স্ট্রিম প্রতিবেদক

রাজধানীর মিরপুরের একটি গোপন গুদাম থেকে ৪২টি বিরল ও বিপন্ন বন্য প্রাণী উদ্ধারের পর তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। পরে প্রাণীগুলোকে ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক ও কাপ্তাই এলাকায় পাঠানো হয়।
গত ৯ জুন (মঙ্গলবার) বিকেলে মিরপুর-১২ এর ইস্টার্ন হাউজিং-সংলগ্ন সোনালী বাজার এলাকার একটি গোপন আস্তানায় অভিযান চালিয়ে প্রাণীগুলোকে উদ্ধার করেন বন্য প্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের কর্মকর্তারা।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দীর্ঘ সময় ভ্রমণ, খাঁচাবন্দি ও অযত্নে থাকায় এসব প্রাণীর অধিকাংশ শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে তাদের ঢাকার আগারগাঁওয়ের বন ভবনে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে সেখান থেকে তাদের ঢাকার বাইরে পাঠানো হয়।
এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে বন্য প্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের পরিদর্শক অসীম মল্লিক স্ট্রিমকে বলেন, ‘প্রাণীগুলো এখনও পুরোপুরি সুস্থ হয়নি। বর্তমানে কিছু প্রাণীকে ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে রাখা হয়েছে। আর পাখিগুলোকে রাখা হয়েছে কাপ্তাইয়ের পক্ষীশালায়। সেখানে তাদের বিশেষ নজরদারিতে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘পুরোপুরি চিকিৎসা শেষ হওয়ার পর প্রাণীগুলো যখন সুস্থ হয়ে উঠবে, তখন তাদের অবমুক্ত করা হবে। এর আগপর্যন্ত তাদের সেখানেই রাখা হবে।’
জানা গেছে, উদ্ধার হওয়া প্রাণীদের তালিকায় এমন সব প্রজাতি রয়েছে, যা সচরাচর লোকালয়ে দেখা যায় না। স্তন্যপায়ী প্রাণীদের মধ্যে রয়েছে তিনটি চশমাপরা হনুমান, তিনটি লজ্জাবতী বানর, তিনটি হিমালয়ান মাস্ক সিভেট, তিনটি ভাম এবং তিনটি সজারু। পাখিদের মধ্যে ছিল একটি বিরল চিতিপেট হুতোম পেঁচা বা ইগল পেঁচা। এ ছাড়াও রাজধনেশ, কাউ ধনেশ, একটি পাহাড়ি ময়না ও ১২টি টিয়া রয়েছে। সরীসৃপের তালিকায় আছে ১৩টি বিরল প্রজাতির হলুদ পাহাড়ি কচ্ছপ।
উদ্ধারের পর তদন্তকারী কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বন্য প্রাণী পাচারকারী এই চক্রের জাল দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে বিদেশেও বিস্তৃত। জড়িতদের ব্যাপারে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

রাজধানীর মিরপুরের একটি গোপন গুদাম থেকে ৪২টি বিরল ও বিপন্ন বন্য প্রাণী উদ্ধারের পর তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। পরে প্রাণীগুলোকে ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক ও কাপ্তাই এলাকায় পাঠানো হয়।
গত ৯ জুন (মঙ্গলবার) বিকেলে মিরপুর-১২ এর ইস্টার্ন হাউজিং-সংলগ্ন সোনালী বাজার এলাকার একটি গোপন আস্তানায় অভিযান চালিয়ে প্রাণীগুলোকে উদ্ধার করেন বন্য প্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের কর্মকর্তারা।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দীর্ঘ সময় ভ্রমণ, খাঁচাবন্দি ও অযত্নে থাকায় এসব প্রাণীর অধিকাংশ শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে তাদের ঢাকার আগারগাঁওয়ের বন ভবনে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে সেখান থেকে তাদের ঢাকার বাইরে পাঠানো হয়।
এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে বন্য প্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের পরিদর্শক অসীম মল্লিক স্ট্রিমকে বলেন, ‘প্রাণীগুলো এখনও পুরোপুরি সুস্থ হয়নি। বর্তমানে কিছু প্রাণীকে ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে রাখা হয়েছে। আর পাখিগুলোকে রাখা হয়েছে কাপ্তাইয়ের পক্ষীশালায়। সেখানে তাদের বিশেষ নজরদারিতে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘পুরোপুরি চিকিৎসা শেষ হওয়ার পর প্রাণীগুলো যখন সুস্থ হয়ে উঠবে, তখন তাদের অবমুক্ত করা হবে। এর আগপর্যন্ত তাদের সেখানেই রাখা হবে।’
জানা গেছে, উদ্ধার হওয়া প্রাণীদের তালিকায় এমন সব প্রজাতি রয়েছে, যা সচরাচর লোকালয়ে দেখা যায় না। স্তন্যপায়ী প্রাণীদের মধ্যে রয়েছে তিনটি চশমাপরা হনুমান, তিনটি লজ্জাবতী বানর, তিনটি হিমালয়ান মাস্ক সিভেট, তিনটি ভাম এবং তিনটি সজারু। পাখিদের মধ্যে ছিল একটি বিরল চিতিপেট হুতোম পেঁচা বা ইগল পেঁচা। এ ছাড়াও রাজধনেশ, কাউ ধনেশ, একটি পাহাড়ি ময়না ও ১২টি টিয়া রয়েছে। সরীসৃপের তালিকায় আছে ১৩টি বিরল প্রজাতির হলুদ পাহাড়ি কচ্ছপ।
উদ্ধারের পর তদন্তকারী কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বন্য প্রাণী পাচারকারী এই চক্রের জাল দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে বিদেশেও বিস্তৃত। জড়িতদের ব্যাপারে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

প্রতিবছর মৌসুমি ও আকস্মিক বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, তাপদাহ, শৈত্যপ্রবাহ, অতিবৃষ্টি, খরা, নদীভাঙন ও ভূমিকম্পের মতো বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের কবলে পড়ে দেশ। এতে প্রাণহানিও ঘটছে প্রতিবছর। তবে আগাম সতর্কবার্তা প্রচার এবং দ্রুত পদক্ষেপ নিলে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব।
২ দিন আগে
দেশে এ বছর কিছুটা দেরিতে ঢুকেছে মৌসুমী বায়ু। এতে বৃষ্টি ঝরলেও স্বস্তি মেলেনি। বরং বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকায় সারাদেশেই ভ্যাপসা গরমের অস্বস্তি রয়ে গেছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর আজ মঙ্গলবার দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির পূর্বাভাস দিলেও এখনও কয়েকটি জেলার ওপর দিয়ে বইছে মৃদু তাপপ্রবাহ।
৫ দিন আগে
বাংলাদেশের রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক শিল্প কারখানাকে এখন বিশ্ব সাপ্লাই চেইনে ‘সবুজ কারখানা বিপ্লবের’ উদাহরণ হিসেবে হাজির করা হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি ‘পরিবেশবান্ধব’ লিডারশিপ ইন এনার্জি অ্যান্ড এনভাইরনমেন্টাল ডিজাইন (লিড) সার্টিফায়েড কারখানা এখন বাংলাদেশে।
৯ দিন আগে
গত নয় বছরে অন্তত ১৪০টি মৃত ডলফিন ভেসে এসেছে কুয়াকাটা সৈকতে। শুধু চলতি বছরেই এসেছে চারটি ডলফিন। কিন্তু এখন পর্যন্ত একটিরও পূর্ণাঙ্গ বৈজ্ঞানিক ময়নাতদন্ত হয়নি।
৯ দিন আগে