স্ট্রিম প্রতিবেদক

দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে জরুরি বৈঠক করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সর্বোচ্চ নেতারা। আজ সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে বেলা ১১টায় রাজধানীর ভাটারায় জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানের বাসভবনে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দলের সব নায়েবে আমির, সেক্রেটারি জেনারেল, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেলসহ নির্বাহী পরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
জামায়াতের কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের সদস্য মুজিবুল আলম জানিয়েছেন, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা ছাড়াও বৈঠকে জুলাই জাতীয় সনদকে আইনি ভিত্তি প্রদান ও এর আলোকে জাতীয় সংসদ নির্বাচন করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন নেতারা।
নির্বাচনের আগে সব রাজনৈতিক দলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিতকরণ ও পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে জামায়াতের নেতারা তাদের দৃঢ় অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন বলেও জানিয়েছেন মুজিবুল আলম।
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে তিনটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে গতকাল রোববার বৈঠক করেন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে অংশ নেন জামায়াতের চার নেতা। ওই বৈঠকের পরেই আজ জামায়াত তাঁর সর্বোচ্চ নেতাদের নিয়ে বৈঠক করলো।
গতকাল সরকার প্রধানের সঙ্গে বৈঠক শেষ সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে জুলাই ঘোষণাপত্রের সমালোচনা করে জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের বলেছিলেন, ‘৫ আগস্টে যে জুলাই ঘোষণাপত্র দেওয়া হয়েছে, সেটি সবার সঙ্গে আলোচনা করে ঐকমত্যের ভিত্তিতে হয়নি। সেখানে কিছু বিষয় অন্তর্বর্তী সরকার অ্যাভয়েড করেছে এবং সেটি অনিরপেক্ষ, অসম্পূর্ণ।’
সরকার একটি চাপের মুখে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা দিতে বাধ্য হয়েছে বলেও দাবি করেন ডা. তাহের। তিনি জানান, নির্বাচনের তারিখের ব্যাপারে তাদের কোনো দ্বিধা নেই। তবে জুলাই চার্টার বাস্তবায়ন না করে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা এক ধরনের ভুল সিদ্ধান্ত বলে মনে করে জামায়াত।

দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে জরুরি বৈঠক করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সর্বোচ্চ নেতারা। আজ সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে বেলা ১১টায় রাজধানীর ভাটারায় জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানের বাসভবনে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দলের সব নায়েবে আমির, সেক্রেটারি জেনারেল, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেলসহ নির্বাহী পরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
জামায়াতের কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের সদস্য মুজিবুল আলম জানিয়েছেন, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা ছাড়াও বৈঠকে জুলাই জাতীয় সনদকে আইনি ভিত্তি প্রদান ও এর আলোকে জাতীয় সংসদ নির্বাচন করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন নেতারা।
নির্বাচনের আগে সব রাজনৈতিক দলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিতকরণ ও পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে জামায়াতের নেতারা তাদের দৃঢ় অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন বলেও জানিয়েছেন মুজিবুল আলম।
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে তিনটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে গতকাল রোববার বৈঠক করেন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে অংশ নেন জামায়াতের চার নেতা। ওই বৈঠকের পরেই আজ জামায়াত তাঁর সর্বোচ্চ নেতাদের নিয়ে বৈঠক করলো।
গতকাল সরকার প্রধানের সঙ্গে বৈঠক শেষ সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে জুলাই ঘোষণাপত্রের সমালোচনা করে জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের বলেছিলেন, ‘৫ আগস্টে যে জুলাই ঘোষণাপত্র দেওয়া হয়েছে, সেটি সবার সঙ্গে আলোচনা করে ঐকমত্যের ভিত্তিতে হয়নি। সেখানে কিছু বিষয় অন্তর্বর্তী সরকার অ্যাভয়েড করেছে এবং সেটি অনিরপেক্ষ, অসম্পূর্ণ।’
সরকার একটি চাপের মুখে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা দিতে বাধ্য হয়েছে বলেও দাবি করেন ডা. তাহের। তিনি জানান, নির্বাচনের তারিখের ব্যাপারে তাদের কোনো দ্বিধা নেই। তবে জুলাই চার্টার বাস্তবায়ন না করে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা এক ধরনের ভুল সিদ্ধান্ত বলে মনে করে জামায়াত।

বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটিতে জায়গা পেয়েছেন চার নেতা। শনিবার (১৫ আগস্ট) দলের সহদপ্তর সম্পাদক মুহাম্মদ মুনির হোসেনের সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
৬ ঘণ্টা আগে
শোকাবহ ১৫ আগস্ট আজ। স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৫১তম শাহাদাতবার্ষিকী। গত দুই বছরের মতো এবারো দিনটিতে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে নেই কোনো আনুষ্ঠানিকতা। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগও কোনো কর্মসূচি দেয়নি।
১২ ঘণ্টা আগে
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন প্রয়াত খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন আজ। বিএনপি নেতাকর্মীরা দিনটিতে ২০১৬ সাল থেকে কোনো কর্মসূচির পরিবর্তে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল করে আসছেন। শনিবারও কেক কেটে জন্মদিন পালন না করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
১২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, বিএনপি সরকারে ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত খাম্বা ছিল কিন্তু বিদ্যুৎ ছিল না। এখনো একই দশা। মাত্র পাঁচ মাসেই লোডশেডিংয়ের রেকর্ড ভেঙেছে এই সরকার।
১৪ আগস্ট ২০২৬