয়ার প্রতিবাদে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অভিমুখে পদযাত্রার (মার্চ) কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ‘জুলাই ঐক্য’।
১ ঘণ্টা আগে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) একসময় ‘বেশ্যাখানা ও মাদকের আড্ডা’ ছিল বলে মন্তব্য করেছেন বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি মো. শামীম আহসান।
৩ ঘণ্টা আগে