স্ট্রিম ডেস্ক

রাজনীতির চূড়ান্ত লক্ষ্য হওয়া উচিত মানুষের জীবনের মান উন্নয়ন। ২০২৬ সালের বিভিন্ন নির্বাচনী ইশতেহারে সামাজিক নিরাপত্তা এবং পরিবেশ রক্ষার জন্য যে বৈজ্ঞানিক ও আধুনিক পরিভাষাগুলো ব্যবহার করা হয়েছে, তা গতানুগতিক ‘ত্রাণ দেওয়া’ বা ‘ভাতা দেওয়া’র রাজনীতি থেকে অনেক বেশি উন্নত। এই লেখায় আমরা দেখব কীভাবে একটি কল্যাণমুখী রাষ্ট্র তার নাগরিকদের জীবনের প্রতিটি ধাপে নিরাপত্তা দেয়।
‘সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা’ বা ইউনিভার্সাল হেলথ কভারেজ মানে হলো—একটি দেশের প্রতিটি নাগরিক, তার আর্থিক অবস্থা যাই হোক না কেন, প্রয়োজনীয় ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা পাবে। এর মূল কথা হলো, চিকিৎসার খরচ মেটাতে গিয়ে কোনো পরিবার যেন দেউলিয়া বা অভাবী না হয়ে পড়ে।
যুক্তরাজ্যের এনএইচএস বা কানাডার স্বাস্থ্য ব্যবস্থা এর আদর্শ উদাহরণ। সেখানে নাগরিকরা কর দেয় এবং বিনিময়ে রাষ্ট্র তাদের জটিল অস্ত্রোপচার থেকে শুরু করে সাধারণ ওষুধ—সবকিছুর ব্যয়ভার বহন করে।
বাংলাদেশে প্রাসঙ্গিকতা: বাংলাদেশে সাধারণ মানুষের আয়ের একটি বড় অংশ চলে যায় বেসরকারি হাসপাতালের বিল এবং ওষুধের পেছনে। স্বাস্থ্যখাতে জিডিপির উল্লেখযোগ্য বরাদ্দ সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা অর্জনের প্রাথমিক ধাপ। এর আওতায় কেউ কেউ ‘হেলথ কার্ড’ চালু করার কথা বলছেন, যা ব্যবহার করে নাগরিকরা নির্দিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে বা নামমাত্র মূল্যে চিকিৎসা পাবে। এটি একটি বিশাল দুশ্চিন্তার অবসান, কারণ পরিবারের কারও বড় অসুখ হলে পুরো পরিবারের ভবিষ্যৎ অন্ধকার হয়ে যাওয়ার ভয় আর থাকবে না।
জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় বিশ্ব এখন ফসিল ফুয়েল বা জীবাশ্ম জ্বালানি (যেমন: কয়লা, তেল) ছেড়ে নবায়নযোগ্য শক্তিতে (যেমন: সৌর বিদ্যুৎ, বায়ু বিদ্যুৎ) যাচ্ছে। কিন্তু এই পরিবর্তনের ফলে যারা কয়লা খনি বা পুরনো বিদ্যুৎ কেন্দ্রে কাজ করেন, তারা যেন বেকার না হন এবং বিদ্যুতের দাম যেন সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে না যায়, সেই ভারসাম্যপূর্ণ পরিবর্তনকেই বলা হয় ‘জাস্ট ট্রানজিশন’।
জার্মানিতে যখন কয়লা খনিগুলো বন্ধ করা হচ্ছিল, তখন সরকার ওই অঞ্চলের শ্রমিকদের নতুন কারিগরি প্রশিক্ষণ দিয়েছিল এবং বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছিল। একেই বলে ন্যায়সঙ্গত রূপান্তর বা জাস্ট ট্রানজিশন।
বাংলাদেশে প্রাসঙ্গিকতা: বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশ্বের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ দেশ। আমাদের কার্বন নিঃসরণ কমাতে হবে, কিন্তু তা যেন সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ওপর নেতিবাচক প্রভাব না ফেলে। এই পরিভাষাটি ব্যবহারের অর্থ হলো—পরিবেশ রক্ষায় আধুনিক হওয়া, কিন্তু সেই আধুনিকায়ন হতে হবে মানবিক এবং পরিকল্পিত।
