স্ট্রিম প্রতিবেদক

সামাজিক বৈষম্য দূর করে ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, পুরোনো রাজনৈতিক বন্দোবস্ত ভেঙে নতুন রাষ্ট্রকাঠামো গড়ে তোলা হবে।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় বাংলাদেশ টেলিভিশনে (বিটিভি) জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে এসব কথা বলেন নাহিদ ইসলাম।
ভাষণে রাষ্ট্রের প্রকৃতি কেমন হবে, তা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে নাহিদ ইসলাম মালয়েশিয়া ও তুরস্কের উদাহরণ দেন। বলেন, ‘বাংলাদেশ কখনো আফগানিস্তান হবে না। এটা বাংলাদেশই থাকবে। অনুকরণীয় হতে পারে মালয়েশিয়া বা তুরস্কের মতো ধর্মানুরাগী উদারনৈতিক সমাজ।’
তিনি বলেন, ‘ধর্ম থাকবে ব্যক্তিগত বিশ্বাস ও সামাজিক চর্চার জায়গায়। আর রাষ্ট্র পরিচালিত হবে আইন, ন্যায়বিচার ও ইনসাফের ভিত্তিতে। আমরা এমন একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই, যেখানে ধর্মীয় ও জাতিগত পরিচয় বিভাজনের কারণ না হয়ে এর ভিত্তি হবে পারস্পরিক সম্মান ও সহাবস্থান।’
নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘দেশব্যাপী একটি শক্তিশালী গণপ্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে ১৮ বছর বয়সী সব সক্ষম তরুণ-তরুণীর জন্য বাধ্যতামূলক সামরিক প্রশিক্ষণ চালু করা হবে। একইসঙ্গে সশস্ত্র ব্যবস্থাকে আধুনিক ও উচ্চপ্রযুক্তি নির্ভর করা হবে।’
পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে বিগত সরকারের সমালোচনা করে এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, ‘ভারতনির্ভর পররাষ্ট্রনীতি থেকে বের হয়ে ভারসাম্যপূর্ণ ও মর্যাদাপূর্ণ কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করা হবে। আমরা কারও সঙ্গে শত্রুতা চাই না। কিন্তু জাতীয় স্বার্থ বিকিয়ে দিয়ে কারও পুতুল রাষ্ট্র হতেও রাজি নই।’
সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্র সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকবে। ধর্মীয় বা জাতিগত পরিচয়ের কারণে কোনো বৈষম্য মেনে নেওয়া হবে না।’ ভারতের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ভারতে যেখানে মুসলিমরা প্রায় নির্যাতনের শিকার হন, সেখানে বাংলাদেশে উসকানিমূলক পরিস্থিতিতেও বেশির ভাগ ক্ষেত্রে হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের উপাসনালয় রক্ষায় এগিয়ে যায় মুসলমানরা।
এনসিপিপ্রধান নাগরিকদের ব্যক্তি স্বাধীনতার ওপর জোর দিয়ে বলেন, রাষ্ট্র কোনো বিশেষ জীবনধারা বা পোশাকরীতি নাগরিকদের ওপর চাপিয়ে দেবে না। হিজাব বা বোরকা পরা যেমন একজন নারীর অধিকার, তেমনি আধুনিক পোশাক পরিধানের পূর্ণ স্বাধীনতাও অন্যদের থাকবে।
দেশ চরমপন্থার দিকে যাচ্ছে– একটি মহলের এমন প্রচারকে ভয় ছড়ানোর অপরাজনীতি উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশবাসী ভুলে যায়নি– ভিন্ন মতাবলম্বীদের বিরুদ্ধে ভয়ভীতি দেখিয়ে ১৫ বছর ফ্যাসিবাদী দুঃশাসন চালু ছিল। ক্ষমতা হারানো কায়েমি স্বার্থবাদী মহল অচল কথাগুলো নতুন মোড়কে উপস্থাপন করছে।
পুলিশ বাহিনীকে সম্পূর্ণ ঢেলে সাজানোর প্রস্তাব করে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘পুলিশ বাহিনীর নাম পরিবর্তন করে ‘জনসেবক বাহিনী’ রাখা হবে। কেন্দ্রীয় দলীয়করণ ও ক্ষমতার অপব্যবহার রোধে এই বাহিনীর নিয়োগ ও পদায়ন সম্পূর্ণ উপজেলাভিত্তিক করা হবে।’
স্বাস্থ্যখাতের দুর্নীতি প্রতিরোধে সরকারি চাকরিতে নিয়োজিত চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রাইভেট প্র্যাকটিস সম্পূর্ণ বন্ধের ঘোষণা দেন নাহিদ ইসলাম। তবে সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসকদের মাধ্যমে বৈকালিক সেবা নিশ্চিত করার ব্যবস্থা থাকবে বলে জানান তিনি। এছাড়া শিক্ষা খাতে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দের প্রতিশ্রুতি দিয়ে শিক্ষকদের বেতন ও মর্যাদা বৃদ্ধির পাশাপাশি তাদের কঠোর জবাবদিহিতার আওতায় আনার কথাও জানান নাহিদ ইসলাম।
ভাষণে বিগত শাসনামলে পাচার হওয়া প্রায় ২৩৪ বিলিয়ন ডলার ফিরিয়ে আনার অঙ্গীকার করে তিনি বলেন, লুণ্ঠনকারীদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করে তা একটি পাবলিক ট্রাস্টের অধীনে জনগণের কল্যাণে ব্যয় করা হবে। এছাড়া ব্যাংক ও উন্নয়ন প্রকল্প থেকে হওয়া বিগত দিনের লুটপাটের বিচার করা হবে।
