এক্সপ্লেইনার
স্ট্রিম ডেস্ক

বরাবরের মতো এবারও এসএসসির ফলে চমক দেখিয়েছে মেয়েরা। এবার ছাত্রীদের পাসের হার ৬৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ, আর ছাত্রদের ৫৭ দশমিক ৮৬ শতাংশ। অর্থাৎ ছাত্রীরা ছাত্রদের চেয়ে প্রায় ৮ দশমিক ৮ শতাংশ পয়েন্ট এগিয়ে। জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের হিসাবেও একই চিত্র। ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জনের মধ্যে ৬৩ হাজার ৮৯৬ জনই ছাত্রী। অন্যদিকে জিপিএ-৫ পাওয়া ছাত্র মাত্র ৫২ হাজার ৭৮০ জন।
এই ঘটনা নতুন নয়। গত কয়েক বছরের পরিসংখ্যান ঘাঁটলে দেখা যায়, মেয়েদের এগিয়ে যাওয়া একটি ধারাবাহিক এবং বাড়তে থাকা প্রবণতা।
২০২২ সালের ছাত্রীদের পাসের হার ছিল ৮৭ দশমিক ৭১ শতাংশ এবং ছাত্রদের পাসের হার ছিল ৮৭ দশমিক ১৬ শতাংশ। ব্যবধান ছিল মাত্র শূন্য দশমিক ৫৫ শতাংশ পয়েন্ট। এরপর ২০২৩ সালে ছাত্রীদের পাসের হার ছিল ৮০ দশমিক ৩৫ শতাংশ আর ছাত্রদের ছিল ৭৮ দশমিক ৪০ শতাংশ। পরের বছর ছাত্রীদের পাসের হার ছিল ৮৪ দশমিক ৪৭ শতাংশ এবং ছাত্রদের পাসের হার ছিল ৮১ দশমিক ৫৭ শতাংশ। ২০২৫ সালেও এ ধারা অব্যাহত ছিল। ওই বছর ছাত্রীদের পাসের হার ছিল ৭১ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ এবং ছাত্রদের পাসের হার ছিল ৬৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ। এরপর চলতি বছরে ছাত্রীদের পাসের হার ৬৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ এবং ছাত্রদের পাসের হার ৫৭ দশমিক ৮৬ শতাংশ। ব্যবধান যথারীতি ৮ দশমিক ৮ শতাংশ পয়েন্টে।
লক্ষণীয় বিষয় হলো, সামগ্রিক পাসের হার যখন কমেছে, তখন ছেলে-মেয়ের ব্যবধান বরং বেড়েছে। এর মানে দাঁড়ায়, যেকোনো প্রতিকূল পরিস্থিতিতে—কঠিন প্রশ্নপত্র হোক বা কড়া মূল্যায়ন, মেয়েরাই ভালো ফল করছে। ২০২৪ সালে ফল প্রকাশের সময় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী নিজেই ছাত্রদের পিছিয়ে থাকার কারণ খুঁজে বের করার নির্দেশ দিয়েছিলেন, যা প্রমাণ করে বিষয়টি নীতিনির্ধারক পর্যায়েও গুরুত্ব পাচ্ছে।
শিক্ষাবিদ ও গবেষকদের বিশ্লেষণে কয়েকটি কারণ বারবার উঠে আসে। প্রথমত, পারিবারিক ও অর্থনৈতিক চাপ। দ্য ডেইলি স্টারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালে ছেলেদের স্কুল থেকে ঝরে পড়ার হার ছিল ১৪ দশমিক ১২ শতাংশ, যা ২০২৪ সালে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯ দশমিক শূন্য ২ শতাংশে। অন্যদিকে একই সময়ে মেয়েদের ঝরে পড়ার হার বেড়েছে তুলনামূলক কম হারে, ১২ দশমিক ৩২ থেকে ১৩ দশমিক ৩৬ শতাংশে। প্রতিবেদনে এই প্রবণতার পেছনে মূল্যস্ফীতিজনিত আর্থিক চাপ এবং অল্প বয়সে শ্রমবাজারে প্রবেশকে কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