‘সার্কুলার ইকোনমি’ বা সার্কুলার ফিউচার মডেল হলো এমন একটি ব্যবস্থা যেখানে কোনো কিছুই ‘বর্জ্য’ বা ‘ফেলা দেওয়ার মতো’ নয়। একটি পণ্য ব্যবহারের পর তা ফেলে না দিয়ে আবার ব্যবহার করা হয়। এর মূল ভিত্তি হলো ৩টি 'R':
প্লাস্টিক বোতল বা রান্নাঘরের বর্জ্য ফেলে না দিয়ে তা থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা কিংবা পুরনো কাগজ থেকে নতুন কাগজ তৈরি করা এই মডেলের অংশ।
বাংলাদেশে প্রাসঙ্গিকতা: বাংলাদেশের শহরগুলোতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা একটি বড় সমস্যা। ঢাকা বা চট্টগ্রামের ময়লার ভাগাড়গুলো পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি করছে। ইশতেহারে ‘সার্কুলার ফিউচার মডেল’ প্রস্তাবের মানে হলো—আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তর করা। এটি কেবল শহরকে পরিষ্কার রাখবে না, বরং বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের মাধ্যমে জ্বালানি সংকটও মেটাবে। তরুণ প্রজন্ম যারা গ্রিন আর্থ বা সবুজ পৃথিবীর স্বপ্ন দেখে, তাদের জন্য এটি একটি অত্যন্ত আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গি।
এটি হলো একটি ডিজিটাল ডাটাবেজভিত্তিক কার্ড ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে রাষ্ট্রের দেওয়া সুযোগ-সুবিধা, ভর্তুকি বা টিসিবি’র পণ্য সরাসরি প্রকৃত কার্ডধারীর কাছে পৌঁছাবে। মাঝপথে কোনো মেম্বার, চেয়ারম্যান বা মধ্যস্বত্বভোগীর পক্ষে এই টাকা বা পণ্য আত্মসাৎ করা সম্ভব হবে না।
বাংলাদেশে প্রাসঙ্গিকতাবাংলাদেশে অতীতে ১০ টাকা কেজি দরের চাল বা কৃষকের সারের ভর্তুকি অনেক সময় দলীয় নেতাকর্মীদের পকেটে চলে যেত। ‘স্মার্ট কার্ড’ বা ‘ফ্যামিলি কার্ড’ থাকলে বায়োমেট্রিক বা ওটিপি ভেরিফিকেশনের মাধ্যমে সরাসরি উপকারভোগী তার পাওনা বুঝে পাবেন। এটি প্রশাসনে দুর্নীতি কমানোর পাশাপাশি একটি পূর্ণাঙ্গ ‘ন্যাশনাল ডাটাবেজ’ তৈরিতে সাহায্য করবে। এর ফলে রাষ্ট্র জানতে পারবে কোন এলাকায় দারিদ্র্য বেশি এবং কোথায় দ্রুত সহায়তা পৌঁছানো প্রয়োজন।
এবারে আলোচনায় গণপরিবহনে ‘পিংক বাস’ বা নারীবান্ধব বাসের ধারণা আনা হয়েছে। এটি কেবল নারী যাত্রীদের জন্য সংরক্ষিত বাস, যা কর্মক্ষেত্রে বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাওয়ার পথে তাদের নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করবে।
বাংলাদেশে প্রাসঙ্গিকতা: গণপরিবহনে হয়রানি বাংলাদেশের নারীদের এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে একটি বড় বাধা। পিংক বাসের পাশাপাশি কর্মক্ষেত্রে ‘ডে-কেয়ার সেন্টার’ বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাবনাটি নারী শ্রমশক্তির অংশগ্রহণ বাড়াতে বৈপ্লবিক ভূমিকা রাখবে। এটি মূলত একটি জেন্ডার-ইনক্লুসিভ সমাজ গঠনের পদক্ষেপ।