অন্তর্বর্তী সরকারের গত ১৮ মাসের কর্মকাণ্ড এবং নাম উল্লেখ না করে একটি রাজনৈতিক দলের সমালোচনা করে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘ফ্যাসিবাদের পতনের পর একটি দল রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্বে মেতে উঠেছে। জনগণ এই দুর্বৃত্তদের চিনে ফেলেছে।’
ভোটারদের প্রতি তিনি আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি এনসিপিসহ ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য সমর্থিত প্রার্থীদের ভোট দিয়ে চাঁদাবাজি, আধিপত্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানান। এছাড়া দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, ভেজাল খাদ্য প্রতিরোধ এবং প্রবাসীদের অভিবাসন খরচ কমানোর বিষয়ে ইশতেহারে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথরেখা তুলে ধরেন জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ছাত্র নেতৃত্ব থেকে আসা এনসিপির এই আহ্বায়ক।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোট হবে। ৫১টি রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে এদিন সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বেলা সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভোট হবে। এ নির্বাচনে এনসিপি জোটগতভাবে ২৯ ও এককভাবে একটি আসনে শাপলা কলি প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে।

সামাজিক বৈষম্য দূর করে ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, পুরোনো রাজনৈতিক বন্দোবস্ত ভেঙে নতুন রাষ্ট্রকাঠামো গড়ে তোলা হবে।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় বাংলাদেশ টেলিভিশনে (বিটিভি) জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে এসব কথা বলেন নাহিদ ইসলাম।
ভাষণে রাষ্ট্রের প্রকৃতি কেমন হবে, তা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে নাহিদ ইসলাম মালয়েশিয়া ও তুরস্কের উদাহরণ দেন। বলেন, ‘বাংলাদেশ কখনো আফগানিস্তান হবে না। এটা বাংলাদেশই থাকবে। অনুকরণীয় হতে পারে মালয়েশিয়া বা তুরস্কের মতো ধর্মানুরাগী উদারনৈতিক সমাজ।’
তিনি বলেন, ‘ধর্ম থাকবে ব্যক্তিগত বিশ্বাস ও সামাজিক চর্চার জায়গায়। আর রাষ্ট্র পরিচালিত হবে আইন, ন্যায়বিচার ও ইনসাফের ভিত্তিতে। আমরা এমন একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই, যেখানে ধর্মীয় ও জাতিগত পরিচয় বিভাজনের কারণ না হয়ে এর ভিত্তি হবে পারস্পরিক সম্মান ও সহাবস্থান।’
নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘দেশব্যাপী একটি শক্তিশালী গণপ্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে ১৮ বছর বয়সী সব সক্ষম তরুণ-তরুণীর জন্য বাধ্যতামূলক সামরিক প্রশিক্ষণ চালু করা হবে। একইসঙ্গে সশস্ত্র ব্যবস্থাকে আধুনিক ও উচ্চপ্রযুক্তি নির্ভর করা হবে।’
পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে বিগত সরকারের সমালোচনা করে এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, ‘ভারতনির্ভর পররাষ্ট্রনীতি থেকে বের হয়ে ভারসাম্যপূর্ণ ও মর্যাদাপূর্ণ কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করা হবে। আমরা কারও সঙ্গে শত্রুতা চাই না। কিন্তু জাতীয় স্বার্থ বিকিয়ে দিয়ে কারও পুতুল রাষ্ট্র হতেও রাজি নই।’
সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্র সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকবে। ধর্মীয় বা জাতিগত পরিচয়ের কারণে কোনো বৈষম্য মেনে নেওয়া হবে না।’ ভারতের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ভারতে যেখানে মুসলিমরা প্রায় নির্যাতনের শিকার হন, সেখানে বাংলাদেশে উসকানিমূলক পরিস্থিতিতেও বেশির ভাগ ক্ষেত্রে হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের উপাসনালয় রক্ষায় এগিয়ে যায় মুসলমানরা।
এনসিপিপ্রধান নাগরিকদের ব্যক্তি স্বাধীনতার ওপর জোর দিয়ে বলেন, রাষ্ট্র কোনো বিশেষ জীবনধারা বা পোশাকরীতি নাগরিকদের ওপর চাপিয়ে দেবে না। হিজাব বা বোরকা পরা যেমন একজন নারীর অধিকার, তেমনি আধুনিক পোশাক পরিধানের পূর্ণ স্বাধীনতাও অন্যদের থাকবে।
