শেষ হচ্ছে ডা. শফিকুর রহমানের মেয়াদ
স্ট্রিম প্রতিবেদক

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগেই দলীয় প্রধান নির্বাচন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির বর্তমান আমির ডা. শফিকুর রহমান এ বছরই নিজের মেয়াদকাল শেষ করতে যাচ্ছেন। আগামী মাসেই আমির নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু করতে যাচ্ছে দলটি।
জামায়াতের একাধিক সূত্র স্ট্রিমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। ডিসেম্বরের ভেতর পুরো প্রক্রিয়া শেষ করে আনার কথা জানিয়েছেন দলের একাধিক কেন্দ্রীয় নেতা। তাঁরা বলছেন, নতুন আমিরের নেতৃত্বে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন করতে চায় জামায়াত।
আজ রবিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) জামায়াত আমিরের বসুন্ধরার কার্যালয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ইলেকশন অবজারভেশন মিশনের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক করেন জামায়াত নেতারা। সেখানে দলের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ কেন্দ্রীয় নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। ওই বৈঠকে জামায়াতের আমির নির্বাচনের প্রক্রিয়া নিয়ে আলাপ ওঠে। বৈঠকে উপস্থিত অন্তত দুজন নেতা স্ট্রিমকে জানান, অক্টোবর থেকেই আমির নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু করতে যাচ্ছে জামায়াত।
দেশের সবগুলো জেলার রুকনদের (সদস্য) প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে আমির নির্বাচন করে থাকে জামায়াত। ফলে প্রক্রিয়াটি শেষ করে আনতে সময় লাগে। এ কারণে দলের ভেতর কয়েক মাস ধরে নির্বাচনী কার্যক্রম চলতে থাকে। পুরো প্রক্রিয়াটি নিবিড়ভাবে সম্পন্ন করে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে দলের অভ্যন্তরীণ নির্বাচন কমিশন।
কমিশনের সঙ্গে যুক্ত একজন নেতা স্ট্রিমকে বলেন, ‘জামায়াতের জন্ম থেকে একই প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। আমাদের কেন্দ্রীয় অর্গানাইজেশনে তিন বছরের জন্য আর জেলা অর্গানাইজেশনে দুই বছরের জন্য আমির নির্বাচন করা হয়। কখনোই এর ব্যত্যয় ঘটেনি। কোনো পরিস্থিতিই এটাকে স্টপ করায়নি। এটাই আমাদের গঠনতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। এই হিসেবে অক্টোবরেই আমরা নতুন আমির নতুন সেটাপ শুরু করতে যাচ্ছি। প্রথমেই আমির নির্বাচন করা হবে।’
জামায়াত কীভাবে দলের আমির নির্বাচন করতে যাচ্ছে, জানতে চাইলে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য মোবারাক হোসাইন স্ট্রিমকে জানান, অতীতে বৈরী পরিবেশেও মেয়াদ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমির নির্বাচন করা হয়েছে। আগামী জানুয়ারিতে নতুন আমির দায়িত্ব গ্রহণের কথা রয়েছে। তিনি বলেন, এটা একটা লং টাইম প্রসেস। এই প্রক্রিয়ায় এক-দেড় মাস সময় চলে যায়।
মোবারাক হোসাইন জানান, জামায়াতের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী একজন একাধিকবার আমির হতে পারেন। ফলে বর্তমান আমিরেরও আবার নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ রয়েছে। তবে তাঁর মতে, আগে থেকে কোনোভাবেই বলা সম্ভব নয় কে আমির নির্বাচিত হবেন।
২০১৬ সালে ৩ বছরের জন্য ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল থেকে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল নিযুক্ত হন ডা. শফিকুর রহমান। পরে ২০১৯ সালের ১২ নভেম্বর প্রথমবার আমির নির্বাচিত হন তিনি। ওই বছরের ৫ ডিসেম্বর ২০২০-২০২২ কার্যকালের জন্য আমির হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। ২০২২ সালের ২৭ অক্টোবর পরবর্তী তিন বছরের জন্য দ্বিতীয় মেয়াদে আমির নির্বাচিত হন ডা. শফিকুর রহমান। এবারও নির্বাচিত হলে এটি হবে আমির হিসেবে তাঁর তৃতীয়বার দায়িত্ব গ্রহণ।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগেই দলীয় প্রধান নির্বাচন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির বর্তমান আমির ডা. শফিকুর রহমান এ বছরই নিজের মেয়াদকাল শেষ করতে যাচ্ছেন। আগামী মাসেই আমির নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু করতে যাচ্ছে দলটি।
জামায়াতের একাধিক সূত্র স্ট্রিমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। ডিসেম্বরের ভেতর পুরো প্রক্রিয়া শেষ করে আনার কথা জানিয়েছেন দলের একাধিক কেন্দ্রীয় নেতা। তাঁরা বলছেন, নতুন আমিরের নেতৃত্বে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন করতে চায় জামায়াত।