আমরা দেখলাম বিএনপির ২০২৬ সালের ইশতেহারে বা নির্বাচনি আলোচনায় ব্যবহৃত পরিভাষাগুলো কতটা আধুনিক এবং বৈশ্বিক মানদণ্ডের সাথে সংগতিপূর্ণ। ‘রাষ্ট্র মেরামত’ থেকে শুরু করে ‘সার্কুলার ফিউচার মডেল’—প্রতিটি শব্দই একটি কাঠামোগত পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়।
তবে একজন সচেতন তরুণ ভোটার হিসেবে মনে রাখা প্রয়োজন, এইসব আলোচনা আসলে একটি স্বপ্নের কাঠামো। একে রক্ত-মাংসের শরীরে রূপ দিতে প্রয়োজন কঠোর তদারকি, নাগরিক সচেতনতা এবং সরকারের রাজনৈতিক সদিচ্ছা। দীর্ঘ ১৭ বছর পর যারা ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন, তাদের উচিত কেবল আবেগের বশবর্তী না হয়ে এই রূপরেখাগুলো বিশ্লেষণ করা। প্রশ্ন তুলুন, আলোচনা করুন এবং বুঝে নিন আপনার আগামীর বাংলাদেশ কোন পথে হাঁটছে।

রাজনীতির চূড়ান্ত লক্ষ্য হওয়া উচিত মানুষের জীবনের মান উন্নয়ন। ২০২৬ সালের বিভিন্ন নির্বাচনী ইশতেহারে সামাজিক নিরাপত্তা এবং পরিবেশ রক্ষার জন্য যে বৈজ্ঞানিক ও আধুনিক পরিভাষাগুলো ব্যবহার করা হয়েছে, তা গতানুগতিক ‘ত্রাণ দেওয়া’ বা ‘ভাতা দেওয়া’র রাজনীতি থেকে অনেক বেশি উন্নত। এই লেখায় আমরা দেখব কীভাবে একটি কল্যাণমুখী রাষ্ট্র তার নাগরিকদের জীবনের প্রতিটি ধাপে নিরাপত্তা দেয়।
‘সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা’ বা ইউনিভার্সাল হেলথ কভারেজ মানে হলো—একটি দেশের প্রতিটি নাগরিক, তার আর্থিক অবস্থা যাই হোক না কেন, প্রয়োজনীয় ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা পাবে। এর মূল কথা হলো, চিকিৎসার খরচ মেটাতে গিয়ে কোনো পরিবার যেন দেউলিয়া বা অভাবী না হয়ে পড়ে।
যুক্তরাজ্যের এনএইচএস বা কানাডার স্বাস্থ্য ব্যবস্থা এর আদর্শ উদাহরণ। সেখানে নাগরিকরা কর দেয় এবং বিনিময়ে রাষ্ট্র তাদের জটিল অস্ত্রোপচার থেকে শুরু করে সাধারণ ওষুধ—সবকিছুর ব্যয়ভার বহন করে।
বাংলাদেশে প্রাসঙ্গিকতা: বাংলাদেশে সাধারণ মানুষের আয়ের একটি বড় অংশ চলে যায় বেসরকারি হাসপাতালের বিল এবং ওষুধের পেছনে। স্বাস্থ্যখাতে জিডিপির উল্লেখযোগ্য বরাদ্দ সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা অর্জনের প্রাথমিক ধাপ। এর আওতায় কেউ কেউ ‘হেলথ কার্ড’ চালু করার কথা বলছেন, যা ব্যবহার করে নাগরিকরা নির্দিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে বা নামমাত্র মূল্যে চিকিৎসা পাবে। এটি একটি বিশাল দুশ্চিন্তার অবসান, কারণ পরিবারের কারও বড় অসুখ হলে পুরো পরিবারের ভবিষ্যৎ অন্ধকার হয়ে যাওয়ার ভয় আর থাকবে না।
জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় বিশ্ব এখন ফসিল ফুয়েল বা জীবাশ্ম জ্বালানি (যেমন: কয়লা, তেল) ছেড়ে নবায়নযোগ্য শক্তিতে (যেমন: সৌর বিদ্যুৎ, বায়ু বিদ্যুৎ) যাচ্ছে। কিন্তু এই পরিবর্তনের ফলে যারা কয়লা খনি বা পুরনো বিদ্যুৎ কেন্দ্রে কাজ করেন, তারা যেন বেকার না হন এবং বিদ্যুতের দাম যেন সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে না যায়, সেই ভারসাম্যপূর্ণ পরিবর্তনকেই বলা হয় ‘জাস্ট ট্রানজিশন’।