দেশ চরমপন্থার দিকে যাচ্ছে– একটি মহলের এমন প্রচারকে ভয় ছড়ানোর অপরাজনীতি উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশবাসী ভুলে যায়নি– ভিন্ন মতাবলম্বীদের বিরুদ্ধে ভয়ভীতি দেখিয়ে ১৫ বছর ফ্যাসিবাদী দুঃশাসন চালু ছিল। ক্ষমতা হারানো কায়েমি স্বার্থবাদী মহল অচল কথাগুলো নতুন মোড়কে উপস্থাপন করছে।
পুলিশ বাহিনীকে সম্পূর্ণ ঢেলে সাজানোর প্রস্তাব করে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘পুলিশ বাহিনীর নাম পরিবর্তন করে ‘জনসেবক বাহিনী’ রাখা হবে। কেন্দ্রীয় দলীয়করণ ও ক্ষমতার অপব্যবহার রোধে এই বাহিনীর নিয়োগ ও পদায়ন সম্পূর্ণ উপজেলাভিত্তিক করা হবে।’
স্বাস্থ্যখাতের দুর্নীতি প্রতিরোধে সরকারি চাকরিতে নিয়োজিত চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রাইভেট প্র্যাকটিস সম্পূর্ণ বন্ধের ঘোষণা দেন নাহিদ ইসলাম। তবে সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসকদের মাধ্যমে বৈকালিক সেবা নিশ্চিত করার ব্যবস্থা থাকবে বলে জানান তিনি। এছাড়া শিক্ষা খাতে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দের প্রতিশ্রুতি দিয়ে শিক্ষকদের বেতন ও মর্যাদা বৃদ্ধির পাশাপাশি তাদের কঠোর জবাবদিহিতার আওতায় আনার কথাও জানান নাহিদ ইসলাম।
ভাষণে বিগত শাসনামলে পাচার হওয়া প্রায় ২৩৪ বিলিয়ন ডলার ফিরিয়ে আনার অঙ্গীকার করে তিনি বলেন, লুণ্ঠনকারীদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করে তা একটি পাবলিক ট্রাস্টের অধীনে জনগণের কল্যাণে ব্যয় করা হবে। এছাড়া ব্যাংক ও উন্নয়ন প্রকল্প থেকে হওয়া বিগত দিনের লুটপাটের বিচার করা হবে।
অন্তর্বর্তী সরকারের গত ১৮ মাসের কর্মকাণ্ড এবং নাম উল্লেখ না করে একটি রাজনৈতিক দলের সমালোচনা করে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘ফ্যাসিবাদের পতনের পর একটি দল রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্বে মেতে উঠেছে। জনগণ এই দুর্বৃত্তদের চিনে ফেলেছে।’
ভোটারদের প্রতি তিনি আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি এনসিপিসহ ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য সমর্থিত প্রার্থীদের ভোট দিয়ে চাঁদাবাজি, আধিপত্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানান। এছাড়া দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, ভেজাল খাদ্য প্রতিরোধ এবং প্রবাসীদের অভিবাসন খরচ কমানোর বিষয়ে ইশতেহারে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথরেখা তুলে ধরেন জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ছাত্র নেতৃত্ব থেকে আসা এনসিপির এই আহ্বায়ক।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোট হবে। ৫১টি রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে এদিন সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বেলা সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভোট হবে। এ নির্বাচনে এনসিপি জোটগতভাবে ২৯ ও এককভাবে একটি আসনে শাপলা কলি প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে।

আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোলা-১ (সদর) আসনের ভোটের সমীকরণ ভিন্ন দিকে মোড় নিচ্ছে। দীর্ঘদিনের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ‘নৌকা’ ও ‘ধানের শীষ’ প্রতীক এবারের ব্যালটে না থাকায় নির্বাচনী মাঠে তৈরি হয়েছে নতুন এক রাজনৈতিক বাস্তবতা।
১ ঘণ্টা আগে
প্রাকৃতিক গ্যাসে সমৃদ্ধ হওয়া সত্ত্বেও চিকিৎসাসেবা ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় চরম অবহেলার শিকার দ্বীপ জেলা ভোলা। এই জেলার ভোলা-১ (সদর) আসনের ভোটাররা এবার শুধু মুখের আশ্বাসে সন্তুষ্ট থাকতে নারাজ, তারা সমস্যা সমাধানের সুস্পষ্ট পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের ‘রোডম্যাপ’ চাচ্ছেন ত্রয়োদম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীদে
২ ঘণ্টা আগে
প্রাকৃতিক গ্যাস ও বিদ্যুৎ সম্পদে সমৃদ্ধ ভোলা-২ (বোরহানউদ্দিন ও দৌলতখান) আসনে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক তৎপরতা তুঙ্গে। এই আসনে এবার ১৭ হাজারের বেশি তরুণ ও নতুন ভোটার প্রথমবারের মতো তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।
২ ঘণ্টা আগে
ক্ষমতায় গেলে রাজধানীতে অন্তত ৪০টি খেলার মাঠ করা হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর ইসিবি চত্বরে ঢাকা-১৭ আসনের নির্বাচনী পথসভায় একথা বলেন তিনি।
২ ঘণ্টা আগে