এর সঙ্গে সংগতিপূর্ণ তথ্য মেলে জাতীয় শিশুশ্রম পরিসংখ্যানেও। পরিসংখ্যানটির উদ্ধৃতি দিয়ে প্রথম আলো জানিয়েছে, দেশে প্রায় ১৭ লাখ ৮০ হাজার শিশু বর্তমানে শ্রমে নিয়োজিত, যাদের মধ্যে প্রায় ১৩ লাখ ৭০ হাজারই ছেলে, মেয়ে মাত্র ৪ লাখ। অর্থাৎ নিম্ন ও নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারে আর্থিক চাপ মোকাবিলায় ছেলে সন্তানদের কাজে পাঠানোর প্রবণতা মেয়েদের তুলনায় বহুগুণ বেশি। এই প্রবণতা তাদের পড়াশোনায় মনোযোগ ও ধারাবাহিকতা দুটোতেই আঘাত হানছে।
দ্বিতীয়ত, ডিজিটাল আসক্তি ও অবসর কাটানোর ধরন। কোভিড-১৯ পরবর্তী বাংলাদেশের স্কুলগামী কিশোর-কিশোরীদের নিয়ে পরিচালিত ‘পোস্ট কোভিড ইন্টারনেট অ্যাডিকশন’ শীর্ষক জাতীয় পর্যায়ের গবেষণায় দেখা গেছে, দেশের ৬২ দশমিক ৯ শতাংশ শিক্ষার্থী পর্নোগ্রাফি আসক্তিতে ভুগছে এবং ৬৩ শতাংশ ইন্টারনেট আসক্তিতে আক্রান্ত। গবেষণার প্রধান গবেষক আবু বকর সিদ্দিক তাঁর গবেষণাপ্রবন্ধে লিখেছেন, ছেলে শিক্ষার্থীরা মেয়েদের তুলনায় ইন্টারনেট আসক্তিতে বেশি আক্রান্ত।
তৃতীয়ত, তদারকি ও শৃঙ্খলার পার্থক্য। জার্নাল অব অ্যাডোলেসেন্ট হেলথ-এ প্রকাশিত বাংলাদেশের ওপর একটি গবেষণায় দেখা গেছে, সামাজিক সম্মান ও নিরাপত্তার ধারণার কারণে কিশোরী মেয়েদের চলাফেরা, বিপরীত লিঙ্গের সঙ্গে মেলামেশা ও সিদ্ধান্তগ্রহণের স্বাধীনতার ওপর পরিবার উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে। গবেষণায় আরও উঠে এসেছে, মেয়ের পড়াশোনায় ভালো ফল ও পারিবারিক প্রত্যাশিত আচরণবিধি মেনে চলাটাই তার বিয়ে বিলম্বিত করার প্রধান শর্ত হিসেবে বিবেচিত হয়। এর প্রভাব পড়ে পরীক্ষার ফলেও।
চতুর্থত, সৃজনশীল ও ভাষাভিত্তিক বিষয়ে দুর্বলতা। পিসা (প্রোগ্রাম ফর ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট অ্যাসেসমেন্ট) ও পার্লস (প্রোগ্রেস ইন ইন্টারন্যাশনাল রিডিং লিটারেসি স্টাডি)-এর মতো আন্তর্জাতিক মূল্যায়নে বিশ্বব্যাপী পনেরো বছর বয়সী মেয়েরা ছেলেদের তুলনায় পঠন-বোধগম্যতায় ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে থাকে। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল অ্যাসেসমেন্ট অব এডুকেশনাল প্রগ্রেসেও ১৯৭১ সাল থেকে প্রতিটি গ্রেডে মেয়েরা পঠন দক্ষতায় ছেলেদের চেয়ে এগিয়ে। বাংলাদেশও এই প্রবণতার বাইরে নয়।
ব্যবধান একবার তৈরি হলে তা শুধু মাধ্যমিক পর্যায়ে সীমাবদ্ধ থাকে না, উচ্চশিক্ষা ও কর্মজীবনেও এর রেশ থেকে যায়। তবে উদ্বেগের বিষয় হলো, ছেলেদের পিছিয়ে পড়ার প্রবণতা নিয়ে যেভাবে টার্গেট করে গবেষণা ও নীতিনির্ধারণী পদক্ষেপ দরকার, বাস্তবে তার ঘাটতি স্পষ্ট। মেয়েদের শিক্ষায় এগিয়ে নিতে গত দুই দশকে উপবৃত্তি, নিরাপদ যাতায়াত ও সচেতনতামূলক নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যার সুফলও মিলেছে। ছেলেদের স্কুলে ধরে রাখতে, তাদের ডিজিটাল আসক্তি কমাতে এবং পড়াশোনায় মনোযোগী রাখতে একই ধরনের লক্ষ্যভিত্তিক উদ্যোগ কি নেওয়া হবে?