জার্মানিতে যখন কয়লা খনিগুলো বন্ধ করা হচ্ছিল, তখন সরকার ওই অঞ্চলের শ্রমিকদের নতুন কারিগরি প্রশিক্ষণ দিয়েছিল এবং বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছিল। একেই বলে ন্যায়সঙ্গত রূপান্তর বা জাস্ট ট্রানজিশন।
বাংলাদেশে প্রাসঙ্গিকতা: বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশ্বের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ দেশ। আমাদের কার্বন নিঃসরণ কমাতে হবে, কিন্তু তা যেন সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ওপর নেতিবাচক প্রভাব না ফেলে। এই পরিভাষাটি ব্যবহারের অর্থ হলো—পরিবেশ রক্ষায় আধুনিক হওয়া, কিন্তু সেই আধুনিকায়ন হতে হবে মানবিক এবং পরিকল্পিত।
‘সার্কুলার ইকোনমি’ বা সার্কুলার ফিউচার মডেল হলো এমন একটি ব্যবস্থা যেখানে কোনো কিছুই ‘বর্জ্য’ বা ‘ফেলা দেওয়ার মতো’ নয়। একটি পণ্য ব্যবহারের পর তা ফেলে না দিয়ে আবার ব্যবহার করা হয়। এর মূল ভিত্তি হলো ৩টি 'R':
প্লাস্টিক বোতল বা রান্নাঘরের বর্জ্য ফেলে না দিয়ে তা থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা কিংবা পুরনো কাগজ থেকে নতুন কাগজ তৈরি করা এই মডেলের অংশ।
বাংলাদেশে প্রাসঙ্গিকতা: বাংলাদেশের শহরগুলোতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা একটি বড় সমস্যা। ঢাকা বা চট্টগ্রামের ময়লার ভাগাড়গুলো পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি করছে। ইশতেহারে ‘সার্কুলার ফিউচার মডেল’ প্রস্তাবের মানে হলো—আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তর করা। এটি কেবল শহরকে পরিষ্কার রাখবে না, বরং বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের মাধ্যমে জ্বালানি সংকটও মেটাবে। তরুণ প্রজন্ম যারা গ্রিন আর্থ বা সবুজ পৃথিবীর স্বপ্ন দেখে, তাদের জন্য এটি একটি অত্যন্ত আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গি।
এটি হলো একটি ডিজিটাল ডাটাবেজভিত্তিক কার্ড ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে রাষ্ট্রের দেওয়া সুযোগ-সুবিধা, ভর্তুকি বা টিসিবি’র পণ্য সরাসরি প্রকৃত কার্ডধারীর কাছে পৌঁছাবে। মাঝপথে কোনো মেম্বার, চেয়ারম্যান বা মধ্যস্বত্বভোগীর পক্ষে এই টাকা বা পণ্য আত্মসাৎ করা সম্ভব হবে না।
বাংলাদেশে প্রাসঙ্গিকতাবাংলাদেশে অতীতে ১০ টাকা কেজি দরের চাল বা কৃষকের সারের ভর্তুকি অনেক সময় দলীয় নেতাকর্মীদের পকেটে চলে যেত। ‘স্মার্ট কার্ড’ বা ‘ফ্যামিলি কার্ড’ থাকলে বায়োমেট্রিক বা ওটিপি ভেরিফিকেশনের মাধ্যমে সরাসরি উপকারভোগী তার পাওনা বুঝে পাবেন। এটি প্রশাসনে দুর্নীতি কমানোর পাশাপাশি একটি পূর্ণাঙ্গ ‘ন্যাশনাল ডাটাবেজ’ তৈরিতে সাহায্য করবে। এর ফলে রাষ্ট্র জানতে পারবে কোন এলাকায় দারিদ্র্য বেশি এবং কোথায় দ্রুত সহায়তা পৌঁছানো প্রয়োজন।
