leadT1ad

মিরপুরে উদ্ধার হওয়া ৪২ বন্য প্রাণীর চিকিৎসা চলছে কাপ্তাই ও ডুলাহাজারায়

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ১৪ জুন ২০২৬, ১৬: ৪০
মিরপুরের এক গোপন আস্তানা থেকে ৪২ টি বন্যপ্রাণী উদ্ধার করা হয়। সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর মিরপুরের একটি গোপন গুদাম থেকে ৪২টি বিরল ও বিপন্ন বন্য প্রাণী উদ্ধারের পর তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। পরে প্রাণীগুলোকে ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক ও কাপ্তাই এলাকায় পাঠানো হয়।

গত ৯ জুন (মঙ্গলবার) বিকেলে মিরপুর-১২ এর ইস্টার্ন হাউজিং-সংলগ্ন সোনালী বাজার এলাকার একটি গোপন আস্তানায় অভিযান চালিয়ে প্রাণীগুলোকে উদ্ধার করেন বন্য প্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের কর্মকর্তারা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দীর্ঘ সময় ভ্রমণ, খাঁচাবন্দি ও অযত্নে থাকায় এসব প্রাণীর অধিকাংশ শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে তাদের ঢাকার আগারগাঁওয়ের বন ভবনে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে সেখান থেকে তাদের ঢাকার বাইরে পাঠানো হয়।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে বন্য প্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের পরিদর্শক অসীম মল্লিক স্ট্রিমকে বলেন, ‘প্রাণীগুলো এখনও পুরোপুরি সুস্থ হয়নি। বর্তমানে কিছু প্রাণীকে ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে রাখা হয়েছে। আর পাখিগুলোকে রাখা হয়েছে কাপ্তাইয়ের পক্ষীশালায়। সেখানে তাদের বিশেষ নজরদারিতে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘পুরোপুরি চিকিৎসা শেষ হওয়ার পর প্রাণীগুলো যখন সুস্থ হয়ে উঠবে, তখন তাদের অবমুক্ত করা হবে। এর আগপর্যন্ত তাদের সেখানেই রাখা হবে।’

জানা গেছে, উদ্ধার হওয়া প্রাণীদের তালিকায় এমন সব প্রজাতি রয়েছে, যা সচরাচর লোকালয়ে দেখা যায় না। স্তন্যপায়ী প্রাণীদের মধ্যে রয়েছে তিনটি চশমাপরা হনুমান, তিনটি লজ্জাবতী বানর, তিনটি হিমালয়ান মাস্ক সিভেট, তিনটি ভাম এবং তিনটি সজারু। পাখিদের মধ্যে ছিল একটি বিরল চিতিপেট হুতোম পেঁচা বা ইগল পেঁচা। এ ছাড়াও রাজধনেশ, কাউ ধনেশ, একটি পাহাড়ি ময়না ও ১২টি টিয়া রয়েছে। সরীসৃপের তালিকায় আছে ১৩টি বিরল প্রজাতির হলুদ পাহাড়ি কচ্ছপ।

উদ্ধারের পর তদন্তকারী কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বন্য প্রাণী পাচারকারী এই চক্রের জাল দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে বিদেশেও বিস্তৃত। জড়িতদের ব্যাপারে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

Ad 300x250

সম্পর্কিত