রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জয়-পরাজয় নয়, গণতান্ত্রিক ধারা ফেরানোই লক্ষ্য: জামায়াত

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক

প্রকাশ : ১০ আগস্ট ২০২৬, ১৫: ২০
সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ। সংগৃহীত ছবি

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জয়-পরাজয় বড় বিষয় নয়, দেশে গণতান্ত্রিক ধারা ফিরিয়ে আনাই প্রধান লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ।

সোমবার (১০ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান অলি আহমদের পক্ষে রাষ্ট্রপতি পদের মনোনয়নপত্র সংগ্রহের পর তিনি এ কথা বলেন।

কর্নেল (অব.) অলি আহমদ জামায়াত-নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের মনোনীত প্রার্থী। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে বিএনপির একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় তাদের প্রার্থীর নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকা সত্ত্বেও জামায়াত নির্বাচনে প্রার্থী দিয়েছে।

নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার কারণ ব্যাখ্যা করে হামিদুর আযাদ বলেন, ‘রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জয়-পরাজয় বিষয় না। আমরা একটা গণতান্ত্রিক ধারাকে সামনে নিয়ে আসছি। বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৫৯-এ বলা আছে, রাষ্ট্রের সর্বস্তরের পরিচালনা ব্যবস্থা নির্বাচিত প্রতিনিধির মাধ্যমে হবে। রাষ্ট্রপতির পদ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় হলে গণতন্ত্র চর্চা ব্যাহত হয়। সুস্থ ধারার রাজনীতি ও গণতান্ত্রিক চর্চা ফিরিয়ে আনতে এই উদ্যোগ নিয়েছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য বিএনপি রাষ্ট্রের ও জনগণের সঙ্গে যে দ্বিচারিতা করেছে তা জাতির সামনে আনা। গণভোটের রায় বিএনপি বাস্তবায়ন করেনি। রায় বাস্তবায়িত হলে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সংস্কার হতো। সংসদ সদস্যরা এখন স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারেন না। একদিকে ভোটাধিকার দিয়েছেন আবার তার অধিকারে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছেন। আমরা এই জায়গা থেকেই জাতিকে মুক্ত করতে চেয়েছি। গণভোটের রায়টা বাস্তবায়ন হতো তাহলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সঠিক গণতন্ত্রের প্রতিফলনটা ঘটতো।’

অলি আহমদের রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত যোগ্যতা তুলে ধরে জামায়াতের এই নেতা বলেন, ‘যদি সংসদ সদস্যরা স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারতেন, তবে আমাদের প্রার্থীর জয় নিশ্চিত ছিল। তিনি একজন প্রবীণ নেতা, খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা ও রণাঙ্গনের কমান্ডার।’

হামিদুর আযাদ বলেন, অনুচ্ছেদ ৭০ সংস্কার না হওয়া এবং বিএনপির ইতিবাচক মানসিকতা না থাকায় রাষ্ট্র অলি আহমদের মতো মানুষের সেবা থেকে বঞ্চিত হলো।

মনোনয়নপত্র সংগ্রহের সময় উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য কর্নেল (অব.) আব্দুল বাতেন, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, এলডিপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বিল্লাল মিয়াজী।

Ad 300x250
লেটেস্ট
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত