স্ট্রিম সংবাদদাতা

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের পদত্যাগ দাবি করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) চট্টগ্রাম মহানগর শাখা।
দলটির দাবি, রাজনৈতিক দলের একজন সক্রিয় নেতা হয়েও মেয়র পদে বহাল থাকলে নির্বাচনে সমান সুযোগ বা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।
আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) নগরীর দুই নম্বর গেট বিপ্লব উদ্যানে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।
লিখিত বক্তব্যে এনসিপি চট্টগ্রাম মহানগরের যুগ্ম সমন্বয়কারী মোহাম্মদ এরফানুল হক বলেন, ‘আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চসিক মেয়র পদে ডা. শাহাদাত হোসেনের বহাল থাকা নিয়ে জনমনে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এতে ভোটারদের মধ্যেও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র পদ একটি গুরুত্বপূর্ণ ও প্রভাবশালী দায়িত্ব। অথচ এ পদে অধিষ্ঠিত থেকেও তিনি বিএনপির প্রার্থীদের বিভিন্ন নির্বাচনি কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন। বর্তমানে সিটি করপোরেশন এলাকার চারটি সংসদীয় আসনেই বিএনপির প্রার্থী রয়েছেন। এ অবস্থায় দলীয় মনোনীত একজন ব্যক্তি মেয়র পদে বহাল থাকলে নির্বাচন নিরপেক্ষ রাখা কঠিন হয়ে পড়বে।’
সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচনের নিরপেক্ষতা রক্ষায় অতীতের দৃষ্টান্ত তুলে ধরে এনসিপির পক্ষ থেকে বলা হয়, স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ ও তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম নির্বাচনকে সামনে রেখে আগেই তাঁদের পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। একই বাস্তবতায় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়রেরও পদত্যাগ করা উচিত।
এনসিপির নেতারা আরও জানান, আগামী ২৫ জানুয়ারি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের চট্টগ্রাম পলোগ্রাউন্ডের সমাবেশ সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করছেন মেয়র শাহাদাত হোসেন। একজন সক্রিয় রাজনৈতিক নেতার এমন ভূমিকা নির্বাচনি পরিবেশকে প্রভাবিত করতে পারে বলেও তারা দাবি করেন।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, চলতি মাসের ২৭ জানুয়ারি মেয়রের মেয়াদ শেষ হলেও ২২ জানুয়ারি থেকে সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীদের প্রচারণা শুরু হবে। এই সময়ে মেয়র পদে তাঁর অবস্থান চট্টগ্রামের নির্বাচনি পরিবেশে প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করে দলটি।
এ ছাড়া চট্টগ্রামের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ জানায় এনসিপি। দলটির নেতারা বলেন, সম্প্রতি চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের এক বিজ্ঞপ্তিতে ৩৩২ জন সন্ত্রাসীকে নগরী ত্যাগের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের ঘটনায় দায়ের করা মামলার আসামি ও শীর্ষ সন্ত্রাসীদের নাম রয়েছে বলে দাবি করা হয়।
এনসিপির মতে, সন্ত্রাসীদের এলাকা ছাড়ার পরামর্শ আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব এড়ানোর শামিল। দলটির প্রশ্ন—সন্ত্রাসীদের পরিচয় ও অবস্থান জানা থাকলে কেন তাদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না।
সংবাদ সম্মেলনে অবিলম্বে সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে বলা হয়, অন্যথায় আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থী, ভোটার ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার স্বার্থে কঠোর কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হবে এনসিপি।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন এনসিপি চট্টগ্রাম মহানগরের যুগ্ম সমন্বয়কারী আরিফ মঈনুদ্দিন, জোবাইর হোছাইন, নিজাম উদ্দিন, জসিম উদ্দিনসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের পদত্যাগ দাবি করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) চট্টগ্রাম মহানগর শাখা।
দলটির দাবি, রাজনৈতিক দলের একজন সক্রিয় নেতা হয়েও মেয়র পদে বহাল থাকলে নির্বাচনে সমান সুযোগ বা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।
আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) নগরীর দুই নম্বর গেট বিপ্লব উদ্যানে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।