এবারে আলোচনায় গণপরিবহনে ‘পিংক বাস’ বা নারীবান্ধব বাসের ধারণা আনা হয়েছে। এটি কেবল নারী যাত্রীদের জন্য সংরক্ষিত বাস, যা কর্মক্ষেত্রে বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাওয়ার পথে তাদের নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করবে।
বাংলাদেশে প্রাসঙ্গিকতা: গণপরিবহনে হয়রানি বাংলাদেশের নারীদের এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে একটি বড় বাধা। পিংক বাসের পাশাপাশি কর্মক্ষেত্রে ‘ডে-কেয়ার সেন্টার’ বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাবনাটি নারী শ্রমশক্তির অংশগ্রহণ বাড়াতে বৈপ্লবিক ভূমিকা রাখবে। এটি মূলত একটি জেন্ডার-ইনক্লুসিভ সমাজ গঠনের পদক্ষেপ।
আমরা দেখলাম বিএনপির ২০২৬ সালের ইশতেহারে বা নির্বাচনি আলোচনায় ব্যবহৃত পরিভাষাগুলো কতটা আধুনিক এবং বৈশ্বিক মানদণ্ডের সাথে সংগতিপূর্ণ। ‘রাষ্ট্র মেরামত’ থেকে শুরু করে ‘সার্কুলার ফিউচার মডেল’—প্রতিটি শব্দই একটি কাঠামোগত পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়।
তবে একজন সচেতন তরুণ ভোটার হিসেবে মনে রাখা প্রয়োজন, এইসব আলোচনা আসলে একটি স্বপ্নের কাঠামো। একে রক্ত-মাংসের শরীরে রূপ দিতে প্রয়োজন কঠোর তদারকি, নাগরিক সচেতনতা এবং সরকারের রাজনৈতিক সদিচ্ছা। দীর্ঘ ১৭ বছর পর যারা ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন, তাদের উচিত কেবল আবেগের বশবর্তী না হয়ে এই রূপরেখাগুলো বিশ্লেষণ করা। প্রশ্ন তুলুন, আলোচনা করুন এবং বুঝে নিন আপনার আগামীর বাংলাদেশ কোন পথে হাঁটছে।

আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোলা-১ (সদর) আসনের ভোটের সমীকরণ ভিন্ন দিকে মোড় নিচ্ছে। দীর্ঘদিনের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ‘নৌকা’ ও ‘ধানের শীষ’ প্রতীক এবারের ব্যালটে না থাকায় নির্বাচনী মাঠে তৈরি হয়েছে নতুন এক রাজনৈতিক বাস্তবতা।
১ ঘণ্টা আগে
সামাজিক বৈষম্য দূর করে ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, পুরোনো রাজনৈতিক বন্দোবস্ত ভেঙে নতুন রাষ্ট্রকাঠামো গড়ে তোলা হবে।
১ ঘণ্টা আগে
প্রাকৃতিক গ্যাসে সমৃদ্ধ হওয়া সত্ত্বেও চিকিৎসাসেবা ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় চরম অবহেলার শিকার দ্বীপ জেলা ভোলা। এই জেলার ভোলা-১ (সদর) আসনের ভোটাররা এবার শুধু মুখের আশ্বাসে সন্তুষ্ট থাকতে নারাজ, তারা সমস্যা সমাধানের সুস্পষ্ট পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের ‘রোডম্যাপ’ চাচ্ছেন ত্রয়োদম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীদে
১ ঘণ্টা আগে
প্রাকৃতিক গ্যাস ও বিদ্যুৎ সম্পদে সমৃদ্ধ ভোলা-২ (বোরহানউদ্দিন ও দৌলতখান) আসনে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক তৎপরতা তুঙ্গে। এই আসনে এবার ১৭ হাজারের বেশি তরুণ ও নতুন ভোটার প্রথমবারের মতো তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।
২ ঘণ্টা আগে