স্ট্রিম প্রতিবেদক

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে (ডিএসসিসি) যোগ্য, সৎ ও জনমুখী নেতৃত্ব গড়ে তোলার লক্ষ্যে সম্ভাব্য কাউন্সিলর প্রার্থী খুঁজছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
দলের ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার পক্ষ থেকে ডিএসসিসির আওতাধীন ৭৫টি সাধারণ ওয়ার্ড এবং ২৫টি সংরক্ষিত মহিলা আসনের জন্য ইচ্ছুক প্রার্থীদের স্বতঃস্ফূর্তভাবে যোগাযোগ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) এনসিপির ঢাকা মহানগর দক্ষিণের দপ্তর সম্পাদক আসিফ উদ্দিন সম্রাটের সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, এনসিপি বিশ্বাস করে– নগর পরিচালনায় দক্ষ, সৎ ও জনগণের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত নেতৃত্বই একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জবাবদিহিমূলক শহর গঠনে ভূমিকা রাখতে পারে।
জনগণের অংশগ্রহণমূলক রাজনীতি এবং যোগ্য নেতৃত্বের সমন্বয়ে ঢাকাকে একটি নিরাপদ ও মানবিক নগরীতে রূপান্তর করার লক্ষ্যে তৃণমূল থেকে পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির ব্যক্তিদের সামনে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।
এনসিপি সম্ভাব্য প্রার্থীদের জন্য বেশ কিছু মানদণ্ড নির্ধারণ করেছে। সেগুলো হলো– জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় অংশগ্রহণের অভিজ্ঞতা; সৎ, স্বচ্ছ ও দায়িত্বশীল নেতৃত্বের মানসিকতা; নিজ নিজ ওয়ার্ডে সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা ও জনপ্রিয়তা; নগর সমস্যা এবং নাগরিক সেবার বিষয়ে সুস্পষ্ট ধারণা ও কাজ করার আগ্রহ।
আগ্রহীদের নির্ধারিত ফরমে প্রয়োজনীয় তথ্যসহ সংক্ষিপ্ত জীবনবৃত্তান্ত, রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের বিবরণ জমা দিতে হবে। একইসঙ্গে নির্বাচিত হলে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডে কী ধরনের উন্নয়নমূলক কাজ করতে চান, তার একটি সুস্পষ্ট পরিকল্পনাও জমা দেওয়ার অনুরোধ করেছে এনসিপি। পরে দলের পক্ষ থেকে যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে যোগ্য প্রার্থীদের চূড়ান্ত করা হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
আবেদন প্রক্রিয়া ও অন্যান্য বিষয়ে বিস্তারিত জানতে আগ্রহীদের বাংলামটরের রূপায়ন ট্রেড সেন্টারে এনসিপির অস্থায়ী কার্যালয় অথবা ই-মেইল ([email protected]) ও হটলাইন নম্বরে (+৮৮ ০১৩২১ ২১৪ ২১৪) যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে (ডিএসসিসি) যোগ্য, সৎ ও জনমুখী নেতৃত্ব গড়ে তোলার লক্ষ্যে সম্ভাব্য কাউন্সিলর প্রার্থী খুঁজছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
দলের ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার পক্ষ থেকে ডিএসসিসির আওতাধীন ৭৫টি সাধারণ ওয়ার্ড এবং ২৫টি সংরক্ষিত মহিলা আসনের জন্য ইচ্ছুক প্রার্থীদের স্বতঃস্ফূর্তভাবে যোগাযোগ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) এনসিপির ঢাকা মহানগর দক্ষিণের দপ্তর সম্পাদক আসিফ উদ্দিন সম্রাটের সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, এনসিপি বিশ্বাস করে– নগর পরিচালনায় দক্ষ, সৎ ও জনগণের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত নেতৃত্বই একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জবাবদিহিমূলক শহর গঠনে ভূমিকা রাখতে পারে।
জনগণের অংশগ্রহণমূলক রাজনীতি এবং যোগ্য নেতৃত্বের সমন্বয়ে ঢাকাকে একটি নিরাপদ ও মানবিক নগরীতে রূপান্তর করার লক্ষ্যে তৃণমূল থেকে পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির ব্যক্তিদের সামনে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।
এনসিপি সম্ভাব্য প্রার্থীদের জন্য বেশ কিছু মানদণ্ড নির্ধারণ করেছে। সেগুলো হলো– জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় অংশগ্রহণের অভিজ্ঞতা; সৎ, স্বচ্ছ ও দায়িত্বশীল নেতৃত্বের মানসিকতা; নিজ নিজ ওয়ার্ডে সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা ও জনপ্রিয়তা; নগর সমস্যা এবং নাগরিক সেবার বিষয়ে সুস্পষ্ট ধারণা ও কাজ করার আগ্রহ।
আগ্রহীদের নির্ধারিত ফরমে প্রয়োজনীয় তথ্যসহ সংক্ষিপ্ত জীবনবৃত্তান্ত, রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের বিবরণ জমা দিতে হবে। একইসঙ্গে নির্বাচিত হলে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডে কী ধরনের উন্নয়নমূলক কাজ করতে চান, তার একটি সুস্পষ্ট পরিকল্পনাও জমা দেওয়ার অনুরোধ করেছে এনসিপি। পরে দলের পক্ষ থেকে যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে যোগ্য প্রার্থীদের চূড়ান্ত করা হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
আবেদন প্রক্রিয়া ও অন্যান্য বিষয়ে বিস্তারিত জানতে আগ্রহীদের বাংলামটরের রূপায়ন ট্রেড সেন্টারে এনসিপির অস্থায়ী কার্যালয় অথবা ই-মেইল ([email protected]) ও হটলাইন নম্বরে (+৮৮ ০১৩২১ ২১৪ ২১৪) যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

শহীদ শরিফ ওসমান হাদির ঘাতকদের দেশে এনে বিচারের মুখোমুখি করার দাবি জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
৪ ঘণ্টা আগে
আমির ডা. শফিকুর রহমানের পররাষ্ট্র উপদেষ্টাকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পদায়নের জন্য চিঠির ব্যাখ্যা দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী।
৫ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নির্বাচনের পর বিএনপির সহিংসতায় নিন্দা জানিয়ে রাজনৈতিক সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ নষ্টের দায় দলটিকে নিতে হবে বলে জানিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) এক সংবাদ বিবৃতিতে একথা জানায় দলটি।
৭ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম বলেছেন, এ সরকারের বৈধতা জুলাই গণ-অভ্যুত্থান। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বৈধতাও ছিল গণ-অভ্যুত্থান। যদি সরকার পুরোনো সংবিধানের দোহাই দিয়ে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করে, তাহলে এই সরকারের বৈধতা প্রশ্নবিদ্ধ হবে।
১ দিন আগে