লিখিত বক্তব্যে এনসিপি চট্টগ্রাম মহানগরের যুগ্ম সমন্বয়কারী মোহাম্মদ এরফানুল হক বলেন, ‘আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চসিক মেয়র পদে ডা. শাহাদাত হোসেনের বহাল থাকা নিয়ে জনমনে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এতে ভোটারদের মধ্যেও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র পদ একটি গুরুত্বপূর্ণ ও প্রভাবশালী দায়িত্ব। অথচ এ পদে অধিষ্ঠিত থেকেও তিনি বিএনপির প্রার্থীদের বিভিন্ন নির্বাচনি কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন। বর্তমানে সিটি করপোরেশন এলাকার চারটি সংসদীয় আসনেই বিএনপির প্রার্থী রয়েছেন। এ অবস্থায় দলীয় মনোনীত একজন ব্যক্তি মেয়র পদে বহাল থাকলে নির্বাচন নিরপেক্ষ রাখা কঠিন হয়ে পড়বে।’
সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচনের নিরপেক্ষতা রক্ষায় অতীতের দৃষ্টান্ত তুলে ধরে এনসিপির পক্ষ থেকে বলা হয়, স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ ও তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম নির্বাচনকে সামনে রেখে আগেই তাঁদের পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। একই বাস্তবতায় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়রেরও পদত্যাগ করা উচিত।
এনসিপির নেতারা আরও জানান, আগামী ২৫ জানুয়ারি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের চট্টগ্রাম পলোগ্রাউন্ডের সমাবেশ সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করছেন মেয়র শাহাদাত হোসেন। একজন সক্রিয় রাজনৈতিক নেতার এমন ভূমিকা নির্বাচনি পরিবেশকে প্রভাবিত করতে পারে বলেও তারা দাবি করেন।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, চলতি মাসের ২৭ জানুয়ারি মেয়রের মেয়াদ শেষ হলেও ২২ জানুয়ারি থেকে সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীদের প্রচারণা শুরু হবে। এই সময়ে মেয়র পদে তাঁর অবস্থান চট্টগ্রামের নির্বাচনি পরিবেশে প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করে দলটি।
এ ছাড়া চট্টগ্রামের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ জানায় এনসিপি। দলটির নেতারা বলেন, সম্প্রতি চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের এক বিজ্ঞপ্তিতে ৩৩২ জন সন্ত্রাসীকে নগরী ত্যাগের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের ঘটনায় দায়ের করা মামলার আসামি ও শীর্ষ সন্ত্রাসীদের নাম রয়েছে বলে দাবি করা হয়।
এনসিপির মতে, সন্ত্রাসীদের এলাকা ছাড়ার পরামর্শ আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব এড়ানোর শামিল। দলটির প্রশ্ন—সন্ত্রাসীদের পরিচয় ও অবস্থান জানা থাকলে কেন তাদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না।
সংবাদ সম্মেলনে অবিলম্বে সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে বলা হয়, অন্যথায় আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থী, ভোটার ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার স্বার্থে কঠোর কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হবে এনসিপি।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন এনসিপি চট্টগ্রাম মহানগরের যুগ্ম সমন্বয়কারী আরিফ মঈনুদ্দিন, জোবাইর হোছাইন, নিজাম উদ্দিন, জসিম উদ্দিনসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল নিপীড়ন, বৈষম্য ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে দেশের মানুষের ঐক্যবদ্ধ অবস্থানের বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেছেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু। তিনি জানান, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটদাতাদের ঐক্যবদ্ধ করে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে কাজ করা হবে।
১৩ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) পুশইন এবং সীমান্ত হত্যার প্রতিবাদে শুক্রবার (১২ জুন) দেশের সীমান্তবর্তী সব জেলা ও পয়েন্টে প্রতিবাদ সমাবেশ করবে জামায়াত-এনসিপিসহ ১১ দলীয় ঐক্য।
১৮ ঘণ্টা আগে
ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের বিরুদ্ধে সরকারি টাকায় নির্বাচনী প্রচার চালানোর অভিযোগ তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা। রাজধানীর নাখালপাড়ার মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেলে এনসিপির বৃক্ষ বিতরণ কর্মসূচিতে এমন মন্তব্য করেন তারা।
১ দিন আগে
জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৮ লাখ ৩৯ হাজার ৫০৫ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব দিয়েছে। জিডিপি ১২ দশমিক ১৪ শতাংশের সমান এই বাজেটকে তারা জনমুখী ও বাস্তবসম্মত বলে দাবি করেছে।
২ দিন আগে