বরাবরের মতো এবারও এসএসসির ফলে চমক দেখিয়েছে মেয়েরা। এবার ছাত্রীদের পাসের হার ৬৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ, আর ছাত্রদের ৫৭ দশমিক ৮৬ শতাংশ। অর্থাৎ ছাত্রীরা ছাত্রদের চেয়ে প্রায় ৮ দশমিক ৮ শতাংশ পয়েন্ট এগিয়ে। জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের হিসাবেও একই চিত্র। ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জনের মধ্যে ৬৩ হাজার ৮৯৬ জনই ছাত্রী। অন্যদিকে জিপিএ-৫ পাওয়া ছাত্র মাত্র ৫২ হাজার ৭৮০ জন।
এই ঘটনা নতুন নয়। গত কয়েক বছরের পরিসংখ্যান ঘাঁটলে দেখা যায়, মেয়েদের এগিয়ে যাওয়া একটি ধারাবাহিক এবং বাড়তে থাকা প্রবণতা।
২০২২ সালের ছাত্রীদের পাসের হার ছিল ৮৭ দশমিক ৭১ শতাংশ এবং ছাত্রদের পাসের হার ছিল ৮৭ দশমিক ১৬ শতাংশ। ব্যবধান ছিল মাত্র শূন্য দশমিক ৫৫ শতাংশ পয়েন্ট। এরপর ২০২৩ সালে ছাত্রীদের পাসের হার ছিল ৮০ দশমিক ৩৫ শতাংশ আর ছাত্রদের ছিল ৭৮ দশমিক ৪০ শতাংশ। পরের বছর ছাত্রীদের পাসের হার ছিল ৮৪ দশমিক ৪৭ শতাংশ এবং ছাত্রদের পাসের হার ছিল ৮১ দশমিক ৫৭ শতাংশ। ২০২৫ সালেও এ ধারা অব্যাহত ছিল। ওই বছর ছাত্রীদের পাসের হার ছিল ৭১ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ এবং ছাত্রদের পাসের হার ছিল ৬৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ। এরপর চলতি বছরে ছাত্রীদের পাসের হার ৬৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ এবং ছাত্রদের পাসের হার ৫৭ দশমিক ৮৬ শতাংশ। ব্যবধান যথারীতি ৮ দশমিক ৮ শতাংশ পয়েন্টে।
লক্ষণীয় বিষয় হলো, সামগ্রিক পাসের হার যখন কমেছে, তখন ছেলে-মেয়ের ব্যবধান বরং বেড়েছে। এর মানে দাঁড়ায়, যেকোনো প্রতিকূল পরিস্থিতিতে—কঠিন প্রশ্নপত্র হোক বা কড়া মূল্যায়ন, মেয়েরাই ভালো ফল করছে। ২০২৪ সালে ফল প্রকাশের সময় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী নিজেই ছাত্রদের পিছিয়ে থাকার কারণ খুঁজে বের করার নির্দেশ দিয়েছিলেন, যা প্রমাণ করে বিষয়টি নীতিনির্ধারক পর্যায়েও গুরুত্ব পাচ্ছে।
শিক্ষাবিদ ও গবেষকদের বিশ্লেষণে কয়েকটি কারণ বারবার উঠে আসে। প্রথমত, পারিবারিক ও অর্থনৈতিক চাপ। দ্য ডেইলি স্টারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালে ছেলেদের স্কুল থেকে ঝরে পড়ার হার ছিল ১৪ দশমিক ১২ শতাংশ, যা ২০২৪ সালে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯ দশমিক শূন্য ২ শতাংশে। অন্যদিকে একই সময়ে মেয়েদের ঝরে পড়ার হার বেড়েছে তুলনামূলক কম হারে, ১২ দশমিক ৩২ থেকে ১৩ দশমিক ৩৬ শতাংশে। প্রতিবেদনে এই প্রবণতার পেছনে মূল্যস্ফীতিজনিত আর্থিক চাপ এবং অল্প বয়সে শ্রমবাজারে প্রবেশকে কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
