স্ট্রিম প্রতিবেদক

এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের নির্বাচনী হলফনামাসংক্রান্ত কিছু তথ্যবিভ্রান্তি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় তা নিয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছে দলটির যুগ্ম সদস্যসচিব তামীম আহমেদ।
গতকাল শুক্রবার দেওয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তামীম আহমেদ জানান, নাহিদ ইসলামের অন্তবর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা পদে থাকাকালীন বেতন-ভাতা থেকে মোট আয় ছিল ১১ লাখ ৩৬ হাজার ৭৯ টাকা। সাত মাস উপদেষ্টা পদে থেকে গড়ে মাসিক ১ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকা হিসেবে তিনি এই অর্থ আয় করেন। উপদেষ্টা পদ থেকে পদত্যাগ করার পর একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে পরামর্শক হিসেবে মাসিক ১ লাখ টাকা সম্মানিতে কাজ শুরু করেন।'
তামীম আরও জানান, উপদেষ্টা থাকার সময় এবং পরামর্শক পেশার আয় থেকে মোট ১৬ লক্ষ টাকা আয় করেন নাহিদ। আয়ের সব তথ্য তার আয়কর রিটার্নে সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করা আছে।
হলফনামায় নাহিদ ইসলামের বর্তমান সম্পত্তির পরিমাণ উল্লেখ করা ৩২ লক্ষ ১৬ হাজার ১২২ টাকা। যা তাঁর উপদেষ্টা এবং পরামর্শক পদে থেকে আয়, হাতে থাকা নগদ অর্থ, ইতিপূর্বে করা সেভিংস, বিভিন্ন অনুষ্ঠান এবং বিয়েতে আত্মীয় স্বজন থেকে প্রাপ্ত আর্থিক এবং স্বর্ণলংকারের উপহারের বর্তমান বাজার মূল্যের সমষ্টি বলে জানান তামীম।
তামীম আরও জানান, কোথাও নাহিদ ইসলামের পেশা শিক্ষকতা দেখানো হয়নি এবং এটা স্পষ্টতই একটি অপতথ্য। হলফনামায় তাঁর বর্তমান পেশা হিসেবে পরামর্শক এবং পূর্বতন পেশা হিসেবে বাংলাদেশ সরকারের উপদেষ্টা পদ উল্লেখ করা আছে। এছাড়া তিনি গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে পদত্যাগ করার সময় তার সোনালী ব্যাংকের একটিমাত্র একাউন্টে ১০ হাজার ৬৯৮ টাকা জমা ছিলো বলে পাবলিক পোস্টে জানিয়েছিলেন।
হলফনামার তথ্য অনুযায়ী সে একই একাউন্টে তার বর্তমান জমার পরিমাণ ৩ লাখ ৮৫ হাজার ৩৬৩ টাকা ৫৭ পয়সা। সোনালী ব্যাংকের এই একটি মাত্র অ্যাকাউন্ট এবং নির্বাচনী ব্যয় নির্বাহের জন্য ২৮ ডিসেম্বরে সিটি ব্যাংকে খোলা অ্যাকাউন্টটি ছাড়া বর্তমানে নাহিদ ইসলামের আর কোন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নেই।

এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের নির্বাচনী হলফনামাসংক্রান্ত কিছু তথ্যবিভ্রান্তি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় তা নিয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছে দলটির যুগ্ম সদস্যসচিব তামীম আহমেদ।
গতকাল শুক্রবার দেওয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তামীম আহমেদ জানান, নাহিদ ইসলামের অন্তবর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা পদে থাকাকালীন বেতন-ভাতা থেকে মোট আয় ছিল ১১ লাখ ৩৬ হাজার ৭৯ টাকা। সাত মাস উপদেষ্টা পদে থেকে গড়ে মাসিক ১ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকা হিসেবে তিনি এই অর্থ আয় করেন। উপদেষ্টা পদ থেকে পদত্যাগ করার পর একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে পরামর্শক হিসেবে মাসিক ১ লাখ টাকা সম্মানিতে কাজ শুরু করেন।'
তামীম আরও জানান, উপদেষ্টা থাকার সময় এবং পরামর্শক পেশার আয় থেকে মোট ১৬ লক্ষ টাকা আয় করেন নাহিদ। আয়ের সব তথ্য তার আয়কর রিটার্নে সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করা আছে।
হলফনামায় নাহিদ ইসলামের বর্তমান সম্পত্তির পরিমাণ উল্লেখ করা ৩২ লক্ষ ১৬ হাজার ১২২ টাকা। যা তাঁর উপদেষ্টা এবং পরামর্শক পদে থেকে আয়, হাতে থাকা নগদ অর্থ, ইতিপূর্বে করা সেভিংস, বিভিন্ন অনুষ্ঠান এবং বিয়েতে আত্মীয় স্বজন থেকে প্রাপ্ত আর্থিক এবং স্বর্ণলংকারের উপহারের বর্তমান বাজার মূল্যের সমষ্টি বলে জানান তামীম।
তামীম আরও জানান, কোথাও নাহিদ ইসলামের পেশা শিক্ষকতা দেখানো হয়নি এবং এটা স্পষ্টতই একটি অপতথ্য। হলফনামায় তাঁর বর্তমান পেশা হিসেবে পরামর্শক এবং পূর্বতন পেশা হিসেবে বাংলাদেশ সরকারের উপদেষ্টা পদ উল্লেখ করা আছে। এছাড়া তিনি গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে পদত্যাগ করার সময় তার সোনালী ব্যাংকের একটিমাত্র একাউন্টে ১০ হাজার ৬৯৮ টাকা জমা ছিলো বলে পাবলিক পোস্টে জানিয়েছিলেন।
হলফনামার তথ্য অনুযায়ী সে একই একাউন্টে তার বর্তমান জমার পরিমাণ ৩ লাখ ৮৫ হাজার ৩৬৩ টাকা ৫৭ পয়সা। সোনালী ব্যাংকের এই একটি মাত্র অ্যাকাউন্ট এবং নির্বাচনী ব্যয় নির্বাহের জন্য ২৮ ডিসেম্বরে সিটি ব্যাংকে খোলা অ্যাকাউন্টটি ছাড়া বর্তমানে নাহিদ ইসলামের আর কোন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নেই।

সম্প্রতি বাংলাদেশ সফরে এসে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বাংলাদেশের সক্রিয় সব রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। এনসিপির সঙ্গেও আলোচনা হয়েছে তাঁদের। কি আলোচনা হলো? তুরস্কের সঙ্গে এনসিপির কেমন সম্পর্ক গড়ে উঠতে পারে? সঙ্গে তুরস্কের
৭ ঘণ্টা আগে
মদ-জুয়া নিষিদ্ধ এবং মাদকের আখড়া উৎপাটন করলে বিরোধীদল সরকারকে সহযোগিতা করবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। শনিবার (১৩ জুন) চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে ১১-দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশে এ কথা বলেন তিনি।
১৯ ঘণ্টা আগে
প্রস্তাবিত বাজেটে মদের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিরোধীদল বিক্ষোভ করেছে—প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্যকে ‘মিথ্যা ও ভুয়া’ দাবি করেছেন সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। শনিবার (১৩ জুন) চট্টগ্রামের লালদিঘী ময়দানে ১১-দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি।
১৯ ঘণ্টা আগে
আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেছেন, জুলাই অভ্যুত্থানের পর রাজনীতি ও রাষ্ট্র পরিচালনায় বড় ধরনের পরিবর্তনের প্রত্যাশা ছিল জনগণের। তবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ছাড়া সরকারের কারও মধ্যে পরিবর্তনের তেমন কোনো ছাপ দেখা যাচ্ছে না।
২০ ঘণ্টা আগে