আজ রবিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) জামায়াত আমিরের বসুন্ধরার কার্যালয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ইলেকশন অবজারভেশন মিশনের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক করেন জামায়াত নেতারা। সেখানে দলের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ কেন্দ্রীয় নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। ওই বৈঠকে জামায়াতের আমির নির্বাচনের প্রক্রিয়া নিয়ে আলাপ ওঠে। বৈঠকে উপস্থিত অন্তত দুজন নেতা স্ট্রিমকে জানান, অক্টোবর থেকেই আমির নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু করতে যাচ্ছে জামায়াত।
দেশের সবগুলো জেলার রুকনদের (সদস্য) প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে আমির নির্বাচন করে থাকে জামায়াত। ফলে প্রক্রিয়াটি শেষ করে আনতে সময় লাগে। এ কারণে দলের ভেতর কয়েক মাস ধরে নির্বাচনী কার্যক্রম চলতে থাকে। পুরো প্রক্রিয়াটি নিবিড়ভাবে সম্পন্ন করে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে দলের অভ্যন্তরীণ নির্বাচন কমিশন।
কমিশনের সঙ্গে যুক্ত একজন নেতা স্ট্রিমকে বলেন, ‘জামায়াতের জন্ম থেকে একই প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। আমাদের কেন্দ্রীয় অর্গানাইজেশনে তিন বছরের জন্য আর জেলা অর্গানাইজেশনে দুই বছরের জন্য আমির নির্বাচন করা হয়। কখনোই এর ব্যত্যয় ঘটেনি। কোনো পরিস্থিতিই এটাকে স্টপ করায়নি। এটাই আমাদের গঠনতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। এই হিসেবে অক্টোবরেই আমরা নতুন আমির নতুন সেটাপ শুরু করতে যাচ্ছি। প্রথমেই আমির নির্বাচন করা হবে।’
জামায়াত কীভাবে দলের আমির নির্বাচন করতে যাচ্ছে, জানতে চাইলে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য মোবারাক হোসাইন স্ট্রিমকে জানান, অতীতে বৈরী পরিবেশেও মেয়াদ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমির নির্বাচন করা হয়েছে। আগামী জানুয়ারিতে নতুন আমির দায়িত্ব গ্রহণের কথা রয়েছে। তিনি বলেন, এটা একটা লং টাইম প্রসেস। এই প্রক্রিয়ায় এক-দেড় মাস সময় চলে যায়।
মোবারাক হোসাইন জানান, জামায়াতের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী একজন একাধিকবার আমির হতে পারেন। ফলে বর্তমান আমিরেরও আবার নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ রয়েছে। তবে তাঁর মতে, আগে থেকে কোনোভাবেই বলা সম্ভব নয় কে আমির নির্বাচিত হবেন।
২০১৬ সালে ৩ বছরের জন্য ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল থেকে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল নিযুক্ত হন ডা. শফিকুর রহমান। পরে ২০১৯ সালের ১২ নভেম্বর প্রথমবার আমির নির্বাচিত হন তিনি। ওই বছরের ৫ ডিসেম্বর ২০২০-২০২২ কার্যকালের জন্য আমির হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। ২০২২ সালের ২৭ অক্টোবর পরবর্তী তিন বছরের জন্য দ্বিতীয় মেয়াদে আমির নির্বাচিত হন ডা. শফিকুর রহমান। এবারও নির্বাচিত হলে এটি হবে আমির হিসেবে তাঁর তৃতীয়বার দায়িত্ব গ্রহণ।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে তৃণমূল গোছাচ্ছে বিএনপি। দলীয় প্রতীকবিহীন নির্বাচনে দলটি একক প্রার্থী নিশ্চিত করতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। এরই অংশ হিসেবে স্থানীয় নেতাদের দলের পদ অথবা জনপ্রতিনিধি– দুটির যেকোনো একটি বেছে নিতে বলা হয়েছে।
২৬ মিনিট আগে
সংবিধান অনুযায়ী যথাসময়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। জামায়াতে ইসলামীকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, বিএনপিকে যারা ফ্যাসিবাদী বলেন, তাদের জ্ঞানের অভাব রয়েছে। তাদের মাইনসেটটাই সেভাবে তৈরি হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
সরকার আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়েছে বলে দাবি করেছেন জাতীয় নারী শক্তির সদস্যসচিব ডা. মাহমুদা মিতু। তিনি বলেন, ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আওয়ামী লীগ দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। এখন সেই জায়গা বিএনপি দখল করেছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
দেশ থেকে ফ্যাসিবাদ, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও দুঃশাসন দূর না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্রতর হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, মুক্তির মঞ্জিলের আন্দোলন গন্তব্যে না পৌঁছানো পর্যন্ত আমরা থামব না।
২৫ জুলাই ২০২৬