এর সঙ্গে সংগতিপূর্ণ তথ্য মেলে জাতীয় শিশুশ্রম পরিসংখ্যানেও। পরিসংখ্যানটির উদ্ধৃতি দিয়ে প্রথম আলো জানিয়েছে, দেশে প্রায় ১৭ লাখ ৮০ হাজার শিশু বর্তমানে শ্রমে নিয়োজিত, যাদের মধ্যে প্রায় ১৩ লাখ ৭০ হাজারই ছেলে, মেয়ে মাত্র ৪ লাখ। অর্থাৎ নিম্ন ও নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারে আর্থিক চাপ মোকাবিলায় ছেলে সন্তানদের কাজে পাঠানোর প্রবণতা মেয়েদের তুলনায় বহুগুণ বেশি। এই প্রবণতা তাদের পড়াশোনায় মনোযোগ ও ধারাবাহিকতা দুটোতেই আঘাত হানছে।
দ্বিতীয়ত, ডিজিটাল আসক্তি ও অবসর কাটানোর ধরন। কোভিড-১৯ পরবর্তী বাংলাদেশের স্কুলগামী কিশোর-কিশোরীদের নিয়ে পরিচালিত ‘পোস্ট কোভিড ইন্টারনেট অ্যাডিকশন’ শীর্ষক জাতীয় পর্যায়ের গবেষণায় দেখা গেছে, দেশের ৬২ দশমিক ৯ শতাংশ শিক্ষার্থী পর্নোগ্রাফি আসক্তিতে ভুগছে এবং ৬৩ শতাংশ ইন্টারনেট আসক্তিতে আক্রান্ত। গবেষণার প্রধান গবেষক আবু বকর সিদ্দিক তাঁর গবেষণাপ্রবন্ধে লিখেছেন, ছেলে শিক্ষার্থীরা মেয়েদের তুলনায় ইন্টারনেট আসক্তিতে বেশি আক্রান্ত।
তৃতীয়ত, তদারকি ও শৃঙ্খলার পার্থক্য। জার্নাল অব অ্যাডোলেসেন্ট হেলথ-এ প্রকাশিত বাংলাদেশের ওপর একটি গবেষণায় দেখা গেছে, সামাজিক সম্মান ও নিরাপত্তার ধারণার কারণে কিশোরী মেয়েদের চলাফেরা, বিপরীত লিঙ্গের সঙ্গে মেলামেশা ও সিদ্ধান্তগ্রহণের স্বাধীনতার ওপর পরিবার উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে। গবেষণায় আরও উঠে এসেছে, মেয়ের পড়াশোনায় ভালো ফল ও পারিবারিক প্রত্যাশিত আচরণবিধি মেনে চলাটাই তার বিয়ে বিলম্বিত করার প্রধান শর্ত হিসেবে বিবেচিত হয়। এর প্রভাব পড়ে পরীক্ষার ফলেও।
চতুর্থত, সৃজনশীল ও ভাষাভিত্তিক বিষয়ে দুর্বলতা। পিসা (প্রোগ্রাম ফর ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট অ্যাসেসমেন্ট) ও পার্লস (প্রোগ্রেস ইন ইন্টারন্যাশনাল রিডিং লিটারেসি স্টাডি)-এর মতো আন্তর্জাতিক মূল্যায়নে বিশ্বব্যাপী পনেরো বছর বয়সী মেয়েরা ছেলেদের তুলনায় পঠন-বোধগম্যতায় ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে থাকে। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল অ্যাসেসমেন্ট অব এডুকেশনাল প্রগ্রেসেও ১৯৭১ সাল থেকে প্রতিটি গ্রেডে মেয়েরা পঠন দক্ষতায় ছেলেদের চেয়ে এগিয়ে। বাংলাদেশও এই প্রবণতার বাইরে নয়।
ব্যবধান একবার তৈরি হলে তা শুধু মাধ্যমিক পর্যায়ে সীমাবদ্ধ থাকে না, উচ্চশিক্ষা ও কর্মজীবনেও এর রেশ থেকে যায়। তবে উদ্বেগের বিষয় হলো, ছেলেদের পিছিয়ে পড়ার প্রবণতা নিয়ে যেভাবে টার্গেট করে গবেষণা ও নীতিনির্ধারণী পদক্ষেপ দরকার, বাস্তবে তার ঘাটতি স্পষ্ট। মেয়েদের শিক্ষায় এগিয়ে নিতে গত দুই দশকে উপবৃত্তি, নিরাপদ যাতায়াত ও সচেতনতামূলক নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যার সুফলও মিলেছে। ছেলেদের স্কুলে ধরে রাখতে, তাদের ডিজিটাল আসক্তি কমাতে এবং পড়াশোনায় মনোযোগী রাখতে একই ধরনের লক্ষ্যভিত্তিক উদ্যোগ কি নেওয়া হবে?
.png)

এবারের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে একটি সংখ্যা নিয়ে—৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। গত বছরের ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ থেকে এবার পাসের হার নেমে এসেছে প্রায় ছয় শতাংশ পয়েন্ট নিচে। জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যাতেও ধস নেমেছে।
৪ ঘণ্টা আগে
শেখ হাসিনার ভারতে আশ্রয় নেওয়ার ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে আছে ভারতের দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক ইতিহাস, প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সম্পর্ক এবং রাজনৈতিক শরণার্থীদের আশ্রয় দেওয়ার পুরনো নীতি। দক্ষিণ এশিয়ার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব অতীতে ভারতে আশ্রয় পেয়েছেন। দেখে নেওয়া যাক, কারা তাঁরা?
০৯ আগস্ট ২০২৬
দুই দশকের বেশি সময় ধরে আলোচনায় থাকলেও বাস্তবায়নের মুখ দেখেনি মিয়ানমার–বাংলাদেশ–ভারত গ্যাস পাইপলাইন প্রকল্প। এবার সেই উদ্যোগ আবারও নতুন করে সামনে এসেছে। জ্বালানি সংকট, দেশীয় গ্যাসক্ষেত্রের উৎপাদন কমে যাওয়া এবং ব্যয়বহুল এলএনজি আমদানির চাপের মধ্যে বাংলাদেশ মিয়ানমার থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে প্রাকৃতিক গ্য
০৯ আগস্ট ২০২৬
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শেষে দেশে ফিরলেন ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। হাতে স্টেথোস্কোপ, মাথায় প্রশ্ন—দেশ তো স্বাধীন হলো, দেশের গরিব মানুষগুলো অসুখ হলে ওষুধ কিনবে কীভাবে? বিলেতে ভাস্কুলার সার্জন হিসেবে কাজ করার সময় তিনি দেখেছিলেন, পশ্চিমা ওষুধ কোম্পানিগুলো কীভাবে গরিব দেশের বাজারে অ্যান্টিবায়োটিকের বদলে ভ
০৯ আগস্ট ২০২৬